ঢাকা ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, রোববার, ১৪ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
সিঙ্গাপুর, কানাডা নয়, বেটার বাংলাদেশ গড়তে চাই: প্রধানমন্ত্রী টস জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ চট্টগ্রামে পারিবারিক বিরোধের জেরে ছুরিকাঘাতে মা-মেয়ে হত্যা মুন্সীগঞ্জে টাকা লেনদেন সংক্রান্ত বিরোধের জেরে যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যা শেষ হলো ‘রুচি বিউটিগ্রাম সিজন সেভেন’ টিভিতে আজকের খেলা হাইতিকে হারিয়ে ‘সি’ গ্রুপের শীর্ষে স্কটল্যান্ড র‌্যাডিসন ব্লু ঢাকা ওয়াটার গার্ডেনে ‘টেস্ট অফ ল্যাটিন’– সুস্বাদু খাবার আর ফিফা বিশ্বকাপের দারুণ এক উৎসব ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের পাশে ফের অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে ১১ জনকে পুশইনের চেষ্টা, প্রতিহত বিজিবির বাংলাদেশ নারী দলের টি-টোয়েন্টি অভিযান আজ শুরু বিশ্ববাজারে কেন কমছে সোনার দাম? হাতিয়ায় পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ, পালিয়ে বেড়াচ্ছে পরিবার দুপুরের মধ্যে ১০ অঞ্চলে ঝড়ের শঙ্কা কোন চিহ্ন দেখে নবিজিকে চিনেছিলেন সালমান (রা.) নিজের বিরুদ্ধেও অনিয়ম-দুর্নীতির সংবাদ প্রকাশের আহ্বান এমপি মুশফিকুর রহমানের মরক্কো-ব্রাজিল দ্বৈরথে কাঁপল মেটলাইফ, গ্যালারিতে ৮০ হাজারের মহাসমুদ্র! চুয়াডাঙ্গার দর্শনা সীমান্তে যুবক আটক, বিএসএফের মারধরের অভিযোগ রংপুরে চিকিৎসককে মারধর: মায়ের মরদেহ পেতে কান ধরে উঠবস যুবকের সিলেট সিটি করপোরেশনে চলতি বছরে ৫০ হাজার বৃক্ষরোপণ করা হবে: সিসিক প্রশাসক চুয়াডাঙ্গায় ট্রেনে কাটা পড়ে এক ব্যক্তির মৃত্যু সুবর্ণচরে নারীকে পিটিয়ে পদ হারালেন যুবদল নেতা সেনবাগে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল দুই ভাইয়ের মধুখালীতে ওষুধ কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধিকে কুপিয়ে ৩ লাখ টাকা ছিনতাই ‘রোদে লিচু পোড়ায় ক্ষতির মুখে চাষি-ব্যবসায়ী’ প্রস্তাবিত বাজেটে বিএনপির নেতা-কর্মীরা খুশি ‘ফেবারিট’ তুরস্কের সামনে আত্মবিশ্বাসী অস্ট্রেলিয়া পরিদর্শন নেই, অরক্ষিত রেলপথ বাংলাদেশ সাইবার সিকিউরিটি অলিম্পিয়াড ২০২৬ এর জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত ‘লিচুর ন্যায্য দাম পেতে সংরক্ষণ সুবিধা জরুরি’
Nagad desktop

ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে আন্তর্জাতিক মিডওয়াইফ দিবস উদযাপন

প্রকাশ: ০৬ মে ২০২৬, ০৫:৪৭ পিএম
ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে আন্তর্জাতিক মিডওয়াইফ দিবস উদযাপন
ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে আন্তর্জাতিক মিডওয়াইফ দিবস উদযাপন

মা ও নবজাতকের নিরাপদ সেবায় দক্ষ মিডওয়াইফের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আর তাই সুদক্ষ মিডওয়াইফ গড়ে তুলতে প্রয়োজন মানসম্মত শিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও বাস্তবভিত্তিক দক্ষতা। এই আহ্বানকে সামনে রেখে গত ৫ মে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে উদযাপিত হয়েছে আন্তর্জাতিক মিডওয়াইফ দিবস ২০২৬। 

দিবসটির এ বছরের প্রতিপাদ্য ছিল, “নিরাপদ মাতৃসেবায় বিশ্বব্যাপী আরও ১০ লক্ষ মিডওয়াইফ প্রয়োজন”। 

