ঢাকা ৯ আষাঢ় ১৪৩৩, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
টেকনাফে যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে আহত ১০ মুক্তমঞ্চে খেলা দেখা নিয়ে শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ রোবোটিক্স প্রতিযোগিতায় চ‍্যাম্পিয়ন লিডিং ইউনিভার্সিটি দল আখাউড়ায় ‘পার্টনার কংগ্রেস’ গোল্ডেন বুট নিয়ে ভাবছেন না কিলিয়ান এমবাপ্পে সাবেক ভূমিমন্ত্রীসহ ৩৬ আসামির মামলায় আরও ৭ সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ অস্তিত্ব সংকটে মমতার তৃণমূল সরাসরি মোবাইলেই মিলবে স্যাটেলাইট ইন্টারনেট পদত্যাগ করলেন ১৭ ডেপুটি ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো ও নেইমারের কাউকে কিছু প্রমাণ করার নেই: জোয়াও কানসেলো স্ত্রীকে নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে ব্যবসায়ী সোহেল খুনের অভিযোগ সালমান শাহের দেহাবশেষ কবর থেকে উত্তোলনের আদেশ বাতিল চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হলো ব্যতিক্রমধর্মী ‘ওয়ার্ল্ড কাপ ডিবেট ২০২৬’ উদ্ভিদের বংশ বৃদ্ধি অধ্যায়ের ৬টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৩য় পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান গোপালগঞ্জে আ.লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে নিরাপত্তা জোরদার, গ্রেপ্তার ৬ অনুশীলনে নেইমার, বিশ্রামে অ্যালিসন চাঁদপুরে ৩ লাখ ৬৬ হাজার শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ খাওয়ানো হবে ফিলিস্তিনি শিশুদের লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে ইসরায়েল: জাতিসংঘ তদন্ত কমিটি ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে যুবদলের মোটরসাইকেল শোডাউন নারী কেলঙ্কারির ঘটনায় বিআইডব্লিউটিএর পরিচালক আরিফ উদ্দিন বরখাস্ত বরগুনায় বালুবাহী জাহাজের নিচ থেকে কিশোরের মরদেহ উদ্ধার ডান প্রান্তে রাফিনহার জায়গায় খেলতে প্রস্তুত মার্টিনেল্লি সিভিল সার্জনকে ‘ভাই’ বলায় ক্ষিপ্ত, বললেন ‘মহোদয়’ বলতে হবে সন্ত্রাসী ইমনের গ্রেপ্তার নিয়ে সিএমপির ব্যাখ্যা আইসক্রিমপ্রেমীদের জন্য সেভয়-এর নতুন চমক মানিকগঞ্জে মারিয়া হত্যা মামলার বিচার দাবিতে মানববন্ধন তারেক রহমানকে নিয়ে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর ফেসবুক পেজে ভিডিওতে হাবিবের গান চাপমুক্ত থাকার ৭টি কার্যকর উপায় ৩০ হাজার মামলার জটে স্থবির শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম: শিক্ষামন্ত্রী লালমোহনে ব্রিজ ভেঙে খাদে ট্রাক, চালক নিহত

রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জে আমবাগান কমেছে

প্রকাশ: ০৭ মার্চ ২০২৬, ০৯:৫৮ এএম
রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জে আমবাগান কমেছে
রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে এভাবেই একটি আমবাগান কেটে উজাড় ফেলা হচ্ছে। ছবি: খবরের কাগজ

আম উৎপাদনের জন্য ঐতিহ্যবাহী অঞ্চল রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জে চলতি অর্থবছরে আমবাগানের জমি কমে গেছে। অন্যদিকে নওগাঁয় বাগানের পরিমাণ সামান্য বৃদ্ধি পেয়েছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য বিশ্লেষণে এই চিত্র উঠে এসেছে। 

তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, অনিয়ন্ত্রিত পুকুর খনন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি ও বাজারমূল্যের অনিশ্চয়তার কারণে অনেক চাষি আম থেকে সরে গিয়ে মাছচাষে ঝুঁকছেন। এতে বদলে যাচ্ছে এ অঞ্চলের কৃষিভূমির ব্যবহার ও অর্থনৈতিক চরিত্র।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে রাজশাহীতে আমবাগানের পরিমাণ ছিল ১৯ হাজার ৬০৩ হেক্টর। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে তা কমে দাঁড়িয়েছে ১৯ হাজার ৬২ হেক্টরে। বর্তমানে জেলায় প্রায় ৩৭ লাখ আমগাছ রয়েছে, যার ৬০ শতাংশে ইতোমধ্যে মুকুল এসেছে।

এদিকে, ‘আমের রাজধানী’ চাঁপাইনবাবগঞ্জেও বাগানের পরিমাণ কমেছে। গত অর্থবছরের ৩৭ হাজার ৫০৪ হেক্টর থেকে চলতি অর্থবছরে তা নেমে এসেছে ৩৭ হাজার ৪৮৭ হেক্টরে। তবে জেলায় ৯২ লাখ ৪০ হাজার আমগাছের প্রায় ৭০ শতাংশে মুকুল দেখা গেছে।

কৃষক ও কৃষি কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জে আমবাগান কমার প্রধান কারণ অনিয়ন্ত্রিত পুকুর খনন। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে পোকামাকড় ও রোগবালাই বেড়েছে, উৎপাদন ব্যয়ও বৃদ্ধি পেয়েছে। পাশাপাশি আমের ন্যায্য দাম না পাওয়ার শঙ্কা ও মাছচাষে তুলনামূলক বেশি লাভের সম্ভাবনা কৃষকদের সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলছে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্যে দেখা যায়, ২০১৫ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে রাজশাহী জেলায় নিট আবাদি জমি কমেছে ১৬ হাজার ১৫৯ হেক্টর। একই সময়ে অভ্যন্তরীণ জলাশয়ের পরিমাণ ১৫ হাজার ৪৪ হেক্টর থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৪ হাজার ৪৯৮ হেক্টরে। অর্থাৎ চাষযোগ্য জমির একটি অংশ পুকুর ও জলাশয়ে রূপান্তরিত হয়েছে।

রাজশাহীর বাঘা উপজেলার আমচাষি শহিদুল হোসেন বলেন, ‘এক দশক আগে বাগানে বছরে একবার সার ও কীটনাশক দিলেই চলত। এখন পোকামাকড় ও রোগবালাই অনেক বেড়েছে। স্প্রে দ্বিগুণ করতে হচ্ছে। খরচ বাড়ছে, কিন্তু আম বিক্রির আয় সে হারে বাড়ছে না।’ 

এ ছাড়া অতিরিক্ত হরমোন ব্যবহারও উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দ্রুত ও বেশি ফলনের আশায় মাত্রাতিরিক্ত হরমোন প্রয়োগ করায় বড় ও পুরোনো আমগাছ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এতে ধীরে ধীরে উজাড় হচ্ছে বড় বড় বাগানগুলো। ফলে আমবাগান কেটে বিকল্প চাষাবাদের চেষ্টা করা হচ্ছে। 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মাছচাষি জানান, প্রচলিত ধান বা আমচাষের তুলনায় মাছচাষে ১০ থেকে ১৫ গুণ বেশি লাভের সম্ভাবনা থাকে। ঝুঁকি কম, নগদ আয় দ্রুত আসে–তাই অনেকেই পুকুর খননে আগ্রহী হচ্ছেন।

তবে নওগাঁয় চিত্র ভিন্ন। সেখানে গত বছরের ৩০ হাজার ৩০০ হেক্টর থেকে বেড়ে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে আমবাগানের পরিমাণ হয়েছে ৩০ হাজার ৩১০ হেক্টর। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, নওগাঁয় পুকুর খনন তুলনামূলক কম এবং আগাম জাতের আমচাষ লাভজনক হওয়ায় মালিকরা বাগান ধরে রাখছেন। বাজারে আগাম আমের চাহিদা ও ভালো দাম পাওয়াও এতে ভূমিকা রাখছে।

