ঢাকা ৪ আষাঢ় ১৪৩৩, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
সামরিক জীবনে ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলার আহ্বান সেনাপ্রধানের উখিয়ায় আইওএমের গাড়ির চাপায় অজ্ঞাত শিশুর মৃত্যু ভার্চুয়াল জুয়ার ফাঁদে সমাজ এসএসএফকে জনগণের সঙ্গে সংযোগ অটুট রাখার নির্দেশ তারেক রহমানের গানেই লিজার ব্যস্ততা প্রয়াত বিএনপি নেতা আবদুল্লাহ আল নোমানের নামে আমন্ত্রণপত্র আধ্যাত্মিক ধনী হওয়ার সহজ সমীকরণ আবার জ্বলে ওঠো জার্মানি চাঁপাইনবাবগঞ্জে ২০০ জাতের আম নিয়ে মেলা শুরু পাহাড়, বন আর নীল জলের অপূর্ব মিলন ৪টি চলচ্চিত্র নিয়ে ‘সামার বাংলা হিট ফেস্ট’ তিন নাটকে প্রশংসিত হিমি পুশ-ইন সমস্যা সমাধানের দাবিতে সমাবেশ ও স্মারকলিপি প্রদান সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের প্রবাসী নিহত তপ্ত গরমে পশুপাখির প্রতি সদয় হোন সিনচিয়াংয়ে সংস্কৃতি ও পর্যটন উন্নয়ন সম্মেলন অনুষ্ঠিত সংঘাত নয়, হোক সম্প্রীতির উদযাপন কানসাসের দাবদাহে ‘কুলিং ভেস্টে’ অনুশীলন আর্জেন্টিনার চীনের ছাংছুনে অপটিক্স ও সেমিকন্ডাক্টর প্রযুক্তির বিপ্লব বাংলাদেশের বাজারে এল টেকনো স্পার্ক ৫০ প্রো খোকসায় ২০ বছর ধরে অচল কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্র, ভোগান্তিতে কৃষক-খামারি কেইনই ইংল্যান্ডের ইতিহাসের সেরা স্ট্রাইকার: লিনেকার বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে পুশইন, সংলাপের পরামর্শ জাতিসংঘের গ্লেনরিচ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল পরিদর্শন করলেন প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ কৃষিকাজে বিজ্ঞান বিষয়ক প্রবন্ধ রচনা, ১ম পর্ব, এইচএসসির বাংলা ২য় পত্র নতুন অ্যান্ড্রয়েড ১৭ সংস্করণে গুগলের বড় চমক কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে অবদান রাখায় বাংলাদেশ ব্যাংকের সনদ পেল মার্কেন্টাইল ব্যাংক এবি ব্যাংক পিএলসির ৪৪তম বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত ডিজিটাল পরিসরে নারীর নিরাপত্তা ও সহিংসতার স্বরূপ রামিসাকে ধর্ষণের পর নৃশংস হত্যা! একটি জাতির অবক্ষয়ের নির্মম চিত্র!

সাজেকে পর্যটকবাহী গাড়ি খাদে পড়ে খুবির শিক্ষার্থী নিহত, আহত ১২

প্রকাশ: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৪:২০ পিএম
আপডেট: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৪:২২ পিএম
সাজেকে পর্যটকবাহী গাড়ি খাদে পড়ে খুবির শিক্ষার্থী নিহত, আহত ১২
ছবি: খবরের কাগজ

রাঙামাটির সাজেক পর্যটন কেন্দ্রে যাওয়ার পথে পর্যটকবাহী গাড়ি খাদে পড়ে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) শিক্ষার্থী রোবেনা আক্তার পিংকি নিহত হয়েছেন। তিনি পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের অনার্স চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ১২ জন।

বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর দেড়টার দিকে সাজেক হাউসপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

খবর পেয়ে সেনাবাহিনী, পুলিশ ও স্থানীয়রা উদ্ধার তৎপরতা চালান। পরে আহতদের উদ্ধার করে দীঘিনালা ও খাগড়াছড়ি জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। তাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর। 

