ঢাকা ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, রোববার, ১৪ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
বাংলাদেশের বেসরকারি সমাজ উন্নয়ন কার্যক্রম অধ্যায়ের ১টি প্রশ্ন ও উত্তর, ২য় পর্ব, এইচএসসির সমাজকর্ম দ্বিতীয় পত্র ধামরাইয়ে সরকারি টাকায় ব্যক্তিগত যাত্রী ছাউনি, উপকার হচ্ছে না যাত্রীদের উদ্ভাবনের উৎসবের পর্দা নামল মাগুরায়, জাতীয় পর্যায়ে লড়বে বিজয়ী দল বেনজীরকে দ্রুত ফেরাতে সরকার কাজ করছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিশ্বকাপ উন্মাদনায়ও রুটিন থাকুন নিয়ন্ত্রণে চট্টগ্রামে ২০০ দোকান উচ্ছেদ চিংড়ির ভিন্ন স্বাদে চীনে ক্রায়োজেনিক প্রযুক্তিতে রকেট ট্যাংক ডোমের উৎপাদনে সাফল্য বেঙ্গল কমার্শিয়াল ব্যাংকে চাকরির সুযোগ পাকুন্দিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় প্রবাসীর মৃত্যু দেশে এখনও প্রযুক্তিনির্ভর কমোডিটি মার্কেট গড়ে ওঠেনি: সিইসি এমডি লালপুরে টপ সয়েল কাটায় গ্রেপ্তার ২ হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের ৮০তম জন্মদিন উদযাপন রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার পাঠ থেকে ৪টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর, ২য় পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বাংলা সিরাজগঞ্জ আদালতে আত্মসমর্পণ করলেন এমপি আমির হামজা জনগণের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে বড় পরিবর্তন আসছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে ‘কালো মানিক’ উপহার দেওয়া সেই সোহাগ মৃধা গ্রেপ্তার বৃদ্ধাশ্রম নয়, পরিবারই হোক নিশ্চিত আশ্রয় ইসলামী ব্যাংককে ২৫০০ কোটি টাকা ধার দিল বাংলাদেশ ব্যাংক টেকনাফে রোহিঙ্গা ক্যাম্প সংলগ্ন লবণ মাঠে অভিযান: গ্রেনেড, গুলি ও গাঁজা উদ্ধার আল্লাহর ভালোবাসা পাওয়ার চার শর্ত সাবেক আইজিপি বেনজীর গ্রেপ্তার টেকনাফে আঘাতপ্রাপ্ত মা হাতি লোকালয়ে, উদ্ধারে বন বিভাগের তৎপরতা ঝিনাইদহে দুর্নীতি বিরোধী চিত্রাংকন ও রচনা প্রতিযোগিতা মিরপুরে মাদরাসার সাইনবোর্ড লাগানোর সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে শিক্ষার্থীসহ দগ্ধ ৩ ইংল্যান্ড দলের চুরি যাওয়া সরঞ্জাম উদ্ধার প্রাথমিক শিক্ষক বদলিতে বড় সংস্কার জাপানিজ সমর্থকরা কেন স্টেডিয়াম পরিষ্কার করেন? জামালপুরে মানববন্ধনে শিশুশ্রমকে লাল কার্ড প্রদর্শন ইন্টারনেট সেবাদাতাদের কার্যালয়ে হামলা-দখলের নিন্দা, শাস্তির দাবি আইএসপিএবির
Nagad desktop

তিব্বতে শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত ১২৬

প্রকাশ: ০৮ জানুয়ারি ২০২৫, ০৮:৪৪ এএম
তিব্বতে শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত ১২৬
ভূমিকম্পে ধ্বংসস্তুপে পরিণত তিব্বতের সিগাতসে এলাকা। ছবি: সংগৃহীত

তিব্বতে এভারেস্ট পর্বতের পাশে শক্তিশালী ভূমিকম্পে ১২৬ জন প্রাণ হারিয়েছেন। আহত হয়েছেন ১৮৮ জন। ভূমিকম্পে এক হাজারের বেশি বাড়িঘর বিধ্বস্ত ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পাশের নেপাল, ভুটান, ভারতেও কম্পন অনুভূত হয়েছে।

মঙ্গলবার (৭ জানুয়ারি) বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য দেওয়া হয়েছে।

ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল চীনের প্রত্যন্ত অঞ্চল টিংরি। স্থানীয় সময় সকাল ৯টা ৫ মিনিটে ভূমিকম্প হয়।

চীনের ভূমিকম্প নেটওয়ার্ক কেন্দ্রের দেওয়া তথ্যানুসারে, ভূপৃষ্ঠের ১০ কিলোমিটার গভীরে ভূমিকম্পের উৎপত্তি হয়। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৬ দশমিক ১।

তবে যুক্তরাষ্টের ভূতাত্ত্বিক জরিপ বলছে, ভূমিকম্পটি ৭ দশমিক ১ মাত্রার ছিল।

ইন্ডিয়ান ও ইউরেশিয়ান টেকটোনিক প্লেটের সংঘর্ষে প্রায়ই দক্ষিণ-পশ্চিম চীনের কিছু অংশ, নেপাল ও উত্তর ভারতে ভূমিকম্প হয়। এর আগে ২০১৫ সালে নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে ৭ দশমিক ৮ মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছিল। সে ঘটনায় প্রাণহানি হয়েছিল ৯ হাজার মানুষের। আহত হয়েছিলেন হাজার হাজার। সে সময় মাউন্ট এভারেস্টের বেসক্যাম্পে থাকা ১৮ জন পর্বতারোহীও প্রাণ হারিয়েছিলেন। ভূমিকম্প থেকে তুষারধস হওয়ায় মারা যান তারা।

তবে এবারের ভূমিকম্পে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বেসক্যাম্প থেকে কোনো মৃত্যুর খবর আসেনি। শীতে এমনিতেও নেপালে পর্বতারোহীদের ভিড় কম থাকে। নেপালের পর্যটন মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে, একজন জার্মান পর্বতারোহী ছিলেন বেসক্যাম্পে। তবে তিনি ভূমিকম্পের আগেই ওই এলাকা ছেড়ে গেছেন।

নেপালের দুর্যোগ ঝুঁকি প্রশমন ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (এনডিআরআরএমএ) জানিয়েছে, তিব্বতের সীমান্তবর্তী সাতটি পর্বতাঞ্চলে কম্পন অনুভূত হয়েছে।

এনডিআরআরএমএর মুখপাত্র দিজান ভট্টারাই জানান, ‘আমরা এখন পর্যন্ত কোনো প্রাণ বা সম্পদের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাইনি। আমরা পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করেছি এবং স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করছি।’

এদিকে নেপালের সীমান্তবর্তী অনেক গ্রামই বেশ প্রত্যন্ত ও জনবহুল। সেসব স্থানে শুধু হেঁটে যাওয়া যায়।

ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে ভুটানের রাজধানী থিম্পু এবং ভারতের উত্তরের রাজ্য বিহারেও। ওই দুই দেশ থেকেও কোনো হতাহতের খবর আসেনি।

চীনের স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল তিব্বতে গতকাল ভূমিকম্পকবলিত স্থানগুলোতে উদ্ধার অভিযান শুরু করার নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। টিংরি অঞ্চলের গ্রামগুলো ভূপৃষ্ঠ থেকে ৪-৫ হাজার মিটার উচ্চতায় অবস্থিত। সেখানে দৃঢ় কম্পন অনুভূতি হয়েছে বলে জানা গেছে। পরে ৪ দশমিক ৪ মাত্রার বেশ কয়েকটি আফটারশকও হয়েছে।

সামাজিকমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে বিভিন্ন দোকানের সামনে ও সড়কে ভেঙে পড়া অংশ পড়ে থাকতে দেখা গেছে। চীনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারকারী সিসিটিভিতে তিব্বতের সিগাতসে এলাকার বিধ্বস্ত ঘরবাড়ির চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে উদ্ধার কর্মীরা তাদের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে তীব্র শীতের কারণে তাদের কাজে বিঘ্ন ঘটছে।

গতকাল দিনে তাপমাত্রা ছিল মাইনাস ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে রাতে সেটা নেমে মাইনাস ১৬ ডিগ্রি হতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে। সূত্র: রয়টার্স, বিবিসি, কাঠমান্ডু পোস্ট

হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের ৮০তম জন্মদিন উদযাপন

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ০৩:৫৪ পিএম
আপডেট: ১৪ জুন ২০২৬, ০৪:১০ পিএম
হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের ৮০তম জন্মদিন উদযাপন
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

