ঠাকুরগাঁওয়ে মঙ্গলবার রাত থেকে মুষলধারে বৃষ্টি হচ্ছে। জেলার পাঁচটি উপজেলায় বুধবার (২০ মার্চ) সকাল পর্যন্ত ৩৪ মিলিমিটার বৃষ্টির রেকর্ড করা হয়েছে।
প্রচণ্ড গরমে এই বৃষ্টিতে জনজীবনে স্বস্তি নেমে এসেছে। রোজাদারদের মনে এনে দিয়েছে প্রশান্তি। তবে কিছুটা দুর্ভোগে পড়েছেন অফিস, স্কুলগামী ও খেটে খাওয়া মানুষ।
এই বৃষ্টির কারণে আম, লিচু, ভুট্টাসহ বিভিন্ন ফসলের উপকার হবে বলে জানিয়েছে কৃষি বিভাগ।
ঠাকুরগাঁও গোবিন্দনগর মুন্সিরহাটের লিচুবাগান মালিক নুর ইসলাম বলেন, এবার লিচুর প্রচুর মুকুল এসেছে। এই সময়টাতে আমাদেরকে বাগানের সেচ দিতে হয়। এতে প্রচুর টাকা ব্যয় হয়। কিন্তু বৃষ্টি হওয়ায় আমাদের সেচখরচটা বেঁচে গেল।
ভুট্টাচাষি শফিকুল ইসলাম বলেন, বেশ কয়েকদিন ধরে খরার কারণে জমিতে সেচ দেওয়ার প্রয়োজন হয়ে পড়েছিল। বৃষ্টি হওয়ায় সেটা আর প্রয়োজন হচ্ছে না। তবে বাতাস হলে আমাদের ক্ষতি হবে।
ঠাকুরগাঁও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সিরাজুল ইসলাম বলেন, ১৯ মার্চ রাত থেকে ঠাকুরগাঁওয়ের পাঁচ উপজেলায় ৩৪ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। এর মধ্যে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলায় ১৪ মিলিমিটার, হরিপুরে ৮ মিলিমিটার, পীরগঞ্জে ৬ মিলিমিটার, রাণীশংকৈলে ৪ এবং বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় ৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়। এ বৃষ্টির ফলে জেলায় কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। বৃষ্টির কারণে জমিতে সেচ দিতে হবে না কৃষকদের। এতে কৃষকরা লাভবান হবেন।
নবীন হাসান/জোবাইদা/অমিয়/