নোয়াখালী থেকে ঢাকা রুটের যাত্রীদের বাস ভাড়া ৫১ টাকা বেশি নেওয়ায় তিনটি পরিবহনকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় আগের নির্দেশ অমান্য করায় দুই কাউন্টার ব্যবস্থাপককে ৭ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (২৫ নভেম্বর) দুপুরে মাইজদীর নতুন বাসস্ট্যান্ডের হিমাচল, লাল-সবুজ ও একুশে পরিবহনের কাউন্টারে ওই অভিৃযান চালানো হয়। এতে নেতৃত্ব দেন সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহনেওয়াজ তানভীর।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, নোয়াখালী-ঢাকা রুটে সরকার নির্ধারিত বাস ভাড়া ৪৪৯ টাকা। কিন্তু পরিবহনের কাউন্টারগুলো ৫০০ টাকা করে আদায় করার অভিযোগ আসে। পরে অভিযানে গিয়ে এর সত্যতা পেয়ে ওই তিন পরিবহনকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা এবং আগের নির্দেশ অমান্য করায় লাল-সবুজ ও হিমাচল কাউন্টারের ব্যবস্থাপককে ৭ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন হিমাচল এক্সপ্রেসের ব্যবস্থাপক শান্ত চন্দ্র দে এবং লাল-সবুজ পরিবহনের ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন। তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
অভিযান পরিচালনাকারী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহনেওয়াজ তানভীর বলেন, ‘যাত্রীদের থেকে সরকার নির্ধারিত ভাড়ার অতিরিক্ত ৫১ টাকা করে আদায়ের প্রমাণ পেয়ে তিন কাউন্টারকে জরিমানাসহ অন্যদের সতর্ক করা হয়েছে। এ ছাড়া দুই ব্যবস্থাপককে কারাদণ্ড দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে পরিবহন মালিকদের যোগসাজশে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেন নোয়াখালী জজ কোর্টের আইনজীবী মো. সামসুল ফারুক। তিনি বলেন, ‘ঢাকা রুটে প্রতিদিন ১০ হাজারের বেশি যাত্রী চলাচল করে। ভাড়া কমানোর দাবিতে আলটিমেটাম দিয়ে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, বিআরটিএ ও বাস মালিক সমিতিকে ডাকযোগে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
অভিযানে নোয়াখালী বিআরটিএ কার্যালয় এবং ভোক্তা অধিকার কর্মকর্তারা ছাড়াও আনসার সদস্যরা সহযোগিতা করেন। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শাহনেওয়াজ তানভীর।