ঢাকা ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে বড় লাফ প্যারাগুয়েকে উড়িয়ে বিশ্বকাপে উড়ন্ত সূচনা যুক্তরাষ্ট্রের দুপুরের মধ্যে ১১ জেলায় ঝড়ের শঙ্কা ময়মনসিংহে হাম উপসর্গে আরও ১ শিশুর মৃত্যু প্রধানমন্ত্রীকে বরণ করতে কক্সবাজার বিমানবন্দরে নেতাকর্মীদের ঢল বরগুনায় প্যানেল চেয়ারম্যানের ওপর হামলা, গণপিটুনিতে যুবক নিহত শান্তিচুক্তির ইঙ্গিত যুক্তরাষ্ট্র–ইরানের, বিজয় দাবি তেহরানের কক্সবাজার পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী বৃষ্টিতে ভিজে প্রধানমন্ত্রীর অপেক্ষায় কক্সবাজারবাসী কক্সবাজারের পথে প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজার যাচ্ছেন আজ মেক্সিকোতে বিশ্বকাপ উদ্বোধনীর মুগ্ধতা ছড়ানো ৭ ছবি সুস্বাস্থ্যের বার্তা নিয়ে সাইকেলে টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়ায় শাহেদ রোকনপুর সীমান্তে নদীপথে পুশইনের চেষ্টা, রুখে দিল বিজিবি মানামায় বাংলাদেশ দূতাবাসে গণশুনানি অনুষ্ঠিত পাবনায় ছেলের সামনে বাবাকে হত্যা, আরও একজন গ্রেপ্তার শিবগঞ্জে পুশইনের প্রতিবাদে ১১ দলীয় জোটের বিক্ষোভ বরিশালে ইজিবাইক ও অটোরিকশার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গণমুখী বাজেট উপস্থাপনের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ফিনল্যান্ড বিএনপির অভিনন্দন রাঙ্গুনিয়ায় বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে ভ্যানগাড়ি ও নগদ অর্থ বিতরণ সাম্বার ছন্দে থেমে যাবে আটলাসের গর্জন? লাইসেন্স বাতিলে আদ্-দ্বীন ছাড়ছেন রোগীরা রাজশাহী ফুটবলপ্রেমীদের রঙিন শোভাযাত্রা ওয়ান্ডারল্যান্ড পার্কে ‘জলপরী’ প্রদর্শনী নিয়ে বিতর্ক চা শ্রমিকের সন্তানদের মধ্যে স্যানিটারি ন্যাপকিন ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ চট্টগ্রামে সরকারি খামারে প্রাণীর খাদ্য সরবরাহ বিশেষ চক্রের কাছে জিম্মি রাষ্ট্রীয় ব্যয় ও জ্বালানির দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে ইন্দোনেশিয়ায় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সেপটিক ট্যাঙ্ক থেকে অজ্ঞাত মরদেহ উদ্ধার গৌরীপুর ও মুক্তাগাছায় পানির প্রকল্প: ২ বছরে অগ্রগতি মাত্র ২০ শতাংশ রাশিয়ার দখলকৃত ভূখণ্ড পুনরুদ্ধারের দাবি ইউক্রেনের
Nagad desktop

হাসপাতালের স্ক্রিনে ‘ভয়ঙ্কর রূপে ফিরবে আ.লীগ’, যুবদলের ভাঙচুর

প্রকাশ: ০৮ জানুয়ারি ২০২৫, ০৫:৩০ পিএম
আপডেট: ০৮ জানুয়ারি ২০২৫, ০৫:৩৮ পিএম
হাসপাতালের স্ক্রিনে ‘ভয়ঙ্কর রূপে ফিরবে আ.লীগ’, যুবদলের ভাঙচুর
ছবি: খবরের কাগজ

নোয়াখালী সদরের একটি হাসপাতালের স্ক্রিনে ‘আওয়ামী লীগ আবার ভয়ঙ্কর রূপে ফিরবে, জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু’ ভেসে ওঠার ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট চালিয়েছে যুবদলের কর্মীরা। এ ঘটনায় অভিযুক্ত শহর যুবদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক আবদুল ওয়াদুদ বাবলুকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে সেনাবাহিনী।

মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ১০টার দিকে মাইজদীর সিটি হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে। 

