ঢাকা ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, রোববার, ১৪ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
ইংল্যান্ড দলের চুরি যাওয়া সরঞ্জাম উদ্ধার সিন্ডিকেট ভাঙতে প্রাথমিক শিক্ষক বদলিতে বড় সংস্কার, দায়িত্বে ডিসি-ইউএনও জাপানিজ সমর্থকরা কেন স্টেডিয়াম পরিষ্কার করেন? ইন্টারনেট সেবাদাতাদের কার্যালয়ে হামলা-দখলের নিন্দা, শাস্তির দাবি আইএসপিএবির এনএসইউ ট্রাস্টি বেনজীর আহমেদ ফের সাউথ এশিয়া রিজিওনাল কাউন্সিলের কোষাধ্যক্ষ সিলেটে হাম উপসর্গে আরও ১ শিশুর মৃত্যু খুলনায় মসজিদে ঢুকে ২ মুসল্লিকে গুলি কু‌ড়িগ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ব্যবসায়ীর মৃত্যু ঈশ্বরদীতে ব্রাজিল-মরক্কো খেলা দিয়ে বিশ্বকাপ ফুটবল উত্তেজনা শুরু ময়মনসিংহ মেডিকেলে হাম উপসর্গে প্রাণ গেল আরও ১ শিশুর ইনজুরি নিয়ে শঙ্কিত নয় মরক্কো বেনাপোল বন্দরে ন্যায্য মজুরির দাবিতে শ্রমিকদের কর্মবিরতি স্থগিত এনড্রিককে নিয়ে প্রশ্ন এড়িয়ে গেলেন আনচেলত্তি আরাগচির বিরুদ্ধে তেহরানে বিক্ষোভ ব্যাপন, অভিস্রবণ ও প্রস্বেদন অধ্যায়ের ৯টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান হাতিয়ায় কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে ওসি প্রত্যাহার মতলবে ৬৪ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ ঝুঁকিপূর্ণ, নিরাপত্তাহীনতায় লাখো মানুষ জয় দিয়ে শুরু অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বকাপ অভিযান কেনেডি সেন্টার থেকে অপসারণ করা হলো ট্রাম্পের নাম ক্রিকেটার নাঈমকে হেনস্থায় প্রত্যাহার খুলশী থানার ওসি আরিফুল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তিচুক্তি: সময় নিয়ে দ্বিমত তেহরানের ২৫ মে থেকে বছরব্যাপী ‘নজরুল বর্ষ’ পালনের ঘোষণা কুড়িগ্রাম সীমান্তে ৯ জনকে পুশইনের চেষ্টা মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে সোহেল-স্বপ্নার আপিল আজ ইন্টারন্যাশনাল বাথ ডে রবিবার বন্ধ থাকবে রাজধানীর যেসব মার্কেট ও দোকানপাট সিঙ্গাপুর, কানাডা নয়, বেটার বাংলাদেশ গড়তে চাই: প্রধানমন্ত্রী টস জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ চট্টগ্রামে পারিবারিক বিরোধের জেরে মা-মেয়েকে হত্যা মুন্সীগঞ্জে টাকা লেনদেন সংক্রান্ত বিরোধের জেরে যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যা
Nagad desktop

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকদের অসহযোগ আন্দোলনের ডাক

প্রকাশ: ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৪৪ পিএম
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকদের অসহযোগ আন্দোলনের ডাক
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন আন্দোলনরত শিক্ষকরা। ছবি: খবরের কাগজ

শিক্ষক পদোন্নতি, বিশ্ববিদ্যালয়ের সংবিধি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের দাবিতে সর্বাত্মক অসহযোগ আন্দোলনের ঘোষণা দিয়েছেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা।

মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনের নিচতলায় অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ড. ধিমান কুমার রায় বলেন, দুই বছরের বেশি সময় ধরে শিক্ষকরা পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব নীতিমালা অনুযায়ী পদোন্নতির যোগ্যতা অর্জন করলেও ইউজিসির সংবিধির দোহাই দিয়ে তা আটকে রাখা হয়েছে।

