বন্দি বিনিময় নিয়ে হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান দ্বন্দ্ব নিরসনে মিসরের রাজধানী কায়রোতে একটি বৈঠিক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে দুপক্ষ বিদ্যমান মতভেদ সরিয়ে জিম্মিদের মুক্তি দেওয়ার বিষয়ে সম্মত হয়েছে বলে জানা গেছে।
মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সমঝোতার বিষয়টি ঘোষণা করেছে ফিলিস্তিনভিত্তিক সশস্ত্র সংগঠন হামাস।
হামাসের শীর্ষ নেতা খলিল আল-হায়ার নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল মিসরের মধ্যস্থতাকারী দলের সঙ্গে আলোচনা করেন। এই বৈঠকে যুদ্ধবিরতির অধীনে দুপক্ষের বন্দিদের মুক্তি আটকে দেওয়া প্রত্যাহারের বিষয়ে আলোচনা হয়। এ সময় যুদ্ধবিরতিতে উল্লেখ আইনের যথাযথ বাস্তবায়নে গুরুত্বারোপ করে হামাসের প্রতিনিধিদল।
প্রথম দফার যুদ্ধবিরতির অধীনেই দুপক্ষের বন্দিদের মুক্ত করা হবে বলেও জানান তারা।
দুপক্ষের সম্মতির বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ইসরায়েলও। তেল আবিব প্রশাসনের এক কর্মকর্তা স্থানীয় সংবাদ মাধ্যম চ্যানেল-১৩-কে বলেন, ‘মিসরের মধ্যস্থতায় বন্দি বিনিময়ে স্থিতাবস্থা নিরসনে দুপক্ষ রাজি হয়েছে। শীঘ্রই পুনরায় বন্দি বিনিময় শুরু হবে।’
তিনি জানান, শেষ মুহুর্তে কিছু পরিবর্তন না হলে হামাসের কাছে বন্দি চার ইসরায়েলি জিম্মি বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) নাগাদ ঘরে ফিরে আসবেন। অন্যদিকে ইসরায়েলের কব্জায় থাকা ফিলিস্তিনিদের কয়েক ধাপে মুক্তি দেওয়া হবে।
প্রথম ধাপের যুদ্ধবিরতির অধীনে হামাস ইতোমধ্যেই ২৫জন ইসরায়েলি জিম্মি মুক্ত করেছে। এ ছাড়া ফিরিয়ে দিয়েছে চার জিম্মির মরদেহ। অন্যদিকে হামাস নিজেদের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করলেও ৬২০ ফিলিস্তিনি বন্দির মুক্তি আটকে দিয়েছে ইসরায়েল।
এর আগে হামাস যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে দাবি করে বন্দি বিনিময় স্থগিতের নির্দেশ দেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তবে ইসরায়েলের অভিযোগ প্রত্যাখান করে হামাস। সূত্র: আনাদোলু অ্যাজেন্সি।
নাইমুর/