ঢাকা ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, রোববার, ১৪ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
চীনে ক্রায়োজেনিক প্রযুক্তিতে রকেট ট্যাংক ডোমের উৎপাদনে সাফল্য বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংকে চাকরির সুযোগ দেশে এখনও প্রযুক্তিনির্ভর কমোডিটি মার্কেট গড়ে ওঠেনি: সিইসি এমডি হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের ৮০তম জন্মদিন উদযাপন রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার পাঠ থেকে ৪টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর, ২য় পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বাংলা সিরাজগঞ্জ আদালতে আত্মসমর্পণ করলেন এমপি আমির হামজা জনগণের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে বড় পরিবর্তন আসছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে ‘কালো মানিক’ উপহার দেওয়া সেই সোহাগ মৃধা গ্রেপ্তার বৃদ্ধাশ্রম নয়, পরিবারই হোক নিশ্চিত আশ্রয় ইসলামী ব্যাংককে ২৫০০ কোটি টাকা ধার দিল বাংলাদেশ ব্যাংক টেকনাফে রোহিঙ্গা ক্যাম্প সংলগ্ন লবণ মাঠে অভিযান: গ্রেনেড, গুলি ও গাঁজা উদ্ধার আল্লাহর ভালোবাসা পাওয়ার চার শর্ত সাবেক আইজিপি বেনজীর গ্রেপ্তার টেকনাফে আঘাতপ্রাপ্ত মা হাতি লোকালয়ে, উদ্ধারে বন বিভাগের তৎপরতা ঝিনাইদহে দুর্নীতি বিরোধী চিত্রাংকন ও রচনা প্রতিযোগিতা মিরপুরে মাদরাসার সাইনবোর্ড লাগানোর সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে শিক্ষার্থীসহ দগ্ধ ৩ ইংল্যান্ড দলের চুরি যাওয়া সরঞ্জাম উদ্ধার প্রাথমিক শিক্ষক বদলিতে বড় সংস্কার জাপানিজ সমর্থকরা কেন স্টেডিয়াম পরিষ্কার করেন? জামালপুরে মানববন্ধনে শিশুশ্রমকে লাল কার্ড প্রদর্শন ইন্টারনেট সেবাদাতাদের কার্যালয়ে হামলা-দখলের নিন্দা, শাস্তির দাবি আইএসপিএবির টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মাদকের আখড়া মুন্সীগঞ্জে স্কুলছাত্রী ও তার মাকে হত্যার চেষ্টা, গ্রেপ্তার ১ এনএসইউ ট্রাস্টি বেনজীর আহমেদ ফের সাউথ এশিয়া রিজিওনাল কাউন্সিলের কোষাধ্যক্ষ ফরিদপুরে ট্রাক-মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে যুবক নিহত সিলেটে হাম উপসর্গে আরও ১ শিশুর মৃত্যু খুলনায় মসজিদে ঢুকে ২ মুসল্লিকে গুলি কু‌ড়িগ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ব্যবসায়ীর মৃত্যু ঈশ্বরদীতে ব্রাজিল-মরক্কো খেলা দিয়ে বিশ্বকাপ ফুটবল উত্তেজনা শুরু ময়মনসিংহ মেডিকেলে হাম উপসর্গে প্রাণ গেল আরও ১ শিশুর
Nagad desktop

রাসায়নিক বিক্রিয়া অধ্যায়ের ৯টি জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ৩য় পর্ব, এসএসসি পরীক্ষার রসায়ন

প্রকাশ: ১৮ মার্চ ২০২৬, ০১:৪৮ পিএম
রাসায়নিক বিক্রিয়া অধ্যায়ের ৯টি জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ৩য় পর্ব, এসএসসি পরীক্ষার রসায়ন
পরীক্ষাগারে রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটানো হচ্ছে। ছবি- সংগৃহীত

সপ্তম অধ্যায় : রাসায়নিক বিক্রিয়া

অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর 

প্রশ্ন: বিক্রিয়ার হার বা গতি কী?
উত্তর: একক সময়ে একটি বিক্রিয়ার বিক্রিয়কগুলোর ঘনমাত্রা কতটুকু হ্রাস পায় বা উৎপন্ন পদার্থের ঘনমাত্রা কতটুকু বৃদ্ধি পায় তাকে বিক্রিয়ার হার বা গতি বলে।