সাজেক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কানন সরকার হতাহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মূলত সাজেক ভ্যালির খাড়া পথ উঠতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারায় পর্যটকবাহী গাড়িটি। প্রায় দেড় শ ফুট নিচে খাদে পড়ে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিক অন্য আহতের পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেনি পুলিশ। তবে হতাহতরা সবাই খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী বলে জানা গেছে।

বাঘাইছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমেনা মারজান বলেন, সাজেকে গাড়ি দুর্ঘটনায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রোবেনা আক্তার পিংকি মারা গেছেন। এছাড়া এখন পর্যন্ত আমাদের কাছে তথ্য আছে আরও ১১ জন আহত হয়েছেন। আহতদের দীঘিনালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও খাগড়াছড়ি জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

জিয়াউর রহমান/অমিয়/

উখিয়ায় আইওএমের গাড়ির চাপায় অজ্ঞাত শিশুর মৃত্যু

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ০৭:৩৯ পিএম
উখিয়ায় আইওএমের গাড়ির চাপায় অজ্ঞাত শিশুর মৃত্যু
ছবি: সংগৃহীত

কক্সবাজারের উখিয়ায় রাস্তা পারাপারের সময় আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) একটি গাড়ির চাপায় অজ্ঞাত এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় দুর্ঘটনাকবলিত গাড়িটিকে জব্দ করেছে পুলিশ এবং চালককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) বেলা ৩টার দিকে শহিদ এটিএম জাফর আলম আরাকান সড়কের উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের উখিয়ারঘাট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

শাহপরীর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম জানান, নিহত শিশুটির বয়স আনুমানিক ১২ বছর। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তার নাম-পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।

আটক চালক মো. ইসহাক মিন্টু (৪০) কক্সবাজার শহরের বাসিন্দা। তিনি আইওএমের কর্মীদের বহনকারী গাড়িটি চালাচ্ছিলেন।

স্থানীয়দের বরাতে ওসি মো. সাইফুল ইসলাম জানান, বিকেলে রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকা থেকে আইওএমের কর্মীদের নিয়ে একটি গাড়ি কক্সবাজার শহরের দিকে ফিরছিল। উখিয়ারঘাট এলাকায় পৌঁছালে রাস্তা পার হওয়ার সময় গাড়িটি শিশুটিকে ধাক্কা দেয়। এতে সে গুরুতর আহত হয়। পরে স্থানীয় লোকজন শিশুটিকে রোহিঙ্গা ক্যাম্প সংলগ্ন একটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে হাইওয়ে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। এ সময় দুর্ঘটনাকবলিত গাড়িটি জব্দ করা হয় এবং চালককে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়।

ওসি সাইফুল আরও বলেন, নিহত শিশুর পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

তারেকুর রহমান/নাঈম

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ২০০ জাতের আম নিয়ে মেলা শুরু

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ০৬:৫৮ পিএম
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ২০০ জাতের আম নিয়ে মেলা শুরু
ছবি: খবরের কাগজ

দুই শতাধিক জাতের আম নিয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জে তিন দিনের আম মেলা শুরু হয়েছে আজ।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) বিকেলে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্ত্বরে ফিতা কেটে এই মেলার উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক আবু ছালেহ মো. মুসা জঙ্গী।

জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় এই মেলার আয়োজন করেছে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। মেলায় সরকারি ও বেসরকারি ১৭টি স্টলে আমভিত্তিক বিভিন্ন পণ্য প্রদর্শন করা হচ্ছে। মেলার প্রধান আকর্ষণ হচ্ছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের দুই শতাধিক জাতের সুমিষ্ট আমের প্রদর্শনী। এছাড়াও মেলায় পাওয়া যাচ্ছে বিভিন্ন ফল।

আয়োজকরা জানান, ফলের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, নিরাপদ ও রপ্তানিযোগ্য আম উৎপাদনে কৃষকদের উৎসাহিত করাই এই মেলার মূল লক্ষ্য। মেলা ঘিরে দর্শনার্থীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। আগামী ২০ জুন এই আম মেলা শেষ হবে।