স্থানীয়রা জানান, গত ৩১ ডিসেম্বর রাতে সিটি হাসপাতালের স্ক্রীনে ভেসে ওঠে আওয়ামী লীগ আবার ভয়ঙ্কর রূপে ফিরবে, জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু। পরে বিষয়টি দেখে নাইটগার্ড স্ক্রিনের বিদ্যুৎলাইন কেটে দেন। পরে মঙ্গলবার রাতে বাবলুর নেতৃত্বে একদল যুবদল কর্মী গিয়ে ওই স্ক্রিন আবার চালাতে বলেন। সংযোগ দিলে আওয়ামী লীগ ফেরার ওই স্ক্রল আবার ভেসে উঠলে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়।

হাসপাতালের ব্যবস্থাপক কাজী মো. শাহজাহান নাজিম বলেন, হামলায় পুরো হাসপাতাল ভেঙে তছনছ করে অন্তত ৬০ লাখ টাকার ক্ষতি করা হয়। এ সময় অ্যাম্বুলেন্স, প্রাইভেট কার, মোটরসাইকেল, এক্সরে, ল্যাপটপ, কম্পিউটার, সিসি ক্যামরা, টেলিভিশন ভেঙে চুরমার করা হয়। হামলাকারীরা হাসপাতালের কাউন্টার থেকে ৪৫ হাজার ও ফার্মেসি থেকে ৩৫ হাজার নগদ টাকাসহ বিভিন্ন মূল্যবান সামগ্রী লুট করে নিয়ে গেছে।

জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন খান বলেন, শহর যুবদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক আবদুল ওয়াদুদ বাবলু হাসপাতালের সাইনবোর্ডে আওয়ামী লীগ ফেরার স্ক্রলের বিষয়ে জিজ্ঞাসা করতে গেলে সেখানে অতিউৎসাহী কিছু লোক ভাঙচুর করে। পরে বাবলুকে বেদম মারধর করে পুলিশে দেওয়া হয়।

সিটি হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ এইচ এম শহীদুল ইসলাম বলেন, হামলার সময় আমি ঢাকায় ছিলাম। ফিরে এসে আলাপ-আলোচনা করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে এক সপ্তাহ আগে স্ক্রল উঠলেও তা আমাদের অপসারণ করা উচিত ছিল।

এদিকে একটি সূত্র দাবি করেন, যুবদল নেতা বাবলু এ কসময় সিটি হাসপাতালের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। সেখানে মালিকপক্ষের এক নারী চিকিৎসকের সঙ্গে তার মতবিরোধ হয়। সেই ক্ষোভ থেকে ৫ আগস্টের পর কয়েকবার হামলার পরিকল্পনা করে ব্যর্থ হন। পরে পূর্বের ক্ষোভ থেকে স্ক্রিনকাণ্ডের জেরে মঙ্গলবার রাতে তার নেতৃত্বে এ হামলা হয়। 

তবে বাবলু পুলিশ হেফাজতে থাকায় তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সদর উপজেলা প্রাইভেট ক্লিনিক ডায়াগনস্টিক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য সচিব মো. আক্তার উদ্দিন বলেন, হামলার ঘটনা দুঃখজনক। তবে হাসপাতাল কতৃপক্ষ আওয়ামী লীগ ফেরার স্ক্রল ওঠার পর তা অপসারণ করলে এমন ঘটনা ঘটতো না।

সুধারাম মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শেখ কামাল বলেন, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কোনো অভিযোগ না পেয়ে আটক আবদুল ওয়াদুদ বাবলুকে ৫৪ ধারায় আদালতে পাঠানো হয়েছে। অভিযোগ পেলে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


মজনু/মেহেদী

বরগুনায় প্যানেল চেয়ারম্যানের ওপর হামলা, গণপিটুনিতে যুবক নিহত

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ১০:১৯ এএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৬, ১০:৩৯ এএম
বরগুনায় প্যানেল চেয়ারম্যানের ওপর হামলা, গণপিটুনিতে যুবক নিহত
বরগুনার সদর হাসপাতালে নিহত ইব্রাহিমের মরদেহ নিয়ে আসার পর উৎসুক জনতার ভিড়। ছবি: খবরের কাগজ
বরগুনার সদর উপজেলার বদরখালী ইউনিয়নে প্যানেল চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফাকে কুপিয়ে আহত করার ঘটনায় পাল্টা গণপিটুনিতে ইব্রাহিম হোসেন কালু নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তার সহযোগী তৌহিদ ইসলাম শুভ গুরুতর আহত হয়েছেন।
‎শুক্রবার (১২ জুন) ইউনিয়নের ডেমা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
 
