ঢাকা ১০ বৈশাখ ১৪৩২, বুধবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৫
English
বুধবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৫, ১০ বৈশাখ ১৪৩২

সাউথইস্ট বিশ্ববিদ্যালয় ও মারডক বিশ্ববিদ্যালয়ের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

প্রকাশ: ২৩ মার্চ ২০২৫, ০১:১৮ পিএম
সাউথইস্ট বিশ্ববিদ্যালয় ও মারডক বিশ্ববিদ্যালয়ের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

অস্ট্রেলিয়ার মারডক বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাদেশের সাউথইস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে অ্যাকাডেমিক সহযোগিতা জোরদারকরণ ও বৈশ্বিক সংযুক্তির লক্ষ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে।

গত ২০ মার্চ ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন মারডক ইউনিভার্সিটির ডেপুটি ভাইস-চ্যান্সেলর (গ্লোবাল এনগেজমেন্ট) অধ্যাপক সাইমন ম্যাককার্ডি এবং সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটির প্রো ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. এম. মোফাজ্জল হোসেন।

এই এমওইউ এর আওতায় উভয় প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে গবেষণা, শিক্ষাদান, পাঠ্যক্রম উন্নয়ন, শিক্ষার্থী ও শিক্ষক বিনিময়, তাদের প্রশিক্ষণ এবং যৌথ অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম পরিচালনা করবে, যা উচ্চশিক্ষায় উৎকর্ষতা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে উভয় প্রতিষ্ঠানের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করবে।

এ ছাড়া সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে গবেষণা প্রশিক্ষণ, শিক্ষক উন্নয়ন এবং যৌথ অ্যাকাডেমিক প্রকল্পের জন্য পরিকল্পনা করা হয়েছে।

এই চুক্তির মাধ্যমে মারডক বিশ্ববিদ্যালয় ও সাউথইস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্বের সূচনা হলো, যা অ্যাকাডেমিক উদ্ভাবন ও আন্তঃসাংস্কৃতিক বিনিময়ের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।

বিজ্ঞপ্তি/মেহেদী/

চট্টগ্রামে প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ভিসি নছরুল কাদির

প্রকাশ: ২৩ এপ্রিল ২০২৫, ১২:৪৫ পিএম
চট্টগ্রামে প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ভিসি নছরুল কাদির
চট্টগ্রাম প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. এস. এম. নছরুল কাদির। ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিপার্টমেন্ট অব ফাইন্যান্স বিভাগের অধ্যাপক ড. এস. এম. নছরুল কাদির চট্টগ্রাম প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর (ভিসি) পদে নিয়োগ পেয়েছেন। তিনি আগামী চার বছর এ পদে দায়িত্ব পালন করবেন।

মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের (বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়-১) সিনিয়র সহকারী সচিব এ এস এম কাশেম স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে বিষয়টি জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়- চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিপার্টমেন্ট অব ফাইন্যান্স বিভাগের অধ্যাপক ড. এস. এম. নছরুল কাদিরকে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০১০-এর ধারা ৩১ (১) অনুযায়ী ভাইস চ্যান্সেলর (ভিসি) পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

তিনি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ নির্ধারিত বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুবিধাদি প্রাপ্ত হবেন এবং আইন অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করবেন। তার নিয়োগের মেয়াদ হবে যোগদানের তারিখ থেকে চার বছর।

প্রয়োজনে রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলর যেকোনো সময় এ নিয়োগ আদেশ বাতিল করতে পারবেন।

এর আগে, চলতি বছরের ১৩ জানুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়টিতে উপাচার্য, উপ-উপাচার্য এবং কোষাধ্যক্ষ পদ পূরণ করতে ৯ জনের নামপ্রস্তাব করে মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠায় চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক)।

সরকার পতনের পর শিক্ষার্থীর আন্দোলনের মুখে গত বছরের ৬ ডিসেম্বর উপাচার্য অনুপম সেন পদত্যাগ করেন। এতদিন প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদটি শূন্য ছিল।

বিজ্ঞপ্তি/সুমন/

নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশনের সুপারিশকে স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশ হিন্দু আইন সংস্কার পরিষদ

