ঢাকা ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, রোববার, ১৪ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে সোহেল-স্বপ্নার জেল আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করলেন হাইকোর্ট রবিবার বন্ধ থাকবে রাজধানীর যেসব মার্কেট ও দোকানপাট সিঙ্গাপুর, কানাডা নয়, বেটার বাংলাদেশ গড়তে চাই: প্রধানমন্ত্রী টস জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ চট্টগ্রামে পারিবারিক বিরোধের জেরে ছুরিকাঘাতে মা-মেয়ে হত্যা মুন্সীগঞ্জে টাকা লেনদেন সংক্রান্ত বিরোধের জেরে যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যা শেষ হলো ‘রুচি বিউটিগ্রাম সিজন সেভেন’ টিভিতে আজকের খেলা হাইতিকে হারিয়ে ‘সি’ গ্রুপের শীর্ষে স্কটল্যান্ড র‌্যাডিসন ব্লু ঢাকা ওয়াটার গার্ডেনে ‘টেস্ট অফ ল্যাটিন’– সুস্বাদু খাবার আর ফিফা বিশ্বকাপের দারুণ এক উৎসব ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের পাশে ফের অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে ১১ জনকে পুশইনের চেষ্টা, প্রতিহত বিজিবির বাংলাদেশ নারী দলের টি-টোয়েন্টি অভিযান আজ শুরু বিশ্ববাজারে কেন কমছে সোনার দাম? হাতিয়ায় পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ, পালিয়ে বেড়াচ্ছে পরিবার দুপুরের মধ্যে ১০ অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির শঙ্কা কোন চিহ্ন দেখে নবিজিকে চিনেছিলেন সালমান (রা.) নিজের বিরুদ্ধেও অনিয়ম-দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশের আহ্বান এমপি মুশফিকুর রহমানের মরক্কো-ব্রাজিল দ্বৈরথে কাঁপল মেটলাইফ, গ্যালারিতে ৮০ হাজারের মহাসমুদ্র! চুয়াডাঙ্গার দর্শনা সীমান্তে যুবক আটক, বিএসএফের মারধরের অভিযোগ রংপুরে চিকিৎসককে মারধর: মায়ের মরদেহ পেতে কান ধরে উঠবস যুবকের সিলেট সিটি করপোরেশনে চলতি বছরে ৫০ হাজার বৃক্ষরোপণ করা হবে: সিসিক প্রশাসক চুয়াডাঙ্গায় ট্রেনে কাটা পড়ে এক ব্যক্তির মৃত্যু সুবর্ণচরে নারীকে পিটিয়ে পদ হারালেন যুবদল নেতা সেনবাগে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের মধুখালীতে ওষুধ কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধিকে কুপিয়ে ৩ লাখ টাকা ছিনতাই ‘রোদে লিচু পোড়ায় ক্ষতির মুখে চাষি-ব্যবসায়ী’ প্রস্তাবিত বাজেটে বিএনপির নেতা-কর্মীরা খুশি ‘ফেবারিট’ তুরস্কের সামনে আত্মবিশ্বাসী অস্ট্রেলিয়া পরিদর্শন নেই, অরক্ষিত রেলপথ
Nagad desktop

দায়িত্ব থেকে সরে যেতে চান ঢাবি উপাচার্য

প্রকাশ: ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৩:৩৪ পিএম
আপডেট: ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৫:০৬ পিএম
দায়িত্ব থেকে সরে যেতে চান ঢাবি উপাচার্য
ছবি: খবরের কাগজ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য পদ থেকে দায়িত্ব থেকে সরে যেতে চান বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খান।

তিনি বলেন, ‘২০২৪ সালের আগস্ট মাসে একটি ক্রান্তিকালীন সময়ে আমরা দায়িত্ব নিয়েছিলাম। মূল লক্ষ্য ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাজকর্ম শুরু করা এবং এটিকে স্থিতিশীল পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া। আজকে প্রায় দেড় বছর পর আপনাদের সবাইকে সঙ্গে নিয়ে আমরা মোটামুটি একটি ভালো অবস্থানে আছি। সেই আপৎকালীন কিংবা বিশেষ পরিস্থিতি আমরা অংশীজনদের ভালবাসা ও সহযোগিতা এই মুহূর্তে আমরা উত্তোলন করতে পেরেছি। সুতরাং আমি এখন মনে করছি, এটি একটি দায়িত্ব পালনের পর্বে আমরা ভালো পর্যায়ে আছি এবং আমি সরে দাঁড়াতে চাই।’

মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য কার্যালয় সংলগ্ন অধ্যাপক আব্দুল মতিন চৌধুরী ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন উপাচার্য। 

উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমেদ খান বলেন, ‘এই মুহূর্তে বিশ্ববিদ্যালয়ে যেন কোনো শূন্যতা না হয়, ধারাবাহিকতা যেন বজায় থাকে; অংশীজনেরা যদি কিছু সময় নিতে চান, বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থে সেটি বিবেচনা করতে রাজি আছি। আমরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি একটি নিয়মিত রাজনৈতিক সরকার দায়িত্ব নেবেন এবং আমরা তাদেরকে পূর্ণ সহযোগিতা করব। সুতরাং, আমি সরে দাড়াচ্ছি এ কারণে যে আমি একটি বিশেষ পরিস্থিতিতে দায়িত্ব নিয়েছিলাম, এটিকে কোনো সময়ই আমি নিয়মিত চাকরি মনে করিনি। উপাচার্যের দায়িত্ব আমার কাছে একটা আমানতের মতো ছিল। আমাকে ছাত্ররা অনুরোধ করে ভালোবেসে এই দায়িত্বটা দিয়েছিলেন। আমাদের মতো তুলনামূলক বিবেচনায় অরাজনৈতিক মানুষদের বাংলাদেশে এই ধরনের পদে আসার সুযোগ কম। এটিকে আল্লাহর রহমত এবং ছাত্রদের মমতার অংশ হিসেবে মনে করি। আমি যতদূর পেরেছি আপনাদেরকে সঙ্গে নিয়ে এখন একটু স্থিতিশীল অবস্থায় এসেছি। আমি সরে দাঁড়াতে চাই যাতে রাজনৈতিক সরকার তার মতো করে তার প্রশাসন সাজিয়ে নিতে পারে। সেই ক্ষেত্রে যদি আমার সহযোগিতা তাদের কোনো দরকার হয় আমি যেকোনো সময় প্রস্তুত আছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি এখন বর্তমানে ডেপুটেশনে আছি এই পদে। ডেপুটেশনে পজিশন থেকে আমি অব্যাহতি চাইব এবং আমি আমার যে মূল কাজ শিক্ষকতা, উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের গ্রেড-১ অধ্যাপক হিসেবে আমি ফেরত যেতে চাই। এই মুহূর্তে আমি হঠাৎ করে কোনো শূন্যতা সৃষ্টি করছি না, পদত্যাগ করে চলে যাচ্ছি না।’

কেন এই সময়ে পদত্যাগ করছেন- এমন প্রশ্নের জবাবে উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমেদ খান বলেন, ‘কেননা আমি যদি এটি (পদত্যাগের) নির্বাচনের পরে করি তাহলে যেটা মনে হবে নতুন সরকারের সঙ্গে আমার কোনো মনোমালিন্য আছে। সেটি তো নেই! আমি একটি বিশেষ পরিস্থিতি এসেছিলাম, এখন সেই পরিস্থিতিটা নেই পরিস্থিতি অগ্রগতি হয়েছে। সুতরাং, আমি এই ভালো অবস্থা থেকে আমি বিদায় নিতে চাই।’

বিদায় নেওয়া প্রক্রিয়া সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘আমি মহামান্য আচার্যকে লিখব যে- আমি এই ডেপুটেশন থেকে আমাকে অব্যাহতি দিয়ে উন্নয়ন অধ্যাপক বিভাগে গ্রেড-১ অধ্যাপক হিসেবে ফিরে যেতে চাই।’

চাপের পড়ে বিদায় নিচ্ছে কি-বা জানতে চাইলে ঢাবি উপাচার্য বলেন, ‘আমি খুব সাধারণ মানুষ কিন্তু আমি চাপে নত হওয়ার মানুষ না।’