বিপুল আড়ম্বর, বিতর্ক আর রাজনৈতিক আলোচনার মধ্য দিয়ে হোয়াইট হাউসে নিজের ৮০তম জন্মদিন উদযাপন করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। 

আমেরিকার ইতিহাসে এই প্রথম হোয়াইট হাউসের লনে আয়োজন করা হলো মিক্সড মার্শাল আর্টস বা খাঁচার ভেতরের রক্তক্ষয়ী লড়াইয়ের এক জমকালো প্রদর্শনী। চার হাজারেরও বেশি দর্শকের উপস্থিতিতে এই আয়োজনকে ঘিরে পুরো ওয়াশিংটনে ছিল টানটান উত্তেজনা।

তবে এই উৎসবের পেছনে বড় রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সংকটও আড়াল করা যাচ্ছে না। একদিকে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং উচ্চ মূল্যস্ফীতি নিয়ে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা কমছে। অন্যদিকে মাত্র এক মাইল দূরে আইনি জটিলতায় কেনেডি সেন্টার থেকে ট্রাম্পের নাম মুছে ফেলা হয়েছে। সমালোচকেরা এই আয়োজনকে প্রাচীন রোমের 'রুটি ও সার্কাস' (জনগণের অসন্তোষ ঢাকতে বিনোদনের ব্যবস্থা) নীতির সঙ্গে তুলনা করে একে রাজনৈতিক দিক পরিবর্তনের কৌশল বলে মনে করছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে বয়স্ক প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত ট্রাম্পের শারীরিক ও মানসিক সক্ষমতা নিয়ে সম্প্রতি জনমনে প্রশ্ন উঠলেও, তার চিকিৎসকেরা তাকে সম্পূর্ণ সুস্থ বলে দাবি করেন।

ফ্লাগ ডে এবং যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম স্বাধীনতাবার্ষিকীর অংশ হিসেবে এই উৎসবের দাবি করা হলেও পুরো আয়োজনটি মূলত ট্রাম্পের ব্যক্তিকেন্দ্রিক এবং তার পারিবারিক ক্রিপ্টোকারেন্সি ব্যবসার প্রচারণায় ব্যবহার করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সূত্র: এপি

তামান্না রুপা/

আরাগচির বিরুদ্ধে তেহরানে বিক্ষোভ

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ১২:৩১ পিএম
আপডেট: ১৪ জুন ২০২৬, ০১:০৩ পিএম
আরাগচির বিরুদ্ধে তেহরানে বিক্ষোভ
পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য শান্তিচুক্তির তীব্র বিরোধিতা করে ইরানের রাজধানী তেহরানসহ বিভিন্ন শহরে ব্যাপক বিক্ষোভ করেছে দেশটির কট্টরপন্থি রাজনৈতিক দল ও নেতারা। বিক্ষোভকারীরা ইরানের বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচিকে ‘অনুপ্রবেশকারী’ ও ‘বিশ্বাসঘাতক’ আখ্যা দিয়ে তার পদত্যাগ দাবি করেন।

ইরানের আধাসরকারি সংবাদসংস্থা ফার্স নিউজ জানায়, তেহরান এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শহর মাশহাদে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কার্যালয়ের সামনে জড়ো হয়ে শত শত মানুষ স্লোগান দেন।

কট্টরপন্থীদের আপত্তির মূল কারণ:

হরমুজ প্রণালীতে নিয়ন্ত্রণ হারানোর আশঙ্কা: কট্টরপন্থি নেতাদের দাবি, ওয়াশিংটনের সঙ্গে এই চুক্তি সম্পন্ন হলে কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালীর ওপর তেহরানের একক প্রভাব ও নিয়ন্ত্রণ অনেকটাই কমে যাবে।

গোপন সমঝোতার অভিযোগ: বিক্ষোভকারীদের মতে, চুক্তির খসড়ায় সরকার সাধারণ মানুষের কাছে যতটুকু প্রকাশ করেছে, তার চেয়েও অনেক বেশি বিষয়ে আমেরিকার কাছে আপস করা হয়েছে।