উদ্বোধন উপলক্ষে মেলার চত্বরে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক বলেন, আম শুধু একটি ফল নয়, এটি চাঁপাইনবাবগঞ্জের অর্থনীতি, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত। আমের উৎপাদন, সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণে আরো উন্নয়ন ঘটাতে সংশ্লিষ্ট সকলকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর ড. বিপ্লব কুমার মজুমদার বলেন, আম চাঁপাইনবাবগঞ্জের প্রধান অর্থকরী ফসল। আম চাষ, সংগ্রহ, পরিবহন, বিপণন ও প্রক্রিয়াজাতকরণের সঙ্গে হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থান জড়িত। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের পাশাপাশি বিদেশেও চাঁপাইনবাবগঞ্জের আমের চাহিদা রয়েছে।

সভাপতির বক্তব্যে উপপরিচালক ড. মো. ইয়াছিন আলী বলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ দেশের ‘আমের রাজধানী’ হিসেবে সুপরিচিত। আধুনিক প্রযুক্তি ও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি অনুসরণ করে আম চাষের মাধ্যমে কৃষকরা এখন অধিক লাভবান হচ্ছেন।

এছাড়া আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এ.এন.এম. ওয়াসিম ফিরোজ, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম জাকারিয়া এবং আঞ্চলিক উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্রের মূখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. শরফ উদ্দিনসহ কৃষকরা।

আসাদুল্লাহ/আমান

খোকসায় ২০ বছর ধরে অচল কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্র, ভোগান্তিতে কৃষক-খামারি

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ০৫:৫৬ পিএম
খোকসায় ২০ বছর ধরে অচল কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্র, ভোগান্তিতে কৃষক-খামারি
খোকসা জয়ন্তী হাজরা  ইউনিয়নে দুইযুগ  ধরে বন্ধ  পরিত্যক্ত কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্র। ছবি: খবরের কাগজ

কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলায় প্রায় দুই যুগ ধরে বন্ধ রয়েছে ইউনিয়ন পর্যা‌য়ে স্থায়ীভা‌বে নি‌র্মিত দুইটি কৃ‌ত্রিম প্রজনন কেন্দ্র।

অবহেলা আর রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে কেন্দ্রগুলোর ভবন এখন পরিণত হয়েছে পরিত্যক্ত স্থাপনায়।

কোথাও জন্ম নিয়েছে ভুতুড়ে পরিবেশ, কোথাও পোকামাকড়। ঝোপঝাড়ের দখলে চলে গেছে সরকারি স্থাপনা।

ফলে প্রত্যাশিত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন এলাকার কৃষক ও খামারিরা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,২০০০ সালে প্রকল্পের আওতায় খোকসা উপজেলায় প্রাণিসম্পদ দপ্ত‌রের অধী‌নে নয়টি ইউনিয়নে কৃ‌ত্রিম প্রজনন কেন্দ্র চালু করা হয়। এর মধ্যে জয়ন্তী হাজরা ও আমবাড়িয়া ইউনিয়নে স্থায়ীকেন্দ্র এবং বাকি সাতটি ইউনিয়নে অস্থায়ী কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছিল। প্রতিটি কেন্দ্রে একজন করে কর্মী নিয়োগ দেওয়া হয়। যারা মাঠপর্যায়ে কৃত্রিম প্রজননসহ বিভিন্ন সেবা দেওয়ার দায়িত্ব পালন করেন।

কিন্তু কয়েক বছর যেতে না যেতেই স্থায়ী দুইটি কেন্দ্রের কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে।  বর্তমানে স্থাপনাগু‌লো পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে।