অনুষ্ঠানটির আয়োজন করেছিল ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ব্র্যাক জেমস পি গ্র্যান্ট স্কুল অব পাবলিক হেলথের মিডওয়াইফারি এডুকেশন প্রোগ্রাম। 

দিবসটি উপলক্ষে মোহাম্মদপুর ও শ্যামলীতে অনুষ্ঠিত হয় র‌্যালি, নাটক ও বিভিন্ন সচেতনতামূলক কার্যক্রম।

এসব আয়োজনের মাধ্যমে দক্ষ মিডওয়াইফের গুরুত্ব, মাতৃস্বাস্থ্য সেবায় তাদের অবদান এবং এই পেশার সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ তুলে ধরা হয়।

এছাড়াও আন্তর্জাতিক মিডওয়াইফ দিবসের অংশ হিসেবে ৪ মে মহাখালীর টিঅ্যান্ডটি মহিলা কলেজে শিক্ষার্থীদের জন্য একটি স্বাস্থ্যসেবা বিষয়ক সচেতনতামূলক কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে মাতৃস্বাস্থ্য, নবজাতকের যত্ন ও স্বাস্থ্য সচেতনতা বিষয়ে বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরা হয় এবং অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে স্বাস্থ্যবিষয়ক ধারণা বাড়াতে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

অনুষ্ঠানে মিডওয়াইফারি প্রোগ্রামের ১২তম ব্যাচের নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ করে নেওয়া হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের মাথায় ক্যাপ পরিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এই পেশায় স্বাগত জানানো হয়। নতুন শিক্ষার্থীদের জন্য এটি ছিল অনুপ্রেরণামূলক একটি মুহূর্ত।

অনুষ্ঠানে মিডওয়াইফারি শিক্ষা ও নার্সিং প্রোগ্রামের পরিচালক ডা. শারমিনা রহমান বলেন, দক্ষ মিডওয়াইফ তৈরি করা গেলে মাতৃ ও নবজাতকের স্বাস্থ্যসেবার মান আরও উন্নত করা সম্ভব। তিনি প্রশিক্ষিত মিডওয়াইফ তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদপুর ফার্টিলিটি সার্ভিস অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টারের প্রতিনিধি পারভিন সুলতানা। তিনি মিডওয়াইফারি শিক্ষায় হাতে-কলমে প্রশিক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরেন। 

তিনি বলেন, বাস্তবভিত্তিক দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা আরও সক্ষম ও পেশাগতভাবে প্রস্তুত হয়ে উঠতে পারে। দক্ষ মিডওয়াইফ তৈরি করা গেলে মাতৃমৃত্যু ও নবজাতকের মৃত্যুহার কমাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা সম্ভব।

বিজ্ঞপ্তি/

শেষ হলো ‘রুচি বিউটিগ্রাম সিজন সেভেন’

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ১০:৩৩ এএম
শেষ হলো ‘রুচি বিউটিগ্রাম সিজন সেভেন’
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

বাংলাদেশকে দেখার অভ্যাস আমাদের সবার আছে কিন্তু বাংলাদেশকে খুঁজে বের করা—সেটা তো কঠিন কাজ।

সেই খোঁজ থেকেই জন্ম নেয় ‘রুচি বিউটিগ্রাম’ – যেখানে ভ্রমণ শুধু গন্তব্য নয়, বরং ছবি, ভিডিও আর গল্পের মধ্য দিয়ে নিজের দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশের একটি প্ল্যাটফর্ম। এই ধারাবাহিক আয়োজনের সপ্তম আসর ‘রুচি বিউটিগ্রাম সিজন সেভেন’-এ দেশের নানা প্রান্তের তরুণ ক্রিয়েটররা তুলে ধরেছেন বাংলাদেশকে নিজেদের লেন্সে, নিজেদের ভাষায়।

২০২৫ এর জানুয়ারিতে শুরু হওয়া এই সিজনে অনলাইনে ওপেন সাবমিশনের মাধ্যমে অংশগ্রহণ করেন দেশের বিভিন্ন প্রান্তের কনটেন্ট ক্রিয়েটররা। অল্প সময়েই জমা পড়ে ১২ হাজারেরও বেশি ছবি, ভিডিও ও গল্প। একাধিক ধাপে বাছাই প্রক্রিয়া, বিচারকদের সঙ্গে মাস্টারক্লাস এবং নতুন করে দেওয়া টাস্ক সম্পন্ন করার পর চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয় ৪২টি ছবি, ১৮টি ভিডিও ও ২৫টি গল্প।

