ঢাকা ৯ আষাঢ় ১৪৩৩, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
কারা পাবেন হেদায়েতের এই পরম নিয়ামত? রেকর্ড তাপপ্রবাহে ফ্রান্সে ট্র্যাজেডি, পানিতে ডুবে ৪০ জনের মৃত্যু জাইমা রহমানের ছবি ব্যবহার করে প্রতারণা, রিমান্ডে আইনজীবী বাংলাদেশের সঙ্গে ৫৮ দেশের বাণিজ্য ঘাটতি, শীর্ষে চীন ও ভারত: বাণিজ্যমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে কড়া বক্তব্য দিলেন এমপি রেহানা রানু টিআর-কাবিটা প্রকল্পে অনিয়মের তদন্ত চলছে: ত্রাণমন্ত্রী এক অর্থবছরে প্রবাসী আয় ৩০.৩২ বিলিয়ন ডলার: প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী ফ্যান্টাসী কিংডম-খবরের কাগজ প্রতিদিনের অনলাইন কুইজ বিজয়ী ডিজিটাল নকল প্রতিরোধে কঠোর নজরদারির আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে সাত দশকের অগ্রগতির দাবি প্রশ্নবিদ্ধ: সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী মন্ত্রীদের অনুপস্থিতি ও সংসদ কক্ষের শৃঙ্খলা নিয়ে উদ্বেগ বিরোধীদলীয় নেতার পোশাক ছাড়া গোসল করলে ওজু থাকবে কি? গুজব ও বিচারাধীন ইস্যুতে সংসদের সময় নষ্ট না করার আহ্বান স্পিকারের চালের বাজারে কারসাজি ঠেকাতে কঠোর নজরদারি চলছে: খাদ্য প্রতিমন্ত্রী নতুন ও প্রথম আয়কর রিটার্ন  দাখিলকারীর প্রতি পরামর্শ সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় জিএম কাদেরের নিন্দা ও উদ্বেগ অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ডব্লিউইএফ প্রেসিডেন্টের সাক্ষাৎ ওয়ান ব্যাংক থেকে নগদে তাৎক্ষণিক টাকা পাঠানোর সেবা চালু Wisdom of King Soloman বিষয়ক Story Writing নিয়ে আলোচনা, ২য় পর্ব, এইচএসসির ইংরেজি ১ম পত্র শুধু সাফল্য নয়, অনিয়মও তুলে ধরুন-সাংবাদিকদের প্রাণীসম্পদ মন্ত্রী উন্নত স্বাস্থ্যসেবা ও বিশেষ সুবিধা নিশ্চিতে মাস্টারকার্ড ও অ্যাসেন্ট হেলথ লিমিটেডের অংশীদারিত্ব ক্যালিফোর্নিয়ার আকাশে বাংলাদেশের রং নায়িকা ববি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে বললেন বাশার তার স্বামী নন ইউল্যাবে জেন্ডার সমতা, সামাজিক ন্যায়বিচার বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত পানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে এশিয়ার দেশগুলোর সম্মিলিত উদ্যোগের তাগিদ স্পিকারের সাহিত্যের খেলা প্রবন্ধর ৪০টি জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, এইচএসসির বাংলা ১ম পত্র প্রাইভেট ব্যাংকে চাকরির সুযোগ সিয়াটলে যাওয়ার অনুমতি পেল না মিশর ডিবি পরিচয়ে ব্যবসায়ীর বাড়িতে তাণ্ডব, আসবাবপত্র ভাঙচুরের পর লুটপাট জর্ডান ম্যাচে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত স্কালোনির

খুলনায় ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়ছে

প্রকাশ: ১৭ নভেম্বর ২০২৪, ১০:১০ এএম
খুলনায় ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বাড়ছে
দীর্ঘদিন ধরে পরিস্কার না করায় খুলনা নগরীর ডাকবাংলা মোড় এলাকায় ড্রেনের পানিপ্রবাহ বন্ধ হয়ে গেছে। ওই পানিতে মশার বংশবিস্তার ঘটছে। ছবি: খবরের কাগজ

