ঢাকা ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, রোববার, ১৪ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
বৃদ্ধাশ্রম নয়, পরিবারই হোক নিশ্চিত আশ্রয় ইসলামী ব্যাংককে ২৫০০ কোটি টাকা ধার দিল বাংলাদেশ ব্যাংক আল্লাহর ভালোবাসা পাওয়ার চার শর্ত সাবেক আইজিপি বেনজীর গ্রেপ্তার ঝিনাইদহে দুর্নীতি বিরোধী চিত্রাংকন ও রচনা প্রতিযোগিতা মিরপুরে মাদরাসার সাইনবোর্ড লাগানোর সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে শিক্ষার্থীসহ দগ্ধ ৩ ইংল্যান্ড দলের চুরি যাওয়া সরঞ্জাম উদ্ধার প্রাথমিক শিক্ষক বদলিতে বড় সংস্কার জাপানিজ সমর্থকরা কেন স্টেডিয়াম পরিষ্কার করেন? ইন্টারনেট সেবাদাতাদের কার্যালয়ে হামলা-দখলের নিন্দা, শাস্তির দাবি আইএসপিএবির এনএসইউ ট্রাস্টি বেনজীর আহমেদ ফের সাউথ এশিয়া রিজিওনাল কাউন্সিলের কোষাধ্যক্ষ ফরিদপুরে ট্রাক-মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে যুবক নিহত সিলেটে হাম উপসর্গে আরও ১ শিশুর মৃত্যু খুলনায় মসজিদে ঢুকে ২ মুসল্লিকে গুলি কু‌ড়িগ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ব্যবসায়ীর মৃত্যু ঈশ্বরদীতে ব্রাজিল-মরক্কো খেলা দিয়ে বিশ্বকাপ ফুটবল উত্তেজনা শুরু ময়মনসিংহ মেডিকেলে হাম উপসর্গে প্রাণ গেল আরও ১ শিশুর ইনজুরি নিয়ে শঙ্কিত নয় মরক্কো বেনাপোল বন্দরে ন্যায্য মজুরির দাবিতে শ্রমিকদের কর্মবিরতি স্থগিত এনড্রিককে নিয়ে প্রশ্ন এড়িয়ে গেলেন আনচেলত্তি আরাগচির বিরুদ্ধে তেহরানে বিক্ষোভ ব্যাপন, অভিস্রবণ ও প্রস্বেদন অধ্যায়ের ৯টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান হাতিয়ায় কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে ওসি প্রত্যাহার মতলবে ৬৪ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ ঝুঁকিপূর্ণ, নিরাপত্তাহীনতায় লাখো মানুষ জয় দিয়ে শুরু অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বকাপ অভিযান কেনেডি সেন্টার থেকে অপসারণ করা হলো ট্রাম্পের নাম ক্রিকেটার নাঈমকে হেনস্থায় প্রত্যাহার খুলশী থানার ওসি আরিফুল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তিচুক্তি: সময় নিয়ে দ্বিমত তেহরানের ২৫ মে থেকে বছরব্যাপী ‘নজরুল বর্ষ’ পালনের ঘোষণা কুড়িগ্রাম সীমান্তে ৯ জনকে পুশইনের চেষ্টা
Nagad desktop

প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটিতে ‘বাংলা নববর্ষ’ উদযাপন

প্রকাশ: ১৫ এপ্রিল ২০২৫, ০৫:৪৬ পিএম
প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটিতে ‘বাংলা নববর্ষ’ উদযাপন
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

বর্ণিল নানা আয়োজনে বাংলা নতুন বছর ১৪৩২ উদযাপন করে প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটি। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে মঙ্গলবার (১৫ এপ্রিল) গুলশানে প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির রুফটপে নানা আয়োজনে মুখরিত ছিল।

দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের বিভিন্ন আয়োজনে বৈশাখী আনন্দে মেতে উঠেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থীরা। আয়োজনে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীরা বাংলা লোকজ গান কবিতা এবং নাচ পরিবেশন করেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে ফিতা কেটে উদ্বোধন করা হয় ‘শুভ নববর্ষ ১৪৩২’। এরপর দলীয় নৃত্য পরিবেশনের মাধ্যমে শুরু হয় বর্ষবরণের আয়োজন। এর আগে পূর্বে অনুষ্ঠিত ‘ভিডিও কনটেস্ট’ এবং ‘ফটো কনটেস্ট’-এ বিজয়ী শিক্ষার্থীদের পুরস্কৃত করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির উপাচার্য ড. মো. আব্দুল মান্নান চৌধুরী। আরও বক্তব্য রাখেন প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির স্টুডেন্ট অ্যাফেয়ারস এন্ড অ্যাডমিন ডিরেক্টর আফরোজা হেলেন, স্কুল অব ‘ল’ এর ডিন প্রফেসর মো. আজহারুল ইসলাম, স্কুল অব ইঞ্জিনিয়ারিং ডিন প্রফেসর ড. মো. শহীদুল ইসলাম খান, স্কুল অব বিজনেসের ডিন প্রফেসর মো. আবুল কালাম। 
অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন অ্যাডমিন ও পাবলিক রিলেশন্স (পিআর) ডিপার্টমেন্টের ডেপুটি ডিরেক্টর অ্যান্ড হেড মো. জাহিদ হাসান এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট এক্সিকিউটিভ কলি আখতার জয়া।

প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল বিভাগের শিক্ষার্থীরা স্টল দিয়েছেন৷ এসব স্টলে শিক্ষার্থীরা বাঙালিয়ানা নানা আয়োজন এবং খাবার পরিবেশন করেন। অনুষ্ঠান শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যসহ শিক্ষক ও কর্মকর্তারা এসব স্টল ঘুরে দেখেন।

আয়োজনের দ্বিতীয় পর্বে প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটিতে চলে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। এতে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন গান, কবিতা এবং নৃত্য পরিবেশনা করেন।

বিজ্ঞপ্তি/এমএ

শেষ হলো ‘রুচি বিউটিগ্রাম সিজন সেভেন’

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ১০:৩৩ এএম
শেষ হলো ‘রুচি বিউটিগ্রাম সিজন সেভেন’
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

বাংলাদেশকে দেখার অভ্যাস আমাদের সবার আছে কিন্তু বাংলাদেশকে খুঁজে বের করা—সেটা তো কঠিন কাজ।

সেই খোঁজ থেকেই জন্ম নেয় ‘রুচি বিউটিগ্রাম’ – যেখানে ভ্রমণ শুধু গন্তব্য নয়, বরং ছবি, ভিডিও আর গল্পের মধ্য দিয়ে নিজের দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশের একটি প্ল্যাটফর্ম। এই ধারাবাহিক আয়োজনের সপ্তম আসর ‘রুচি বিউটিগ্রাম সিজন সেভেন’-এ দেশের নানা প্রান্তের তরুণ ক্রিয়েটররা তুলে ধরেছেন বাংলাদেশকে নিজেদের লেন্সে, নিজেদের ভাষায়।

২০২৫ এর জানুয়ারিতে শুরু হওয়া এই সিজনে অনলাইনে ওপেন সাবমিশনের মাধ্যমে অংশগ্রহণ করেন দেশের বিভিন্ন প্রান্তের কনটেন্ট ক্রিয়েটররা। অল্প সময়েই জমা পড়ে ১২ হাজারেরও বেশি ছবি, ভিডিও ও গল্প। একাধিক ধাপে বাছাই প্রক্রিয়া, বিচারকদের সঙ্গে মাস্টারক্লাস এবং নতুন করে দেওয়া টাস্ক সম্পন্ন করার পর চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হয় ৪২টি ছবি, ১৮টি ভিডিও ও ২৫টি গল্প।

এই নির্বাচিত কাজগুলো নিয়েই ১১, ১২ ও ১৩ জুন, ২০২৬ তারিখে ধানমন্ডির গ্যালারি চিত্রকে আয়োজন করা হয় ‘রুচি বিউটিগ্রাম সিজন সেভেন’-এর তিন দিনব্যাপী প্রদর্শনী ও সমাপনী অনুষ্ঠান।