পরমাণু নীতিতে ছাড়: কট্টরপন্থিরা দীর্ঘদিন ধরে ইরানের পরমাণু কর্মসূচি আরও বাড়ানোর পক্ষে সাফাই গেয়ে আসছেন। এমনকি বৈশ্বিক পরমাণু অস্ত্র অসংসারণ চুক্তি থেকে ইরানকে সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করার জন্য তারা চাপ দিচ্ছেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য: বিক্ষোভের মুখে এক টেলিভিশন ভাষণে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেন, হরমুজ প্রণালী ইরানের অন্যতম প্রধান প্রতিরোধ হাতিয়ার হিসেবেই থাকবে। তবে এই চুক্তির ফলে ইরানি বন্দরগুলোর ওপর থাকা মার্কিন নৌ-অবরোধ তুলে নেওয়া হবে, যা দেশের অর্থনীতির জন্য বড় স্বস্তি আনবে।

বিক্ষোভকারীরা স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনির চূড়ান্ত অনুমোদন ছাড়া ওয়াশিংটনের সঙ্গে কোনো চুক্তিই কার্যকর করা যাবে না। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রবিবারই চুক্তি সইয়ের জোরালো দাবি তোলার পর ইরানের অভ্যন্তরে এই কট্টরপন্থিদের বিক্ষোভ চুক্তিটির ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে ধোঁয়াশা তৈরি করল।

তামান্না রুপা/

কেনেডি সেন্টার থেকে অপসারণ করা হলো ট্রাম্পের নাম

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ১২:১৯ পিএম
আপডেট: ১৪ জুন ২০২৬, ১২:২৭ পিএম
কেনেডি সেন্টার থেকে অপসারণ করা হলো ট্রাম্পের নাম
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের আদালতের নির্দেশ মেনে অবশেষে ওয়াশিংটন ডিসির বিখ্যাত কেনেডি সেন্টার থেকে অপসারণ করা হলো প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নাম।

পারফর্মিং আর্টস থিয়েটার কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, আদালতের নির্দেশ পুরোপুরি কার্যকর করা হয়েছে এবং ভবন, ওয়েবসাইটসহ সমস্ত নথিপত্র থেকে ট্রাম্পের নাম সরিয়ে ফেলা হয়েছে।

গত মে মাসের শেষভাগে মার্কিন জেলা আদালতের বিচারক ক্রিস্টোফার কুপার এক রুলে জানান, কংগ্রেসের অনুমোদন ছাড়া এই জাতীয় স্মৃতিসৌধের নাম পরিবর্তন করা সম্পূর্ণ অবৈধ। আদালত ১২ জুনের মধ্যে ট্রাম্পের নামফলক সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেন।

শুক্রবার (১২ জুন) থেকেই ক্রেন ও স্ক্যাফোল্ডিং এনে কাজ শুরু হয়, যা শনিবারের মধ্যে শেষ হয়।

ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই আদেশের ওপর স্থগিতাদেশ চেয়ে আপিল করা হলেও আদালত তা খারিজ করে দেন।

২০২৫ সালে ওয়াশিংটন ডিসির বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তনের অংশ হিসেবে কেনেডি সেন্টারে নিজের নাম যুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। পরবর্তীতে একই বছরের ফেব্রুয়ারিতে তিনি সেন্টারের ট্রাস্টি বোর্ডের কয়েকজন সদস্যকে সরিয়ে নিজেকে চেয়ারম্যান হিসেবে ঘোষণা করেন।

যুক্তরাষ্ট্রের আইন অনুযায়ী, এই সাংস্কৃতিক কেন্দ্রটি সাবেক প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডির স্মৃতির উদ্দেশ্যে উৎসর্গীত হওয়ায় ট্রাম্পের এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে ‘হ্যান্ডস অব দ্য আর্টস’ নামক একটি সংগঠন আইনি লড়াইয়ে নামে এবং শেষ পর্যন্ত আদালতের রায়ে ট্রাম্পের নামফলক সরিয়ে নেওয়া হয়। সূত্র: বিবিসি

তামান্না রুপা/অমিয়/

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তিচুক্তি: সময় নিয়ে দ্বিমত তেহরানের

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ১১:৫৮ এএম
আপডেট: ১৪ জুন ২০২৬, ১২:২২ পিএম
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তিচুক্তি: সময় নিয়ে দ্বিমত তেহরানের
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা হোসেইনি খামেনি

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কয়েক মাস ধরে চলা রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের অবসান এবং বিশ্ব অর্থনীতির অন্যতম প্রধান ধমনী হরমুজ প্রণালী সচল করার লক্ষ্যে রবিবার (১৪ জুন) একটি শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হতে যাচ্ছে বলে দাবি করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে চুক্তি স্বাক্ষরের সুনির্দিষ্ট সময়সীমা নিয়ে কিছুটা ভিন্ন সুর শোনা গেছে ইরানের গলায়।