প্রকাশ: ২৩ এপ্রিল ২০২৫, ১২:২৫ পিএম
আপডেট: ২৩ এপ্রিল ২০২৫, ১২:৪২ পিএম
নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশনের সুপারিশকে স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশ হিন্দু আইন সংস্কার পরিষদ
বাংলাদেশ হিন্দু আইন সংস্কার পরিষদ

পারিবারিক আইন পরিবর্তনের মাধ্যমে সম্পত্তির উত্তরাধিকার, সন্তানের অভিভাবকত্ব ও রক্ষণাবেক্ষণ, বিয়ে এবং বিচ্ছেদের ক্ষেত্রে সব ধর্মের নারীর সমান অধিকার নিশ্চিত করার জন্য নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশনের সুপারিশকে স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশ হিন্দু আইন সংস্কার পরিষদ।

পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক ড. ময়না তালুকদার এবং সাধারণ সম্পাদক পুলক ঘটক দ্রুত এ প্রস্তাবনা বাস্তবায়নের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।

এই প্রস্তাব বাস্তবায়ন হলে নারীর ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা ও বঞ্চনার অবসানের সঙ্গে সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতি সাধিত হবে বলে বিবৃতি দিয়েছে সংগঠনটি।

বাংলাদেশের হিন্দু, বৌদ্ধ ও বিভিন্ন আদিবাসী নারীরা সম্পত্তির উত্তরাধিকারসহ সবক্ষত্রে পুরোপুরি অধিকারবঞ্চিত হওয়ায় হিন্দু আইন সংশোধনের ব্যাপারে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া প্রয়োজন। রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশের মাধ্যমেই এটা করা সম্ভব।

জাতীয় সংসদে নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বৃদ্ধি এবং সরাসরি ভোটের মাধ্যমে নির্বাচনের প্রস্তাবসহ কমিশনের সুপারিশে অনেকগুলো অসামান্য ভাল প্রস্তাবনা আছে, যা বাস্তবায়িত হলে দেশ উপকৃত হবে।

এর সঙ্গে বাংলাদেশ হিন্দু আইন সংস্কার পরিষদের পূর্বঘোষিত ১১ দফা দাবি বাস্তবায়নের জন্য সংগঠনটি সরকারের প্রতি বিনীতভাবে অনুরোধ জানিয়েছে।

বাংলাদেশ হিন্দু আইন সংস্কার পরিষদের ১১ দফা-

১. হিন্দু উত্তরাধিকার আইন
প্রচলিত হিন্দু আইন সংশোধন করে সম্পত্তির উত্তরাধিকারের ক্ষেত্রে  লিঙ্গ বৈষম্যের সম্পূর্ণ অবসান ঘটানো প্রয়োজন। আমাদের প্রস্তাব, পিতামাতার সম্পত্তিতে সন্তানরা (লিঙ্গপরিচয় নির্বিশেষে) সমান অধিকার পাবেন। একই সঙ্গে স্বামীর সম্পত্তিতে স্ত্রী এবং স্ত্রীর সম্পত্তিতে স্বামী এক সন্তানের সমপরিমাণ উত্তরাধিকার পাবেন। সন্তান, স্বামী বা স্ত্রীর অবর্তমানে পরবর্তী উত্তরাধিকারী নির্ণয়ের প্রশ্নে পারিবারিক সম্পর্কের অন্যান্য সর্বস্তরে লিঙ্গসমতার নীতি কার্যকর হবে। নারী, পুরুষ বা লিঙ্গ স্বাতন্ত্র্য হওয়ার কারণে কেউ অধিকার বঞ্চিত হবেন না।

২. বসতভিটা সংরক্ষণ
উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত বসতভিটা ও বাড়ি বা অ্যাপার্টমেন্ট বিক্রয়ের ক্ষেত্রে ক্রেতা হিসেবে হিন্দু আইনে নির্ধারিত (লিঙ্গপরিচয় নির্বিশেষে) সপিন্ড, সাকুল্য ও সমানোদক তালিকার অন্তর্গতরা ক্রম অনুযায়ী অগ্রাধিকার পাবেন। সম-অধিকারপ্রাপ্ত শরিকদের অনাপত্তি ছাড়া হিন্দু আইনের আওতাভুক্ত নয় এমন কারও কাছে উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত বসতভিটা ও বাড়ি বিক্রয় করা যাবে না।