এবারের আসরে গল্প বিভাগে বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন লেখক-কার্টুনিস্ট আহসান হাবীব ও ট্র্যাভেলার বাবর আলী। ছবি বিভাগে বিচারক হিসেবে ছিলেন সাইফুদ্দীন হাসান চন্দন ও শফিকুল আলম কিরণ। ভিডিওগ্রাফি বিভাগে বিচারকের দায়িত্বে ছিলেন সিনেমাটোগ্রাফার রাশেদ জামান।

এবারের আসরে বিচারকদের মূল্যায়নের পাশাপাশি দর্শকদের ভোটের মাধ্যমেও বিজয়ী নির্বাচন করা হয়। অনলাইন প্ল্যাটফর্মে প্রদর্শিত নির্বাচিত ছবি, ভিডিও ও গল্প থেকে দর্শকরা তাদের পছন্দের কনটেন্টে ভোট দেন। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রতিযোগিতায় যুক্ত হয় দর্শকদের সরাসরি অংশগ্রহণ, যা আয়োজনটিকে আরও ইন্টারেক্টিভ করে তোলে।

প্রদর্শনীর শেষ দিনে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে রুচির পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন স্কয়ার ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেড-এর সিইও জনাব মো: পারভেজ সাইফুল ইসলাম, হেড অব মার্কেটিং জনাব ইমতিয়াজ ফিরোজ এবং প্রতিষ্ঠানের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সম্মানিত বিচারকবৃন্দ ও আমন্ত্রিত অতিথিরা।

সমাপনী অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, রুচি বিউটিগ্রামের মতো একটি আয়োজন দেশের তরুণ প্রজন্মকে ভ্রমণ ও সৃজনশীল কনটেন্ট তৈরিতে উৎসাহিত করছে। ছবি, ভিডিও ও গল্পের মাধ্যমে বাংলাদেশকে নতুনভাবে তুলে ধরার এই উদ্যোগ দেশের সৃজনশীল চর্চাকে আরও সমৃদ্ধ করবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

স্কয়ার ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেড-এর পক্ষ থেকে সিইও জনাব মো: পারভেজ সাইফুল ইসলাম এই সফল আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত সকল অংশগ্রহণকারী, দর্শক ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি ভবিষ্যতেও এ ধরনের সৃজনশীল আয়োজনের মাধ্যমে বাংলাদেশের গল্প বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

অন্তরা/

র‌্যাডিসন ব্লু ঢাকা ওয়াটার গার্ডেনে ‘টেস্ট অফ ল্যাটিন’– সুস্বাদু খাবার আর ফিফা বিশ্বকাপের দারুণ এক উৎসব

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ১০:১৯ এএম
র‌্যাডিসন ব্লু ঢাকা ওয়াটার গার্ডেনে ‘টেস্ট অফ ল্যাটিন’– সুস্বাদু খাবার আর ফিফা বিশ্বকাপের দারুণ এক উৎসব
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

খাবারপ্রেমী এবং ফুটবল ভক্তদের জন্য এক দারুণ সুখবর নিয়ে এসেছে র‌্যাডিসন ব্লু ঢাকা ওয়াটার গার্ডেন। আগামী ১৬ জুন থেকে ৩১ জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত ওয়াটার গার্ডেন ব্র্যাসারিতে (WGB রেস্তোরাঁ) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ব্রাজিলিয়ান ও আর্জেন্টাইন খাবারের উৎসব ‘টেস্ট অফ ল্যাটিন’।

এই উৎসবের বুফে খাবারের মূল্য জনপ্রতি সর্বমোট ৮,৯৫০ টাকা (সব ট্যাক্সসহ), যেখানে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার ঐতিহ্যবাহী সব জিভে জল আনা খাবার পরিবেশন করা হবে। এছাড়া নির্দিষ্ট কিছু ব্যাংকের কার্ডে থাকছে একটি কিনলে তিনটি ফ্রি আকর্ষণীয় অফার, যা আপনার খাবারের আনন্দকে বাড়িয়ে দেবে বহুগুণ।