দায়িত্ব পালনে দেশের সকল রাজনৈতিক দলগুলোর কাছ থেকে সহযোগিতা পেয়েছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থে বিএনপি, জামায়াত, এনসিপির প্রধানের কাছে গিয়েছি। তারা প্রত্যেকে আমাকে অসাধারণ সম্মান জানিয়েছেন। তারা ভালো করে জানেন, আমি রাজনীতির মানুষ না। গত ১১ মাসের কোনো রকমের বড় মাপের সংঘাত-রক্তপাত হয়নি। কারণ রাজনৈতিক সংগঠনগুলো এবং ছাত্রসংগঠনগুলো মোটামুটিভাবে একটা পরিমিতিবোধ এবং সহনশীলতা দেখিয়েছেন। এটি আমার প্রতি তাদের একটি বড় উপহার। এখনও মনে করি, রাজনৈতিক দলগুলো একটা সম্পূর্ণ রাজনৈতিক মানুষকে যতটুক সহযোগিতা করা সম্ভব, তারা আসলে তা করেছে। তাই এটা মনে যেন না হয় যে, কোনো রাজনৈতিক সরকারের প্রতি বিরূপ হয়ে আমি চলে যাচ্ছি। আমার দায়িত্ব যে মাপকাপঠির ভিত্তিতে আমি দায়িত্ব নিয়েছিলাম; আমার বিবেচনায় সেই মাপকাপিঠি অর্জিত হয়েছে, আমি বিদায় নিতে চাই।’

নির্বাচিত সরকার পদে রাখতে চাইলে থাকবেন কি-না এমন প্রশ্নের জবাবে উপাচার্য বলেন, ‘এই মুহুর্তে আমি ক্লান্ত। মূল বিষয় আমি ধারাবাহিকতা রাখতে চাই। সবাই মিলে রক্ত পানি করে এই বিশ্ববিদ্যালয় একটা পর্যায়ে এসেছে। হঠাৎ করে যেন কোনো শূন্যতা না হয় সেটিই আমি করব। কিন্তু এরপরে কি হবে, আমি বিবেচনা করতে চাই। তারাও (নির্বাচিত সরকার) সময় নিক আমিও সময় নিই।’

এর আগে গত ২০২৪ সালের ২৭ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয়টির ৩০তম উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পান ড. নিয়াজ আহমেদ খান। ওই বছরের ১০ আগস্ট ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পদত্যাগপত্র জমা দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৯তম উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পান অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল।

আরিফ জাওয়াদ/অমিয়/

আরআইবিএর আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেল ব্র্যাকইউনিভার্সিটির পরিবেশবান্ধব ক্যাম্পাস

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ০৮:৪৭ এএম
আপডেট: ১৪ জুন ২০২৬, ০৮:৫৬ এএম
আরআইবিএর আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেল ব্র্যাকইউনিভার্সিটির পরিবেশবান্ধব ক্যাম্পাস
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির পরিবেশবান্ধব ইনার সিটি ক্যাম্পাস ২০২৬ সালের আরআইবিএ ইন্টারন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ডস ফর এক্সিলেন্স অর্জন করেছে। এর মাধ্যমে এটি বিশ্বের সেরা নতুন স্থাপত্য প্রকল্পগুলোর একটি হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।

সিঙ্গাপুরভিত্তিক স্থাপত্য প্রতিষ্ঠান ওহা এর নকশায় নির্মিত এই ক্যাম্পাস বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ৫২টি প্রকল্পের বৈশ্বিক সংক্ষিপ্ত তালিকা থেকে নির্বাচিত ৩৪টি প্রকল্পের মধ্যে স্থান পেয়েছে। স¤প্রতি রয়্যাল ইনস্টিটিউট অব ব্রিটিশ আর্কিটেক্টস (আরআইবিএ) এ ঘোষণা দেয়।

দুই বছর পরপর দেওয়া এই পুরস্কারের মাধ্যমে বিশ্বের সেরা ও সবচেয়ে প্রভাবশালী স্থাপত্য প্রকল্পগুলোকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। এ বছরের নির্বাচিত প্রকল্পগুলো জলবায়ু পরিবর্তন, অভিবাসন, আবাসন, দ্রুত নগরায়ণ এবং অবকাঠামোগত চ্যালেঞ্জের মতো বৈশ্বিক বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিয়েছে।