প্রশ্ন: রাসায়নিক সাম্যাবস্থা কাকে বলে?
উত্তর: যে অবস্থায় কোনো উভমুখী বিক্রিয়ার সম্মুখ বিক্রিয়ার গতিবেগ বিপরীতমুখী বিক্রিয়ার গতিবেগের সমান হয় তবে বিক্রিয়াটির ওই অবস্থাকে রাসায়নিক সাম্যাবস্থা বলে। 
রাসায়নিক সাম্যাবস্থায় তাপমাত্রা, চাপ এবং অংশগ্রহণকারী পদার্থের দৃশ্যমান ধর্মগুলো স্থির থাকে। বিক্রিয়ার উভমুখিতার ফলেই সাম্যাবস্থার উদ্ভব ঘটে। একটি উভমুখী বিক্রিয়ার শুরুতে সম্মুখ বিক্রিয়ার বেগ সবচেয়ে বেশি থাকে এবং বিপরীত বিক্রিয়ার বেগ কম থাকে। সময়ের সঙ্গে বিক্রিয়কের পরিমাণ কমতে থাকে ও উৎপাদের পরিমাণ বাড়তে থাকে। 

প্রশ্ন: লা-শাতেলিয়ার নীতি কী?
উত্তর: বিখ্যাত ফরাসি বিজ্ঞানী লা-শাতেলিয়ে ১৮৮৪ সালে উভমুখী বিক্রিয়ার সাম্যাবস্থার ওপর বিভিন্ন নিয়ামকের প্রভাব সম্পর্কিত একটি নীতি উপস্থাপন করেন যা লা-শাতেলিয়ার নীতি নামে পরিচিত। নীতিটি হলো-
যেসব নিয়ামক যেমন–তাপমাত্রা, চাপ, ঘনমাত্রা ইত্যাদির ওপর কোনো উভমুখী বিক্রিয়ার সাম্যাবস্থা নির্ভরশীল তাদের যেকোনো এক বা একাধিক নিয়ামকের পরিবর্তন ঘটলে সাম্যাবস্থার অবস্থান সামনের দিকে বা পশ্চাৎ দিকে এমনভাবে স্থানান্তরিত হয় যাতে এসব পরিবর্তনের প্রভাব প্রশমিত হয়।

প্রশ্ন: আর্দ্রবিশ্লেষণ বিক্রিয়া বলতে কী বোঝায়?
উত্তর: যে দ্বিবিযোজন বিক্রিয়ায় পানি কোনো যৌগের সঙ্গে বিক্রিয়া করে এক বা একাধিক নতুন যৌগ উৎপাদন করে, তাকে আর্দ্রবিশ্লেষণ বা পানিযোজন বিক্রিয়া বলা হয়। 
যেমন–এস্টারের আর্দ্রবিশ্লেষণে অ্যাসিড ও অ্যালকোহল উৎপাদিত হয়।
CH3COOCH2CH3 + H2O = CH3COOH + CH3CH2OH

প্রশ্ন: MnO2 + 4HCl = MnCl2 + Cl2 + 2H2O-এ বিক্রিয়ায় কোনটি জারক এবং কোনটি বিজারক তা লেখ।
উত্তর: MnO2 + 4HCl = MnCl2 + Cl2 + 2H2O- এ বিক্রিয়ায় MnO2 জারক এবং HCl বিজারক।

আরো পড়ুন : রাসায়নিক বিক্রিয়া অধ্যায়ের ১২টি জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ২য় পর্ব, এসএসসি পরীক্ষার রসায়ন

প্রশ্ন: PbS + 4H2O2 = PbSO4 + 4H2O-এ বিক্রিয়ায় কোনটি জারিত হচ্ছে এবং কোনটি বিজারিত হচ্ছে?
উত্তর: PbS এর সঙ্গে H2O2 বিক্রিয়া ঘটালে PbS জারিত হয়ে সাদা রঙের PbSO4 উৎপন্ন করে; আর H2O2 নিজে বিজারিত হয়ে H2O-তে পরিণত হয়।