এই উৎসবের জন্য বিশেষভাবে তৈরি মেন্যুতে থাকছে ল্যাটিন আমেরিকার বিখ্যাত সব মূল খাবার যার মধ্যে রয়েছে গালিনহাদা (জাফরান চাল দিয়ে তৈরি ব্রাজিলিয়ান চিকেন রাইস), ফিজোয়াডা (ব্রাজিলিয়ান বিফ স্টু), কার্বোনাডা ক্রিওলা (আর্জেন্টাইন বিফ স্টু), চুপিন দে পেসকাডো (আর্জেন্টাইন ফিশ স্টু), চিমীচুরী চিকেন, ব্রাজিলিয়ান বিফ পিকাডিলো, চিকেন আসাদো এবং ভাকা এতোলাদা।

এছাড়াও অতিথিরা উপভোগ করতে পারবেন প্রিমিয়াম কোয়ালিটির গ্রিল করা মাংসের সমাহার, যা আপনাকে ল্যাটিন আমেরিকার আসল স্বাদের আমেজ দেবে। খাওয়ার শেষে মিষ্টিমুখ করার জন্য থাকছে ল্যাটিন আমেরিকার ঐতিহ্যবাহী সব ডেজার্ট, যার মধ্যে রয়েছে ব্রিগাদেইরো, পুদিম দে লেইতে, বোলো দে রলো, ব্রাজিলিয়ান কোকোনাট পুডিং, বেইজিনহো দে কোকো, বালা বাইয়ানা, আলফাহোরেস, কার্লোটা লেমন কেক, তরতা দে ফ্রুট এবং ব্যানানা ক্যারামেল হট ডেজার্ট, এর পাশাপাশি বিভিন্ন রকমের আন্তর্জাতিক কেক ও মুস তো থাকছেই।

উত্তেজনা এখানেই শেষ নয়! ফুটবলপ্রেমীদের জন্য হোটেলের ‘চিট চ্যাট’ ক্যাফেতে থাকছে বড় পর্দায় সরাসরি ফিফা বিশ্বকাপ ম্যাচ দেখার সুযোগ, সাথে থাকবে সুস্বাদু সব খাবারের মেন্যু।

বিশ্বকাপ চলাকালীন যারা ‘চিট চ্যাট’-এ আসবেন, তারা নির্দিষ্ট কিছু ব্যাংকের কার্ডে পাবেন ১০% ছাড়, ফলে পরিবার ও বন্ধুদের নিয়ে ফুটবল বিশ্বকাপ উদযাপনের জন্য এটিই হবে সেরা জায়গা। খেলা দেখার আনন্দকে আরও বাড়িয়ে দিতে এবং এই ফুটবল উন্মাদনাকে একটি বিলাসবহুল ছুটিতে রূপান্তর করতে অতিথিরা বেছে নিতে পারেন বিশেষ ‘স্টে অ্যান্ড স্কোর’ প্যাকেজ।

আরামদায়ক এই প্রিমিয়াম রুম প্যাকেজগুলো শুরু হচ্ছে মাত্র ৮,৯০০++ টাকা থেকে, যা পরিবার ও বন্ধুদের সাথে সময় কাটানোর জন্য একদম উপযুক্ত। আপনি যদি একজন ভোজনরসিক হন, ফুটবল ভক্ত হন কিংবা চমৎকার পরিবেশে দারুণ কিছু সময় কাটাতে চান— ‘টেস্ট অফ ল্যাটিন’ আপনাকে দেবে খাঁটি ল্যাটিন খাবার, উৎসবের আমেজ এবং বিশ্বমানের আতিথেয়তার এক অনন্য অভিজ্ঞতা।

বাংলাদেশ সাইবার সিকিউরিটি অলিম্পিয়াডের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সম্পন্ন

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ০৮:৫৬ এএম
আপডেট: ১৪ জুন ২০২৬, ০২:২৫ পিএম
বাংলাদেশ সাইবার সিকিউরিটি অলিম্পিয়াডের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সম্পন্ন
মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি-এর প্রতিনিধিরা প্রধান অতিথির কাছ থেকে চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ করছেন

জাতীয় সাইবার সুরক্ষা অ্যাজেন্সির (এনসিএসএ) উদ্যোগে এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সহযোগিতায় আয়োজিত ‘বাংলাদেশ সাইবার সিকিউরিটি অলিম্পিয়াড ২০২৬’ পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।