এই নির্বাচিত কাজগুলো নিয়েই ১১, ১২ ও ১৩ জুন, ২০২৬ তারিখে ধানমন্ডির গ্যালারি চিত্রকে আয়োজন করা হয় ‘রুচি বিউটিগ্রাম সিজন সেভেন’-এর তিন দিনব্যাপী প্রদর্শনী ও সমাপনী অনুষ্ঠান।

এবারের আসরে গল্প বিভাগে বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন লেখক-কার্টুনিস্ট আহসান হাবীব ও ট্র্যাভেলার বাবর আলী। ছবি বিভাগে বিচারক হিসেবে ছিলেন সাইফুদ্দীন হাসান চন্দন ও শফিকুল আলম কিরণ। ভিডিওগ্রাফি বিভাগে বিচারকের দায়িত্বে ছিলেন সিনেমাটোগ্রাফার রাশেদ জামান।

এবারের আসরে বিচারকদের মূল্যায়নের পাশাপাশি দর্শকদের ভোটের মাধ্যমেও বিজয়ী নির্বাচন করা হয়। অনলাইন প্ল্যাটফর্মে প্রদর্শিত নির্বাচিত ছবি, ভিডিও ও গল্প থেকে দর্শকরা তাদের পছন্দের কনটেন্টে ভোট দেন। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিযোগিতায় যুক্ত হয় দর্শকদের সরাসরি অংশগ্রহণ, যা আয়োজনটিকে আরও ইন্টারেক্টিভ করে তোলে।

প্রদর্শনীর শেষ দিনে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে রুচির পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন স্কয়ার ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেড-এর সিইও জনাব মো: পারভেজ সাইফুল ইসলাম, হেড অব মার্কেটিং জনাব ইমতিয়াজ ফিরোজ এবং প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সম্মানিত বিচারকবৃন্দ ও আমন্ত্রিত অতিথিরা।

সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, রুচি বিউটিগ্রামের মতো একটি আয়োজন দেশের তরুণ প্রজন্মকে ভ্রমণ ও সৃজনশীল কনটেন্ট তৈরিতে উৎসাহিত করছে। ছবি, ভিডিও ও গল্পের মাধ্যমে বাংলাদেশকে নতুনভাবে তুলে ধরার এই উদ্যোগ দেশের সৃজনশীল চর্চাকে আরও সমৃদ্ধ করবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

স্কয়ার ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেড-এর পক্ষ থেকে সিইও জনাব মো: পারভেজ সাইফুল ইসলাম এই সফল আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত সকল অংশগ্রহণকারী, দর্শক ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি ভবিষ্যতেও এ ধরনের সৃজনশীল আয়োজনের মাধ্যমে বাংলাদেশের গল্প বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

অন্তরা/

র‌্যাডিসন ব্লু ঢাকা ওয়াটার গার্ডেনে ‘টেস্ট অফ ল্যাটিন’– সুস্বাদু খাবার আর ফিফা বিশ্বকাপের দারুণ এক উৎসব

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ১০:১৯ এএম
র‌্যাডিসন ব্লু ঢাকা ওয়াটার গার্ডেনে ‘টেস্ট অফ ল্যাটিন’– সুস্বাদু খাবার আর ফিফা বিশ্বকাপের দারুণ এক উৎসব
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

খাবারপ্রেমী এবং ফুটবল ভক্তদের জন্য এক দারুণ সুখবর নিয়ে এসেছে র‌্যাডিসন ব্লু ঢাকা ওয়াটার গার্ডেন। আগামী ১৬ জুন থেকে ৩১ জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত ওয়াটার গার্ডেন ব্র্যাসারিতে (WGB রেস্তোরাঁ) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ব্রাজিলিয়ান ও আর্জেন্টাইন খাবারের উৎসব ‘টেস্ট অফ ল্যাটিন’।