খুলনাসহ বিভাগের ১০ জেলায় হঠাৎ করে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বেড়ে গেছে। তিন সপ্তাহের ব্যবধানে বিভাগে নতুন করে তিন হাজার ৩৭৮ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন। শুধু সরকারি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন প্রায় সাড়ে ৪০০ ডেঙ্গু রোগী। বেসরকারি ক্লিনিক হাসপাতালে আরও অসংখ্য রোগী ভর্তি রয়েছেন। খুলনার নাগরিক প্রতিনিধিরা এমন পরিস্থিতির জন্য সংশ্লিষ্টদের উদাসীনতাকে দায়ী করেছেন। বলেছেন, ডেঙ্গু নিধনে সিটি করপোরেশন তাদের কার্যক্রম আলোচনা সভার মধ্যে সীমাবদ্ধ রেখেছে। বাস্তবে তারা কোনো কাজ করে না।


খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৭ অক্টোবর বিভাগের ১০ জেলায় ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ছিল চার হাজার ৯২১ জন। এরপরই ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা দ্বিগুণ হারে বাড়তে থাকে। ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন সাত হাজার ৬৫১ জন। গড়ে প্রতি সপ্তাহে আক্রান্তের সংখ্যা এক হাজারের বেশি। 


এর মধ্যে খুলনা জেলায় সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়েছেন দুই হাজার ১৩৯ জন। এর বাইরে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয়েছেন আরও ৮৫২ জন। খুলনায় চলতি মৌসুমে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ১৫ জন। সর্বশেষ ১২ নভেম্বর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে খুলনায় স্কুল শিক্ষিকা হাবিবা খানম মারা যান। তিনি মহানগর বিএনপি নেতা চৌধুরী হাসানুর রশিদ মিরাজের স্ত্রী।


এ ছাড়া খুলনা বিভাগের মধ্যে যশোরে এক হাজার ৪৬, কুষ্টিয়ায় ৮০৩, নড়াইলে ৫৫৩, মেহেরপুরে ৫৫০, ঝিনাইদহে ৪৬৯, মাগুরায় ২৩৭, সাতক্ষীরায় ৩৫৮, চুয়াডাঙ্গায় ১৫৩ ও বাগেরহাটে ৯৫ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন।


এদিকে নাগরিক নেতারা বলছেন, মশক নিধনে খুলনা সিটি করপোরেশন বড় অংকের বাজেট ব্যয় করলেও সুফল মিলছে না। খুলনায় দিনে-রাতে মশার অত্যাচারে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে। বিভিন্ন স্থানে চলমান ড্রেন ও রাস্তার সংস্কার কাজে আটকে থাকা পানিতে মশার বংশ বিস্তার হচ্ছে। মশার কয়েল, স্প্রে ও ইলেকট্রিক ব্যাট ব্যবহার করেও কোনো সুফল পাওয়া যাচ্ছে না।


জানা গেছে, মশক নিধনে সিটি করপোরেশন চলতি অর্থবছরে প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকার বাজেটে ওষুধ, কালো তেল ছিটানো, ফগার মেশিন কেনা-মেরামতসহ ক্রাশ প্রোগ্রাম চালানোর কথা বললেও মশা দমন করা যাচ্ছে না। এতে ভয়াবহ আকারে ডেঙ্গু ছড়িয়ে পড়ছে। 


নগরীর শেখপাড়ার হাজি ইসমাইল লিংক রোডের বাসিন্দা সাইদুর রহমান জানান, অধিকাংশ এলাকায় চলছে ড্রেন-রাস্তার সংস্কার কাজ। এ কাজের সময় ড্রেনের মুখ বন্ধ রেখে কাজ করতে হয় শ্রমিকদের। সেখানে জমে থাকে নোংরা পানি। আর বদ্ধ নোংরা পানি থেকে জন্ম নেয় মশা। তিনি বলেন, আগে দিনের বেলায় মশা দেখা না গেলেও এখন সব সময়ই মশার কামড়ে অতিষ্ঠ হতে হয়। কয়েল, ইলেকট্রিক ব্যাট ব্যবহার করেও মশার কামড় থেকে রক্ষা পাওয়া যায় না। 


সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তারা জানান, চলতি অর্থবছরে মশক নিধনে লার্ভিসাইড, অ্যাডাল্টিসাইড, ডিজেল, কেরোসিন কেনা বাবদ দুই কোটি ১০ লাখ টাকার বরাদ্দ রয়েছে। এ ছাড়া ফার্নেস অয়েল, ফগার মেশিন কেনা, হ্যান্ড স্প্রে মেশিন কেনা-মেরামত বাবদ আরও এক কোটি ৪০ লাখ টাকা ব্যয় করছে। তবে অভিযোগ রয়েছে, সংশ্লিষ্টদের দায়িত্বহীনতায় সুফল পাচ্ছে না নগরবাসী। বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, ড্রেনগুলোতে পলিথিন, কাগজ ও বিভিন্ন ধরনের ময়লা জমে রয়েছে। এগুলো পরিষ্কারের ক্ষেত্রে সিটি করপোরেশনের উদাসীনতার কথা বলছেন এলাকার বাসিন্দারা। 


নগরীর সোনাডাঙ্গা আবাসিক এলাকার বাসিন্দা সিরাজুল ইসলাম বলেন, কয়েক সপ্তাহ ধরে মশার উপদ্রব বাড়ছে। ঘরের জানালা খুললে ঘরে মশা প্রবেশ করে, শুরু হয় অত্যাচার। মঝেমধ্যে সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে ওষুধ ছিটানো হয়। কিন্তু তাতে কোনো কাজ হয় না।


নাগরিক সংগঠন খুলনা নাগরিক সমাজের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট বাবুল হাওলাদার বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে কেসিসি মাঝেমধ্যে আলোচনা সভা করলেও বাস্তবে তারা কোনো কাজ করে না। মশক নিধনে মানসম্মত ওষুধ ছিটানোরা পাশাপাশি নিয়মিত ড্রেন পরিষ্কার করা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সংস্কার প্রয়োজন।


সিটি করপোরেশনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রধান আব্দুল আজিজ বলেন, লার্ভা ধ্বংস করার জন্য ড্রেনে কালো তেল ব্যবহার করা হয়। বিভিন্ন ক্রাশ প্রোগ্রাম হাতে নেওয়া হয়েছে। মশার উপদ্রব থেকে বাঁচার জন্য তিনি বাড়ির আশপাশের জঙ্গল ও ড্রেনগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করাসহ নগরবাসীকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। 

ডিবি পরিচয়ে ব্যবসায়ীর বাড়িতে তাণ্ডব, আসবাবপত্র ভাঙচুরের পর লুটপাট

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ০৫:৩৯ পিএম
আপডেট: ২৩ জুন ২০২৬, ০৭:৪১ পিএম
ডিবি পরিচয়ে ব্যবসায়ীর বাড়িতে তাণ্ডব, আসবাবপত্র ভাঙচুরের পর লুটপাট
সোনারগাঁওয়ে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে ব্যবসায়ীর বাড়িতে হামলা, আসবাবপত্র তছনছ। ইনসেটে উদ্ধার আইডি কার্ড। ছবি : খবরের কাগজ

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে এক কাপড় ব্যবসায়ীর বাড়িতে হামলা, আসবাবপত্র তছনছ, নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুটের অভিযোগ উঠেছে। 

সোমবার (২২ জুন) সন্ধ্যায় উপজেলার জামপুর ইউনিয়নের বুরুমদী গ্রামের রিয়াদ কবিরের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় ব্যবসায়ী বাদি হয়ে মঙ্গলবার সকালে সোনারগাঁও থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। 

জানা যায়, উপজেলার জামপুর ইউনিয়নের বুরুমদী গ্রামের ইকবাল কবিরের ছেলে রিয়াদ কবিরের বাড়িতে একই এলাকার পিয়ার হোসেন,  মাসুম, শফিকুল ইসলাম, আল-আমিন (৪৮), লিটন হোসেন, ফর্মা হোসেনসহ অজ্ঞাতনামা ৪/৫ জন নিয়ে হামলা করে। 

এসময় নিজেদের ডিবি পুলিশ পরিচয়ে ব্যবসায়ী রিয়াদ কবিরকে মারধর করে। এক পর্যায়ে বাড়ীতে মাদক রয়েছে বলে আমার ঘরবাড়ির আসবাবপত্র তল্লাশি করে। আসবাবপত্র তছনছ করে নগদ ৪ লাখ টাকা নিয়ে যায়। পরে মামলা ও গ্রেপ্তারের হুমকি দিয়ে তারা চলে যায়।