শনিবার (১৩ জুন) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কমপ্লেক্সে বাংলাদেশ সাইবার সিকিউরিটি অলিম্পিয়াড ২০২৬-এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম।

বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ।

অনুষ্ঠানে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ ও আওতাধীন দপ্তর সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. মামুনুর রশীদ ভূঞা ও জাতীয় সাইবার সুরক্ষা অ্যাজেন্সির মহাপরিচালক ড. মো. তৈয়বুর রহমান।

এবার সাইবার ড্রিলের প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি। দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে ডাচ্-বাংলা ব্যাংক পিএলসি এবং তৃতীয় স্থান অর্জন করেছে কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি।

বক্তারা দেশের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে সাইবার নিরাপত্তা দক্ষতা বিকাশ এবং আন্তর্জাতিক মানের সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ তৈরিতে এ ধরনের উদ্যোগের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

তারা আশা প্রকাশ করেন, এই অলিম্পিয়াডের মাধ্যমে গড়ে ওঠা নতুন প্রজন্ম ভবিষ্যতে দেশের ডিজিটাল অবকাঠামো সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের মর্যাদা আরও বৃদ্ধি করবে।

দেশের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে সাইবার নিরাপত্তা বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি, দক্ষতা উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক মানের সাইবার নিরাপত্তা প্রতিভা গড়ে তোলার লক্ষ্যে এ অলিম্পিয়াড আয়োজন করা হয়।

অলিম্পিয়াড উপলক্ষে সারা দেশের ৩০০টি সংসদীয় আসনের আওতাধীন ‘স্কুল অব ফিউচার’-এ তথ্য কর্মকর্তাদের মাধ্যমে অ্যাক্টিভেশন ক্যাম্পেইন চালানো হয়।

এই উদ্যোগের ফলে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মোট ৪ হাজার ৯১১ জন শিক্ষার্থী অলিম্পিয়াডে নিবন্ধন করেন। গত ১৬ মে দেশের ১৭টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেন্যুতে আঞ্চলিক পর্যায়ের প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিটি ভেন্যু থেকে ১ম, ২য় ও ৩য় স্থান অর্জনকারী মোট ৫১ জন শিক্ষার্থীকে নির্বাচন করে তাদের পুরস্কার ও সনদ প্রদান করা হয়।

আঞ্চলিক পর্যায়ে নির্বাচিত ৫১ জন শিক্ষার্থীকে নিয়ে গত ৯ জুন থেকে ১২ জুন পর্যন্ত আবাসিক মেন্টরিং বুটক্যাম্পের আয়োজন করা হয়। চার দিনব্যাপী এই বুটক্যাম্পে অংশগ্রহণকারীদের উন্নত সাইবার নিরাপত্তা প্রশিক্ষণ, ব্যবহারিক অনুশীলন এবং আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার উপযোগী পরামর্শ দেওয়া হয়।

বুটক্যাম্পে জাতীয় সাইবার সুরক্ষা অ্যাজেন্সির কর্মকর্তাদের পাশাপাশি বিডিজি ই-গভ সার্টের সাইবার সিকিউরিটি বিশেষজ্ঞরা মেন্টরের দায়িত্ব পালন করেন।

এ ছাড়াও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন টেকনোলজির পরিচালক অধ্যাপক ড. বি এম মইনুল হোসেন এবং বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. এ বি এম আলিম আল ইসলাম বিশেষ সেশন পরিচালনা করেন।

এর পর ১২ জুন তারিখে অনুষ্ঠিত হয় জাতীয় পর্যায়ের চূড়ান্ত প্রতিযোগিতা। এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্য থেকে সেরা প্রতিযোগীদের নির্বাচন করা হয়। নির্বাচিত বিজয়ীরা আন্তর্জাতিক সাইবার নিরাপত্তা অলিম্পিয়াডে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবে।

বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে আগারগাঁওয়ে ‘রান ফর আর্থ’ আয়োজন

