ঢাকা ৪ আষাঢ় ১৪৩৩, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
মানিকগঞ্জে ট্রাক-পিকআপ সংঘর্ষ, নিহত ২ সিলেটে ৩৬ ঘণ্টায় ১২২.৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড সংসদে মামুনুল হক প্রসঙ্গে দেওয়া বক্তব্য এক্সপাঞ্জ করলেন স্পিকার টঙ্গীতে ‘হানি ট্র্যাপ’ চক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার নেপালের সঙ্গে দ্রুত বাণিজ্য চুক্তি চায় বাংলাদেশ চুয়াডাঙ্গায় ট্রেন-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নিহত ২ সামরিক জীবনে ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলার আহ্বান সেনাপ্রধানের উখিয়ায় আইওএমের গাড়ির চাপায় অজ্ঞাত শিশুর মৃত্যু ভার্চুয়াল জুয়ার ফাঁদে সমাজ এসএসএফকে জনগণের সঙ্গে সংযোগ অটুট রাখার নির্দেশ তারেক রহমানের গানেই লিজার ব্যস্ততা প্রয়াত বিএনপি নেতা আবদুল্লাহ আল নোমানের নামে আমন্ত্রণপত্র আধ্যাত্মিক ধনী হওয়ার সহজ সমীকরণ আবার জ্বলে ওঠো জার্মানি চাঁপাইনবাবগঞ্জে ২০০ জাতের আম নিয়ে মেলা শুরু পাহাড়, বন আর নীল জলের অপূর্ব মিলন ৪টি চলচ্চিত্র নিয়ে ‘সামার বাংলা হিট ফেস্ট’ তিন নাটকে প্রশংসিত হিমি পুশ-ইন সমস্যা সমাধানের দাবিতে সমাবেশ ও স্মারকলিপি প্রদান সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় ফরিদপুরের প্রবাসী নিহত তপ্ত গরমে পশুপাখির প্রতি সদয় হোন সিনচিয়াংয়ে সংস্কৃতি ও পর্যটন উন্নয়ন সম্মেলন অনুষ্ঠিত সংঘাত নয়, হোক সম্প্রীতির উদযাপন কানসাসের দাবদাহে ‘কুলিং ভেস্টে’ অনুশীলন আর্জেন্টিনার চীনের ছাংছুনে অপটিক্স ও সেমিকন্ডাক্টর প্রযুক্তির বিপ্লব বাংলাদেশের বাজারে এল টেকনো স্পার্ক ৫০ প্রো খোকসায় ২০ বছর ধরে অচল কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্র, ভোগান্তিতে কৃষক-খামারি কেইনই ইংল্যান্ডের ইতিহাসের সেরা স্ট্রাইকার: লিনেকার বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে পুশইন, সংলাপের পরামর্শ জাতিসংঘের গ্লেনরিচ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল পরিদর্শন করলেন প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ

হাতিয়ার চরে বিলীন দুই গুচ্ছগ্রাম

প্রকাশ: ১৩ জানুয়ারি ২০২৬, ১১:৪৩ এএম
হাতিয়ার চরে বিলীন দুই গুচ্ছগ্রাম
নোয়াখালীর হাতিয়ার তমরদ্দি ইউনিয়নের চর আতাউরে তরুবীথি ও ছায়াবীথি গুচ্ছগ্রামে ভূমিহীনদের জন্য তৈরি করা ঘরগুলো ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। ছবি: খবরের কাগজ

শূন্য ভিটির ওপর দাঁড়িয়ে আছে ঘরের আকৃতি। নেই বেড়া ও ছাউনি। দূর থেকে দেখলে মনে হয় ঘরের কঙ্কাল দাঁড়িয়ে আছে। বৃষ্টির পানিতে ভিটির মাটি ধুয়ে গেছে অনেক আগে। এসব ঘরে এখন আর মানুষ বাস করেন না। থাকে না গরু-ছাগলও। এমন চিত্র নোয়াখালী জেলার বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার বিচ্ছিন্ন চর আতাউরে ভূমিহীনদের জন্য তৈরি করা গুচ্ছগ্রামের ঘরগুলোর।  