এসব প্রকল্প দেখিয়েছে কীভাবে স্থাপত্য মানুষের জীবনকে আরও ভালো করতে পারে এবং ভবিষ্যৎকে আরও টেকসই করে তুলতে পারে।

আরআইবিএ অ্যাওয়ার্ডস গ্রুপের চেয়ারম্যান নিল গিলেসপি বলেন, এ বছরের নির্বাচিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে মানুষ, স্থান এবং ভবিষ্যতের প্রতি দায়বদ্ধতার একটি শক্তিশালী প্রতিফলন রয়েছে। তিনি বলেন, পরিবেশগত, সামাজিক ও অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতার মধ্যেও এসব প্রকল্প দেখিয়েছে কীভাবে স্থাপত্য মানুষের জীবনে আনন্দ ও মর্যাদা যোগ করতে পারে।

বাহ্যিক চাকচিক্যের পরিবর্তে এসব প্রকল্প প্রেক্ষিতভিত্তিক, চিন্তাশীল এবং দীর্ঘস্থায়ী নকশার গুরুত্ব তুলে ধরেছে। একসময়কার পরিত্যক্ত ও অব্যবহৃত একটি বর্জ্যভ‚মিকে রূপান্তর করে গড়ে তোলা হয়েছে এই ক্যাম্পাস।

প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার বর্গমিটার আয়তনের এই ক্যাম্পাস পরিণত হয়েছে শিক্ষা ও নাগরিক কার্যক্রমের একটি প্রাণবন্ত কেন্দ্রে। ২ দশমিক ১৪ হেক্টর জায়গার ওপর নির্মিত ১৩ তলাবিশিষ্ট এই স্থাপনায় একটি বিশেষ স্তরভিত্তিক নকশা অনুসরণ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে নয়টি তলায় একাডেমিক কার্যক্রম এবং নিচের অংশে উন্মুক্ত ক্যাম্পাস পার্ক রাখা হয়েছে।

ক্যাম্পাসটির নকশায় জায়গার সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়েছে। এটি এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যেন এটি সামাজিক যোগাযোগ ও সম্পৃক্ততার সুযোগ তৈরি করে। এই ক্যাম্পাসে শ্রেণিকক্ষ, গবেষণাগার, অডিটোরিয়াম, মাল্টিপারপাস হল, অ্যাম্ফিথিয়েটারসহ বিভিন্ন সুবিধা রয়েছে। ছাদে রয়েছে সুইমিং পুল, ক্রিকেট পিচ এবং দৌড়ানোর ট্র্যাক।

ব্র‍্যাক ইউনিভার্সিটির ক্যাম্পাসের নকশায় প্রাকৃতিক বাতাস চলাচলের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বাতাসের স্বাভাবিক প্রবাহকে কাজে লাগিয়ে এমনভাবে চলাচলপথ তৈরি করা হয়েছে, যাতে ভবনের ভেতরে স্বাভাবিকভাবে বাতাস চলাচল করতে পারে। এর ফলে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার প্রয়োজন কম হয়। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের জন্য আরও আরামদায়ক পরিবেশ তৈরি হয়।

গ্রিন ইউনিভার্সিটির সাংবাদিকতা বিভাগে নবীনবরণ অনুষ্ঠিত

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ১০:২১ পিএম
গ্রিন ইউনিভার্সিটির সাংবাদিকতা বিভাগে নবীনবরণ অনুষ্ঠিত
নবীনবরণ অনুষ্ঠান শেষে ফটোসেশনে অংশ নেন আমন্ত্রিত অতিথি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। ছবি: সংগৃহীত

বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যম যোগাযোগ বিভাগের ২৬০তম ব্যাচকে (সামার-২০২৬) বরণ করে নিয়েছে গ্রিন ইউনিভার্সিটি।

 শনিবার (১৩ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের পূর্বাচল আমেরিকান সিটির নিজস্ব ক্যাম্পাসে এই নবীনবরণ অনুষ্ঠিত হয়।