শিক্ষকরা জানান, এর আগে দাবির পক্ষে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’সহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হলেও কর্তৃপক্ষ কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেয়নি। ফলে দাবি আদায়ে আজ থেকে উপাচার্যের বিরুদ্ধে অসহযোগ আন্দোলন শুরু করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষক সমাজের পক্ষ থেকে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদ্যমান আপগ্রেডেশন নীতিমালা অনুযায়ী ২০২৪ সালের মধ্যভাগেই অনেক শিক্ষক পদোন্নতির যোগ্যতা অর্জন করেন। কিন্তু তৎকালীন উপাচার্য ড. শুচিতা শরমিনের সময়েও এ বিষয়ে কোনো অগ্রগতি হয়নি। পরবর্তীতে বর্তমান উপাচার্য ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম দায়িত্ব নেওয়ার পরও পদোন্নতি প্রক্রিয়া বিলম্বিত হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তারা।

শিক্ষকদের দাবি, নীতিমালা অনুযায়ী পদোন্নতির জন্য নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আপগ্রেডেশন বোর্ড ও সিন্ডিকেট সভা না করে প্রক্রিয়াটি দীর্ঘায়িত করা হয়েছে। পরে ইউজিসির কিছু পর্যবেক্ষণকে অজুহাত হিসেবে দেখিয়ে পদোন্নতির কার্যক্রম স্থগিত করা হয়।

তারা আরও বলেন, ইউজিসির নির্দেশনা অনুযায়ী চ্যান্সেলরের অনুমোদিত সংবিধি ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন কার্যক্রমের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে, যা শিক্ষাব্যবস্থাকে অনিশ্চয়তার মুখে ফেলেছে। এ ছাড়া দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষক ও কর্মকর্তার শূন্যপদ পূরণ না হওয়ায় একাডেমিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।

বিশ্ব বিদ্যালয় সূত্র জানায়, ২৫টি বিভাগের মধ্যে প্রায় সবগুলোতেই একাধিক ব্যাচের পাঠদান চলছে, কিন্তু অনেক বিভাগে শিক্ষক সংখ্যা মাত্র তিন থেকে চারজন। একই সঙ্গে প্রভাষক ও সহকারী অধ্যাপক পর্যায়ে অন্তত ৫১টি শূন্যপদ দীর্ঘদিন ধরে পূরণ হয়নি। অনুমোদিত অর্গানোগ্রাম অনুযায়ী ৪০১টি শিক্ষকের পদ থাকার কথা থাকলেও বর্তমানে অনুমোদিত রয়েছে মাত্র ২৬৬টি। 

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মোহাম্মদ তৌফিক আলম বলেন, পদোন্নতির বিষয়টি ইউজিসির সঙ্গে আলোচনা করে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে শিক্ষকদের সঙ্গে আলোচনার আহ্বান জানানো হলেও তাঁরা সাড়া দেননি। এই অবস্থায় অসহযোগ আন্দোলন চালিয়ে গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলেও জানান তিনি।

এদিকে শিক্ষকদের এই কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও একাত্মতা প্রকাশ করেছেন। তবে আন্দোলনের কারণে সেশনজটের আশঙ্কা প্রকাশ করে ক্ষোভ জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। 

মঈনুল ইসলাম সবুজ/এসএন

 

এনএসইউ ট্রাস্টি বেনজীর আহমেদ ফের সাউথ এশিয়া রিজিওনাল কাউন্সিলের কোষাধ্যক্ষ

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ০১:৩২ পিএম
এনএসইউ ট্রাস্টি বেনজীর আহমেদ ফের সাউথ এশিয়া রিজিওনাল কাউন্সিলের কোষাধ্যক্ষ
বেনজীর আহমেদ। ছবি: বিজ্ঞপ্তি

নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির (এনএসইউ) বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য বেনজীর আহমেদ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল ফর বিজনেস স্কুলস অ্যান্ড প্রোগ্রামস (এসিবিএসপি)-এর সাউথ এশিয়া রিজিওনাল কাউন্সিলের কোষাধ্যক্ষ পদে পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন। এনএসইউ’র সাবেক এই চেয়ারম্যান ২০২৬–২০২৭ মেয়াদের জন্য নির্বাচিত হন।