স্থানীয় কৃষক ও খামারিদের অভিযোগ, ইউনিয়ন পর্যায়ে সরকারি সেবা না থাকায় তাঁরা পল্লী প্রজননকর্মীদের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছেন। আবার ইউনিয়ন পর্যা‌য়ে উপ‌জেলা প্রা‌ণি সম্পদ থে‌কে যা‌দের দা‌য়িত্ব দেওয়া হ‌য়ে‌ছে তাঁ‌দের থেকেও প্রয়োজনীয় সেবা সবসময় পাওয়া যায় না। এ সুযোগে প্রজননকর্মীদের বিরু‌দ্ধে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে।

শিমুলিয়া এলাকার কয়েকজন খামারি জানান, সরকারি নির্ধারিত খরচের চেয়ে কয়েক গুণ বেশি টাকা নেওয়া হচ্ছে। নিয়ম অনুযায়ী কৃত্রিম প্রজননের ক্ষেত্রে যাতায়াত ভাতা, স্ট্রো (হিমায়িত সিমেন) ও অন্যান্য খরচ মিলিয়ে সর্বোচ্চ ৩১৫ টাকা নেওয়ার কথা থাকলেও অনেক ক্ষেত্রে ৮০০ থেকে ১ হাজার টাকা পর্যন্ত আদায় করা হচ্ছে।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস সূত্রে জানা গেছে, খোকসা উপজেলায় প্রায় ৩ হাজার ২১০টি গাভী রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৯০ শতাংশ গাভীর প্রজনন কৃত্রিম প্রজনন পদ্ধতিতে এবং বাকি ১০ শতাংশ ষাঁড়ের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।

স্থানীয় পশুপালক শাহজাহান আলী বলেন, “ইউনিয়ন পর্যায়ের কেন্দ্রগুলোতে কোনোদিন ডাক্তার আসতে দেখি না। প্রয়োজনের সময় সেবা পাওয়া যায় না। ফলে আমরা চরম ভোগান্তির মধ্যে রয়েছি।”

জয়ন্তী হাজরা ইউনিয়নের বাসিন্দা শহিদুল ইসলাম খান বলেন,“সরকারি জমির ওপর নির্মিত এই কেন্দ্রটি বছরের পর বছর বন্ধ পড়ে আছে। বর্তমানে জমিটির মূল্য প্রায় ৩৫ লাখ টাকা। দ্রুত দখলমুক্ত করে কেন্দ্রটি পুনরায় চালু করা উচিত।”

খামারি জাহাঙ্গীর আল‌মের অভিযোগ, “সরকারি কোনো সহযোগিতা আমরা ঠিকমতো পাই না। প্রাণিসম্পদ অফিসে যোগাযোগ করলেও অনেক সময় প্রয়োজনীয় ভ্যাকসিন মেলে না। বাধ্য হয়ে বিভিন্ন কোম্পানির কাছ থেকে কিনতে হয়।”

সা‌র্বিক বিষ‌য়ে জান‌তে চাইলে খোকসা উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সোহেল রানা বলেন,“ইউনিয়ন পর্যায়ে স্থায়ী দুটি কেন্দ্র রয়েছে—এ বিষয়টি আমি সম্প্রতি জানতে পেরেছি। স্থান প‌রিদর্শনও ক‌রে‌ছি। আমাদের অফিসে এ সংক্রান্ত কোনো কাগজপত্র নেই। তবে মাঠপর্যায়ে প্রজননকর্মীরা বা‌ড়ি‌তে গি‌য়ে সেবা দিয়ে থাকেন।”

এ বিষ‌য়ে খোকসা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলাউদ্দিন  বলেন,“আমি নতুন দায়িত্ব নিয়েছি। বিষয়টি সম্পর্কে বিস্তারিত জানি না। তবে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

রঞ্জন ভৌমিক/এসএন

ঝিনাইদহে ৩ দিনব্যাপী ফল মেলা শুরু

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ০৫:২৫ পিএম
ঝিনাইদহে ৩ দিনব্যাপী ফল মেলা শুরু
ছবি: সংগৃহীত

‘করব মোরা ফল চাষ, সংরক্ষণ করব বারো মাস’ এ শ্লোগানে ঝিনাইদহে শুরু হয়েছে ৩ দিনব্যাপী ফল মেলা।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকালে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কার্যালয়ে এ মেলার উদ্বোধন করা হয়।

অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক নোমান হোসেন, জেলা পরিষদের প্রশাসক এম এ মজিদ, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কামরুজ্জামান, সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নূর-এ নবীসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে এ মেলায় ৫টি স্টল প্রদর্শন করা হয়েছে। মেলায় প্রায় অর্ধশত প্রকার দেশীয় ফল ও ফল আবাদের উন্নত প্রযুক্তি প্রদর্শন করা হয়েছে।

আগামী ২০ জুন শেষ হবে এ মেলা। দেশীয় ফলের উৎপাদন ও ভোক্তা সচেতনতা বাড়াতে এ ধরণের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করেন আয়োজকরা।

মাহফুজুর রহমান/এসএন

কাঁঠালকে কেন্দ্র করে বিরোধ, ছেলের মারধরে বাবার মৃত্যু

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ০৫:১২ পিএম
আপডেট: ১৮ জুন ২০২৬, ০৫:১৪ পিএম
কাঁঠালকে কেন্দ্র করে বিরোধ, ছেলের মারধরে বাবার মৃত্যু
নিহত আব্দুর রাজ্জাক। ছবি: সংগৃহীত

গাছের পাকা কাঁঠালকে কেন্দ্র করে কথা কাটাকাটির জেরে ছেলের কিল-ঘুষিতে এক বৃদ্ধ বাবা নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

 বুধবার (১৭ জুন) কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার মাইজখাপন ইউনিয়নের চৌধুরীহাটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রী শাহেদা বেগম বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) কিশোরগঞ্জ মডেল থানায় ছেলে আলম (৩৫) ও তাঁর স্ত্রী রেখার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

নিহত আব্দুর রাজ্জাক (৭০) সদর উপজেলার বড় খাপন গ্রামের বাসিন্দা। তবে কয়েক বছর আগে তিনি চৌধুরীহাটি গ্রামে একটি বাড়ি কিনে সেখানে পরিবার নিয়ে বসবাস শুরু করেন। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত আলম ও তার স্ত্রী রেখা বেগম পলাতক রয়েছেন।

স্থানীয় বাসিন্দা ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, বুধবার বিকেলে গাছ থেকে পেড়ে আনা পাকা কাঁঠাল বাবা-মাকে না দেওয়াকে কেন্দ্র আব্দুর রাজ্জাক ও তার দ্বিতীয় স্ত্রী শাহেদা বেগমের বড় ছেলে মো. আলম ও পুত্রবধূ রেখার মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়।তর্ক-বিতর্কের একপর্যায়ে আলম তাঁর বাবাকে কিল-ঘুষি মারেন। এতে আব্দুর রাজ্জাক গুরুতর অসুস্থ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে কিশোরগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে কিশোরগঞ্জ মডেল থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

নিহতের স্ত্রী শাহেদা বেগমের অভিযোগ, তার ছেলে আলমের আক্রমণের কারণেই আব্দুর রাজ্জাকের মৃত্যু হয়েছে। কিল-ঘুষি মারতে মারতে আব্দুর রাজ্জাকের গলাচেপে ধরে আলম। এতে আব্দুর রাজ্জাক গুরুতর অসুস্থ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

নিহতের স্বজনেরা জানায়, আব্দুর রাজ্জাকের দ্বিতীয় স্ত্রীর ঘরে দুই ছেলে রয়েছে। বড় ছেলে আলম বিবাহিত এবং দুই কন্যাসন্তানের জনক। তার বড় মেয়ের বয়স প্রায় ১৫ বছর এবং ছোট মেয়ের বয়স ৭ বছর। ছোট ছেলে জাহাঙ্গীর দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবে কর্মরত রয়েছেন।

কিশোরগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবুল কালাম ভূঞা বলেন, এ ঘটনায় নিহতের ছেলে আলম ও তার স্ত্রী রেখার বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া গেছে।আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

তাসলিমা আক্তার মিতু/এসএন