ভরা মৌসুমেও দিনাজপুরের হিলিতে বেড়েছে সবধরনের চালের দাম। মানভেদে চালের দাম কেজি প্রতি বেড়েছে ৭ থেকে ১৪ টাকা পর্যন্ত। ফলে বিপাকে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষরা।
ভারতীয় চালের সরবরাহ না থাকায় দাম বাড়ছে এমনটাই বলছেন ব্যবসায়ী ও আমদানিকারকরা। তাদের মতে, ভারত থেকে আমদানি করা চাল প্রায় শেষের দিকে তাই দাম বেড়েছে।
হিলি স্থলবন্দরের পাইকারী বাজার ঘুরে দেখা যায়, চিকন জাতের সম্পা কাটারি চালের দাম কেজিতে বেড়েছে ১৩ থেকে ১৪ টাকা। আগে এ জাতের চাল ৬৫/৬৬ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও এখন তা বিক্রি হচ্ছে ৭৮/৮০ টাকায়।
আর দেশীয় চিকন জাতের সম্পা কাটারি ও মিনিকেট কেজিতে ৬ থেকে ৭ টাকা দাম বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৬৬ টাকা কেজি দরে যা আগে বিক্রি হয়েছে ৫৬ থেকে ৫৮ টাকায়।
ক্রেতা মতিয়ার রহমান বলেন, হুট করে চালের দাম বেড়ে যাওয়ায় আমরা কিনতে পারছি না। দৈনিক যা আয় করি তা দিয়ে বাজারের হিসাব মিলাতে হিমসিম খেতে হচ্ছে।
হিলি স্থলবন্দরের আমদানিকারক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ভারত থেকে চাল আমদানি বন্ধ থাকায় গুদাম গুলোতে তেমন নেই চালের মজুদ। কেজি প্রতি ১৩ থেকে ১৪ টাকা দাম বেড়েছে। যদি বাংলাদেশ সরকার ভারত থেকে চাল আমদানির উদ্যেগ নেয় তাহলে তা সহনীয় পর্যায়ে আসবে।
হাকিমপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার জর্জ মিত্র চাকমা বলেন, চালের বাজার সহনীয় রাখতে বাজার মনিটরিং করা হরে। নিত্যপণ্যের দাম কেউ বাড়তি দাম নিয়ে থাকে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
চলতি বছরের ২০ এপ্রিল থেকে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে সরকার ভারত থেকে চাল আমদানি বন্ধ রাখা হয়েছে।
কুদ্দুস/আমান