শনিবার (১৩ জুন) ইউনিভার্সিটির পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনার ফিনিক্সে অনুষ্ঠিত এসিবিএসপি সাউথ এশিয়া অঞ্চলের বার্ষিক সাধারণ সভায় এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।এসিবিএসপি সাউথ এশিয়া রিজিওনাল কাউন্সিলে সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া, ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, আফগানিস্তানসহ ১৬টি দেশের সদস্য প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এ কাউন্সিল ব্যবসায় শিক্ষায় মানোন্নয়ন, স্বীকৃতি প্রদান এবং একাডেমিক সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক এসিবিএসপি বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত একটি অ্যাক্রেডিটেশন সংস্থা, যা ব্যবসায় শিক্ষায় উৎকর্ষ ও ধারাবাহিক উন্নয়নকে উৎসাহিত করে। দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলে ব্যবসায় শিক্ষার মানোন্নয়নে রিজিওনাল কাউন্সিলটির ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। বেনজীর আহমেদের এই পুনর্নির্বাচন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের একাডেমিক নেতৃত্বের ক্রমবর্ধমান প্রভাবকে তুলে ধরে।

পুনর্নির্বাচিত হওয়ায় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বেনজীর আহমেদ বলেন, এসিবিএসপি সাউথ এশিয়া রিজিওনাল কাউন্সিলের কোষাধ্যক্ষ হিসেবে পুনর্নির্বাচিত হতে পেরে আমি সম্মানিত বোধ করছি। এটি সম্মিলিতভাবে এ অঞ্চলে মানসম্মত ব্যবসায় শিক্ষা এগিয়ে নেওয়ার প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন। সহকর্মীদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে একাডেমিক মানোন্নয়ন, পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং প্রতিষ্ঠানগুলোকে বৈশ্বিক মানদণ্ড অর্জনে সহায়তা করতে চাই।

বেনজীর আহমেদ একজন স্বনামধন্য ব্যবসায়ী ও শিক্ষানুরাগী। তিনি এনএসইউ ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাতা আজীবন সদস্য এবং বর্তমানে অ্যাসোসিয়েশন অব প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিজ অব বাংলাদেশের (এপিইউবি) সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি রেমন্ড গ্রুপের চেয়ারম্যানও।

তিনি এর আগে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)-এর সভাপতি এবং ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বারস অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এফবিসিসিআই)-এর পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

তার এই পুনর্নির্বাচন দক্ষিণ এশিয়ায় ব্যবসায় শিক্ষা ও প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়নে তার অব্যাহত নেতৃত্ব ও অবদানের স্বীকৃতি।

অন্তরা/

আরআইবিএর আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেল ব্র্যাকইউনিভার্সিটির পরিবেশবান্ধব ক্যাম্পাস

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ০৮:৪৭ এএম
আপডেট: ১৪ জুন ২০২৬, ০৮:৫৬ এএম
আরআইবিএর আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেল ব্র্যাকইউনিভার্সিটির পরিবেশবান্ধব ক্যাম্পাস
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির পরিবেশবান্ধব ইনার সিটি ক্যাম্পাস ২০২৬ সালের আরআইবিএ ইন্টারন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ডস ফর এক্সিলেন্স অর্জন করেছে। এর মাধ্যমে এটি বিশ্বের সেরা নতুন স্থাপত্য প্রকল্পগুলোর একটি হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।

সিঙ্গাপুরভিত্তিক স্থাপত্য প্রতিষ্ঠান ওহা এর নকশায় নির্মিত এই ক্যাম্পাস বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ৫২টি প্রকল্পের বৈশ্বিক সংক্ষিপ্ত তালিকা থেকে নির্বাচিত ৩৪টি প্রকল্পের মধ্যে স্থান পেয়েছে। স¤প্রতি রয়্যাল ইনস্টিটিউট অব ব্রিটিশ আর্কিটেক্টস (আরআইবিএ) এ ঘোষণা দেয়।

দুই বছর পরপর দেওয়া এই পুরস্কারের মাধ্যমে বিশ্বের সেরা ও সবচেয়ে প্রভাবশালী স্থাপত্য প্রকল্পগুলোকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। এ বছরের নির্বাচিত প্রকল্পগুলো জলবায়ু পরিবর্তন, অভিবাসন, আবাসন, দ্রুত নগরায়ণ এবং অবকাঠামোগত চ্যালেঞ্জের মতো বৈশ্বিক বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিয়েছে।

এসব প্রকল্প দেখিয়েছে কীভাবে স্থাপত্য মানুষের জীবনকে আরও ভালো করতে পারে এবং ভবিষ্যৎকে আরও টেকসই করে তুলতে পারে।

