চট্টগ্রাম শহরের লালখানবাজার থেকে পতেঙ্গা পর্যন্ত এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের (উড়ালসড়ক) টোল আদায় শুক্রবার (৩ জানুয়ারি) থেকে শুরু হচ্ছে।
সেদিন সকাল ১০টায় এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান।
সিডিএ চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. নুরুল করিম জানিয়েছেন, এতদিন এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে গাড়ি চলাচলে কোনো টোল দিতে হয়নি। এক্সপ্রেসওয়ের পতেঙ্গা প্রান্তে চারটি টোলের বুথ বসানো হয়েছে। শুক্রবার থেকে এসব বুথে টোল আদায় করা হবে। ক্রমান্বয়ে লালখানবাজারসহ মোট ১০টি পয়েন্টে টোল বুথ বসানো হবে।
কোন গাড়ির টোল কত টাকা:
এক্সপ্রেসওয়েতে ১০ ধরনের গাড়ি চলাচল করতে পারবে। সিএনজিচালিত অটোরিকশার টোল ৩০ টাকা, প্রাইভেটকার ৮০ টাকা, জিপ ও মোইক্রোবাস ১০০ টাকা, পিকআপ ১৫০ টাকা, মিনিবাস ও চার চাকার ট্রাক ২০০ টাকা, বাস ২৮০ টাকা, ছয় চাকার ট্রাক ৩০০ টাকা ও কাভার্ডভ্যান ৪৫০ টাকা।
২০২৩ সালের ১৪ নভেম্বর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেষ হাসিনা ভাচ্যুয়াল মাধ্যমে চট্টগ্রাম শহরের প্রথম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের উদ্বোধন করেন। তখন এর নাম দেওয়া হয়েছিল ‘মেয়র মহিউদ্দিন চৌধুরী-সিডিএ এক্সপ্রেসওয়ে।’
তবে উদ্বোধনের পরও এই উড়ালসড়ক দিয়ে গাড়ি চলাচল করতে দেওয়া হয়নি। গত ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর কোনো ধরনের ঘোষণা কিংবা আদেশ ছাড়া মানুষ এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহার করতে শুরু করেন। তবে টোল আদায় করা হয়নি।
২০১৭ সালের ১১ জুলাই জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্প অনুমোদন হয়। তিন বছর মেয়াদি প্রকল্পের নির্মাণব্যয় ধরা হয়েছিল ৩ হাজার ২৫০ কোটি ৮৩ লাখ টাকা। পরে প্রকল্পের ব্যয় বেড়ে হয়েছে ৪ হাজার ২৯৮ কোটি ৯৫ লাখ টাকা। এখনো প্রকল্পের কাজ শেষ হয়নি। চলছে র্যাম্প ও লুপ নির্মাণের কাজ।
পপি/