কৃষি বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, বাগান ও আবাদি জমি পুকুর ও অবকাঠামোতে রূপান্তরিত হলে রাজশাহী অঞ্চলের পরিবেশগত ভারসাম্য ও আমকেন্দ্রিক দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক পরিচয় ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এতে মৌসুমি কর্মসংস্থানও হুমকির মুখে পড়বে।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাগ্রোনোমি ও অ্যাগ্রিকালচার এক্সটেনশন বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক মো. মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘ধানখেত ও আমবাগানকে মাছের ঘেরে রূপান্তরের প্রবণতা স্বল্পমেয়াদে আয় বাড়ালেও দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতির ঝুঁকি রয়েছে। কেননা, অতিরিক্ত পুকুর খনন মাটির গঠন ও পানি নিষ্কাশনব্যবস্থা বদলে দিতে পারে। ভবিষ্যতে সেই জমিকে আবার বাগান বা ফসলি জমিতে ফিরিয়ে আনা কঠিন হয়ে পড়বে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এতে মাটির প্রাকৃতিক পুষ্টি পুনর্ব্যবস্থা ব্যাহত হয় এবং উর্বর জমির স্থায়ী পরিবর্তন দীর্ঘমেয়াদি খাদ্যনিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলতে পারে।’

আখাউড়ায় ‘পার্টনার কংগ্রেস’

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ০৪:৫৯ পিএম
আখাউড়ায় ‘পার্টনার কংগ্রেস’
ছবি: খবরের কাগজ

ফলের মৌসুমের রঙিন আবহে কৃষির নতুন সম্ভাবনা ও টেকসই উন্নয়নের বার্তা নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘পার্টনার কংগ্রেস’।

 কৃষিকে আরও লাভজনক, নিরাপদ ও বাণিজ্যিক খাতে রূপান্তরের লক্ষ্য নিয়ে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে অংশ নেন কৃষি বিভাগের কর্মকর্তা, কৃষক, উদ্যোক্তা, সাংবাদিক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) দুপুরে উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে প্রোগ্রাম অন এগ্রিকালচারাল অ্যান্ড রুরাল ট্রান্সফরমেশন ফর নিউট্রিশন, এন্টারপ্রেনরশিপ অ্যান্ড রেসিলিয়েন্স ইন বাংলাদেশ (পার্টনার) প্রকল্পের আওতায় কংগ্রেসটি অনুষ্ঠিত হয়। আয়োজন করে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. মোস্তফা এমরান হোসেন। সভাপতিত্ব করেন আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাপসী রাবেয়া।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মাসুদ রানা, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ড. এমরান হোসেন ভূঁইয়া, , উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. জাহিদ হাসান, কৃষক প্রতিনিধি মো. মুর্শেদ আলম ও মৌসুমী আক্তার।

বক্তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন ও খাদ্যনিরাপত্তার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব কৃষিচর্চার বিকল্প নেই। পার্টনার প্রকল্পের মাধ্যমে কৃষকদের সচেতনতা বৃদ্ধি, কৃষক পার্টনার স্কুল পরিচালনা, জৈব ও অর্গানিক বালাইনাশক ব্যবহারে উৎসাহ প্রদান, সঠিক মাত্রায় সার ও কীটনাশক প্রয়োগ এবং ফসলের উৎপাদনশীলতা বাড়াতে নানা কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

এর আগে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে আয়োজিত ফল মেলার উদ্বোধন করেন অতিথিরা। মৌসুমি ফলের সমাহারে সাজানো মেলায় স্থানীয় কৃষকদের উৎপাদিত নানা ফল প্রদর্শিত হয়। কৃষির সম্ভাবনা ও পুষ্টি সচেতনতার বার্তা ছড়িয়ে দিতে মেলাটি দর্শনার্থীদেরও আকৃষ্ট করে।

