ফরিদপুরের ভাঙ্গায় টিকটক করতে এসে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক নারী। এ ঘটনায় ভিকটিমের মা বাদী হয়ে ভাঙ্গা থানায় ধর্ষণ ও পর্নগ্রাফি আইনে দুটি মামলাসহ মোট তিনটি মামলা করার পর উপজেলার চুমুরদী জেলেপাড়া থেকে ছয় যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
রবিবার (৫ জানুয়ারি) দুপুরে আসামিদের জেল হাজতে পাঠানো হবে।
আটকরা হলেন- ধর্ষক দুই যুবক ভাঙ্গা উপজেলার চুমুরদী গ্রামের আকরাম খাঁন (২৫) ও মধুখালী উপজেলার কাঁঠালবাড়ি গ্রামের জুয়েল মোল্লা (৩০) এবং পর্নগ্রাফি আইনে সাইদুল মোল্লা (৩০), মামুন শরীফ (৩২), বাবু মোল্লা (৩০) ও মো. জুয়েল মোল্লা (২৪)।
পুলিশ ও মামলাসূত্রে জানা যায়, গত শুক্রবার রাত ১০টায় চুমুরদী এলাকার টিকটকার আকরাম খাঁন ও বোয়ালমারী উপজেলা এলাকার টিকটকার ওই নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছে মর্মে মৌখিক বক্তব্য দেয়। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ছয়জনকে আটক করে। জিজ্ঞাসাবাদে আকরাম খাঁন স্বীকার করেন যে, মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকেলে ফরিদপুরের বোয়ালমারী এলাকা থেকে টিকটকার ওই নারীসহ সালথা ও মধুখালি উপজেলা থেকে আরও দুই যুবককে ভাঙ্গা উপজেলার চুমুরদী এলাকায় নিয়ে আসে। পরে ওই নারীকে একটি ভাড়া বাসায় নিয়ে আকরাম ও জুয়েল মোল্লা ধর্ষণ করে। এ ছাড়া এলাকার চার যুবক ওই নারীকে মারধর করে অশ্লীল ভিডিও ধারণ করে ভয় দেখিয়ে ছয়টি মোবাইল ও নগদ টাকা ছিনিয়ে নেয়।
এ বিষয়ে ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোকছেদুর রহমান বলেন, শুক্রবার রাতে টিকটকার এক নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছে মর্মে মৌখিক অভিযোগ দেয়। পরদিন শনিবার রাতে দুটি ধর্ষণ এবং পর্নগ্রাফি আইনে একটি মামলাসহ পৃথক তিনটি মামলা করা হয়েছে। শনিবার রাত পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের মধ্যে আকরাম খাঁন ও জুয়েল মোল্লা ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছেন।
সঞ্জিব দাস/মেহেদী/অমিয়/