তুরস্কের ‘অস্থিতিশীলতা’ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র উদ্বিগ্ন বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও।
বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) তিনি এ উদ্বিগ্নের কথা প্রকাশ করেন।
তুরস্কের সরকার বিক্ষোভ দমনে যখন কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে, তখন রুবিও এই উদ্বেগের কথা প্রকাশ করেন। পাশাপাশি তিনি বলেন, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ানের সঙ্গে কাজ করতে চায় ওয়াশিংটন।
মায়ামি থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানায়। রুবিও বলেছেন, ‘আমরা নজর রাখছি। আমরা বিক্ষোভ দমনে উদ্বেগ প্রকাশ করেছি।’
সুরিনাম থেকে মায়ামি যাওয়ার পথে রুবিও সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা ঘনিষ্ঠ মিত্র দেশগুলোর শাসনব্যবস্থায় এমন অস্থিতিশীলতা দেখতে চাই না।’ রুবিও আরও বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে প্রথম মেয়াদে এরদোয়ানের খুব ভালো কর্মমুখর সম্পর্ক ছিল। আশা করি তারা এটি পুনরায় চালু করতে চাইবেন।’
রুবিও আরও বলেন, ‘তারা ন্যাটোর মিত্র। আমরা তাদের (তুরস্ককে) সিরিয়া এবং অন্যান্য স্থানে সহযোগিতা করতে চাই।’
রুবিও গত মঙ্গলবার ওয়াশিংটনে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় পরে এক বিবৃতিতে জানায়, ইস্তাম্বুলের মেয়রের গ্রেপ্তারের পর শুরু হওয়া বিক্ষোভ যেভাবে সামলানো হয়েছে, তা নিয়ে রুবিও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। যদিও তুরস্ক ঘটনাটিকে গুরুত্বের সঙ্গে নেয়নি।
রুবিও সাংবাদিকদেরও নিশ্চিত করেছেন, ফিদানের সঙ্গে সাক্ষাতে ওই বিষয়ে নিজ উদ্বেগ তুলে ধরেছেন তিনি।
রুবিও জানান, এরদোয়ানের শীর্ষ প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে বিবেচিত মেয়র একরেম ইমামোগলুর গ্রেপ্তারের বিষয়ে তুর্কি সরকার পক্ষের বক্তব্য শুনেছেন তিনি।
তবে বিবিসির এক সংবাদদাতাকে বহিষ্কার এবং এক এএফপি প্রতিবেদককে গ্রেপ্তারসহ আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের ওপর দমন-পীড়ন সম্পর্কে প্রশ্নের সরাসরি উত্তর দেননি রুবিও। তিনি বলেন, এখনো বিস্তারিত তথ্য জানা নেই। সূত্র: এএফপি