৩. ধর্মান্তরিত ব্যক্তির উত্তরাধিকার
হিন্দু আইন অনুযায়ী ধর্ম ও জাতিচ্যুত ব্যক্তি পূর্বপুরুষের সম্পত্তিতে উত্তরাধিকার হারান। একই নিয়মে কেউ সনাতন, বৌদ্ধ, জৈন বা পরম্পরাগত ধর্ম ত্যাগ করে হিন্দু আইনের আওতার বহির্ভূত অন্য কোনো ধর্মে চলে গেলে তিনি উত্তরাধিকার হারাবেন। তিনি পূর্বপুরুষের ধর্ম, সংস্কৃতি, জীবনাচরণ ও পরিবার ত্যাগের সঙ্গে পূর্বপুরুষের সম্পত্তিতেও অধিকার ত্যাগ করেছেন বলে গণ্য হবেন। ফলে তিনি হিন্দু আইনের আওতাধীন কোনো ব্যক্তির সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হতে পারবেন না। সব ধর্মের ক্ষেত্রেই বর্তমানে এ ব্যবস্থা চালু আছে। এ ব্যাপারে সংসদে প্রণীত সংবিধিবদ্ধ আইন না থাকলেও দেশে বিভিন্ন ধর্মের মানুষের জন্য স্বতন্ত্র পারিবারিক আইন চালু থাকায় ধর্মান্তরিতরা সম্পত্তির উত্তরাধিকার পান না। দেশের সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা, ধর্ম, সংস্কৃতি, পরিবার এবং সম্পত্তি রক্ষার প্রয়োজনে ধর্মান্তরের ক্ষেত্রে সম্পত্তির উত্তরাধিকার নিষিদ্ধ করে সংসদে সুস্পষ্ট সংবিধিবদ্ধ আইন পাস করা প্রয়োজন।

৪. বিবাহ নিবন্ধন
বৈবাহিক সম্পর্কের আইনগত ভিত্তি সুদৃঢ় করা, আগত বা অনাগত সন্তানদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষা এবং নানাবিধ জটিলতা নিরসনের জন্য হিন্দু আইনের অন্তর্ভুক্ত সব নাগরিকের দাম্পত্য সম্পর্কের নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করা প্রয়োজন।

৫. বহুবিবাহ নিয়ন্ত্রণ
বাংলাদেশে প্রচলিত হিন্দু আইনে পুরুষরা স্ত্রী থাকা সত্ত্বেও বহুবিবাহ করতে পারেন। এর কোনো আইনগত নিয়ন্ত্রণ নেই। এ ব্যবস্থা উন্নত সভ্যতা ও জীবন-সম্পর্কের প্রতিকূল। বিশেষ কিছু ব্যতিক্রমী বাস্তবতায় আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে একাধিক বিবাহ অনুমোদিত হতে পারে। এ ছাড়া বহুবিবাহের স্বেচ্ছাচার আইনগতভাবে নিষিদ্ধ করা প্রয়োজন।

৬. বিবাহ বিচ্ছেদ
ধর্মশাস্ত্রে বিবাহ বিচ্ছেদ এবং নারীর পুনর্বিবাহের সুস্পষ্ট নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশে প্রচলিত হিন্দু আইনে নারীদের একবার বিয়ে হলে তাদের জন্য কখনো কোনো অবস্থাতেই বিচ্ছেদ নিয়ে আবার বিয়ে করার অনুমতি নেই। ফলে অনেক নারীর জীবন দুর্বিষহ ও বিপন্ন হচ্ছে। ভগ্ন সম্পর্কের ক্ষেত্রে বিবাহ বিচ্ছেদ পুরুষদের জন্যেও প্রয়োজনীয়। কিন্তু আইন না থাকায় প্রয়োজনের তাগিদে অনেকে অবৈধপন্থা অনুসরণ করছেন এবং তাতে আইনের চোখে ‘অবৈধ সন্তান’ উৎপাদন হচ্ছে। তাই প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে আদালতের মাধ্যমে বিবাহ বিচ্ছেদের আইনগত বৈধতা প্রদান এবং সেজন্য সুস্পষ্ট সংবিধিবদ্ধ আইন প্রণয়ন জরুরি।