হামলাকারীরা চলে যাওয়ার সময়  তাদের একটি আইডি কার্ড ফেলে যায়। আইডি কার্ডে অজয় কুমার জয়, পদবী-সেপয়, ডিপার্টমেন্ট অফ নারকোটিক্স কন্ট্রোল বাংলাদেশ, আইডি নং- ৪৯১৩২৫, জাতীয় পরিচয় পত্র নং- ৪২১৮৯৫৩৪৮৯ পাওয়া যায়।

ফেলে যাওয়া আইডি কার্ড ফেরত দেওয়ার জন্য শরীফ হোসেন নামের মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের এক সিপাহি পরিচয়ে আইডি কার্ড ফেরত দেওয়ার জন্য হুমকি প্রদান করে।

এ বিষয়ে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সিপাহি শরীফ হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি আইডি কার্ড ফেরতের জন্য কাউকে ফোন দেননি বলে দাবি করেন। তবে অভিযানের বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না। 

ব্যবসায়ী রিয়াদ কবির জানান, পূর্ব শত্রুতার জেরে এলাকার একটি চক্র পুলিশের সোর্সের মাধ্যমে তার পরিবারকে হয়রানি করার জন্য বাড়িতে হামলা করে। মাদক উদ্ধারের নামে আসবাবপত্র তছনছ করে। হামলাকারীরা নগদ ৪ লাখ টাকা নিয়ে যায়। ভবিষ্যতের নিরাপত্তা ও হয়রানি থেকে রক্ষা পেতে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। 

অভিযুক্ত পিয়ার হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত নয় বলে দাবি করেন। তিনি জানান, তিনদিন ধরে ওই এলাকায় তিনি যান না। কেউ তাকে দেখছেন প্রমাণ দিতে পারবে না। তবে শুনেছি প্রশাসনের লোকজনকে রিয়াদ ও তার পরিবারের লোকজন মারধর করেছে। 

সোনারগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. গোলাম সারোয়ার বলেন, অভিযোগ গ্রহন করা হয়েছে। ডিবি পুলিশের নাম ব্যবহার করে হয়রানি মারাক্তক অপরাধ। আসল ঘটনা উদঘাটনে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

এসএন/

মো: ইমরান হোসেন/এসএন

দাউদকান্দি পৌরসভার ৪৩ কোটি টাকার উন্মুক্ত বাজেট ঘোষণা

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ০৫:২৩ পিএম
দাউদকান্দি পৌরসভার ৪৩ কোটি টাকার উন্মুক্ত বাজেট ঘোষণা
ছবি: খবরের কাগজ

কুমিল্লার দাউদকান্দি পৌরসভা ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৪৩ কোটি ৯ লক্ষ ৯৮ হাজার ৪৬৮ টাকা ২৩ পয়সা প্রস্তাবিত বাজেট ঘোষণা করেছেন। 

একই সাথে অর্থবছরের রাজস্ব আয় ১৬ কোটি ৫৮ লক্ষ ২১ হাজার ২০২ টাকা ৫১ পয়সা, রাজস্ব ব্যয়: ১৩ কোটি ২০ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা, উদ্বৃত্ত ৩ কোটি ৩৭ লক্ষ ৯১ হাজার ২০২ টাকা ৫১ পয়সা। আর উন্নয়ন খাতে মোট উন্নয়ন আয় ২৬ কোটি ৫১ লক্ষ ৭৭ হাজার ২৬৫ টাকা ৭২ পয়সা। মোট উন্নয়ন ব্যয় ২৩ কোটি ৫৫ লক্ষ টাকা। উদ্বৃত্ত ২ কোটি ৯৬ লক্ষ ৭৭ হাজার ২৬৫ টাকা ৭২ পয়সা।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) দুপুরে পৌরসভা কার্যালয়ের সভাকক্ষে এই উন্মুক্ত বাজেট উপস্থাপন করেন পৌর প্রশাসক ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রেদওয়ান ইসলাম।

উন্মুক্ত বাজেটে উন্নয়ন ও অবকাঠামো খাতে সর্বোচ্চ ব্যয়ের প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে এবারের বাজেটে নতুন কোনো কর আরোপ করা হয়নি।

