বাগেরহাটে পূবালী ব্যাংকের লকার থেকে এক গ্রাহকের প্রায় ১২০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার উধাও হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় পুলিশ, পিবিআইসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও ব্যাংক কর্তৃপক্ষ তদন্ত শুরু করেছে।
স্বর্ণালঙ্কারের মালিক সুমন কুমার দাস বলেন, ২০২৫ সালের ১৫ অক্টোবর তিনি পরিবার ও আত্মীয়দের প্রায় ১২০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার পূবালী ব্যাংক বাগেরহাট শাখার লকারে রাখেন। বুধবার (৪ মার্চ) পারিবারিক অনুষ্ঠানের জন্য লকার খুলতে গিয়ে দেখেন সেখানে রাখা স্বর্ণালঙ্কার নেই। বিষয়টি তিনি তাৎক্ষণিকভাবে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ও পুলিশকে তিনি খবর দেন।
এ খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে বাগেরহাট জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মাদ হাচান চৌধুরী, পিবিআই পুলিশ সুপার মো. আল মামুনসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ব্যাংক শাখা পরিদর্শন করেন এবং কয়েক ঘণ্টা বিভিন্ন বিষয় পর্যালোচনা করেন।
বাগেরহাটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. শামীম হোসেন বলেন, ব্যাংকের লকার থেকে থেকে স্বর্ণালঙ্কার খোয়া গেছে এমন অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। স্বর্ণালঙ্কারের মালিক সুমনের পরিবার ও আত্মীয়দের প্রায় ১০০ থেকে ১২০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার পূবালী ব্যাংক বাগেরহাট শাখার লকারে রাখেন বলে প্রাথমিকভাবে জানিয়েছেন। তবে কত ভরি স্বর্ণালঙ্কার রয়েছে তা তিনি সঠিক বলতে পারছে না। তবে লিখিত এজাহার দিলে কত ভরি স্বর্ণালঙ্কার ছিল বলা যাবে।
বাগেরহাট জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মাদ হাচান চৌধুরী বলেন, বাগেরহাটে পূবালী ব্যাংকের লকার থেকে এক গ্রাহকের প্রায় ১২০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার খোয়া যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। এ বিষয় স্বর্ণালঙ্কারের মালিককে থানায় লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে মামলা রুজু হবে।
তদন্তের পুর্বক এ ঘটনায় কে দায়ী সে বিষয়ে স্পষ্ট হবে বলে জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।
রিফাত/মাহফুজ