দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইওল জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে সামরিক আইন জারি করেছেন। তিনি দেশের বিরোধীদলকে সংসদ নিয়ন্ত্রণ করা, উত্তর কোরিয়ার প্রতি সহানুভূতি প্রদর্শন করা এবং রাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলাপের মাধ্যমে সরকারকে অচল করার অভিযোগ করেছেন। ইউন এই পদক্ষেপকে দেশের সাংবিধানিক শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য অত্যাবশ্যক বলে উল্লেখ করেছেন।
মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে এ খবর জানা গেছে। ১৯৮০ সালের পর এটাই প্রথম সামরিক আইন জারি করার ঘটনা।
এক টেলিভিশন ভাষণে ইউন ঘোষণা করেন যে, ‘উত্তর কোরিয়ার কমিউনিস্ট শক্তির হুমকি থেকে উদারপন্থী দক্ষিণ কোরিয়াকে রক্ষায় এবং রাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলাপ নির্মূল করতে... আমি জরুরি সামরিক আইন ঘোষণা করছি।’ এ সময় তিনি আরও অভিযোগ করে বলেন, জনগণের জীবন-জীবিকার তোয়াক্কা না করে বিরোধী দল কেবল অভিশংসন, বিশেষ তদন্ত এবং তাদের নেতাকে বিচার থেকে রক্ষা করার জন্য শাসন ব্যবস্থাকে পঙ্গু করে দিয়েছে।
এই সামরিক আইনের আওতায় রাজনৈতিক সভা-সমাবেশ, জন-সমাগম, মিছিল এসবের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। বর্তমান রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা কঠোরভাবে দমন করা হবে বলা হয়েছে। পাশাপাশি পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সকল গণমাধ্যমকে সরকারি আদেশ মেনে চলতে বলা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কোনো গুজব ছড়ানো হলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার বিধান রাখা হয়েছে। সূত্র: এএফপি, স্কাই নিউজ।
মাহফুজ/এমএ/