জুটন বনিক/এসএন

সাবেক ভূমিমন্ত্রীসহ ৩৬ আসামির মামলায় আরও ৭ সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ০৪:৫৪ পিএম
আপডেট: ২৩ জুন ২০২৬, ০৪:৫৪ পিএম
সাবেক ভূমিমন্ত্রীসহ ৩৬ আসামির মামলায় আরও ৭ সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ
ছবি: সংগৃহীত

সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদসহ ৩৬ আসামির বিরুদ্ধে ২৫ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের মামলায় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আরও সাত সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন। 

মঙ্গলবার (২৩ জুন) চট্টগ্রাম বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মিজানুর রহমানের আদালতে সাক্ষ্যগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মোকাররম হোসাইন বলেন, সাবেক মন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদসহ ৩৬ জনের বিরুদ্ধে দুদকের দায়ের করা ২৫ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় দুদক পক্ষ থেকে আদালতে ৭ জন সাক্ষী উপস্থাপন করা হয়। আদালতে তাদের সাক্ষ্যগ্রহণ ও জেরা সম্পন্ন হয়েছে। এই মামলায় এখন পর্যন্ত ২৭ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে। আদালত আগামী ১৩ জুলাই মামলার পরবর্তী সাক্ষীর জন্য দিন ধার্য করেছেন। 

এর আগে চলতি বছরের ৫ জানুয়ারি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের প্রধান কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. মশিউর রহমান চট্টগ্রাম মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। 

অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, আরামিট গ্রুপের প্রটোকল অফিসার ফরমান উল্লাহ চৌধুরীকে নামসর্বস্ব ভিশন ট্রেডিং নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিক সাজিয়ে ইউসিবিএল থেকে ২৫ কোটি টাকা ঋণ অনুমোদন করা হয়। পরবর্তীতে সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ তার কর্মচারীদের মাধ্যমে সেই টাকা উত্তোলন করে হুণ্ডির মাধ্যমে বিদেশে পাচার করে সম্পত্তি কিনে নেন। ২০১৯ সালের ১৩ অক্টোবর থেকে  ২০২০ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারির মধ্যে এ আত্মসাতের ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। এই মামলায় সাবেক মন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ (৫৬), তার স্ত্রী ইউসিবিএল ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান রুকমীলা জামান (৪৬) সহ ৩৬ জনকে আসামী করা হয়।  

মামলার অন্য আসামিরা হলেন- ইউসিবিএল ব্যাংকের সাবেক পরিচালক আসিফুজ্জামান চৌধুরী (৪৬), আফরোজা জামান (৪৮), অপরূপ চৌধুরী (৬৫), তৌহিদ সিপার রফিকুজ্জামান (৬৬), বশির আহমেদ (৫৫), রোকসানা জামান চৌধুরী (৫৬), সৈয়দ কামরুজ্জামান (৬১), মো. শাহ আলম (৬২), মো. জোনাইদ শফিক (৬৪), ইউনুছ আহমদ (৭৯), হাজী আবু কালাম (৭৯), নুরুল ইসলাম চৌধুরী (৬২), সাবেক চেয়ারম্যান এম এ সবুর (৭৭) ও সাবেক ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক আরিফ কাদরী (৬৪)। ব্যাংকের সাবেক কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন- মোহাম্মদ একরাম উল্লাহ (৫১), আবদুল হামিদ চৌধুরী (৫০), আবদুর রউফ চৌধুরী, জিয়াউল করিম খান (৪৬), মীর মেসবাহ উদ্দীন হোসাইন (৬২) ও বজল আহমেদ বাবুল (৫৬)।  তাছাড়া জাবেদের পারিবারিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আরামিট গ্রুপের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে যাদের আসামি করা হয়েছে তারা হলেন- মোহাম্মদ মিছবাহুল আলম (৫০), আব্দুল আজিজ (৩৯), মোহাম্মদ ফরমান উল্লাহ চৌধুরী (৫১), মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম (৫৪), মোহাম্মদ হোছাইন চৌধুরী (৪৮), ইউছুফ চৌধুরী (৪৫) ও সাইফুল ইসলাম (৪৫), ইয়াছিনুর রহমান (৪৩), আরামিট গ্রুপের এজিএম উৎপল পাল (৫১), প্রদীপ কুমার বিশ্বাস (৫১), মো. জাহিদ (৪৫), মো. শহীদ (৪৯), মো. সুমন (৩৯), ইলিয়াস তালুকদার (৫০) ও ওসমান তালুকদার (৪৮)।