প্রশ্ন: ফেরাস ক্লোরাইডের সঙ্গে ক্লোরিনের বিক্রিয়ায় ফেরিক ক্লোরাইড উৎপন্ন হয়। এটি কোন ধরনের বিক্রিয়া?
উত্তর: ফেরাস ক্লোরাইডের সঙ্গে ক্লোরিনের বিক্রিয়ায় ফেরিক ক্লোরাইড উৎপন্ন হয়।
2FeCl2 + Cl2  2FeCl3
এক্ষেত্রে বিক্রিয়কে আয়রনের যোজনী ২। কিন্তু উৎপাদে আয়রনের যোজনী ৩। বিক্রিয়ার ফলে আয়রনের যোজনী বৃদ্ধি পেয়েছে। আবার বিক্রিয়কে ক্লোরিনের যোজনী শূন্য এবং উৎপাদে ক্লোরিনের যোজনী ১। এক্ষেত্রেও ক্লোরিনের যোজনী বৃদ্ধি পেয়েছে। সুতরাং বিক্রিয়াটি একটি জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া।

প্রশ্ন: নিচের পদার্থগুলোর কোনটি জারক এবং কোনটি বিজারক তা লেখ–HNO3, CO, SO2, NH3, H2S, H2SO4, Cl2, KMnO4
উত্তর: ওপরে উল্লিখিত পদার্থগুলোর মধ্যে জারক পদার্থ- HNO3, H2SO4, Cl2, KMnO4 আর বিজারক পদার্থ- CO, SO2, NH3, H2S ।

প্রশ্ন: প্লাস্টিক প্রস্তুতিতে পলিমারকরণ বিক্রিয়ার ভূমিকা কী?
উত্তর: পলিমারকরণ বিক্রিয়ায় এক বা একাধিক যৌগের অনেকগুলো অণু পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত হয়ে বড় অণু সৃষ্টি করে। পলিইথিলিন হচ্ছে প্লাস্টিক। এ বিক্রিয়ায় ইথিলিনের বহুসংখ্যক অণু একত্রিত হয়ে পলিইথিলিন তৈরি করে।
nCH2 = CH2 ( CH2 CH2)n

লেখক : সিনিয়র শিক্ষক
আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মতিঝিল, ঢাকা

কবীর

রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার পাঠ থেকে ৪টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর, ২য় পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বাংলা

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ০৩:৩৭ পিএম
রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার পাঠ থেকে ৪টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর, ২য় পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বাংলা
রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার। ছবি- সংগৃহীত

পাঠ-৮ : রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার

অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর

প্রশ্ন: কোন কোন বৈশিষ্ট্য বাঘকে দক্ষ শিকারি বানিয়েছে?

উত্তর: নিচের বৈশিষ্ট্যগুলো বাঘকে দক্ষ শিকারি বানিয়েছে–
দৃষ্টি, শ্রবণ ও ঘ্রাণশক্তি: বাঘের দৃষ্টি, শ্রবণ ও ঘ্রাণশক্তি খুবই প্রখর।
শক্তিশালী থাবা ও নখ: তাদের আছে শক্তিশালী থাবা, যা নরম ও লোমযুক্ত হওয়ায় চলার সময় শব্দ হয় না। শিকার ধরার সময় থাবা থেকে নখ বেরিয়ে আসে।
দাঁত ও চোয়াল: খাবার চিবানোর জন্য এদের রয়েছে তীক্ষ্ণ ও ধারালো দাঁত আর মজবুত চোয়াল।

প্রশ্ন: রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার কমে যাওয়ার কারণ কী?

উত্তর: প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং মানুষের শিকারের ফলে রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার কমে যাচ্ছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ দেখা দিলে বাঘের জীবন বিপন্ন হয়। এছাড়াও কিছু লোক চামড়া ও অন্যান্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের লোভে বাঘ মেরে ফেলে। ফলে বাঘ এখন বিলুপ্তির পথে। 

আরো পড়ুন : রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার পাঠ থেকে ২টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বাংলা

প্রশ্ন: বিড়ালকে বাঘের মাসি বলা হয় কেন?

উত্তর:  বিড়াল প্রজাতির সবচেয়ে বড় প্রাণী বাঘ।  এ কারণে বিড়ালকে বাঘের মাসি বলা হয়।

প্রশ্ন: বাঘের সাঁতারের ব্যাপারে কী বলা হয়?

