সুইডেনের ওরেব্রো অঞ্চলের একটি স্কুলে বন্দুক হামলায় ১১ জন প্রাণ হারিয়েছেন। এ ঘটনায় গুরুত আহত অবস্থায় ছয়জন চিকিৎসাধীন।
মঙ্গলবার (৪ ফেব্রুয়ারি) স্থানীয় সময় দুপুর সাড়ে বারোটার দিকে ঘটনাটি ঘটে। খবরটি নিশ্চিত করেছে বার্তা সংস্থা দ্য গার্ডিয়ান।
এ প্রসঙ্গে স্থানীয় পুলিশপ্রধান রোবার্তো ইদ ফরেস্ট জানান, পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে ‘দুর্বৃত্ত’ মারা গেছেন।
‘এই মুহূর্তে নতুন করে হামলার আশঙ্কা দেখছি না।’, বলেন ফরেস্ট। তবে এই ঘটনার সঙ্গে আরও সন্ত্রাসী জড়িত থাকতে পারে বলে ধারণা তার।
এদিকে আহত ছয়জনের প্রত্যেকেই প্রাপ্তবয়স্ক। সবাই গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। বিষয়টি নিশ্চিত করে ওরেব্রোর ডিরেক্টর অব হেলথ্ সার্ভিসেস জোনাস ক্লেইসন বলেন, ‘আহত একজনের অবস্থা খুব খারাপ।’
এই ঘটনাকে ‘চরম ঘৃণ্য সহিংসতা’ আখ্যায়িত করে সুইডেনের প্রধানমন্ত্রী উল্ফ ক্রিস্টারসন বলেন, ‘দেশের ইতিহাসে এর চেয়ে ভয়ানক বন্দুক হামলা নেই।’ এ সময় জনসাধারণকে আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।
ঘটনার তীব্রতা বর্ণনা করতে গিয়ে প্রত্যক্ষদর্শী শিক্ষিকা লিনা ওয়েরেনমার্ক জানান, অন্তত ১০টি গুলি চালায় দুর্বৃত্ত। অপরাধী শ্রেণিকক্ষে ঢুকে চিৎকার করে সবাইকে বেরিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিলে শিক্ষার্থীদের নিয়ে নিরাপদে সরে যান আরেক শিক্ষিকা মারিয়া পেগাডো। ভীত-সন্ত্রস্ত মারিয়া বলেন, ‘যখন দেখলাম একটার পর একটা মরদেহ বের করে আনা হচ্ছে, তখন বুঝলাম অবস্থা খুব ভয়ংকর।’
মঙ্গলবারের এই ঘটনা সুইডেনের ইতিহাসের ভয়ংকরতম বন্দুক হামলা। ঘটনা তদন্তে পুলিশ অভিযান শুরু করেছে বলে জানা গেছে। সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান
নাইমুর/