বিভাগের  চেয়ারপারসন ড. হাবীব মোহাম্মদ আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. খাজা ইফতেখার উদ্দিন আহমেদ।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. এম শহীদুল্লাহ।

গেস্ট অব অনার হিসেবে বক্তব্য রাখেন দৈনিক খবরের কাগজের বার্তা সম্পাদক রোকেয়া রহমান।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই স্বাগত বক্তব্য দেন সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যম যোগাযোগ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. অলিউর রহমান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. খাজা ইফতেখার উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তির যুগে সাংবাদিকতা মূলত মানবীয় সৃজনশীলতা ও প্রযুক্তির যুগলবন্দিতে পরিচালিত হচ্ছে। বর্তমানে ডেটা বিশ্লেষণ, তথ্য যাচাই, অডিও-ভিডিও তৈরি ও স্বয়ংক্রিয় প্রতিবেদন তৈরিতে এআই একটি শক্তিশালী হাতিয়ার। তবে সঠিক নৈতিকতা ও তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করাই এখন গণমাধ্যমের মূল চ্যালেঞ্জ।’

তিনি আরও বলেন, ‘সাংবাদিকতার চ্যালেঞ্জ ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে সাংবাদিকতা কীভাবে আরও ফলপ্রসূ করা যায় সে বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করা জরুরি। শুধু পুঁথিগত পড়াশোনার মধ্যে নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখলেই হবে না, বর্তমান সময়ের জব মার্কেটের জন্য প্রয়োজনীয় টুলসগুলোর ওপর দক্ষতা অর্জন করতে হবে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নিজেকে স্কিল ডেভেলপমেন্টের পাশাপাশি নিজেকে ভালো মানুষ হিসেবে গড়তে হবে।’

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন সাংবাদিকতা বিভাগের প্রভাষক ও প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর মোহাম্মদ বায়েজীদ খান, প্রভাষক জান্নাতুল ফেরদৌস মীম ও নাজমুন্নাহার উর্মি।
অনুষ্ঠানে ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করেন জেএমসি ল্যাব কো-অর্ডিনেটর কাজী মাহাদী মুনতাসির। প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিডিনিউজ টুয়েন্টিফোরডটকমের প্রতিবেদক জুবায়ের আহমেদ, জেএমসি মিডিয়া ক্লাবের সভাপতি ও মেন্টার ইমু আক্তার মিম। 

নবীন শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যম যোগাযোগ বিভাগের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা। 

অনুষ্ঠান উপস্থাপনায় ছিলেন ফাইয়াজ সরকার ও নাজিফা তাবাস্সুম তাজ। পরে  গ্রুপ ফটোসেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।

এসএন/

এআই উদ্ভাবনে মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির কৃতিত্ব, ফাইনালে ‘কগনিভার্স’

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৬:১০ পিএম
এআই উদ্ভাবনে মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির কৃতিত্ব, ফাইনালে ‘কগনিভার্স’
মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির ‘কগনিভার্স’ দল। ছবি:খবরের কাগজ

দেশের অন্যতম বৃহৎ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক প্রযুক্তি প্রতিযোগিতা ‘দ্য ইনফিনিটি এআই বিল্ডফেস্ট ২০২৬’-এর চূড়ান্ত পর্বে জায়গা করে নিয়েছে সিলেটের মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির ‘কগনিভার্স’ দল।

রাজধানীর ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতার ফাইনাল রাউন্ডে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের অসংখ্য মেধাবী দল ও প্রতিযোগীর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে এই সাফল্য অর্জন করেন মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির কম্পিউটার সায়েন্স ও প্রকৌশল বিভাগের শিক্ষার্থী রাতুল সাহা রায় (৫৯তম ব্যাচ), শুভ সূত্রধর (৫৯তম ব্যাচ) এবং অনিদ্র পাল (৬২তম ব্যাচ)।