এই উৎসবের বুফে খাবারের মূল্য জনপ্রতি সর্বমোট ৮,৯৫০ টাকা (সব ট্যাক্সসহ), যেখানে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার ঐতিহ্যবাহী সব জিভে জল আনা খাবার পরিবেশন করা হবে। এছাড়া নির্দিষ্ট কিছু ব্যাংকের কার্ডে থাকছে একটি কিনলে তিনটি ফ্রি আকর্ষণীয় অফার, যা আপনার খাবারের আনন্দকে বাড়িয়ে দেবে বহুগুণ।

এই উৎসবের জন্য বিশেষভাবে তৈরি মেন্যুতে থাকছে ল্যাটিন আমেরিকার বিখ্যাত সব মূল খাবার যার মধ্যে রয়েছে গালিনহাদা (জাফরান চাল দিয়ে তৈরি ব্রাজিলিয়ান চিকেন রাইস), ফিজোয়াডা (ব্রাজিলিয়ান বিফ স্টু), কার্বোনাডা ক্রিওলা (আর্জেন্টাইন বিফ স্টু), চুপিন দে পেসকাডো (আর্জেন্টাইন ফিশ স্টু), চিমীচুরী চিকেন, ব্রাজিলিয়ান বিফ পিকাডিলো, চিকেন আসাদো এবং ভাকা এতোলাদা।

এছাড়াও অতিথিরা উপভোগ করতে পারবেন প্রিমিয়াম কোয়ালিটির গ্রিল করা মাংসের সমাহার, যা আপনাকে ল্যাটিন আমেরিকার আসল স্বাদের আমেজ দেবে। খাওয়ার শেষে মিষ্টিমুখ করার জন্য থাকছে ল্যাটিন আমেরিকার ঐতিহ্যবাহী সব ডেজার্ট, যার মধ্যে রয়েছে ব্রিগাদেইরো, পুদিম দে লেইতে, বোলো দে রলো, ব্রাজিলিয়ান কোকোনাট পুডিং, বেইজিনহো দে কোকো, বালা বাইয়ানা, আলফাহোরেস, কার্লোটা লেমন কেক, তরতা দে ফ্রুট এবং ব্যানানা ক্যারামেল হট ডেজার্ট, এর পাশাপাশি বিভিন্ন রকমের আন্তর্জাতিক কেক ও মুস তো থাকছেই।

উত্তেজনা এখানেই শেষ নয়! ফুটবলপ্রেমীদের জন্য হোটেলের ‘চিট চ্যাট’ ক্যাফেতে থাকছে বড় পর্দায় সরাসরি ফিফা বিশ্বকাপ ম্যাচ দেখার সুযোগ, সাথে থাকবে সুস্বাদু সব খাবারের মেন্যু।

বিশ্বকাপ চলাকালীন যারা ‘চিট চ্যাট’-এ আসবেন, তারা নির্দিষ্ট কিছু ব্যাংকের কার্ডে পাবেন ১০% ছাড়, ফলে পরিবার ও বন্ধুদের নিয়ে ফুটবল বিশ্বকাপ উদযাপনের জন্য এটিই হবে সেরা জায়গা। খেলা দেখার আনন্দকে আরও বাড়িয়ে দিতে এবং এই ফুটবল উন্মাদনাকে একটি বিলাসবহুল ছুটিতে রূপান্তর করতে অতিথিরা বেছে নিতে পারেন বিশেষ ‘স্টে অ্যান্ড স্কোর’ প্যাকেজ।

আরামদায়ক এই প্রিমিয়াম রুম প্যাকেজগুলো শুরু হচ্ছে মাত্র ৮,৯০০++ টাকা থেকে, যা পরিবার ও বন্ধুদের সাথে সময় কাটানোর জন্য একদম উপযুক্ত। আপনি যদি একজন ভোজনরসিক হন, ফুটবল ভক্ত হন কিংবা চমৎকার পরিবেশে দারুণ কিছু সময় কাটাতে চান— ‘টেস্ট অফ ল্যাটিন’ আপনাকে দেবে খাঁটি ল্যাটিন খাবার, উৎসবের আমেজ এবং বিশ্বমানের আতিথেয়তার এক অনন্য অভিজ্ঞতা।

বাংলাদেশ সাইবার সিকিউরিটি অলিম্পিয়াড ২০২৬ এর জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ০৮:৫৬ এএম
বাংলাদেশ সাইবার সিকিউরিটি অলিম্পিয়াড ২০২৬ এর জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সি (NCSA)-এর উদ্যোগে এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সহযোগিতায় আয়োজিত “বাংলাদেশ সাইবার সিকিউরিটি অলিম্পিয়াড ২০২৬”-এর জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতা, সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