আরআইবিএ অ্যাওয়ার্ডস গ্রুপের চেয়ারম্যান নিল গিলেসপি বলেন, এ বছরের নির্বাচিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে মানুষ, স্থান এবং ভবিষ্যতের প্রতি দায়বদ্ধতার একটি শক্তিশালী প্রতিফলন রয়েছে। তিনি বলেন, পরিবেশগত, সামাজিক ও অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতার মধ্যেও এসব প্রকল্প দেখিয়েছে কীভাবে স্থাপত্য মানুষের জীবনে আনন্দ ও মর্যাদা যোগ করতে পারে।

বাহ্যিক চাকচিক্যের পরিবর্তে এসব প্রকল্প প্রেক্ষিতভিত্তিক, চিন্তাশীল এবং দীর্ঘস্থায়ী নকশার গুরুত্ব তুলে ধরেছে। একসময়কার পরিত্যক্ত ও অব্যবহৃত একটি বর্জ্যভ‚মিকে রূপান্তর করে গড়ে তোলা হয়েছে এই ক্যাম্পাস।

প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার বর্গমিটার আয়তনের এই ক্যাম্পাস পরিণত হয়েছে শিক্ষা ও নাগরিক কার্যক্রমের একটি প্রাণবন্ত কেন্দ্রে। ২ দশমিক ১৪ হেক্টর জায়গার ওপর নির্মিত ১৩ তলাবিশিষ্ট এই স্থাপনায় একটি বিশেষ স্তরভিত্তিক নকশা অনুসরণ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে নয়টি তলায় একাডেমিক কার্যক্রম এবং নিচের অংশে উন্মুক্ত ক্যাম্পাস পার্ক রাখা হয়েছে।

ক্যাম্পাসটির নকশায় জায়গার সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়েছে। এটি এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যেন এটি সামাজিক যোগাযোগ ও সম্পৃক্ততার সুযোগ তৈরি করে। এই ক্যাম্পাসে শ্রেণিকক্ষ, গবেষণাগার, অডিটোরিয়াম, মাল্টিপারপাস হল, অ্যাম্ফিথিয়েটারসহ বিভিন্ন সুবিধা রয়েছে। ছাদে রয়েছে সুইমিং পুল, ক্রিকেট পিচ এবং দৌড়ানোর ট্র্যাক।

ব্র‍্যাক ইউনিভার্সিটির ক্যাম্পাসের নকশায় প্রাকৃতিক বাতাস চলাচলের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বাতাসের স্বাভাবিক প্রবাহকে কাজে লাগিয়ে এমনভাবে চলাচলপথ তৈরি করা হয়েছে, যাতে ভবনের ভেতরে স্বাভাবিকভাবে বাতাস চলাচল করতে পারে। এর ফলে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার প্রয়োজন কম হয়। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের জন্য আরও আরামদায়ক পরিবেশ তৈরি হয়।

গ্রিন ইউনিভার্সিটির সাংবাদিকতা বিভাগে নবীনবরণ অনুষ্ঠিত

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ১০:২১ পিএম
গ্রিন ইউনিভার্সিটির সাংবাদিকতা বিভাগে নবীনবরণ অনুষ্ঠিত
নবীনবরণ অনুষ্ঠান শেষে ফটোসেশনে অংশ নেন আমন্ত্রিত অতিথি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। ছবি: সংগৃহীত

বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যম যোগাযোগ বিভাগের ২৬০তম ব্যাচকে (সামার-২০২৬) বরণ করে নিয়েছে গ্রিন ইউনিভার্সিটি।

 শনিবার (১৩ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের পূর্বাচল আমেরিকান সিটির নিজস্ব ক্যাম্পাসে এই নবীনবরণ অনুষ্ঠিত হয়।

বিভাগের  চেয়ারপারসন ড. হাবীব মোহাম্মদ আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. খাজা ইফতেখার উদ্দিন আহমেদ।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কলা ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. এম শহীদুল্লাহ।