উত্তর: বাঘ খুব ভালো সাঁতার কাটতে পারে। বাঘ সাঁতার কাটার সময় অর্থাৎ  নদী বা খাল পার হওয়ার সময়ে সে ঠিক সোজাসুজি এগিয়ে যায়। যদি স্রোতের কারণে কিছুদূর সরে যায়, তবে আবার ঠিক আগের জায়গায় ফিরে আসে।

লেখক : সহকারী শিক্ষক
ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, বসুন্ধরা, ঢাকা

কবীর

ব্যাপন, অভিস্রবণ ও প্রস্বেদন অধ্যায়ের ৯টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ১২:৩১ পিএম
ব্যাপন, অভিস্রবণ ও প্রস্বেদন অধ্যায়ের ৯টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান
উদ্ভিদের ব্যাপন ও অভিস্রবণ প্রক্রিয়া। প্রতীকী ছবি- সংগৃহীত

তৃতীয় অধ্যায় : ব্যাপন, অভিস্রবণ ও প্রস্বেদন

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর

১। নিচের কোনটি ভেদ্য পর্দা?
ক) পলিথিন        খ) মাছের পটকার পর্দা 
গ) কোষপ্রাচীর    ঘ) কিউটিনযুক্ত কোষপ্রাচীর

২। তাপমাত্রা বাড়লে সাধারণত ব্যাপনের হার-
ক) কমে                    খ) বাড়ে 
গ) অতিরিক্ত বাড়ে     ঘ) অপরিবর্তিত থাকে

৩। নিচের কোনটি অভেদ্য পর্দা?
ক) পলিথিন     
খ) মাছের পটকার পর্দা 
গ) কোষপ্রাচীর     
ঘ) কিউটিনযুক্ত কোষপ্রাচীর

৪। নিচের কোন পর্দা ভিন্ন ধরনের?
ক) কোষ পর্দা     
খ) ডিমের খোসার ভেতরের পর্দা 
গ) কোষপ্রাচীর     
ঘ) কিউটিনযুক্ত কোষপ্রাচীর

৫। ব্যাপন প্রক্রিয়ায় কোষে নিচের কোনটি প্রবেশ করে?
ক) নাইট্রোজেন     খ) অক্সিজেন 
গ) হাইড্রোজেন     ঘ) কার্বন

আরো পড়ুন : জীবের বৃদ্ধি ও বংশগতি অধ্যায় থেকে ৫টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৬ষ্ঠ পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান

৬। কোনটি ‘Necessary evil’ নামে খ্যাত?
ক) অভিস্রবণ     খ) ব্যাপন 
গ) প্রস্বেদন        ঘ) ইমবাইবিশন

৭। রক্ত থেকে পুষ্টি উপাদান কোষে প্রবেশ করে কোন প্রক্রিয়ায়?
ক) অভিস্রবণ     খ) ব্যাপন 
গ) প্রস্বেদন        ঘ) ইমবাইবিশন

৮। জীবকোষে শ্বসনের সময় গ্লুকোজের জারণ ঘটায় নিচের কোনটি?
ক) নাইট্রোজেন     খ) অক্সিজেন 
গ) হাইড্রোজেন     ঘ) কার্বন

৯। অভিস্রবণ এক প্রকার কী?
ক) প্রস্বেদন     খ) ব্যাপন 
গ) পর্দা           ঘ) কোষ পর্দা

উত্তর: ১. গ, ২. খ, ৩. ক, ৪. গ, ৫. খ, ৬. গ, ৭. খ, ৮. খ, ৯. খ।

লেখক : সহকারী শিক্ষক
লৌহজং বালিকা পাইলট উচ্চবিদ্যালয়, মুন্সীগঞ্জ

কবীর

বাংলাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগ বিষয়ক প্রবন্ধ রচনা, ১ম পর্ব, এইচএসসির বাংলা ২য় পত্র

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৬:১১ পিএম
বাংলাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগ বিষয়ক প্রবন্ধ রচনা, ১ম পর্ব, এইচএসসির বাংলা ২য় পত্র
বন্যায় বাংলাদেশের অনেক অঞ্চল ডুবে গেছে। ছবি- সংগৃহীত

প্রবন্ধ রচনা : বাংলাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগ

ভূমিকা : ‘এমন দেশটি কোথাও খুঁজে পাবে নাকো তুমি
            সকল দেশের রাণী সে যে আমার জন্মভূমি।’

