রাজধানীর সূত্রাপুরে ঢাকা ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের গেটে দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত তারিক সাঈদ মামুন একজন ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’।
সোমবার (১০ নভেম্বর) বেলা ১১টার দিকে ওই হাসপাতালের সামনে দুই যুবক তাকে গুলি করে হত্যা করে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে ডিএমপির লালবাগ বিভাগ উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মল্লিক আহসান উদ্দিন সামী সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘নিহত ব্যক্তি ইমন গ্রুপের শীর্ষ সন্ত্রাসী মামুন। আমরা বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করছি। দ্রুত অপরাধীদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।’
জানা যায়, নিহত মামুন চিত্রনায়ক সোহেল চৌধুরী এবং সাবেক সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদের ভাই শহীদ সাঈদ আহমেদ টিপু হত্যা মামলার আসামি। এর আগেও ২০২৩ সালে কারাগার থেকে জামিন মুক্তি পাওয়ার পর তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল এলাকায় তাকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছিল। তখন দুর্বৃত্তদের গুলিতে ভুবন চন্দ্র শীল নামে এক পথচারী নিহত হয়েছিলেন।
গুলিবিদ্ধ ব্যক্তির নাম-পরিচয় সম্পর্কে কোতোয়ালি থানার ট্রাফিক ইন্সপেক্টর নাসির উদ্দিন সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘আমরা গুলিবিদ্ধ ব্যক্তির জাতীয় পরিচয়পত্র থেকে জানতে পেরেছি। তার নাম তারিক সাইদ মামুন। তার বাড়ি লক্ষ্মীপুর। এ সম্পর্কে তদন্ত চলমান রয়েছে।’
নিহত মামুনের স্ত্রী রিপা আক্তার হাসপাতালে সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমার স্বামী বিএনপি সমর্থিত একজন কর্মী ও পাশাপাশি ব্যবসা করতো। আজ তার কোর্টে হাজিরা ছিল। আমরা জানতে পারি আমার স্বামী গুলিবিদ্ধ হয়ে হাসপাতালে আছেন। পরে ঢাকা মেডিকেলে হাসপাতালে এসে আমার স্বামীকে মৃত অবস্থায় দেখতে পাই।’
জানা গেছে, নিহত তারিফ লক্ষ্মীপুর সদরের মোবারক কলোনির এস এম ইকবাল হোসেনের ছেলে। রাজধানীর আফতাবনগর এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন। তার দুই মেয়ে রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বজনরা।
এদিকে ঘটনাস্থলেের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, রাস্তা থেকে এক ব্যক্তি দৌড়ে হাসপাতালের গেটের ভেতরে প্রবেশ করেন। তার পিছু পিছু দুই অস্ত্রধারী গুলি করতে করতে সামনে আসেন। কয়েকটি গুলি করার পর তারা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।
> রাজধানীতে হাসপাতালের সামনে প্রকাশ্যে গুলি করে একজনকে হত্যা
অমিয়/