রাঙামাটির বাঘাইহাট-সাজেক সড়কে চার স্থানে পাহাড়ের মাটি ধসে যানচলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। এতে সাজেকে আটকা পড়েছেন ছয় শতাধিক পর্যটক। সড়কের দুই প্রান্তে পর্যটকসহ স্থানীয়দের যাতায়াত বন্ধ রয়েছে। অতিবৃষ্টির কারণে পাহাড়ের একাংশ ধসে গিয়ে এ অবস্থা তৈরি হয়েছে। তবে সড়ক যোগাযোগ স্বাভাবিক করতে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়রা।
বুধবার (২৩ জুলাই) রাতে বাঘাইছড়ি উপজেলার বাঘাইহাট-সাজেক সড়কের চম্পাতলী ও নন্দারাম নামক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
এর মধ্যে চম্পাতলীতে প্রায় ৫০ মিটার এবং নন্দারাম এলাকায় ৩টি স্থানে ৫০, ৩০ এবং ৩০ মিটার সড়ক পাহাড় ধসে সম্পূর্ণভাবে মাটি দিয়ে ভরাট হয়ে গেছে। এতে যান চলাচল বন্ধ হওয়ায় সড়কের দুই প্রান্তে স্থানীয় বাসিন্দাদের চলাচলেও বিঘ্ন ঘটছে। একইসঙ্গে সাজেকগামী পর্যটক এবং সাজেক থেকে ফিরতে না পারায় ছয় শতাধিক পর্যটক সেখানে আটকা পড়েছেন।
খবর পেয়ে খাগড়াছড়ির দিঘীনালা উপজেলার ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয়দের সহায়তায় মাটি সরানোর কার্যক্রম শুরু করে। তবে ফায়ার সার্ভিসের দলের কাছে মাটি সরানোর পর্যাপ্ত যন্ত্রপাতি না থাকায় কাজ চলছে ধীরগতিতে।
বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) দুপুরে সাজেক রিসোর্ট মালিক সমিতির সভাপতি সুবর্ণদেব বর্মন বলেন, সাজেক-বাঘাইছড়ির নন্দারাম এলাকায় পাহাড় ধসে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। সাজেক থেকে প্রতিদিন সকাল সাড়ে ১০টা ও আড়াইটায় পর্যটকবাহী গাড়িগুলো ছেড়ে যায়। কিন্তু আজ সড়ক বন্ধ থাকায় সকাল সাড়ে ১০টার গাড়িগুলো যেতে পারেনি। এতে সাজেকে ছয় শতাধিক পর্যটক আটকা পড়েছেন।
বাঘাইছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির বলেন, পাহাড় ধসের ঘটনা বাঘাইহাট থেকে সাজেক সড়ক যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। তবে সড়ক যোগাযোগ স্বাভাবিক করতে দীঘিনালা ফায়ার সার্ভিসসহ স্থানীয়রা কাজ করছেন। কাজ শেষ হলেই যান চলাচল স্বাভাবিক হবে।
জুয়েল/মেহেদী/