কবির এই অমর বাণী কখনো কখনো মিথ্যা মনে হয়। যখন নানা প্রকার প্রাকৃতিক দুর্যোগ সর্বগ্রাসী শক্তি নিয়ে আমাদের ওপর চেপে বসে, তখন নিজেদের বড় অসহায় মনে হয়। সবুজ-শ্যামলে, হরিতে-হিরণে সুন্দর একটি দেশ–বাংলাদেশ এই পৃথিবীর মানচিত্রে  স্থান করে নিয়েছে। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, লাল-সবুজের দেশটি সম্প্রতি প্রাকৃতিক দুর্যোগের লীলভূমি হিসেবে আখ্যায়িত। প্রকৃতপক্ষে বাংলাদেশ ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকিপ্রবণ দেশ। বঙ্গোপসাগরের উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত এই দেশটি ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, নদীভাঙন, ভূমিকম্প এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বারবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এই দুর্যোগগুলো জনজীবন, কৃষি, অবকাঠামো এবং অর্থনীতির ওপর ব্যাপক প্রভাব ফেলে। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে দুর্যোগের তীব্রতা বেড়েছে। তবে আধুনিক পূর্বাভাস ব্যবস্থা, আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ এবং জনসচেতনতা কার্যক্রম গ্রহণ করার ফলে ক্ষয়ক্ষতি কমেছে। সরকার, বেসরকারি সংস্থা এবং স্থানীয় সম্প্রদায়ের সমন্বিত প্রচেষ্টায় দুর্যোগ মোকাবিলার ক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে। দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা এবং আন্তর্জাতিক সংস্থা ও দেশের সহযোগিতার মাধ্যমে বাংলাদেশ দুর্যোগ মোকাবিলায় আরও সক্ষম হতে পারে।

বাংলাদেশের অবস্থান এবং দুর্যোগ:  বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার একটি সমতল ও নিম্নভূমি দেশ, যা বঙ্গোপসাগরের উত্তরে অবস্থিত। এর ভৌগোলিক অবস্থান দেশটিকে প্রাকৃতিক দুর্যোগের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপ্রবণ করেছে। হিমালয়ের পাদদেশে অবস্থিত হওয়ায় ভূমিকম্পের ঝুঁকি রয়েছে এবং বঙ্গোপসাগরের কাছাকাছি থাকায় ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের শিকার হতে হয়। পদ্মা, মেঘনা, যমুনার মতো বড় নদীগুলো বন্যা ও নদীভাঙন সৃষ্টি করে। জলবায়ু পরিবর্তন সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে এ দেশে দুর্যোগের তীব্রতা বেড়েছে। উপকূলীয় অঞ্চলগুলো লবণাক্ততার সমস্যায় ভুগছে। এই অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ প্রতিনিয়ত প্রাকৃতিক দুর্যোগের মুখোমুখি হয়। তবে সরকার ও স্থানীয় সম্প্রদায়ের প্রচেষ্টায় দুর্যোগ মোকাবিলার ক্ষমতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। জনসচেতনতা ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার দুর্যোগের ক্ষতি কমাতে সহায়ক ভূমিকা রাখছে।

দুর্যোগ ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ: দুর্যোগের সংজ্ঞা নির্দেশ করতে গিয়ে বিশেষজ্ঞরা জানান, Disaster is an event, natural or man made, that seriously disrupts the normal functions of the civil society, thereby causing material and human losses of such severity that the affected community has to respond by taking exceptional measures nationally and internationally. মোট কথা, প্রাকৃতিক বা মানবসৃষ্ট যেসব ঘটনা মানুষের স্বাভাবিক জীবনধারাকে ব্যাহত করে, মানুষের সম্পদ ও পরিবেশের এমনভাবে ক্ষতিসাধন করে যার ফলে আক্রান্ত জনগোষ্ঠীকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে ব্যতিক্রমধর্মী প্রচেষ্টার মাধ্যমে মোকাবিলা করতে হয়, তা-ই দুর্যোগ। আর প্রাকৃতিক কারণে যেসব দুর্যোগ সংঘটিত হয় সেগুলো প্রাকৃতিক দুর্যোগ। যেমন- বাংলাদেশের ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, ভূমিকম্প, নদীভাঙন, খরা, জলোচ্ছ্বাস এবং লবণাক্ততা সাধারণ প্রাকৃতিক দুর্যোগ। এগুলো দেশের অর্থনীতি, কৃষি ও জনজীবনে ব্যাপক প্রভাব ফেলে। ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস উপকূলীয় অঞ্চলের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে, যখন বন্যা ও নদীভাঙন নিম্নাঞ্চলকে ধ্বংস করে। ভূমিকম্প শহরাঞ্চলে ঝুঁকি সৃষ্টি করে। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে এই দুর্যোগগুলোর তীব্রতা বাড়ছে। তবে আধুনিক প্রযুক্তি, পূর্বাভাস ব্যবস্থা এবং আশ্রয়কেন্দ্র তৈরির কারণে ক্ষয়ক্ষতি কমেছে। সরকার ও বেসরকারি সংস্থাগুলো দুর্যোগ মোকাবিলায় কাজ করছে। জনসচেতনতা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দুর্যোগের প্রভাব কমানো সম্ভব। বাংলাদেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় টেকসই পরিকল্পনা গ্রহণ করা অপরিহার্য।