গেস্ট অব অনার হিসেবে বক্তব্য রাখেন দৈনিক খবরের কাগজের বার্তা সম্পাদক রোকেয়া রহমান।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই স্বাগত বক্তব্য দেন সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যম যোগাযোগ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. অলিউর রহমান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. খাজা ইফতেখার উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তির যুগে সাংবাদিকতা মূলত মানবীয় সৃজনশীলতা ও প্রযুক্তির যুগলবন্দিতে পরিচালিত হচ্ছে। বর্তমানে ডেটা বিশ্লেষণ, তথ্য যাচাই, অডিও-ভিডিও তৈরি ও স্বয়ংক্রিয় প্রতিবেদন তৈরিতে এআই একটি শক্তিশালী হাতিয়ার। তবে সঠিক নৈতিকতা ও তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করাই এখন গণমাধ্যমের মূল চ্যালেঞ্জ।’

তিনি আরও বলেন, ‘সাংবাদিকতার চ্যালেঞ্জ ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে সাংবাদিকতা কীভাবে আরও ফলপ্রসূ করা যায় সে বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করা জরুরি। শুধু পুঁথিগত পড়াশোনার মধ্যে নিজেকে সীমাবদ্ধ রাখলেই হবে না, বর্তমান সময়ের জব মার্কেটের জন্য প্রয়োজনীয় টুলসগুলোর ওপর দক্ষতা অর্জন করতে হবে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নিজেকে স্কিল ডেভেলপমেন্টের পাশাপাশি নিজেকে ভালো মানুষ হিসেবে গড়তে হবে।’

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন সাংবাদিকতা বিভাগের প্রভাষক ও প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর মোহাম্মদ বায়েজীদ খান, প্রভাষক জান্নাতুল ফেরদৌস মীম ও নাজমুন্নাহার উর্মি।
অনুষ্ঠানে ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করেন জেএমসি ল্যাব কো-অর্ডিনেটর কাজী মাহাদী মুনতাসির। প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিডিনিউজ টুয়েন্টিফোরডটকমের প্রতিবেদক জুবায়ের আহমেদ, জেএমসি মিডিয়া ক্লাবের সভাপতি ও মেন্টার ইমু আক্তার মিম। 

নবীন শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যম যোগাযোগ বিভাগের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা। 

অনুষ্ঠান উপস্থাপনায় ছিলেন ফাইয়াজ সরকার ও নাজিফা তাবাস্সুম তাজ। পরে  গ্রুপ ফটোসেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।

এসএন/

এআই উদ্ভাবনে মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির কৃতিত্ব, ফাইনালে ‘কগনিভার্স’

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৬:১০ পিএম
এআই উদ্ভাবনে মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির কৃতিত্ব, ফাইনালে ‘কগনিভার্স’
মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির ‘কগনিভার্স’ দল। ছবি:খবরের কাগজ

দেশের অন্যতম বৃহৎ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক প্রযুক্তি প্রতিযোগিতা ‘দ্য ইনফিনিটি এআই বিল্ডফেস্ট ২০২৬’-এর চূড়ান্ত পর্বে জায়গা করে নিয়েছে সিলেটের মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির ‘কগনিভার্স’ দল।

রাজধানীর ব্র্যাক ইউনিভার্সিটিতে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতার ফাইনাল রাউন্ডে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের অসংখ্য মেধাবী দল ও প্রতিযোগীর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে এই সাফল্য অর্জন করেন মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির কম্পিউটার সায়েন্স ও প্রকৌশল বিভাগের শিক্ষার্থী রাতুল সাহা রায় (৫৯তম ব্যাচ), শুভ সূত্রধর (৫৯তম ব্যাচ) এবং অনিদ্র পাল (৬২তম ব্যাচ)।

শনিবার (১৩ জুন) মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির জনসংযোগ শাখা সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ শাখা জানায়, ‘দ্য ইনফিনিটি এআই বিল্ডফেস্ট ২০২৬’ মূলত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, তথ্যপ্রযুক্তি এবং উদ্ভাবনী প্রযুক্তিনির্ভর সমাধান তৈরির একটি জাতীয় প্রতিযোগিতা। এতে অংশগ্রহণকারী দলগুলো বাস্তব সমস্যার প্রযুক্তিভিত্তিক সমাধান, বুদ্ধিমান সফটওয়্যার, যন্ত্রশিক্ষণ এবং আধুনিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির ব্যবহারিক প্রয়োগ উপস্থাপন করে। মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির ‘কগনিভার্স’ দল জিওগ্রাফি ও অ্যাস্ট্রনমি বিষয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার আলোকে সমস্যার সমাধান নিয়ে কাজ করে চূড়ান্ত পর্বে জায়গা করে নেয়।