এসএন/

স্ত্রীকে নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে ব্যবসায়ী সোহেল খুনের অভিযোগ

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ০৪:৩৩ পিএম
স্ত্রীকে নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে ব্যবসায়ী সোহেল খুনের অভিযোগ
ছবি: খবরের কাগজ

মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ে আলোচিত সোহেল মুন্সী হত্যা মামলার রহস্য উদ্ঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ।

 চাঞ্চল্যকর এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহতের স্ত্রীর প্রথম স্বামীকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ও লৌহজং থানা পুলিশ।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) দুপুরে প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানায় পুলিশ সুপার মেনহাজুল আলম। 

তিনি জানান,, গত ১৮ জুন গভীর রাতে লৌহজং উপজেলার গাঁওদিয়া ইউনিয়নের কালুরগাঁও গ্রামে নিজ বাড়ির উঠানে কুপিয়ে হত্যা করা হয় সোহেল মুন্সীকে। একই সঙ্গে তার মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেয় দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় নিহতের মা সেফালী বেগম অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে লৌহজং থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। ঘটনার পর তদন্তে নামে লৌহজং থানা ও জেলা গোয়েন্দা শাখার একটি বিশেষ টিম।

তিনি আরো বলেন, তদন্তের এক পর্যায়ে পুলিশ জানতে পারে, নিহত সোহেল মুন্সীর স্ত্রী নুপুরের সাবেক স্বামী দ্বীন ইসলামের সঙ্গে এ ঘটনার যোগসূত্র রয়েছে। পরে মঙ্গলবার ভোরে টঙ্গীবাড়ী উপজেলার যশলং ইউনিয়নের সেরাজাবাদ এলাকা থেকে দ্বীন ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত দ্বীন ইসলামের ভাষ্য তুলে ধরে পুলিশ সুপার বলেন,  মূলদ নুপুরের সঙ্গে দ্বীন ইসলামের পূর্বে বিয়ে হয়েছিল এবং তাদের একটি সন্তানও রয়েছে। তবে প্রায় দেড় বছর আগে নুপুর স্বামী ও সন্তানকে রেখে ডিভোর্স না দিয়ে সোহেল মুন্সীর সঙ্গে নতুন সংসার শুরু করেন। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন দ্বীন ইসলাম। এরই জেরে পরিকল্পনা অনুযায়ী ঘটনার দিন সোহেল মুন্সীর বাড়িতে হাজির হয় সে। পরে রাতে মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। আগুন নেভাতে ঘর থেকে বের হলে ধারালো চাপাতি দিয়ে সোহেল মুন্সীর ওপর হামলা চালায় দ্বীন ইসলাম। এতে ঘটনাস্থলেই নিহত হন সোহেল মুন্সী।

পুলিশ সুপার আরও বলেন জানান, ঘটনাস্থলের প্রায় এক কিলোমিটার দূরের একটি সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে, যেখানে ঘটনার পর অভিযুক্তকে পালিয়ে যেতে দেখা যায়। গ্রেপ্তরের পর সেই ফুটেজে থাকা ব্যক্তির পরিচয় নিশ্চিত হয় পুলিশ। এ ঘটনায় অভিযুক্ত দ্বীন ইসলামের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছে মুন্সিগঞ্জ জেলা পুলিশ।

গ্রেপ্তারকৃত দ্বীন ইসলাম টংগিবাড়ী উপজেলার সেরাজাবাদ এলাকার মৃত শামসুল হক ঢালীর ছেলে।