বাজেট ঘোষণাকালে পৌর প্রশাসক রেদওয়ান ইসলাম  বলেন, নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধির লক্ষ্যে রাস্তাঘাট, ড্রেন, সড়কবাতি, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোর উন্নয়নে এ বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে। কোনো ধরনের নতুন কর চাপানো হয়নি।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মো. তাজুল ইসলাম। এসময় উপস্থিত ছিলেন পৌর সহকারী প্রকৌশলী এইচ. এম. কামরুজ্জামান, উপ-সহকারী প্রকৌশলী জেবিন সুলতানা, হিসাব রক্ষক মো. শাহাদাত হোসেন, কার্য সহকারী মোহাম্মদ আব্দুল আহাদসহ পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারী ও স্থানীয় সাংবাদিকরা।

লিটন সরকার বাদল/এসএন

বিপৎসীমার ওপরে তিস্তার পানি, নিম্নাঞ্চলে বন্যার আশঙ্কা

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ০৫:১৫ পিএম
বিপৎসীমার ওপরে তিস্তার পানি, নিম্নাঞ্চলে বন্যার আশঙ্কা
তিস্তার পানি। ছবি: খবরের কাগজ

উজানের ঢলে লালমনিরহাটে তিস্তা নদীর পানি আবারও বৃদ্ধি পেয়ে ডালিয়া পয়েন্টে বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। এতে তিস্তার ভাটিতে থাকা নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চলের বাসিন্দারা সম্ভাব্য বন্যার আশঙ্কায় পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছেন।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) বিকেল ৩টার দিকে তিস্তার ডালিয়া পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার ১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে বলে জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)।

পাউবো সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকাল ৯টায় ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি বিপৎসীমার ১০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। পরে দুপুর ১২টায় তা বিপৎসীমার ১৫ সেন্টিমিটার নিচে নেমে গেলেও বিকেলের দিকে উজান থেকে নেমে আসা ঢলের কারণে দ্রুত পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিকেল ৩টার দিকে বিপৎসীমার ১ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহ রেকর্ড করা হয়।

গত কয়েকদিন ধরেই তিস্তার পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি ওঠানামা করছে। পানির এমন বাড়া-কমায় নদীর তীরবর্তী মানুষজনের মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে তিস্তার ভাটিতে থাকা নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চলের বাসিন্দারা সম্ভাব্য বন্যার আশঙ্কায় পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছেন।

তবে বর্তমানে তিস্তার চরাঞ্চলে মৌসুমি ফসল না থাকায় কৃষকদের বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। তারপরও পানি আরও বৃদ্ধি পেলে বসতবাড়ি ও যোগাযোগ ব্যবস্থায় প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

পাউবো বলছে, আগামী ৭২ ঘণ্টায় তিস্তার পানি আরও বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার কাছাকাছি অথবা বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে। এ কারণে পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং যে-কোনো ধরনের দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি রাখা হয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সুনীল কুমার জানান, তিস্তার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একইসঙ্গে নদীতীরবর্তী বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

বকুল/নাঈম

টেকনাফে যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে আহত ১০

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ০৫:০৮ পিএম
আপডেট: ২৩ জুন ২০২৬, ০৫:২৪ পিএম
টেকনাফে যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে আহত ১০
ছবি: খবরের কাগজ

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার দমদমিয়া সেন্টমার্টিন কেয়ারি ঘাট এলাকায় একটি যাত্রীবাহী মিনিবাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ব্রিজের রেলিং ভেঙে খাদে পড়ে গেলে অন্তত ৮ থেকে ১০ জন যাত্রী আহত হন। আহতদের মধ্যে স্থানীয় বাসিন্দা ও রোহিঙ্গা নাগরিক রয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) দুপুর ১২টার দিকে হ্নীলা ইউনিয়নের দমদমিয়া বিজিবি চেকপোস্ট সংলগ্ন কেয়ারি ঘাট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনাকবলিত মিনিবাসটি পায়রা সার্ভিস এর, যার নিবন্ধন নম্বর কক্সবাজার জ-১১-০২৩২।