প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণ : পরিবেশ দূষণে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পৃথিবীর বহু দেশে সৃষ্টি হচ্ছে প্রাকৃতিক দুর্যোগ। তবে শতকরা ২০ থেকে ২৫ ভাগ প্রাকৃতিক দুর্যোগ জলবায়ু পরিবর্তনের  কারণে হতে পারে। তবে বেশির ভাগ পরিবর্তন হচ্ছে মনুষ্য সৃষ্ট। বিশেষজ্ঞরা জানান, জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য সবচেয়ে বেশি দায়ী শিল্পোন্নত দেশগুলো। এদের  ভোগবিলাসিতা ও যন্ত্রনির্ভরশীলতার জন্য পৃথিবীতে গ্রিন হাউস গ্যাসের পরিমাণ বেড়ে যাচ্ছে। এসব দেশের কলকারখানা ও গাড়ি থেকে অতিমাত্রায় কার্বন ডাই-অক্সাইড নিঃসরণের ফলে বায়ুমণ্ডলের ওজোন স্তর ক্ষয় হয়ে যাচ্ছে। সেই সঙ্গে বাড়ছে তাপমাত্রা, তাতে মেরু অঞ্চল ও বিভিন্ন পর্বতে জমে থাকা বরফ গলে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়ছে। সমুদ্র ও নদীর পানির স্রোত ও ঢেউ বাড়ছে ফলে নদী ও সমুদ্রের উপকূলে ভাঙনের হারও বেড়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশসহ বিশ্বের দরিদ্র দেশগুলো জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। জলবায়ু পরিবর্তন ও অপরিকল্পিত উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের কারণে দেশের বেশির ভাগ নদী শুকিয়ে যাচ্ছে। পলি জমে বেশকিছু নদী দেশের মানচিত্র থেকে হারিয়ে গেছে। দেশের প্রধান নদীগুলো বিভিন্ন স্থানে এসে ভরাট হয়ে যাচ্ছে। পদ্মা, মেঘনা, ব্রহ্মপুত্র ও যমুনার মাধ্যমে হিমালয় থেকে ভারত হয়ে বাংলাদেশের নদীগুলোতে পানি এলেও এগুলোর স্রোতধারা অনেকটা কমে গেছে। ব্রহ্মপুত্রের অবস্থা অত্যন্ত নাজুক। পদ্মার বুকেও বিভিন্ন স্থানে চর পড়ে নদী ভরাট হয়ে যাচ্ছে। ফারাক্কার প্রভাবে গত তিন দশকে বাংলাদেশের ৮০টি নদীর ওপর মারাত্মক প্রভাব পড়েছে। এক সময়ের খরস্রোতা নদী হিসেবে পরিচিত দেশের ১৭টি নদী মরা নদীতে পরিণত হয়েছে। আরও আটটি নদী মৃতপ্রায়। এসব নদী ড্রেজিং করে সচল করারও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয় না। ফলে বর্ষাকালে নদীর উপচে পড়া পানি প্লাবিত করে ফসলের মাঠ, জনবসতি। প্রতি বছরই বন্যা এ দেশের নিয়তি হয়ে দাঁড়িয়েছে। বন উজাড় করাও প্রাকৃতিক দুর্যোগের আরেকটি কারণ। প্রত্যেক দেশের মোট আয়তনের ২৫ শতাংশ বনাঞ্চল যেখানে থাকা প্রয়োজন সেখানে বাংলাদেশে সরকারি হিসাবে মাত্র ১৬ ভাগ বনাঞ্চল রয়েছে।

