যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ২০১৬ সালের পুনরাবৃত্তি ঘটিয়ে এবারও নিম্নবিত্তের সমর্থন পাচ্ছেন রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প।
নির্বাচনের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে রবিবার (৩ নভেম্বর) পেনসিল্ভেনিয়ায় ম্যাকডোনাল্ডের একটি রেস্টুরেন্টে প্রায় ১৫ মিনিট স্বেচ্ছাশ্রম দেন তিনি। এ সময় তার ডেমোক্র্যাট প্রতিদ্বন্দ্বী কমলাকে আক্রমণ করে বলেন, আমি এই ১৫ মিনিটে তার চেয়ে বেশি কাজ করেছি।
নির্বাচনের আগে প্রার্থীরা নিজের সমর্থক বাড়াতে সাধারণ মানুষের সঙ্গে মিশে যাওয়ার প্রচলন আছে দেশটিতে। পেনসিলভেনিয়ার ঘটনাটি নিম্নবিত্তের ওপর নিজের রাজনৈতিক আবেদন কাজে লাগানোর প্রচেষ্টা বলে ধারণা বিশ্লেষকদের।
গত অর্ধশতকে যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবিত্ত শ্রেণির পরিধি ছোট হয়ে নিম্নবিত্তের পরিধি বাড়ছে। গবেষণা সংস্থা পিউ রিসার্চ সেন্টারের তথ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের নিম্নবিত্ত শ্রেণি ১৯৭১ সালে মোট জনসংখ্যার ২৭ শতাংশ হলেও ২০২৩ সালে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩০ শতাংশে।
ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান দুই প্রার্থীরই তাই নিম্নবিত্তদের নির্বাচনের ফলাফল নির্ধারণের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচনা করেন।
তবে বিশ্লেষকরা মনে করেন, এবারের নির্বাচনে ধনকুবের ট্রাম্পই নিম্নবিত্ত শ্রেণির কাছে বেশি গ্রহণযোগ্যতা পাচ্ছেন।
প্রগ্রেসিভ পলিসি ইন্সটিটিউটের এক জরিপ অনুযায়ী, বেশিরভাগ নিম্নবিত্ত নাগরিকই মনে করেন গত ৩০ বছরে তাদের সবচেয়ে বেশি সহায়তা করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।
এ বিষয়ে ভার্জিনিয়ার আইনের অধ্যাপক রার্ট্রাল রাসেল বলেন, “ব্যাপারটা হাস্যকর। জীবনে একদিনও তিনি অভাব দেখেননি। অথচ নিজেকে কর্মজীবী নিম্নবিত্ত নাগরিকদের ত্রাতা দাবি করেন।”
নাইমুর/অমিয়/