শনিবার (১৩ জুন) মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির জনসংযোগ শাখা সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ শাখা জানায়, ‘দ্য ইনফিনিটি এআই বিল্ডফেস্ট ২০২৬’ মূলত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, তথ্যপ্রযুক্তি এবং উদ্ভাবনী প্রযুক্তিনির্ভর সমাধান তৈরির একটি জাতীয় প্রতিযোগিতা। এতে অংশগ্রহণকারী দলগুলো বাস্তব সমস্যার প্রযুক্তিভিত্তিক সমাধান, বুদ্ধিমান সফটওয়্যার, যন্ত্রশিক্ষণ এবং আধুনিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির ব্যবহারিক প্রয়োগ উপস্থাপন করে। মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির ‘কগনিভার্স’ দল জিওগ্রাফি ও অ্যাস্ট্রনমি বিষয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার আলোকে সমস্যার সমাধান নিয়ে কাজ করে চূড়ান্ত পর্বে জায়গা করে নেয়।

প্রতিযোগিতাটি আয়োজন করে বাংলাদেশ ক্লাউড ক্যাম্প, সহ-আয়োজক হিসেবে ছিল ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি। এছাড়া বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান প্রতিযোগিতাটির কৌশলগত, প্রযুক্তিগত ও করপোরেট অংশীদার হিসেবে যুক্ত ছিল। প্রযুক্তি সহযোগীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিসেস, লাভেবল, রোবাস্ট, ক্যারিয়ার ক্যানভাস, ডায়ানাহোস্ট এবং অ্যাস্ট্রোনাস টেকসহ আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠান।

এ সাফল্যের জন্য ‘কগনিভার্স’ দল এখন অভিনন্দিত হচ্ছে। মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটি জিওগ্রাফি অ্যান্ড অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটির (মুগাস) সভাপতি ও ইইই বিভাগের সিনিয়র লেকচারার আহমেদ ইসতিয়াকুর রহমান অভিনন্দন বার্তায় দলের সদস্যদের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের এই অর্জন অত্যন্ত গৌরবের। জাতীয় পর্যায়ের এমন প্রতিযোগিতায় চূড়ান্ত পর্বে পৌঁছানো তাদের মেধা, সৃজনশীলতা ও কঠোর পরিশ্রমের স্বীকৃতি।’ মুগাসের কোষাধ্যক্ষ ও সিএসই বিভাগের লেকচারার ইশরার নাজাহ চৌধুরী বলেন, ‘এই সাফল্য বর্তমান ও ভবিষ্যৎ শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তি ও গবেষণাভিত্তিক কর্মকাণ্ডে আরও উৎসাহিত করবে।’

অভিনন্দন জানিয়েছেন মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ড. তৌফিক রহমান চৌধুরী। এক অভিনন্দন বার্তায় তিনি বলেন, ‘জাতীয় পর্যায়ের এই অর্জন কেবলই ব্যক্তিগত অর্জন নয়, বরঞ্চ এটি মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির প্রযুক্তিগত শিক্ষা, গবেষণা ও উদ্ভাবনী চিন্তা ও চর্চারও একটি উজ্জ্বল প্রতিফলন।’ ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান তানভীর এমও রহমান চৌধুরী শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ সাফল্য কামনা করে বলেন, ‘ধারাবাহিকভাবে শিক্ষার্থীরা তাদের মেধা ও উদ্ভাবনী শক্তির স্বাক্ষর রেখে বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম আরও সমুন্নত রাখবে।’

এসএন/

চুয়েট জব ফেয়ার-২০২৬: চাকরিপ্রত্যাশীদের পদচারণায় মুখর ক্যাম্পাস

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৪:৩৭ পিএম
চুয়েট জব ফেয়ার-২০২৬: চাকরিপ্রত্যাশীদের পদচারণায় মুখর ক্যাম্পাস
ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রত্যাশীদের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘চুয়েট জব ফেয়ার-২০২৬’।

শনিবার (১৩ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস্কেটবল মাঠে আয়োজিত এ চাকরি মেলা ছিল তিন দিনব্যাপী ‘চুয়েট ক্যারিয়ার ফেস্ট ২০২৬’-এর অন্যতম প্রধান আকর্ষণ।