প্রতিযোগিতাটি আয়োজন করে বাংলাদেশ ক্লাউড ক্যাম্প, সহ-আয়োজক হিসেবে ছিল ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি। এছাড়া বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান প্রতিযোগিতাটির কৌশলগত, প্রযুক্তিগত ও করপোরেট অংশীদার হিসেবে যুক্ত ছিল। প্রযুক্তি সহযোগীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিসেস, লাভেবল, রোবাস্ট, ক্যারিয়ার ক্যানভাস, ডায়ানাহোস্ট এবং অ্যাস্ট্রোনাস টেকসহ আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠান।

এ সাফল্যের জন্য ‘কগনিভার্স’ দল এখন অভিনন্দিত হচ্ছে। মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটি জিওগ্রাফি অ্যান্ড অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটির (মুগাস) সভাপতি ও ইইই বিভাগের সিনিয়র লেকচারার আহমেদ ইসতিয়াকুর রহমান অভিনন্দন বার্তায় দলের সদস্যদের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের এই অর্জন অত্যন্ত গৌরবের। জাতীয় পর্যায়ের এমন প্রতিযোগিতায় চূড়ান্ত পর্বে পৌঁছানো তাদের মেধা, সৃজনশীলতা ও কঠোর পরিশ্রমের স্বীকৃতি।’ মুগাসের কোষাধ্যক্ষ ও সিএসই বিভাগের লেকচারার ইশরার নাজাহ চৌধুরী বলেন, ‘এই সাফল্য বর্তমান ও ভবিষ্যৎ শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তি ও গবেষণাভিত্তিক কর্মকাণ্ডে আরও উৎসাহিত করবে।’

অভিনন্দন জানিয়েছেন মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ড. তৌফিক রহমান চৌধুরী। এক অভিনন্দন বার্তায় তিনি বলেন, ‘জাতীয় পর্যায়ের এই অর্জন কেবলই ব্যক্তিগত অর্জন নয়, বরঞ্চ এটি মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটির প্রযুক্তিগত শিক্ষা, গবেষণা ও উদ্ভাবনী চিন্তা ও চর্চারও একটি উজ্জ্বল প্রতিফলন।’ ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান তানভীর এমও রহমান চৌধুরী শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ সাফল্য কামনা করে বলেন, ‘ধারাবাহিকভাবে শিক্ষার্থীরা তাদের মেধা ও উদ্ভাবনী শক্তির স্বাক্ষর রেখে বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম আরও সমুন্নত রাখবে।’

এসএন/

চুয়েট জব ফেয়ার-২০২৬: চাকরিপ্রত্যাশীদের পদচারণায় মুখর ক্যাম্পাস

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৪:৩৭ পিএম
চুয়েট জব ফেয়ার-২০২৬: চাকরিপ্রত্যাশীদের পদচারণায় মুখর ক্যাম্পাস
ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রত্যাশীদের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘চুয়েট জব ফেয়ার-২০২৬’।

শনিবার (১৩ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস্কেটবল মাঠে আয়োজিত এ চাকরি মেলা ছিল তিন দিনব্যাপী ‘চুয়েট ক্যারিয়ার ফেস্ট ২০২৬’-এর অন্যতম প্রধান আকর্ষণ।

সকাল থেকেই চাকরি মেলায় শিক্ষার্থীদের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস্কেটবল মাঠজুড়ে স্থাপিত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের স্টলে ভিড় করেন চাকরিপ্রত্যাশীরা। কেউ প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কর্মপরিবেশ, নিয়োগ প্রক্রিয়া ও ক্যারিয়ার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন, আবার কেউ সরাসরি জীবনবৃত্তান্ত (সিভি) জমা দেন। পুরো এলাকা দিনভর ছিল উৎসবমুখর ও প্রাণবন্ত।

মেলায় এন. মোহাম্মদ গ্রুপ, বিএসআরএম, প্রাণ, সিনজেনটা, ইস্পাহানিসহ দেশের শীর্ষস্থানীয় একাধিক প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করে। অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিরা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় করেন এবং ভবিষ্যৎ কর্মসংস্থানের বিভিন্ন সুযোগ সম্পর্কে ধারণা দেন।