দেশের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি, দক্ষতা উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক মানের সাইবার নিরাপত্তা প্রতিভা গড়ে তোলার লক্ষ্যে এ অলিম্পিয়াড আয়োজন করা হয়। অলিম্পিয়াড উপলক্ষে সারা দেশের ৩০০টি সংসদীয় আসনের আওতাধীন “স্কুল অব ফিউচার”-এ আইসিটি অফিসারদের মাধ্যমে একটি ব্যাপক এক্টিভেশন ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা হয়।

এ কার্যক্রমের আওতায় শিক্ষার্থীদের মাঝে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ, সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ক আলোচনা সভা আয়োজন এবং বর্তমান ও ভবিষ্যৎ সাইবার ঝুঁকি মোকাবেলায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পর্কে দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।

পাশাপাশি উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে পোস্টার, ব্যানার ও লিফলেটের মাধ্যমে ব্যাপক প্রচার কার্যক্রম পরিচালিত হয় এবং জাতীয় দৈনিক পত্রিকাসমূহে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে সারাদেশে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়।

এই উদ্যোগের ফলে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মোট ৪,৯১১ জন শিক্ষার্থী অলিম্পিয়াডে নিবন্ধন করে। গত ১৬ মে ২০২৬ তারিখে দেশের ১৭টি বিশ্ববিদ্যালয় ভেন্যুতে আঞ্চলিক পর্যায়ের প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে নিবন্ধিত শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে। প্রতিটি ভেন্যু থেকে ১ম, ২য় ও ৩য় স্থান অর্জনকারী মোট ৫১ জন শিক্ষার্থীকে নির্বাচন করা হয় এবং তাদের পুরস্কার ও সনদ প্রদান করা হয়।

আঞ্চলিক পর্যায়ে নির্বাচিত ৫১ জন শিক্ষার্থীকে নিয়ে ০৯ জুন ২০২৬ থেকে ১২ জুন ২০২৬ পর্যন্ত একটি আবাসিক মেন্টরিং বুটক্যাম্প আয়োজন করা হয়। চার দিনব্যাপী এই বুটক্যাম্পে অংশগ্রহণকারীদের উন্নত সাইবার নিরাপত্তা প্রশিক্ষণ, ব্যবহারিক অনুশীলন এবং আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার উপযোগী প্রস্তুতি প্রদান করা হয়।

বুটক্যাম্পে জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সির কর্মকর্তাদের পাশাপাশি বিডিজি ই-গভ সার্ট (BGD e-GOV CIRT)-এর সাইবার সিকিউরিটি বিশেষজ্ঞগণ মেন্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন টেকনোলজি (IIT)-এর পরিচালক অধ্যাপক ড. বি. এম. মইনুল হোসেন এবং বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (BUET) কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. এ. বি. এম. আলিম আল ইসলাম বিশেষ সেশন পরিচালনা করেন।

১২ জুন ২০২৬ তারিখে জাতীয় পর্যায়ের চূড়ান্ত প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে সেরা প্রতিযোগীদের নির্বাচন করা হয়। নির্বাচিত বিজয়ীরা আন্তর্জাতিক সাইবার নিরাপত্তা অলিম্পিয়াডে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবে।

১৩ জুন ২০২৬ তারিখে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কমপ্লেক্সে বাংলাদেশ সাইবার সিকিউরিটি অলিম্পিয়াড ২০২৬-এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব ফকির মাহবুব আনাম, এমপি, মাননীয় মন্ত্রী, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা জনাব রেহান আসিফ আসাদ।

অনুষ্ঠানে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ ও আওতাধীন দপ্তর সংস্থার উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব মোঃ মামুনুর রশীদ ভূঞা, ভারপ্রাপ্ত সচিব, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ এবং ড. মো. তৈয়বুর রহমান, মহাপরিচালক, জাতীয় সাইবার সুরক্ষা এজেন্সি।