সকাল থেকেই চাকরি মেলায় শিক্ষার্থীদের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস্কেটবল মাঠজুড়ে স্থাপিত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের স্টলে ভিড় করেন চাকরিপ্রত্যাশীরা। কেউ প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কর্মপরিবেশ, নিয়োগ প্রক্রিয়া ও ক্যারিয়ার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন, আবার কেউ সরাসরি জীবনবৃত্তান্ত (সিভি) জমা দেন। পুরো এলাকা দিনভর ছিল উৎসবমুখর ও প্রাণবন্ত।

মেলায় এন. মোহাম্মদ গ্রুপ, বিএসআরএম, প্রাণ, সিনজেনটা, ইস্পাহানিসহ দেশের শীর্ষস্থানীয় একাধিক প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করে। অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিরা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় করেন এবং ভবিষ্যৎ কর্মসংস্থানের বিভিন্ন সুযোগ সম্পর্কে ধারণা দেন।

প্রাণ গ্রুপের নিয়োগ ও মানবসম্পদ বিভাগের সহকারী ম্যানেজার মো. জুবায়ের হোসেন খবরের কাগজকে জানান, “আজকের এই মেলার পরিবেশ অসাধারণ। গত দুই-তিন বছরের তুলনায় এবার প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আমরা বেশ ভালো সাড়া পাচ্ছি। প্রোডাকশন, মেইনটেন্যান্স, সাপ্লাই চেইন, আইটি প্রভৃতি ক্ষেত্রে আমরা তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল, কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল, যন্ত্রকৌশল, বস্তু ও ধাতব কৌশল  বিভাগের শিক্ষার্থীদের প্রতি আমাদের আগ্রহ রয়েছে। নিয়োগের ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের পাঠ্যপুস্তক জ্ঞানের পাশাপাশি ইতিবাচক উপস্থাপনার দিকেও আমাদের নজর থাকে। ”

টেকসই ও নিরাপদ কৃষি নিয়ে কাজ করা প্রতিষ্ঠান সিনজেনটার সহকারী ম্যানেজার প্রদীপ্ত সাহা জানান, “অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের আগ্রহ ও উদ্দীপনা আমাদের মুগ্ধ করেছে। প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের ইইই, যন্ত্রকৌশল, মেকাট্রনিক্স বিভাগ থেকে আমরা প্রতিবছরই ইন্টার্ন শিক্ষার্থী নেই। ইতোমধ্যেই চুয়েটের সাবেক শিক্ষার্থী নুসরাত ও পরশ আমাদের প্রতিষ্ঠানের সাথে যুক্ত আছেন। দক্ষতা ও নিজেকে উপস্থাপনায় পারদর্শী শিক্ষার্থীরা যাতে আমাদের সাথে যুক্ত হয়, সেই আশাবাদ ব্যক্ত করছি।”

চাকরি মেলায় অংশ নেওয়া যন্ত্রকৌশল বিভাগের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী সিয়াম ইসলাম বলেন, “একসঙ্গে এতগুলো প্রতিষ্ঠানের কাছে সিভি জমা দেওয়ার সুযোগ পাওয়া সত্যিই দারুণ অভিজ্ঞতা। এতে চাকরির বাজার সম্পর্কে বাস্তব ধারণা পাওয়া যায় এবং নিজের প্রস্তুতি যাচাই করার সুযোগ তৈরি হয়।”

চুয়েট ক্যারিয়ার ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক অংকন চৌধুরী বলেন, “চাকরি মেলার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা করপোরেট জগতের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপনের সুযোগ পেয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলে তারা নিজেদের ক্যারিয়ার পরিকল্পনা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা লাভ করতে পেরেছে।”

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দুপুর ১ পর্যন্ত আয়োজিত এ চাকরি মেলায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছে পাঁচ শতাধিক জীবনবৃত্তান্ত জমা পড়েছে। 

উল্লেখ্য, গত ১১ জুন শুরু হওয়া তিন দিনব্যাপী ‘চুয়েট ক্যারিয়ার ফেস্ট ২০২৬’-এর প্রথম দিনে অনুষ্ঠিত হয় হুয়াওয়ে প্রযুক্তিগত কর্মশালা এবং অন-ক্যাম্পাস নিয়োগ পরীক্ষা। দ্বিতীয় দিনে অনুষ্ঠিত হয় উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন, রবি আজিয়াটা প্রযুক্তিগত কর্মশালা, করপোরেট সেশন, বিসিএস ও ব্যাংক চাকরি প্রস্তুতিবিষয়ক আলোচনা এবং কেস কম্পিটিশন ‘প্রেজেন্টএক্স’-এর সেমিফাইনাল ও ফাইনাল পর্ব।