স্থানীয় সূত্র জানায়, কক্সবাজার থেকে ছেড়ে আসা মিনিবাসটি সেন্টমার্টিনগামী দমদমিয়া কেয়ারি ঘাট এলাকায় পৌঁছালে চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। একপর্যায়ে বাসটি ব্রিজের রেলিং ভেঙে পাশের খাদে পড়ে যায়। এতে বাসে থাকা অন্তত ৮ থেকে ১০ জন যাত্রী আহত হন।

দুর্ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন, কোস্টগার্ড, বিজিবি সদস্য এবং টেকনাফ ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। আহতদের উদ্ধার করে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর শাহেদ নামে গুরুতর আহত এক যাত্রীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী মো. আয়ুব জানান, মিনিবাসটি দ্রুতগতিতে চলছিল। একটি বাঁক অতিক্রম করার সময় চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে গাড়িটি সোজা ব্রিজের রেলিং ভেঙে খাদে পড়ে যায়। ওই সময় বাসটিতে প্রায় ১৬ জন যাত্রী ছিলেন। দুর্ঘটনায় অন্তত চারজন গুরুতর আহত হন বলে তিনি দাবি করেন।

তিনি আরও জানান, দুর্ঘটনার পরপরই কোস্টগার্ড, বিজিবি ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজে অংশ নেন এবং আহতদের দ্রুত হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন।

টেকনাফ ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কমান্ডার জামিম মিয়া বলেন, বাস দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কার্যক্রম শুরু করে। পরে বাসে আটকে পড়া যাত্রীদের নিরাপদে উদ্ধার করা হয়।

তিনি জানান, উদ্ধার অভিযানে বিজিবি সদস্যদের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দারাও সক্রিয়ভাবে সহযোগিতা করেন। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো সম্ভব হয়েছে।

মোঃ শাহীন, টেকনাফ।

আখাউড়ায় ‘পার্টনার কংগ্রেস’

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ০৪:৫৯ পিএম
আখাউড়ায় ‘পার্টনার কংগ্রেস’
ছবি: খবরের কাগজ

ফলের মৌসুমের রঙিন আবহে কৃষির নতুন সম্ভাবনা ও টেকসই উন্নয়নের বার্তা নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘পার্টনার কংগ্রেস’।

 কৃষিকে আরও লাভজনক, নিরাপদ ও বাণিজ্যিক খাতে রূপান্তরের লক্ষ্য নিয়ে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে অংশ নেন কৃষি বিভাগের কর্মকর্তা, কৃষক, উদ্যোক্তা, সাংবাদিক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) দুপুরে উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে প্রোগ্রাম অন এগ্রিকালচারাল অ্যান্ড রুরাল ট্রান্সফরমেশন ফর নিউট্রিশন, এন্টারপ্রেনরশিপ অ্যান্ড রেসিলিয়েন্স ইন বাংলাদেশ (পার্টনার) প্রকল্পের আওতায় কংগ্রেসটি অনুষ্ঠিত হয়। আয়োজন করে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. মোস্তফা এমরান হোসেন। সভাপতিত্ব করেন আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাপসী রাবেয়া।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মাসুদ রানা, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ড. এমরান হোসেন ভূঁইয়া, , উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. জাহিদ হাসান, কৃষক প্রতিনিধি মো. মুর্শেদ আলম ও মৌসুমী আক্তার।

বক্তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন ও খাদ্যনিরাপত্তার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব কৃষিচর্চার বিকল্প নেই। পার্টনার প্রকল্পের মাধ্যমে কৃষকদের সচেতনতা বৃদ্ধি, কৃষক পার্টনার স্কুল পরিচালনা, জৈব ও অর্গানিক বালাইনাশক ব্যবহারে উৎসাহ প্রদান, সঠিক মাত্রায় সার ও কীটনাশক প্রয়োগ এবং ফসলের উৎপাদনশীলতা বাড়াতে নানা কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

এর আগে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত ফল মেলার উদ্বোধন করেন অতিথিরা। মৌসুমি ফলের সমাহারে সাজানো মেলায় স্থানীয় কৃষকদের উৎপাদিত নানা ফল প্রদর্শিত হয়। কৃষির সম্ভাবনা ও পুষ্টি সচেতনতার বার্তা ছড়িয়ে দিতে মেলাটি দর্শনার্থীদেরও আকৃষ্ট করে।

জুটন বনিক/এসএন