বক্তারা দেশের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে সাইবার নিরাপত্তা দক্ষতা বিকাশ এবং আন্তর্জাতিক মানের সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ তৈরিতে এ ধরনের উদ্যোগের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তারা আশা প্রকাশ করেন যে, এই অলিম্পিয়াডের মাধ্যমে গড়ে ওঠা নতুন প্রজন্ম ভবিষ্যতে দেশের ডিজিটাল অবকাঠামো সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের মর্যাদা আরও বৃদ্ধি করবে।

বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে আগারগাঁওয়ে ‘রান ফর আর্থ’ আয়োজন

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৮:৪১ পিএম
বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে আগারগাঁওয়ে ‘রান ফর আর্থ’ আয়োজন
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পরিবেশ সুরক্ষা ও জলবায়ু সচেতনতা বাড়াতে ব্যতিক্রমী আয়োজন করেছে তরুণদের সংগঠন ব্রাইটার্স (Brighters)। 

শনিবার (১৩ জুন) আয়োজিত ‘রান ফর আর্থ’ (Run4Earth) শীর্ষক ৭ দশমিক ৫ কিলোমিটার দীর্ঘ ম্যারাথনে অংশ নেন প্রায় ৩০০ তরুণ, জলবায়ু কর্মী ও সাধারণ নাগরিক।

আয়োজকেরা জানান, জলবায়ু সুরক্ষা, দূষণ প্রতিরোধ এবং টেকসই নগর গঠনের দাবিকে সামনে রেখে এই আয়োজন করা হয়। বিশ্ব পরিবেশ দিবসকে কেন্দ্র করে তরুণদের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সম্মিলিত উদ্যোগের বার্তা ছড়িয়ে দেওয়াই ছিল কর্মসূচির মূল লক্ষ্য।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের সাবেক প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ, অ্যাকশনএইড বাংলাদেশের ইয়ুথ অ্যান্ড ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্স লিড নাজমুল আহসানসহ বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা। কর্মসূচিটির কৌশলগত অংশীদার ছিল সি৩ইআর (C3ER- Centre for Climate Change and Environmental Research), ভলান্টিয়ার ফর এনভায়রনমেন্ট- ইয়ুথ ফর ক্লাইমেট জাস্টিস এবং স্বপ্নপুর কল্যাণ সংস্থা।

অনুষ্ঠানে মোহাম্মদ এজাজ বলেন, পরিবেশ রক্ষায় এ ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শহর ও পরিবেশ সুরক্ষায় তরুণদের আরও সক্রিয় ভূমিকা নেওয়া প্রয়োজন। গণপরিসরে এমন উদ্যোগের মাধ্যমে ইতিবাচক সামাজিক অংশগ্রহণ বাড়ানো সম্ভব বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

নাজমুল আহসান বলেন, সৃজনশীল উদ্যোগের মাধ্যমে তরুণদের মধ্যে পরিবেশ বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি পায় এবং জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় নতুন প্রজন্ম আরও উদ্যোগী হয়ে ওঠে।

ব্রাইটার্সের প্রতিষ্ঠাতা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব তীব্র তাপপ্রবাহ, বন্যা, খরা, ঘূর্ণিঝড় ও জ্বালানি অনিশ্চয়তার মতো সংকট মোকাবিলায় এককভাবে নয়, সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। এই আয়োজনের মাধ্যমে সবাইকে একসঙ্গে উদ্যোগী হওয়ার বার্তা দেওয়া হয়েছে।

আয়োজকেরা জানান, প্রথাগত সচেতনতামূলক প্রচারণার বাইরে গিয়ে অংশগ্রহণমূলক অভিজ্ঞতার মাধ্যমে মানুষকে সম্পৃক্ত করাই ছিল এ উদ্যোগের উদ্দেশ্য। একই সঙ্গে ঢাকার দূষণ নিয়ন্ত্রণ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং সবুজ স্থান সংরক্ষণে সচেতনতা বাড়িয়ে নগর ইকোসিস্টেম পুনরুদ্ধারের আহ্বান জানানো হয়।

রিফাত/

খুলনায় উপকূলীয় নারীদের জীবনসংগ্রাম নিয়ে আলোকচিত্র প্রদর্শনী

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৩:৪৩ পিএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৬, ০৩:৪৫ পিএম
খুলনায় উপকূলীয় নারীদের জীবনসংগ্রাম নিয়ে আলোকচিত্র প্রদর্শনী
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