নুপর ও নিহত সোহেলের সংসারে এক ছেলে ও দ্বীন ইসলামের সংসারে এক ছেলে রয়েছে।

এসএন/

গোপালগঞ্জে আ.লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে নিরাপত্তা জোরদার, গ্রেপ্তার ৬

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ০৪:০৩ পিএম
আপডেট: ২৩ জুন ২০২৬, ০৪:৩০ পিএম
গোপালগঞ্জে আ.লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে নিরাপত্তা জোরদার, গ্রেপ্তার ৬
গোপালগঞ্জে যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে এবং নিরাপত্তা জোরদারে সেনাবাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর টহল কার্যক্রম। — ছবি: খবরের কাগজ
গোপালগঞ্জে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। যে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে মোতায়েন করা হয়েছে সেনাবাহিনী।
 
ইতোমধ্যে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের ৬ নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
 
মঙ্গলবার (২৩ জুন) সকাল থেকে সেনাবাহিনীকে মাঠে দেখা না গেলেও দুপুরের পর জেলা জুড়ে সেনাবাহিনীর টলহ দেখা যায়। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বভাবিক রাখতে জেলাজুড়ে কঠোর অবস্থানে রয়েছে পুলিশ ও অন্যান্য বাহিনী। বিভিন্ন স্থানে চেকপোস্ট বসিয়ে করা হয়েছে তল্লাশি।
 
তবে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যেও দুপুরে গোপালগঞ্জ শহরের পার্শ্ববর্তী এলাকায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা মিছিল বের করেন। মিছিলটি গ্রামীণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পরে তারা কেক কাটেন। এর একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।
 
গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. আরিফ-উজ-জামান বলেন, পরিস্থিতি মোকাবিলায় সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। তারা তাদের মতো করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কাজ করছেন। এখন পর্যন্ত জেলায় কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী টহল দিচ্ছে।
 
তবে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা বা বিশৃঙ্খলা ঘটানোর চেষ্ঠা করা হলে তা কঠোর হাতে দমন কর হবে বলে জানান জেলা প্রশাসক।
 
বাদল সাহা/আজহার

চাঁদপুরে ৩ লাখ ৬৬ হাজার শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ খাওয়ানো হবে

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ০৩:৫৭ পিএম
আপডেট: ২৩ জুন ২০২৬, ০৪:১৮ পিএম
চাঁদপুরে ৩ লাখ ৬৬ হাজার শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ খাওয়ানো হবে
ছবি: খবরের কাগজ

চাঁদপুর জেলায় এ বছর ৩ লাখ ৬৬ হাজার ৮৮১ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) দুপুরে চাঁদপুর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন করে এ তথ্য জানান সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ নুর আলম দীন।

তিনি বক্তব্যে বলেন, আগামী ২৮ জুন দেশে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন হবে। ওইদিন ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুদের নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুকে একটি করে লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। শিশুর বয়স ছয় মাস পূর্ণ হলে মায়ের দুধের পাশাপাশি পরিমান মতো ঘরে তৈরি সুষম খাবার খাওয়ানো জরুরি।

তিনি বলেন, জেলার আট উপজেলার দুটি পৌরসভায় ৬ থেকে ১১ মাস বয়সি ৪২ হাজার ৮টি এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ৩ লাখ ২৪ হাজার ৮৭৩টি শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। ওইদিন সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ২ হাজার ৩৩২টি টিকাকেন্দ্রে বিরতিহীনভাবে এই কার্যক্রম চলবে।

এই কাজটি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের হলেও শতভাগ সাফল্যের জন্য অন্যান্য মন্ত্রণালয়, গণমাধ্যমসহ অংশীজনদের সহযোগিতা কামনা করেন সিভিল সার্জন।

চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি সোহেল রুশদী বক্তব্য দেন।

ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এম এ লতিফের সঞ্চালনায় উন্মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি কাজী শাহাদাত, সাংবাদিক আলম পলাশ ও ফারুক আহম্মেদ।

ফয়েজ/খাদিজা রুমি/