কুষ্টিয়ায় ‘লালন সম্রাজ্ঞী’ খ্যাত সংগীতশিল্পী ফরিদা পারভীনের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। রবিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বাদ এশা কুষ্টিয়া পৌর গোরস্থানে দ্বিতীয় জানাজা শেষে পৌর কবরস্থানে মা-বাবার কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয় বরেণ্য এই সংগীতশিল্পীকে।
ফরিদা পারভীনের মরদেহ কুষ্টিয়ায় পৌঁছালে তাকে শেষ বারের মত দেখার জন্য শতশত মানুষ ভীড় করেন। বিশিষ্ট চিন্তক ও লালন গবেষক ফরহাদ মাজহার, কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক আবু হাসনাত মো. আরেফিনসহ কুষ্টিয়ার বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও রাজনৈতিক দলের নেতাসহ স্থানীয় সাধারণ মানুষ, ভক্তরা এবং পরিবারের সদস্যরা জানাজায় অংশ নেন।
এ ছাড়াও বিভিন্ন সংগঠন তার কফিনে ফুলদিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। গতকাল শনিবার রাত ১০টা ১৫ মিনিটের দিকে রাজধানীর ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউ বিভাগে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান ফরিদা পারভীন।
১৯৫৪ সালে নাটোরে জন্মগ্রহণ করেন ফরিদা পারভীন। শৈশবেই সংগীত শিক্ষার হাতেখড়ি। পরে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার পাশাপাশি তিনি সংগীতচর্চায় যুক্ত হন। ১৯৭৩ সালে রাজশাহী বেতারে নজরুল সংগীতের মাধ্যমে তার আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। পরবর্তীতে লালনের গান দিয়েই তিনি সবার হৃদয়ে জায়গা করে নেন।
কণ্ঠশিল্পী হিসেবে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ফরিদা পারভীন পেয়েছেন একুশে পদক, জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারসহ বহু সম্মাননা। তিনি রেখে গেছেন অসংখ্য ভক্ত-অনুরাগী।
মিলন/সুমন/