উপকূলের নারীদের সংগ্রাম, সক্ষমতা ও নেতৃত্বের নানা দিক তুলে ধরে খুলনায় অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘উপকূলের কণ্ঠ: জলবায়ু সহনশীলতার অভিযাত্রা’ শীর্ষক আলোকচিত্র প্রদর্শনী।

জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাতে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলের মধ্যে বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা অন্যতম। এই সংকট মোকাবিলায় উপকূলীয় নারীদের নেতৃত্ব, অভিযোজন সক্ষমতা, জীবনসংগ্রাম ও কমিউনিটি-ভিত্তিক উদ্যোগের গল্প তুলে ধরতে খুলনায় অনুষ্ঠিত হয়েছে দিনব্যাপী আলোকচিত্র প্রদর্শনী ‘উপকূলের কণ্ঠ: জলবায়ু সহনশীলতার অভিযাত্রা’।

জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি)-এর উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর বিশেষত নারীদের জলবায়ু পরিবর্তনজনিত লবণাক্ততা মোকাবেলায় অভিযোজন সক্ষমতা বৃদ্ধিকরণ শীর্ষক (জেন্ডার-রেসপনসিভ কোস্টাল এডাপটেশন – জিসিএ - Gender-responsive Coastal Adaptation - GCA) জিসিএ প্রকল্পের উদ্যোগে, গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড (Green Climate Fund) এবং বাংলাদেশ সরকারের সহযোগিতায় আয়োজিত এ প্রদর্শনীর খুলনা পর্বের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান - ১৩ জুন শনিবার সকালে খুলনার শহীদ হাদিস পার্কে অনুষ্ঠিত হয়।

প্রদর্শনীতে বাংলাদেশের বিভিন্ন উপকূলীয় অঞ্চলের নারীদের জীবন ও সংগ্রামের নানা দিক আলোকচিত্রের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট লবণাক্ততা, ঘূর্ণিঝড়, নদীভাঙন ও জীবিকাগত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তাঁদের অভিযোজন কৌশল, বিকল্প জীবিকা, পানি ব্যাবস্থাপনা, সামাজিক নেতৃত্ব এবং স্থানীয় পর্যায়ের উদ্যোগ প্রদর্শনীর মূল উপজীব্য।

আয়োজকদের মতে, জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় নারীদের ভূমিকা প্রায়ই আড়ালে থেকে যায়, অথচ উপকূলীয় অঞ্চলে পরিবার ও সম্প্রদায়ের টিকে থাকার লড়াইয়ে নারীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। তাদের অভিজ্ঞতা ও সক্ষমতাকে সামনে নিয়ে আসার পাশাপাশি নারী নেতৃত্বভিত্তিক জলবায়ু অভিযোজন সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়ানোই এ আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) সুরাইয়া সিদ্দীকা, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী ইব্রাহীম মো. তৈমুর, খুলনা জেলা; ড. এস এম ফেরদৌস, সিন্ডিকেট মেম্বার, খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়; জনাব মো: নজরুল ইসলাম, উপপরিচালক, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, খুলনা; ইউএনডিপি বাংলাদেশের যোগাযোগ বিভাগের প্রধান মো. আব্দুল কাইয়ুম এবং জিসিএ প্রকল্পের জাতীয় প্রকল্প ব্যবস্থাপক মো. আব্দুল হান্নান প্রমুখ।

প্রদর্শনীটিতে আলোকচিত্রী এ.বি. রশিদের ধারণকৃত প্রায় ৮৫টি স্থিরচিত্র প্রদর্শিত হয়। সরাসরি প্রদর্শনীর পাশাপাশি এটি ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মেও আয়োজন করা হয়েছে। এর আগে গত ২১ থেকে ২৩ মে রাজধানীর দৃক গ্যালারিতে প্রদর্শনীটির ঢাকা পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য, জিসিএ প্রকল্প, গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড ও বাংলাদেশ সরকারের সহযোগিতায় উপকূলীয় অঞ্চলে, বিশেষ করে নারীদের জলবায়ু সহনশীলতা ও অভিযোজন সক্ষমতা বৃদ্ধিতে কাজ করছে। প্রকল্পটি জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীর নিরাপদ পানি, জীবিকা ও নারী নেতৃত্বভিত্তিক অভিযোজন উদ্যোগ জোরদারে ভূমিকা রাখছে।