প্রাকৃতিক দুর্যোগের নাম: বাংলাদেশে বিভিন্ন ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ ঘটে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো–ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, ভূমিকম্প, নদীভাঙন, জলোচ্ছ্বাস, খরা, লবণাক্ততা, কালবৈশাখী, টর্নেডো, বজ্রপাত, তাপপ্রবাহ, শিলাবৃষ্টি, ঘন কুয়াশা, বায়ু দূষণ, পানি দূষণ, ভূমিধস এবং তুষারপাত। এই দুর্যোগগুলো দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিভিন্ন তীব্রতায় আঘাত হানে। ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস উপকূলীয় অঞ্চলে, বন্যা ও নদীভাঙন নিম্নাঞ্চলে এবং ভূমিকম্প শহরাঞ্চলে বেশি প্রভাব ফেলে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এই দুর্যোগের তীব্রতা বাড়ছে। তবে, প্রতিটি দুর্যোগের জন্য অনেক দেশের পৃথক মোকাবিলা কৌশল রয়েছে। পূর্বাভাস, প্রশিক্ষণ ও অবকাঠামো উন্নয়ন এই দুর্যোগ মোকাবিলায় সহায়ক। জনসচেতনতা ও টেকসই পরিকল্পনা গ্রহণ দুর্যোগের প্রভাব কমাতে পারে। 

(বাকি অংশ ২য় পর্বে প্রকাশ করা হবে)

লেখক : সহকারী অধ্যাপক, বাংলা বিভাগ
রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা

কবীর

জীবের বৃদ্ধি ও বংশগতি অধ্যায় থেকে ৫টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৬ষ্ঠ পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান

প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ১২:১১ পিএম
জীবের বৃদ্ধি ও বংশগতি অধ্যায় থেকে ৫টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৬ষ্ঠ পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান
অ্যামাইটোসিস কোষ বিভাজন। ছবি- সংগৃহীত

দ্বিতীয় অধ্যায় : জীবের বৃদ্ধি ও বংশগতি

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর

২৬। মানুষের দেহকোষে কত জোড়া ক্রোমোজোম থাকে?
ক) ২২ জোড়া     খ) ২৩ জোড়া 
গ) ২৪ জোড়া     ঘ) ৪৬ জোড়া

২৭। নিচের কোনটিতে ডিএনএ থাকে না?
ক) ভাইরাসে           খ) ই-কলিতে
গ) ব্যাকটেরিয়ায়     ঘ) ইএমভিতে

২৮। নিউক্লিক অ্যাসিড হলো-
i. DNA 
ii. CNA 
iii. RNA 
নিচের কোনটি সঠিক?
ক) i ও iii     খ) i ও ii 
গ) ii ও iii     ঘ) i, ii ও iii

আরো পড়ুন : জীবের বৃদ্ধি ও বংশগতি অধ্যায় থেকে ৫টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৫ম পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান

২৯। মানুষের চামড়ার রং নিয়ন্ত্রণ করে নিচের কোনটি?
ক) DNA     খ) নিউক্লিয়াস 
গ) RNA     ঘ) মাইটোকন্ড্রিয়া

৩০। দুটি ক্রোমাটিডের পরস্পর যুক্ত হওয়ার স্থানকে কী বলে?
ক) ক্রোমোজোম     খ) সেন্ট্রোজোম 
গ) সেন্ট্রোমিয়ার     ঘ) ক্রোমোমিয়ার 

উত্তর: ২৬. খ, ২৭. ঘ, ২৮. ক, ২৯. ক, ৩০. গ।

লেখক : সহকারী শিক্ষক
লৌহজং বালিকা পাইলট উচ্চবিদ্যালয়, মুন্সীগঞ্জ

কবীর

প্রোগ্রামিং ভাষা অধ্যায়ের ১২টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৬ষ্ঠ পর্ব, এইচএসসির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ০৫:৪০ পিএম
প্রোগ্রামিং ভাষা অধ্যায়ের ১২টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৬ষ্ঠ পর্ব, এইচএসসির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
পাইথন ভাষা আবিষ্কার করেন গিডো ভান রসাম। প্রতীকী ছবি- সংগৃহীত