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৮:৪১ পিএম
বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে আগারগাঁওয়ে ‘রান ফর আর্থ’ আয়োজন
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পরিবেশ সুরক্ষা ও জলবায়ু সচেতনতা বাড়াতে ব্যতিক্রমী আয়োজন করেছে তরুণদের সংগঠন ব্রাইটার্স (Brighters)। 

শনিবার (১৩ জুন) আয়োজিত ‘রান ফর আর্থ’ (Run4Earth) শীর্ষক ৭ দশমিক ৫ কিলোমিটার দীর্ঘ ম্যারাথনে অংশ নেন প্রায় ৩০০ তরুণ, জলবায়ু কর্মী ও সাধারণ নাগরিক।

আয়োজকেরা জানান, জলবায়ু সুরক্ষা, দূষণ প্রতিরোধ এবং টেকসই নগর গঠনের দাবিকে সামনে রেখে এই আয়োজন করা হয়। বিশ্ব পরিবেশ দিবসকে কেন্দ্র করে তরুণদের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সম্মিলিত উদ্যোগের বার্তা ছড়িয়ে দেওয়াই ছিল কর্মসূচির মূল লক্ষ্য।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের সাবেক প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ, অ্যাকশনএইড বাংলাদেশের ইয়ুথ অ্যান্ড ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্স লিড নাজমুল আহসানসহ বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা। কর্মসূচিটির কৌশলগত অংশীদার ছিল সি৩ইআর (C3ER- Centre for Climate Change and Environmental Research), ভলান্টিয়ার ফর এনভায়রনমেন্ট- ইয়ুথ ফর ক্লাইমেট জাস্টিস এবং স্বপ্নপুর কল্যাণ সংস্থা।

অনুষ্ঠানে মোহাম্মদ এজাজ বলেন, পরিবেশ রক্ষায় এ ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শহর ও পরিবেশ সুরক্ষায় তরুণদের আরও সক্রিয় ভূমিকা নেওয়া প্রয়োজন। গণপরিসরে এমন উদ্যোগের মাধ্যমে ইতিবাচক সামাজিক অংশগ্রহণ বাড়ানো সম্ভব বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

নাজমুল আহসান বলেন, সৃজনশীল উদ্যোগের মাধ্যমে তরুণদের মধ্যে পরিবেশ বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি পায় এবং জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় নতুন প্রজন্ম আরও উদ্যোগী হয়ে ওঠে।

ব্রাইটার্সের প্রতিষ্ঠাতা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব তীব্র তাপপ্রবাহ, বন্যা, খরা, ঘূর্ণিঝড় ও জ্বালানি অনিশ্চয়তার মতো সংকট মোকাবিলায় এককভাবে নয়, সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। এই আয়োজনের মাধ্যমে সবাইকে একসঙ্গে উদ্যোগী হওয়ার বার্তা দেওয়া হয়েছে।

আয়োজকেরা জানান, প্রথাগত সচেতনতামূলক প্রচারণার বাইরে গিয়ে অংশগ্রহণমূলক অভিজ্ঞতার মাধ্যমে মানুষকে সম্পৃক্ত করাই ছিল এ উদ্যোগের উদ্দেশ্য। একই সঙ্গে ঢাকার দূষণ নিয়ন্ত্রণ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং সবুজ স্থান সংরক্ষণে সচেতনতা বাড়িয়ে নগর ইকোসিস্টেম পুনরুদ্ধারের আহ্বান জানানো হয়।

রিফাত/

খুলনায় উপকূলীয় নারীদের জীবনসংগ্রাম নিয়ে আলোকচিত্র প্রদর্শনী

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৩:৪৩ পিএম
আপডেট: ১৩ জুন ২০২৬, ০৩:৪৫ পিএম
খুলনায় উপকূলীয় নারীদের জীবনসংগ্রাম নিয়ে আলোকচিত্র প্রদর্শনী
ছবি: বিজ্ঞপ্তি

উপকূলের নারীদের সংগ্রাম, সক্ষমতা ও নেতৃত্বের নানা দিক তুলে ধরে খুলনায় অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘উপকূলের কণ্ঠ: জলবায়ু সহনশীলতার অভিযাত্রা’ শীর্ষক আলোকচিত্র প্রদর্শনী।

জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাতে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলের মধ্যে বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা অন্যতম। এই সংকট মোকাবিলায় উপকূলীয় নারীদের নেতৃত্ব, অভিযোজন সক্ষমতা, জীবনসংগ্রাম ও কমিউনিটি-ভিত্তিক উদ্যোগের গল্প তুলে ধরতে খুলনায় অনুষ্ঠিত হয়েছে দিনব্যাপী আলোকচিত্র প্রদর্শনী ‘উপকূলের কণ্ঠ: জলবায়ু সহনশীলতার অভিযাত্রা’।

জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি)-এর উপকূলীয় জনগোষ্ঠীর বিশেষত নারীদের জলবায়ু পরিবর্তনজনিত লবণাক্ততা মোকাবেলায় অভিযোজন সক্ষমতা বৃদ্ধিকরণ শীর্ষক (জেন্ডার-রেসপনসিভ কোস্টাল এডাপটেশন – জিসিএ - Gender-responsive Coastal Adaptation - GCA) জিসিএ প্রকল্পের উদ্যোগে, গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড (Green Climate Fund) এবং বাংলাদেশ সরকারের সহযোগিতায় আয়োজিত এ প্রদর্শনীর খুলনা পর্বের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান - ১৩ জুন শনিবার সকালে খুলনার শহীদ হাদিস পার্কে অনুষ্ঠিত হয়।

প্রদর্শনীতে বাংলাদেশের বিভিন্ন উপকূলীয় অঞ্চলের নারীদের জীবন ও সংগ্রামের নানা দিক আলোকচিত্রের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট লবণাক্ততা, ঘূর্ণিঝড়, নদীভাঙন ও জীবিকাগত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তাঁদের অভিযোজন কৌশল, বিকল্প জীবিকা, পানি ব্যাবস্থাপনা, সামাজিক নেতৃত্ব এবং স্থানীয় পর্যায়ের উদ্যোগ প্রদর্শনীর মূল উপজীব্য।

আয়োজকদের মতে, জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় নারীদের ভূমিকা প্রায়ই আড়ালে থেকে যায়, অথচ উপকূলীয় অঞ্চলে পরিবার ও সম্প্রদায়ের টিকে থাকার লড়াইয়ে নারীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। তাদের অভিজ্ঞতা ও সক্ষমতাকে সামনে নিয়ে আসার পাশাপাশি নারী নেতৃত্বভিত্তিক জলবায়ু অভিযোজন সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়ানোই এ আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) সুরাইয়া সিদ্দীকা, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী ইব্রাহীম মো. তৈমুর, খুলনা জেলা; ড. এস এম ফেরদৌস, সিন্ডিকেট মেম্বার, খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়; জনাব মো: নজরুল ইসলাম, উপপরিচালক, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, খুলনা; ইউএনডিপি বাংলাদেশের যোগাযোগ বিভাগের প্রধান মো. আব্দুল কাইয়ুম এবং জিসিএ প্রকল্পের জাতীয় প্রকল্প ব্যবস্থাপক মো. আব্দুল হান্নান প্রমুখ।

প্রদর্শনীটিতে আলোকচিত্রী এ.বি. রশিদের ধারণকৃত প্রায় ৮৫টি স্থিরচিত্র প্রদর্শিত হয়। সরাসরি প্রদর্শনীর পাশাপাশি এটি ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মেও আয়োজন করা হয়েছে। এর আগে গত ২১ থেকে ২৩ মে রাজধানীর দৃক গ্যালারিতে প্রদর্শনীটির ঢাকা পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য, জিসিএ প্রকল্প, গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড ও বাংলাদেশ সরকারের সহযোগিতায় উপকূলীয় অঞ্চলে, বিশেষ করে নারীদের জলবায়ু সহনশীলতা ও অভিযোজন সক্ষমতা বৃদ্ধিতে কাজ করছে। প্রকল্পটি জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীর নিরাপদ পানি, জীবিকা ও নারী নেতৃত্বভিত্তিক অভিযোজন উদ্যোগ জোরদারে ভূমিকা রাখছে।