উৎসবের শেষ দিনে চাকরি মেলার পাশাপাশি কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে উচ্চশিক্ষা, গবেষণা ও উদ্যোক্তা উন্নয়নবিষয়ক সেমিনার, করপোরেট দক্ষতা উন্নয়ন কর্মশালা, সমাপনী অনুষ্ঠান এবং পুরস্কার বিতরণের আয়োজন করা হয়। এর মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করার লক্ষ্য নিয়ে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী ‘চুয়েট ক্যারিয়ার ফেস্ট ২০২৬’-এর সফল সমাপ্তি ঘটে।

ইবাদ হোসেন/এসএন

পরিবেশ রক্ষায় ব্যতিক্রমী উদ্যোগ জাককানইবির এক শিক্ষার্থীর

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৩:২৩ পিএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৬, ০৩:৩৩ পিএম
পরিবেশ রক্ষায় ব্যতিক্রমী উদ্যোগ জাককানইবির এক শিক্ষার্থীর
ছবি: সংগৃহীত

ট্রেন ছুটে চলেছে নড়াইল থেকে ঢাকার পথে। আর ওই ছুটে চলা সময়েই প্রকৃতিকে সাজানোর ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাককানইবি) শিক্ষার্থী শেখ সাকিবুর রহমান। তিনি নড়াইল থেকে ঢাকায় রূপসী বাংলা এক্সপ্রেসে যাওয়ার পথে এবং জাহানাবাদ এক্সপ্রেসে ঢাকা থেকে নড়াইলে ফেরার পথে রেললাইনের দুই ধারে ২০ হাজার খেজুর বীজ ও এক হাজার কাঁঠালের বীজ ছড়িয়েছেন।

মঙ্গলবার (৯ জুন) গাছ বন্ধু নেটওয়ার্কের সহযোগিতায় তিনি গাছের বীজ ছড়ানোর মতো মহৎ একটি কাজ করেন।

শেখ সাকিবুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিল্ম অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগের একজন শিক্ষার্থী। বীজ ছড়ানোর বিষয়ে তিনি খবরের কাগজকে বলেন, কিছু পাগলামিতে যদি কিছু জীবনের জন্ম হয় তো আমি এমন পাগলামি বারবার করতে চাই। গাছ আমাদের বন্ধু। আর তাল গাছ, খেজুর গাছ এগুলো বজ্রপাত প্রতিরোধী। এজন্য গাছ লাগানোর ক্ষেত্রে আমি এই দুটো গাছ বেশি লাগাই যেন বজ্রপাতে কোনো ক্ষয়ক্ষতি না হয়। কিন্তু আজ পৃথিবীতে অতিরিক্ত হারে গাছ কাটা হচ্ছে। যা নেতিবাচক প্রভাব বিস্তার করছে প্রকৃতিতে। চারিদিকে যখন গাছ কাটার মহোৎসব চলছে, তখন আমি প্রকৃতিতে কিছু প্রাণের সঞ্চার করার জন্য এই বীজ ছড়িয়েছি। সবুজ ছড়িয়ে পড়ুক সারা বিশ্বে।

উল্লেখ্য, তিনি এর আগেও এমন সামাজিক কাজকর্ম করেছেন। গত ১১ মে নিজ উদ্যোগে নিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবন সংলগ্ন পুকুরের প্লাস্টিক ও অপচনশীল বর্জ্য পরিষ্কার করেন।

এ ছাড়াও ১৬ মে তিনি বিভিন্ন দেয়াল ও বেলকনিতে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিকভাবে জন্মানো ৪৫-৫০টি বটগাছের চারা সংগ্রহ করে ত্রিশাল উপজেলার বিভিন্ন রাস্তা ঘুরে ঘুরে রাস্তার পাশ দিয়ে ও বিভিন্ন ব্রিজের পাশে রোপণ করেন।

তাসনিম রাফি/তামান্না রুপা/