৭. বর্ণবৈষম্য রোধ
সমাজ বিবর্তনের ধারাবাহিকতায় দেশের হিন্দু সমাজের মধ্যে ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয়, বৈশ্য, শূদ্র ও বিভিন্ন উপবর্ণের নারী-পুরুষেরর মধ্যে অসবর্ণ বিবাহ হরহামেশাই ঘটছে। কিন্তু এসব বিয়ের আইনগত বৈধতা নেই। অবৈধ বিয়ের সন্তানরাও আইনত ‘অবৈধ’ বিবেচিত হয়। অবৈধ সন্তানের পৈত্রিক সম্পত্তিতে অধিকার নড়বড়ে থাকে। এগুলো মানবের প্রতি অবিচারমূলক অমানবিক দৃষ্টিভঙ্গির প্রকাশ। তাই ব্রিটিশ আমলে প্রণীত Hindu Marriage Disabilities Removal Act 1946 সংশোধন করে অসবর্ণ বিবাহের আইনগত বৈধতা প্রদান প্রয়োজন।

৮. দত্তক আইন
হিন্দু আইনে সন্তান দত্তক নেওয়া বৈধ হলেও স্বামীর অনুমতি ছাড়া নারী ও লিঙ্গবৈচিত্র্যময় জনগোষ্ঠীর দত্তক নেওয়ার অধিকার নেই। ছেলে দত্তক নেওয়া যায়, কিন্তু মেয়ে সন্তান দত্তক নেওয়া যায় না। প্রতিবন্ধী শিশুকে এবং ভিন্ন গোত্রের বা ভিন্ন বর্ণের শিশুকে দত্তক নেওয়া যায় না। এরকম নানাবিধ বৈষম্য নিরসন করে আধুনিক, উন্নত ও মানবিক দত্তক আইন প্রণয়ন প্রয়োজন।

৯. অভিভাবকত্ব আইন
সন্তানের অভিভাবকত্বের ক্ষেত্রে পিতা ও মাতার সমঅধিকার ও সমমর্যাদা প্রতিষ্ঠা এবং স্বামী-স্ত্রীর বিচ্ছেদগত প্রতিকূলতায় শিশুর প্রয়োজনীয়তাকে প্রাধান্য দেওয়া প্রয়োজন।

১০. প্রতিবন্ধীদের অধিকার
বাংলাদেশে প্রচলিত হিন্দু উত্তরাধিকার আইনে বিকলাঙ্গ, দৃষ্টি, বাক, শ্রবণ, যৌন ও মানসিক প্রতিবন্ধী এবং যক্ষ্মা ও কুষ্ঠ রোগের মতো তথাকথিত দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত ব্যক্তি সম্পত্তির অধিকার পান না। এর নিরসন দরকার। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সবার সম্পত্তির সমঅধিকার প্রতিষ্ঠা, তাদের জন্য বিশেষ নিরাপত্তা বিধান ও অগ্রাধিকারভিত্তিক সুযোগ প্রদান জরুরি।

১১. সংখ্যালঘু সুরক্ষা
সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন প্রণয়ন, জাতীয় সংখ্যালঘু কমিশন গঠন, অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ, দেবোত্তর সম্পত্তি সংরক্ষণ আইন প্রণয়ন, পার্বত্য শান্তি চুক্তি ও পার্বত্য ভূমি কমিশনের যথাযথ বাস্তবায়ন, বৈষম্য বিলোপ আইন প্রণয়ন, সমতলের আদিবাসীদের জন্যে পৃথক ভূমি কমিশন গঠন করা জরুরি।

বিজ্ঞপ্তি/সুমন/

আরসিআরইউয়ের ১৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ফিলিস্তিনে শহিদদের জন্য দোয়া

প্রকাশ: ২৩ এপ্রিল ২০২৫, ১২:০৩ পিএম
আরসিআরইউয়ের ১৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ফিলিস্তিনে শহিদদের জন্য দোয়া
রাজশাহী কলেজ রিপোর্টার্স ইউনিটির ১৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বর্ণাঢ্য র‍্যালি। ছবি: বিজ্ঞপ্তি

‘সত্যের সন্ধানে’ স্লোগানকে সামনে রেখে রাজশাহী কলেজ রিপোর্টার্স ইউনিটির (আরসিআরইউ) ১৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) এ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি, বৃক্ষরোপণ, আলোচনা সভা এবং ফিলিস্তিনে ইসরায়েলি বাহিনীর বর্বরোচিত হামলায় শহিদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া করা হয়।