ভূমিহীনের পুনর্বাসনের জন্য বিভিন্ন চরে গুচ্ছগ্রাম তৈরি করে বিগত সরকার। হাতিয়ার তমরদ্দি ইউনিয়নের পশ্চিম পাশে চর আতাউরে ১২ একর জায়গায় তরুবীথি ও ছায়াবীথি নামে দুটি গুচ্ছগ্রাম তৈরি করে। ২০১৯ সালের শেষদিকে এর কাজ শেষ হয়। এতে প্রতিটি গুচ্ছগ্রামে ৫০ করে এক শ পরিবারকে থাকার জন্য তৈরি করা হয় ঘর। প্রতি ৫০টি পরিবারের জন্য ৪টি নলকূপ ও একটি পুকুর তৈরি করা হয়। একটি শৌচাগার, একটি রান্নাঘর ও দুটি থাকার রুমসহ প্রতিটি পরিবারকে একটি করে ইউনিট দেওয়া হয়। লোহার পাতের ওপর টিন দিয়ে তৈরি করা হয় এসব ঘর। কিন্তু ৬ বছর যেতে না যেতে এসব ঘর বসবাসের উপযোগিতা হারিয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ে এসব ঘর বিধ্বস্ত হয়েছে একাধিকবার। করা হয়নি রক্ষণাবেক্ষণ। এতে প্রায় শতাধিক পরিবারের মাঝে অনেকে সরকারিভাবে পাওয়া এই বাসস্থান ছেড়ে যেতে বাধ্য হন।

তরুবীথি গুচ্ছগ্রামে ৩১ নং ঘরে বসবাস করেন সোমা বেগম। খবরের কাগজকে তিনি জানান,  নদীভাঙনের কবলে পড়ে সব হারিয়েছেন অনেক আগে। স্বামী ইটভাটার শ্রমিক। চার সন্তানকে নিয়ে ২০২০ সালের দিকে এই চরে বসবাস শুরু করেন। সরকারিভাবে তাদের গুচ্ছগ্রামের ঘর দেওয়া হয়। তিন বছর যেতে না যেতে তাদের ঘরটি ঝড়ে ভেঙে পড়ে। ঘরের দরজা-জানালা ভেঙে যায়। কোনোমতে দড়ি দিয়ে তা বেঁধে রেখে বসবাস করছেন। তাদের পূর্ব পাশে নদীর তীরে থাকা ঘরগুলো একেবারে ভেঙে গেছে। মেরামতের উপযোগিতা না থাকায় এসব ঘরের বাসিন্দারা অন্য জায়গায় চলে গেছেন।

তরুবীথি গুচ্ছগ্রামের পাশেই ছায়াবীথি গুচ্ছগ্রাম। ৫০টি পরিবারের মধ্যে বর্তমানে শুধু ৭টি পরিবার বসবাস করে সেখানে। অন্য ঘরগুলোতে দরজা-জানালা বেড়া কিছুই নেই। এখন কেউ আর সেখানে বসবাস করেন না। ছায়াবীথি গুচ্ছগ্রামের ৩৯ নং ঘরে বসবাস করেন নিখি রানী দাস। স্বামী মৌসুমি শ্রমিক। তিনি খবরের কাগজকে জানান, ৫ বছর ধরে এই চরে বসবাস করে আসছেন। দুটি গুচ্ছগ্রামে এক শ পরিবারকে সরকারিভাবে থাকার ঘর দেওয়া হয়। কিন্তু নদীর তীরে হওয়ায় সামান্য ঝড়ে এসব ঘর ভেঙে গিয়ে থাকার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। অনেক ঘরের পিলার খসে গেছে। অনেক ঘরের চালের টিন, বেড়া কিছুই নেই। ঘরের চালে শুধু লোহার পাতগুলো পড়ে আছে। এসব ঘরের বাসিন্দারা অনেকে চলে গেছেন অন্য জায়গায়। 

তিনি আরও জানান, এই চরে আসার আগে তাদের অনেক সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়। তাদের জীবিকার ব্যবস্থা করা হবে বলে আশা দেওয়া হয়। কিন্তু তার কোনোটি করা হয়নি। বসবাসের ঘরটি ভেঙে পড়লেও সরকারিভাবে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। অনেকে অন্য জায়গা চলে গেছেন। কোথাও বাস করার জায়গা না থাকায় তারা থেকে গেছেন।

চরে প্রথম থেকে বসবাস করে আসছেন খোকন মাঝি। তিনি খবরের কাগজকে জানান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের মাধ্যমে এসব ঘর তৈরি করা হয়। কিন্তু নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করায় দ্রুত সময়ের মধ্যে এসব ঘর ভেঙে পড়েছে। এ ছাড়া এসব পরিবারের জন্য স্থাপন করা গভীর নলকূপগুলো বিকল হয়ে যাওয়ায় খাবার পানির সংকট রয়েছে। দুটি পুকুর খনন করা হলেও জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়ে তা সমতল হয়ে গেছে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আলাউদ্দিন খবরের কাগজকে বলেন, ‘চর আতাউরে গুচ্ছগ্রামগুলোতে অনেক অসহায় মানুষ বসবাস করছেন। এসব পরিবারে শীতবস্ত্র, ত্রাণসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে তাদের জন্য একটি পুকুর খননের ব্যবস্থা করা হয়েছে। কিন্তু ঘরগুলো মেরামতে কোনো বরাদ্দ দেওয়া হয়নি। বরাদ্দ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