গতকাল শনিবার নিজের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ‘আগামীকালই (রবিবার) এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হতে যাচ্ছে। আর চুক্তি সম্পন্ন হওয়া মাত্রই হরমুজ প্রণালী সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।’ 

ট্রাম্প আরও ইঙ্গিত দেন, পরিস্থিতি শান্ত হলে উপযুক্ত সময়ে ইরানের ভূগর্ভস্থ ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্র থেকে পারমাণবিক বর্জ্য অপসারণ ও তা ধ্বংস করা হবে।

শান্তি আলোচনার অন্যতম মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফও ট্রাম্পের এই আশাবাদের প্রতিধ্বনি করেছেন। 

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় তিনি বলেন, ‘‘আমরা একটি ঐতিহাসিক শান্তি চুক্তির ইতিহাসের সবচেয়ে কাছাকাছি অবস্থানে রয়েছি। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে চুক্তিটি চূড়ান্ত হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে এবং পাকিস্তান ইতোমধ্যেই এর ‘ইলেকট্রনিক সিগনেচার’ বা ডিজিটাল স্বাক্ষরের প্রস্তুতি নিচ্ছে।’’

তবে চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার ব্যাপারে তেহরান ইতিবাচক হলেও এর নির্দিষ্ট সময় নিয়ে কিছুটা সতর্কতা অবলম্বন করছে। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই ট্রাম্পের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে বলেন, ‘চুক্তি স্বাক্ষরের সমঝোতা স্মারকের সঠিক তারিখের জন্য আমাদের আরও কিছুটা অপেক্ষা করতে হবে। তবে এটি আগামীকালই (রবিবার) ঘটছে না।’

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি অবশ্য শুক্রবারই নিশ্চিত করেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি চুক্তি চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। তার মতে, এই চুক্তির আওতায় লেবাননে ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যকার সংঘাতের অবসান ঘটবে, মার্কিন অবরোধ প্রত্যাহার হবে এবং হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দেওয়া হবে। তবে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা পরবর্তী ধাপে অনুষ্ঠিত হবে।

চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন ও ইসরায়েলি বিমান হামলার পর ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ শুরু হয়। এর প্রতিক্রিয়ায় ইরান হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিলে বিশ্ববাজারে তেল ও গ্যাসের সরবরাহ ব্যাহত হয় এবং বিশ্বব্যাপী মূল্যস্ফীতি দেখা দেয়।

গত এপ্রিল মাসে একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি হলেও চলতি সপ্তাহেও উভয় পক্ষ কয়েক দফা পাল্টাপাল্টি হামলায় লিপ্ত হয়। ফলে রবিবারের এই সম্ভাব্য চুক্তিটি মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি ফেরাতে পারে কি না, সেদিকেই এখন তাকিয়ে আছে গোটা বিশ্ব।

তামান্না রুপা/অমিয়/

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনির দাফন ৯ জুলাই

প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ০৮:৪৫ এএম
আপডেট: ১৪ জুন ২০২৬, ০৯:০৪ এএম
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনির দাফন ৯ জুলাই
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় নিহত ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজা এবং দাফন প্রক্রিয়া জুলাই মাসে অনুষ্ঠিত হবে। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা শনিবার (১৩ জুন) এ খবর জানিয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী ৪ ও ৫ জুলাই তেহরানে একটি বিদায় সংবর্ধনার আয়োজন করা হবে। এরপর ৬ জুলাই তেহরানে এবং ৭ জুলাই কোম শহরে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। ৯ জুলাই মাশহাদ শহরে ইমাম রেজার মাজারে আরেকটি জানাজা অনুষ্ঠানের পর খামেনির মরদেহ সেখানে দাফন করা হবে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আগ্রাসনের শুরুতেই তেহরানে নিজের সরকারি বাসভবনে খামেনি নিহত হন। সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে তার স্থলাভিষিক্ত হন তারই ছেলে আয়াতুল্লাহ মোজতবা আলী খামেনি। তবে বাবার মৃত্যুর পর থেকে তাকে আর জনসমক্ষে দেখা যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে, ওই হামলায় তিনিও আহত হয়েছেন। সূত্র: আল-জাজিরা