দিনব্যাপী আয়োজনের অংশ হিসেবে বেলা ১১টায় একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি কলেজের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে এবং ইউনিটির কার্যালয়ের সামনের চত্বরে একটি বৃক্ষরোপণ করা হয়। 

এর পর হাজী মোহাম্মদ মহসিন ভবনের গ্যালারি রুমে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী কলেজের উপাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মো. ইব্রাহিম আলী।

আরসিআরইউয়ের সভাপতি আবু সাঈদ রনির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ প্রফেসর মহা. হবিবুর রহমান। 

ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আলিমের সঞ্চালনায় সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন কলেজ শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক প্রফেসর ড. মো. সেরাজ উদ্দিন, ইউনিটির শিক্ষক উপদেষ্টা ও দর্শন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. সৈয়দ আলী আহসান, শিক্ষক উপদেষ্টা ও মনোবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. আজমত আলী, শিক্ষক উপদেষ্টা ও বাংলা বিভাগের প্রভাষক মো. মোস্তাফিজুর রহমান।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মো. ইব্রাহিম আলী বলেন, ‘ফিলিস্তিনের নিরীহ জনগণের ওপর দীর্ঘদিন ধরে যে মানবতাবিরোধী হত্যাযজ্ঞ চালানো হচ্ছে, তা সভ্যতা ও মানবিকতার পরিপন্থি। একজন মুসলিম হিসেবে, একজন মানবতাবাদী মানুষ হিসেবেও এটি মেনে নেওয়া অত্যন্ত কষ্টকর। এই নিষ্ঠুরতার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিকভাবে সোচ্চার হওয়া জরুরি। রাজশাহী কলেজ রিপোর্টার্স ইউনিটি সময়োপযোগী বিষয়ে আলোচনার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সচেতন করে তুলছে, যা অত্যন্ত প্রশংসনীয়।’

প্রাক্তন অধ্যক্ষ প্রফেসর মহা. হবিবুর রহমান বলেন, ‘রাজশাহী কলেজ রিপোর্টার্স ইউনিটির পথচলা সহজ ছিল না। শুরুতে এটি ছিল সীমিত কিছু শিক্ষার্থীর উদ্যোগ। আজ এই সংগঠনের সদস্যরা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কাজ করছে, যা আমাদের গর্বিত করে। শিক্ষার্থীদের সাংবাদিকতায় যুক্ত করে সত্য ও ন্যায়ের পথে অনুপ্রাণিত করার ক্ষেত্রে আরসিআরইউয়ের ভূমিকা অনস্বীকার্য।’

শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক ড. মো. সেরাজ উদ্দিন বলেন, ‘সাংবাদিকতা হচ্ছে একটি দায়িত্বশীল পেশা। আরসিআরইউ তার সদস্যদের নৈতিকতা, দক্ষতা ও দায়বদ্ধতার মাধ্যমে সেই দায়িত্ব পালনের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। রাজশাহী কলেজের ইতিহাসে এ ধরনের একটি প্ল্যাটফর্ম ছাত্রদের ভাবনার জগৎকে প্রসারিত করতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখছে।’

অনুষ্ঠানে ইউনিটির সাবেক প্রশিক্ষণ ও প্রকাশনা সম্পাদক এবং এখন টিভির রাজশাহী ব্যুরো প্রধান রাকিবুল হাসান রাজিব, সাবেক সভাপতি বাবর মাহমুদ, সাবেক সভাপতি ও কমিটি উপদেষ্টা আব্দুল হাকিম, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক হাদিসুর রহমান, আইটি এক্সপার্ট নাহিদ ইসলাম, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব ওলিউর রহমান বাবু, রাজশাহী কলেজ শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক খালেদ বিন ওয়ালিদ আবির ও কলেজ শাখা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি মোশাররফ হোসেন বক্তব্য রাখেন।

এ সময় ইউনিটির যুগ্ম সম্পাদক সুজন হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক জুল ইকরাম ফেরদৌস ইবতিদা, দপ্তর সম্পাদক  মো. শাহাদাত হোসেন, অর্থ সম্পাদক ইব্রাহিম হোসেন, প্রশিক্ষণ ও প্রকাশনা সম্পাদক আল সাকিব, তথ্য ও প্রচার সম্পাদক মুজাহিদুল ইসলাম, নির্বাহী সদস্য ফারহানা ইয়াসমিন ছন্দা, সদস্য উম্মে সিদ্দিকা সুইটিসহ সহযোগী সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