মানিকগঞ্জে ট্রাক-পিকআপ সংঘর্ষ, নিহত ২

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ০৮:৫৬ পিএম
মানিকগঞ্জে ট্রাক-পিকআপ সংঘর্ষ, নিহত ২
ছবি: খবরের কাগজ

ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার মূলজান এলাকায় ট্রাক ও পিকআপের মুখোমুখি সংঘর্ষে পিকআপ চালক ও তার সহযোগী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও দুইজন।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- ঢাকার সাভার উপজেলার ব্রাহ্মণবাড়িয়া গ্রামের মো. আলমের ছেলে রাসেল মিয়া, তিনি পিকআপের চালক ছিলেন এবং একই গ্রামের মো. কাউসারের ছেলে মো. আরাফাত।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সন্ধ্যায় আরিচাগামী একটি পিকআপের সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই পিকআপ চালক ও তার সহযোগী নিহত হন।

দুর্ঘটনায় পিকআপে থাকা আরও দুই শ্রমিক গুরুতর আহত হন। স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ তাদের উদ্ধার করে মানিকগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। তাৎক্ষণিকভাবে আহতদের পরিচয় জানা যায়নি।

গোলড়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সেলিম মাতবর জানান, ‘দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাক ও পিকআপ জব্দ করা হয়েছে। তবে দুর্ঘটনার পর ট্রাকের চালক ও তার সহযোগী পালিয়ে গেছেন। এ ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া চলছে।’

আসাদ/আমান

সিলেটে ৩৬ ঘণ্টায় ১২২.৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ০৮:৩৫ পিএম
সিলেটে ৩৬ ঘণ্টায় ১২২.৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড
ছবি: সংগৃহীত

সিলেট অঞ্চলে গত ৩৬ ঘন্টায় ১২২.৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। বুধবার (১৭ জুন) সকাল ৬টা থেকে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত এই পরিমাণ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করে সিলেট আবহাওয়া অফিস।

গত ৩৬ ঘন্টায় সিলেটের অনেক স্থানে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টিপাত হয়েছে। পাশাপাশি কিছু এলাকায় মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণ হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সন্ধ্যা ৬টা সিলেট আবহাওয়া অফিসের প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয় বুধবার সকাল ৬টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৬ টা পর্যন্ত ৪০.৮ মিলি মিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ৮২ মিলি মিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে।

২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, সিলেট বিভাগে আকাশ আংশিক মেঘলা থেকে সাময়িক মেঘাচ্ছন্ন। সিলেটে অনেক জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি, বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে, সাথে সাময়িক দমকা হাওয়া এবং বজ্রপাত হতে পারে।

কিছু কিছু জায়গায় মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাতও হতে পারে। এলাকায় দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

সিলেট আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়াবিদ শাহ মো. সজিব হোসাইন খবরের কাগজকে বলেন, এখন বৃষ্টিপাত হওয়াটা স্বাভাবিক। তবে সিলেটে বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে তাই সবাইকে সর্তক থাকতে হবে।

আমান/

চুয়াডাঙ্গায় ট্রেন-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নিহত ২

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ০৭:৫৭ পিএম
চুয়াডাঙ্গায় ট্রেন-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নিহত ২
ছবি: খবরের কাগজ

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার দুধপাতিলা রেলক্রসিংয়ে ট্রেনের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে দুইজন নিহত এবং একজন আহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) শেষ বিকেলে দুধপাতিলা গ্রামের রেলক্রসিং এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। 

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, একটি মোটরসাইকেল রেলক্রসিং অতিক্রম করার সময় চলন্ত ট্রেনের সঙ্গে সংঘর্ষ হলে ঘটনাস্থলেই মোটরসাইকেলে থাকা দুজন মারা যান। এ সময় কাদের (২২) নামে আরও একজন গুরুতর আহত হন। আহত কাদের ডুগডুগি কলোনি পাড়ার রহিদুল ইসলামের ছেলে। স্থানীয়রা আহত কাদেরকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

তাৎক্ষণিকভাবে নিহত ব্যক্তিদের পরিচয় জানা যায়নি। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে রেলওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রয়োজনীয় আইনি কার্যক্রম শুরু করেছে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন, চুয়াডাঙ্গা রেলওয়ে ফাঁড়ি পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) জগদীশ চন্দ্র বসু।