প্রাণ গ্রুপের নিয়োগ ও মানবসম্পদ বিভাগের সহকারী ম্যানেজার মো. জুবায়ের হোসেন খবরের কাগজকে জানান, “আজকের এই মেলার পরিবেশ অসাধারণ। গত দুই-তিন বছরের তুলনায় এবার প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আমরা বেশ ভালো সাড়া পাচ্ছি। প্রোডাকশন, মেইনটেন্যান্স, সাপ্লাই চেইন, আইটি প্রভৃতি ক্ষেত্রে আমরা তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল, কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল, যন্ত্রকৌশল, বস্তু ও ধাতব কৌশল  বিভাগের শিক্ষার্থীদের প্রতি আমাদের আগ্রহ রয়েছে। নিয়োগের ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের পাঠ্যপুস্তক জ্ঞানের পাশাপাশি ইতিবাচক উপস্থাপনার দিকেও আমাদের নজর থাকে। ”

টেকসই ও নিরাপদ কৃষি নিয়ে কাজ করা প্রতিষ্ঠান সিনজেনটার সহকারী ম্যানেজার প্রদীপ্ত সাহা জানান, “অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের আগ্রহ ও উদ্দীপনা আমাদের মুগ্ধ করেছে। প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের ইইই, যন্ত্রকৌশল, মেকাট্রনিক্স বিভাগ থেকে আমরা প্রতিবছরই ইন্টার্ন শিক্ষার্থী নেই। ইতোমধ্যেই চুয়েটের সাবেক শিক্ষার্থী নুসরাত ও পরশ আমাদের প্রতিষ্ঠানের সাথে যুক্ত আছেন। দক্ষতা ও নিজেকে উপস্থাপনায় পারদর্শী শিক্ষার্থীরা যাতে আমাদের সাথে যুক্ত হয়, সেই আশাবাদ ব্যক্ত করছি।”

চাকরি মেলায় অংশ নেওয়া যন্ত্রকৌশল বিভাগের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী সিয়াম ইসলাম বলেন, “একসঙ্গে এতগুলো প্রতিষ্ঠানের কাছে সিভি জমা দেওয়ার সুযোগ পাওয়া সত্যিই দারুণ অভিজ্ঞতা। এতে চাকরির বাজার সম্পর্কে বাস্তব ধারণা পাওয়া যায় এবং নিজের প্রস্তুতি যাচাই করার সুযোগ তৈরি হয়।”

চুয়েট ক্যারিয়ার ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক অংকন চৌধুরী বলেন, “চাকরি মেলার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা করপোরেট জগতের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপনের সুযোগ পেয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলে তারা নিজেদের ক্যারিয়ার পরিকল্পনা সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা লাভ করতে পেরেছে।”

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দুপুর ১ পর্যন্ত আয়োজিত এ চাকরি মেলায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছে পাঁচ শতাধিক জীবনবৃত্তান্ত জমা পড়েছে। 

উল্লেখ্য, গত ১১ জুন শুরু হওয়া তিন দিনব্যাপী ‘চুয়েট ক্যারিয়ার ফেস্ট ২০২৬’-এর প্রথম দিনে অনুষ্ঠিত হয় হুয়াওয়ে প্রযুক্তিগত কর্মশালা এবং অন-ক্যাম্পাস নিয়োগ পরীক্ষা। দ্বিতীয় দিনে অনুষ্ঠিত হয় উৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন, রবি আজিয়াটা প্রযুক্তিগত কর্মশালা, করপোরেট সেশন, বিসিএস ও ব্যাংক চাকরি প্রস্তুতিবিষয়ক আলোচনা এবং কেস কম্পিটিশন ‘প্রেজেন্টএক্স’-এর সেমিফাইনাল ও ফাইনাল পর্ব।

উৎসবের শেষ দিনে চাকরি মেলার পাশাপাশি কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে উচ্চশিক্ষা, গবেষণা ও উদ্যোক্তা উন্নয়নবিষয়ক সেমিনার, করপোরেট দক্ষতা উন্নয়ন কর্মশালা, সমাপনী অনুষ্ঠান এবং পুরস্কার বিতরণের আয়োজন করা হয়। এর মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করার লক্ষ্য নিয়ে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী ‘চুয়েট ক্যারিয়ার ফেস্ট ২০২৬’-এর সফল সমাপ্তি ঘটে।

ইবাদ হোসেন/এসএন