নিহত ইব্রাহিম হোসেন কালু একই গ্রামের সোনা গাজীর ছেলে। আহত তৌহিদ ইসলাম শুভ একই গ্রামের রহিমের ছেলে।
‎পুলিশ ও স্থানীয়দের ভাষ্য, বিকেলে ইউপি সদস্য গোলাম মোস্তফার ওপর হামলা চালানো হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। 
‎স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, এ হামলার সঙ্গে ইব্রাহিম হোসেন কালু ও তার সহযোগীরা জড়িত ছিলেন। পরে ঘটনাস্থলে থাকা ক্ষুব্ধ লোকজন কালু ও তার সহযোগীদের ওপর হামলা চালায়।
‎স্থানীয়দের একাংশের অভিযোগ, এলাকায় মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ে কালুকে ঘিরে আগে থেকেই বিরোধ ছিল। 
‎তবে কালুর স্বজন ও সমর্থকদের দাবি, তাকে পরিকল্পিতভাবে হামলার শিকার হতে হয়েছে এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ তদন্তের মাধ্যমে বের হওয়া প্রয়োজন।
‎সন্ধ্যায় গুরুতর আহত অবস্থায় কালু ও শুভকে উদ্ধার করে বরগুনা সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক কালুকে মৃত ঘোষণা করেন। শুভকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে আহত ইউপি সদস্য গোলাম মোস্তফাকেও উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালে পাঠানো হয়েছে।
‎এ ঘটনায় এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। থানায় মামলার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
 
ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
‎বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আলীম জানান, ইব্রাহিম হোসেন কালুর বিরুদ্ধে মাদক, ডাকাতি ও চাঁদাবাজিসহ একাধিক মামলা বিচারাধীন রয়েছে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে অস্ত্র মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল এবং পরে জামিনে মুক্তি পান।
‎ওসি বলেন, 'প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, এলাকায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ে বিরোধের জেরে ইউপি সদস্যের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। পরে গণপিটুনিতে কালু নিহত হন। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।ঝ
 
মহিউদ্দিন অপু/আজহার/

পাবনায় ছেলের সামনে বাবাকে হত্যা, আরও একজন গ্রেপ্তার

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৯:১৬ এএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৬, ০৯:৫৮ এএম
পাবনায় ছেলের সামনে বাবাকে হত্যা, আরও একজন গ্রেপ্তার
ছবি: সংগৃহীত

পাবনা সদর থানা এলাকায় ছেলের সামনে হোসেন আলী নামের এক ব্যক্তিকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় আরেক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ নিয়ে মোট চার আসামিকে গ্রেপ্তার করা হলো।

শুক্রবার (১২ জুন) রাত সাড়ে ১১টায় সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুর উপজেলার রূপবাটি এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে সাইদুল নামে একজনকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।
 
র‌্যাব সূত্রে জানা যায়, গত ৯ জুন পাবনা সদর থানায় করা চাঞ্চল্যকর এই হত্যা মামলার পর থেকেই আসামিরা আত্মগোপনে চলে যায়। অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে র‌্যাব গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে। পরে শাহজাদপুর উপজেলার রূপবাটি এলাকায় অভিযান চালিয়ে সাইদুলকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এর আগে মতিয়ার রহমান (৪০), শরীফ প্রামাণিক (৩৫) ও মনিরুল ইসলাম (২৮) নামে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

উল্লেখ্য, গত ৮ জুন সন্ধ্যা ৬টার দিকে পাবনা সদর উপজেলার লস্করপুর মাছুমবাজার জামেয়া আশরাফিয়া মাদরাসার মেইন গেইট সংলগ্ন লাইব্রেরির সামনে পাকা রাস্তার ওপর এক নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটে। সেখানে নিজ ছেলের সামনেই ভিকটিম হোসেন আলীকে গুলি করে হত্যা করা হয়।

