ইরানের পারমানবিক তৎপরতা ঠেকাতে প্রয়োজনে সামরিক অভিযান পরিচালনার ঘোষণা দিয়েছে ইসরায়েল। ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদেওন সার এক সাক্ষাতকারে পরিস্থিতির তীব্রতা স্পষ্ট করে বলেন, ‘ইরান পারমানবিক বোমা তৈরির আগেই সামরিক অভিযান চালানো হতে পারে।’ তার শঙ্কা, বেশ কয়েকটি বোমা তৈরির মত পর্যাপ্ত কাঁচামাল ইরানের মজুদাগারে রয়েছে।
বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) ব্রাসেলসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন ইসরায়েলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সহায়তায় ইরানের পারমাণবিক তৎপরতা প্রতিহত করার প্রতিজ্ঞা করেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।
এদিকে কূটনৈতিক সমাধানের দিকে ঝুঁকলেও প্রয়োজনে সামরিক অভিযানের সম্ভাবনা পুরোপুরি উড়িয়ে দেননি ট্রাম্প। মার্কিন ন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যাডভাইজার মাইক ওয়াল্টজের কণ্ঠেও একই সুর লক্ষ্য করা যায়।
এদিকে ইসরায়েলি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দাবি, জর্ডান হয়ে ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরে হামাসকে অস্ত্র দিচ্ছে ইরান। মধ্যপ্রাচ্যে ‘আগুন লাগানোর উদ্দেশে’ ইরান অস্ত্র পাচার করছে বলে মত তার।
এর আগে গেল বছর অক্টোবরে ইরানের বেশ কয়েকটি সামরিক ঘাঁটিতে ইসরায়েলের হামলার পর তেহরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনে নাটকীয় নিম্নগতি দেখা গেছে। আক্রমণের পর দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থায়ও ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে।
চলমান কূটনৈতিক দ্বন্দ্বে ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েল আদৌ সামরিক পদক্ষেপ নেবে কি না তা সময়ই বলে দেবে। সূত্র: দ্য পলিটিকো।
নাইমুর/