মিজানুর রহমান/নাঈম

উখিয়ায় আইওএমের গাড়ির চাপায় অজ্ঞাত শিশুর মৃত্যু

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ০৭:৩৯ পিএম
উখিয়ায় আইওএমের গাড়ির চাপায় অজ্ঞাত শিশুর মৃত্যু
ছবি: সংগৃহীত

কক্সবাজারের উখিয়ায় রাস্তা পারাপারের সময় আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) একটি গাড়ির চাপায় অজ্ঞাত এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় দুর্ঘটনাকবলিত গাড়িটিকে জব্দ করেছে পুলিশ এবং চালককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) বেলা ৩টার দিকে শহিদ এটিএম জাফর আলম আরাকান সড়কের উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের উখিয়ারঘাট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

শাহপরীর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম জানান, নিহত শিশুটির বয়স আনুমানিক ১২ বছর। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তার নাম-পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।

আটক চালক মো. ইসহাক মিন্টু (৪০) কক্সবাজার শহরের বাসিন্দা। তিনি আইওএমের কর্মীদের বহনকারী গাড়িটি চালাচ্ছিলেন।

স্থানীয়দের বরাতে ওসি মো. সাইফুল ইসলাম জানান, বিকেলে রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকা থেকে আইওএমের কর্মীদের নিয়ে একটি গাড়ি কক্সবাজার শহরের দিকে ফিরছিল। উখিয়ারঘাট এলাকায় পৌঁছালে রাস্তা পার হওয়ার সময় গাড়িটি শিশুটিকে ধাক্কা দেয়। এতে সে গুরুতর আহত হয়। পরে স্থানীয় লোকজন শিশুটিকে রোহিঙ্গা ক্যাম্প সংলগ্ন একটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে হাইওয়ে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। এ সময় দুর্ঘটনাকবলিত গাড়িটি জব্দ করা হয় এবং চালককে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়।

ওসি সাইফুল আরও বলেন, নিহত শিশুর পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

তারেকুর রহমান/নাঈম

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ২০০ জাতের আম নিয়ে মেলা শুরু

প্রকাশ: ১৮ জুন ২০২৬, ০৬:৫৮ পিএম
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ২০০ জাতের আম নিয়ে মেলা শুরু
ছবি: খবরের কাগজ

দুই শতাধিক জাতের আম নিয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জে তিন দিনের আম মেলা শুরু হয়েছে আজ।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) বিকেলে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্ত্বরে ফিতা কেটে এই মেলার উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক আবু ছালেহ মো. মুসা জঙ্গী।

জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় এই মেলার আয়োজন করেছে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। মেলায় সরকারি ও বেসরকারি ১৭টি স্টলে আমভিত্তিক বিভিন্ন পণ্য প্রদর্শন করা হচ্ছে। মেলার প্রধান আকর্ষণ হচ্ছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের দুই শতাধিক জাতের সুমিষ্ট আমের প্রদর্শনী। এছাড়াও মেলায় পাওয়া যাচ্ছে বিভিন্ন ফল।

আয়োজকরা জানান, ফলের পুষ্টিগুণ সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, নিরাপদ ও রপ্তানিযোগ্য আম উৎপাদনে কৃষকদের উৎসাহিত করাই এই মেলার মূল লক্ষ্য। মেলা ঘিরে দর্শনার্থীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। আগামী ২০ জুন এই আম মেলা শেষ হবে।

উদ্বোধন উপলক্ষে মেলার চত্বরে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক বলেন, আম শুধু একটি ফল নয়, এটি চাঁপাইনবাবগঞ্জের অর্থনীতি, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত। আমের উৎপাদন, সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণে আরো উন্নয়ন ঘটাতে সংশ্লিষ্ট সকলকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর ড. বিপ্লব কুমার মজুমদার বলেন, আম চাঁপাইনবাবগঞ্জের প্রধান অর্থকরী ফসল। আম চাষ, সংগ্রহ, পরিবহন, বিপণন ও প্রক্রিয়াজাতকরণের সঙ্গে হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থান জড়িত। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের পাশাপাশি বিদেশেও চাঁপাইনবাবগঞ্জের আমের চাহিদা রয়েছে।

সভাপতির বক্তব্যে উপপরিচালক ড. মো. ইয়াছিন আলী বলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ দেশের ‘আমের রাজধানী’ হিসেবে সুপরিচিত। আধুনিক প্রযুক্তি ও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি অনুসরণ করে আম চাষের মাধ্যমে কৃষকরা এখন অধিক লাভবান হচ্ছেন।

এছাড়া আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এ.এন.এম. ওয়াসিম ফিরোজ, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম জাকারিয়া এবং আঞ্চলিক উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্রের মূখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. শরফ উদ্দিনসহ কৃষকরা।

আসাদুল্লাহ/আমান