পাবনার পুলিশ সুপার জানান, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে চরমপন্থি সংগঠন পূর্ববাংলা কমিউনিস্ট পার্টি এবং পূর্ববাংলা কমিউনিস্ট পার্টি লাল পতাকা এই দুইটি বাহিনীর আঞ্চলিক নেতা ও সদস্যদের মধ্যে আধিপত্য নিয়ে বিরোধ চলছিল। এই বিরোধের জের ধরে প্রায় এক মাস আগে হোসেন আলীকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়। তবে হত্যাকাণ্ডে এর বাইরে অন্য কোনো কারণ বা যোগসূত্র আছে কি না সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এই ঘটনায় নিহতের স্ত্রী  আফছানা খাতুন (৪৫) বাদী হয়ে পাবনা সদর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলায় ৯ জনের নামোল্লেখ এবং আরও ১০-১২ জন অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়।

আমিনুল ইসলাম/খাদিজা রুমি/ 

চৌদ্দগ্রামে বাবাকে হত্যার ২০ বছর পর একইভাবে ছেলেকে হত্যা

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০২:২১ পিএম
আপডেট: ১১ জুন ২০২৬, ০৩:১৮ পিএম
চৌদ্দগ্রামে বাবাকে হত্যার ২০ বছর পর একইভাবে ছেলেকে হত্যা
ছুরিকাঘাতে নিহত সিএনজি অটোরিকশা চালক রাফসান হোসেন হৃদয় । ছবি: খবরের কাগজ

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে মাদক ব্যবসায়ী ও কিশোর গ্যাংয়ের ছুরিকাঘাতে রাফসান হোসেন হৃদয় (২৪) নামে এক সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালক নিহত হয়েছে। এর আগে ২০০৬ সালে হৃদয়ের বাবা হেদায়েত উল্লাহকেও একইভাবে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছিল দুর্বৃত্তরা।

বুধবার (১০ জুন) রাতে উপজেলার চিওড়া ইউনিয়নের ধোড়করা বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত হৃদয় শাকতলা গ্রামের মৃত হেদায়েত উল্লাহ হেদুর ছোট ছেলে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকালে তার মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করেন চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আরিফ হোছাইন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বুধবার রাত ৮টার দিকে শাকতলা গ্রামের আসিফ ও বাদশা নামের দুই যুবক মোটরসাইকেলে করে দোকান থেকে তেল নিতে যাচ্ছিলেন। পথে ঘোষতল এলাকার প্রান্ত নামে আরেক যুবকের মোটরসাইকেলের সঙ্গে তাদের মোটরসাইকেলের ধাক্কা লাগে। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়।

এক পর্যায়ে ঘোষতল গ্রামের প্রান্ত ফোন করলে তিনটি মোটরসাইকেলে তার গ্রামের মো. রাজিব, রিফাত হোসেন ও মো. প্রান্তসহ অজ্ঞাত আরও ৪-৫ জন বাজারে এসে অবস্থান নেন। এ সময় শাকতলা গ্রামের কয়েকজনকে বাজারের ওয়াসিমের গ্যারেজের সামনে পেয়ে মারধর করা হয়। রাজিব গ্যারেজের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা শাকতলা গ্রামের অটোরিকশাচালক রাফসান হোসেন হৃদয়কে ছুরিকাঘাত করেন।

গুরুতর আহত অবস্থায় হৃদয়কে ধোড়করা বাজারের একটি ক্লিনিকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে চৌদ্দগ্রাম স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

২০০৬ সালে দূর্বৃত্তরা ছুরিকাঘাতে ও ড্রিল মেশিনের আঘাতে হেদায়েত উল্লাহ হেদুকে হত্যা করে। ২০ বছর পর তার ছেলে রাফসান হোসেন হৃদয়কেও ছুরিকাঘাতে হত্যা করে মাদক ব্যবসায়ী ও কিশোর গ্যাং সদস্যরা। 

চৌদ্দগ্রাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আরিফ হোছাইন বলেন, অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার পুলিশের অভিযান চলছে। অভিযুক্তরা মাদক ব্যবসায়ী ও কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য কি না, সেটা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

আজহার/অমিয়/

জামালপুরে চাচাকে হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত ভাতিজা গ্রেপ্তার

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০৯:৫৬ এএম
আপডেট: ১১ জুন ২০২৬, ১১:৫৩ এএম
জামালপুরে চাচাকে হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত ভাতিজা গ্রেপ্তার
ছবি: খবরের কাগজ