পঞ্চম অধ্যায় : প্রোগ্রামিং ভাষা

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর

৬৮. ANSI-এর পূর্ণরূপ কী?
ক. American National Standards Institute 
খ. American National Standards Interchange 
গ. American National Security Institute 
ঘ. American Nations Security Institute

৬৯. ভালো সংগঠনের প্রোগ্রামগুলো কোন সময়ের নিয়ম মেনে চলে?
ক. প্রচলিত     খ. আগের 
গ. ভবিষ্যৎ     ঘ. অদূর ভবিষ্যতের

৭০. ভালো সংগঠনের প্রোগ্রামগুলোর বৈশিষ্ট্য-
i. প্রচলিত নিয়ম মেনে চলে
ii. প্রোগ্রামের বিভিন্ন অংশের মধ্যে সহজ সম্পর্ক থাকে
iii. প্রোগ্রামের গতি প্রবাহ সুনির্দিষ্ট থাকে
নিচের কোনটি সঠিক?
ক. i ও ii      খ. i. ও iii 
গ. ii. ও iii     ঘ. i, ii ও iii

৭১. পাইথন ভাষা আবিষ্কার করেন কে বা কারা?
ক. জন স্ট্রাউস্ট্রপ              খ. গিডো ভান রসাম
গ. আইবিএম কোম্পানি     ঘ. মাইক্রোসফট কোম্পানি

৭২. কি-ওয়ার্ড কেন ব্যবহৃত হয়?
ক. এটা কিছু সংরক্ষিত শব্দ, যা প্রোগ্রাম করার সময় ব্যবহার করা হয় 
খ. একগুচ্ছ ক্যারেক্টার নিয়ে গঠিত 
গ. কনস্ট্যান্ট সংখ্যা নিয়ে কাজ করে 
ঘ. স্ট্রাকচার নিয়ে কাজ করে

৭৩. ফ্লোচার্টে বৃত্ত দিয়ে কী বোঝায়?
ক. শুরু          খ. দিক 
গ. সংযোগ     ঘ. ইনপুট

আরো পড়ুন : প্রোগ্রামিং ভাষা অধ্যায়ের ১৩টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৫ম পর্ব, এইচএসসির তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

৭৪. সব টেস্ট কেসের জন্য প্রোগ্রাম রান করলে প্রোগ্রামকে কী করা হয়?
ক. পুনরায় কোডিং     খ. সিলিজ 
গ. ডিবাগ                   ঘ. ডিলিট

৭৫. কে বা কারা ফোরট্রান আবিষ্কার করেন?
ক. জন স্ট্রাউস্ট্রপ              খ. গিডো ভান রসাম 
গ. আইবিএম কোম্পানি     ঘ. মাইক্রোসফট কোম্পানি

৭৬. প্রোগ্রাম লেখার আগে- 
i. চিন্তা করতে হয়     
ii. ধাপগুলো লিখতে হয় 
iii. চিত্ররূপ দিতে হয় 
নিচের কোনটি সঠিক?
ক. i ও ii       খ. i. ও iii 
গ. ii. ও iii     ঘ. i, ii ও iii

৭৭. কোন স্টেটমেন্টের সাহায্যে ফলাফল প্রদর্শন করা হয়?
ক. আউটপুট স্টেটমেন্ট     খ. লুপিং স্টেটমেন্ট 
গ. ইনপুট স্টেটমেন্ট          ঘ. কন্ট্রোল স্টেটমেন্ট

৭৮. উচ্চ স্তরের ভাষায় প্রোগ্রাম-
i. লেখা সহজ 
ii. পড়া সহজ 
iii. সময়সাপেক্ষ 
নিচের কোনটি সঠিক?
ক. i ও ii      খ. i. ও iii 
গ. ii. ও iii     ঘ. i, ii ও iii

৭৯. একটি প্রোগ্রামের বিভিন্ন অংশের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ককে কী বলে?
ক. প্রোগ্রামের সংগঠন           খ. প্রোগ্রামের ফ্লোচার্ট 
গ. প্রোগ্রামের অ্যালগরিদম     ঘ. প্রোগ্রামের সুডোকোড

উত্তর: ৬৮. ক, ৬৯. ক, ৭০. ঘ, ৭১. খ, ৭২. ক, ৭৩. গ, ৭৪. খ, ৭৫. গ, ৭৬. ঘ, ৭৭. ক, ৭৮. ক, ৭৯. ক।

লেখক : সহকারী অধ্যাপক
রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা

কবীর