বিজ্ঞপ্তি/পপি/

গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরকে ভিত্তিহীন বলেছে মেঘনা গ্রুপ

প্রকাশ: ২৩ এপ্রিল ২০২৫, ১০:০২ এএম
গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরকে ভিত্তিহীন বলেছে মেঘনা গ্রুপ

সম্প্রতি কিছু গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরকে ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছে দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্প গোষ্ঠী মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ (এমজিআই)। 

গত সোমবার (২২ এপ্রিল) এমজিআইয়ের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে এ ব্যাপারে প্রতিষ্ঠানটির অবস্থান তুলে ধরা হয়েছে। 

শীর্ষস্থানীয় এই শিল্প গোষ্ঠী জানিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ করা হয়েছে, তার সবকিছুই মিথ্যা। এমজিআই জানায়, ‘সম্প্রতি কিছু সংবাদমাধ্যমে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগের মাধ্যমে আমাদের সুনাম ক্ষুণ্ণ করার উদ্দেশ্যে প্রকাশিত কিছু বিভ্রান্তিমূলক প্রতিবেদন নজরে এসেছে। এমজিআই থেকে আমরা এসব অভিযোগ দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করছি এবং দৃঢ় বিশ্বাসের সঙ্গে বলছি, যেকোনো স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্ত- সেটি দেশি হোক অথবা আন্তর্জাতিক পর্যায়ের হোক, আমাদের সব প্রচলিত আইন ও নিয়মকানুন মেনে চলার বিষয়টি পুনর্ব্যক্ত করবে।’

মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, ‘আমরা অভ্যন্তরীণ শাসনব্যবস্থা কঠোরভাবে অনুসরণ করে থাকি এবং নিয়মিত নিরপেক্ষ অডিট সম্পন্ন হয়ে থাকে। আমরা দৃঢ়তার সঙ্গে বলতে পারি, নিরপেক্ষ তদন্ত হলে আমাদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যাবে না।’

এমজিআই জানায়, কিছু অভিযোগ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে করা হয়েছে, যার লক্ষ্য হলো বাংলাদেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় একটি শিল্প গ্রুপকে অস্থিতিশীল করে তোলা। শিল্প গ্রুপটি সব স্টেকহোল্ডার, বিশেষ করে সংবাদমাধ্যমগুলোকে বস্তুনিষ্ঠ ও সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে দায়িত্বশীলতার সঙ্গে সাংবাদিকতা করার অনুরোধ জানিয়েছে। 

রাকাবের পরিচালনা পর্ষদের ৫৯১তম সভা অনুষ্ঠিত

প্রকাশ: ২৩ এপ্রিল ২০২৫, ০৯:২৩ এএম
আপডেট: ২৩ এপ্রিল ২০২৫, ১২:০৫ পিএম
রাকাবের পরিচালনা পর্ষদের ৫৯১তম সভা অনুষ্ঠিত
রাকাবের পরিচালনা পর্ষদের ৫৯১তম সভা অনুষ্ঠিত। ছবি: বিজ্ঞপ্তি

রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের (রাকাব) পরিচালনা পর্ষদের ৫৯১তম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টায় ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের বোর্ডরুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। 

এতে সভাপতিত্ব করেন রাকাব পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আলী। 

সভায় ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওয়াহিদা বেগম এবং পরিচালনা পর্ষদের পরিচালকরা রংপুর বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার মো. শহিদুল ইসলাম, এনডিসি; রাজশাহী বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার খোন্দকার আজিম আহমেদ এনডিসি; মৎস্য অধিদপ্তর রাজশাহী বিভাগের উপ-পরিচালক মো. আব্দুল ওয়াহেদ মণ্ডল; প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর রংপুর বিভাগের পরিচালক ডা. মো. আব্দুল হাই সরকার; কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, রাজশাহী অতিরিক্ত পরিচালক ড. মো. আজিজুর রহমান; কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, রংপুরের অতিরিক্ত পরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম এবং পর্ষদ সচিবালয়ের সচিব মো. সানা উল্লাহ অংশ নেন। 

এ সভায় ব্যাংকের সার্বিক কাজের ওপর আলোচনা করে ব্যবসায়িক ও প্রশাসনিক বিষয়ে বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বিজ্ঞপ্তি/পপি/