জামালপুরে ভাতিজার হামলায় চাচা নিহতের ঘটনায় প্রধান আসামী আব্দুস সালামকে (৩৯) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বুধবার (১০ জুন) সকালে গাজীপুর মহানগরীর গাছা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

আব্দুস সালাম লক্ষীরচর মধ্যপাড়া এলাকার বাসিন্দা।

বুধবার বিকেলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে জামালপুর জেলা পুলিশ।

পুলিশের সূত্রে জানা যায়, শনিবার (৬ জুন) পৈত্রিক জমি নিয়ে পূর্ব বিরোধের জেরে আব্দুস সালাম ও তার লোকজন তার চাচা আব্দুল হকের ওপর লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। এ সময় ভাতিজার আঘাতে চাচা আব্দুল হক ঘটনাস্থলেই মারা যান। পরে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে। 

এ ঘটনায় জামালপুর সদর থানায় একটি হত্যা মামলা করা হয়েছে। এরপর পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে দেশের বিভিন্ন স্থানে আসামিকে গ্রেপ্তারে অভিযান চালায়। অভিযানের এক পর্যায়ে গাজীপুর মহানগরীর গাছা এলাকা থেকে মামলার প্রধান আসামি আব্দুস সালামকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ বিষয়ে জামালপুরের পুলিশ সুপার মোছা. ফারহানা ইয়াসমিন খবরের কাগজকে বলেন, মাত্র কয়েক দিনেই আসামিকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে। মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তার এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অপরাধীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। 

আসমাউল আসিফ/থিও

হাসপাতালে মেয়েকে চিকিৎসা করাতে এসে ধর্ষণের শিকার মা

প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬, ০৩:৫৮ পিএম
আপডেট: ০৯ জুন ২০২৬, ০৪:২৭ পিএম
হাসপাতালে মেয়েকে চিকিৎসা করাতে এসে ধর্ষণের শিকার মা
ছবি: খবরের কাগজ

নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতালে দুই বছর বয়সী মেয়েকে চিকিৎসা করাতে এসে পরিচ্ছন্নতাকর্মী কর্তৃক ধর্ষণের শিকার হয়েছেন ১৮ বছর বয়সি এক মা।

রবিবার (৭ জুন) রাত সাড়ে ১০ টার দিকে অমিত নামের এক সুইপার ভুক্তভোগীকে ওষুধ দেওয়ার কথা বলে ওয়ার্ড থেকে ডেকে নিয়ে যান। এরপর একই ভবনের ৬ষ্ঠ তলার সিঁড়িতে নিয়ে ধর্ষণ করেন। ওই সময় অপর দুই আসামি গোপনে মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করেন। পরে সেই ভিডিও ভুক্তভোগীকে দেখিয়ে ভয়-ভীতি ও হুমকি দিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেন।

এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তাররা হলেন- পরিচ্ছন্নতাকর্মী অমিত (২৩), অনিল (২৪) ও প্রাঙ্গন (২৩)।

নাটোর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনসুর রহমান বিষয়টি খবরের কাগজকে নিশ্চিত করেছেন।

ভুক্তভোগীর স্বামী খবরের কাগজকে জানান, গত ৫ জুন রাতে দুই বছর বয়সী মেয়েকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। তিনি রিকশাচালক হওয়ায় স্ত্রীকে মেয়ের দেখাশোনার জন্য হাসপাতালে রেখে রিকশা চালাতে যেতেন। মাঝেমধ্যে হাসপাতালে গিয়ে তাদের খোঁজখবর নিতেন।

তিনি আরও জানান, গতকাল ৮ জুন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ভুক্তভোগীর স্বামী হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে গিয়ে দেখেন, তার স্ত্রী ও মেয়ে নির্ধারিত বেডে নেই। স্ত্রীর কাছে কোনো মোবাইল ফোন না থাকায় তিনি তাদের খোঁজ করে জানতে পারেন, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তার স্ত্রী ও মেয়েকে নার্সদের কক্ষে রেখেছেন। সেখানে গেলে স্ত্রীর কাছে ঘটনা জানতে পারেন।

ওসি মনসুর রহমান খবরের কাগজকে জানান, ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে মামলা করলে তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) সেলিম রেজা জানান, মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকেলে আসামিদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

কামাল মৃধা/থিও/