গাজায় ইসরায়েলি আক্রমণে অন্তত ৪০ জন মারা গেছেন। শনিবার (২৬ এপ্রিল) এই হতাহতের ঘটনা ঘটে। সেখানকার চিকিৎসাকর্মীরা তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।
গাজা উপত্যকাজুড়েই হামলা হয়েছে। তবে বেশির ভাগই মারা গেছেন গাজা সিটিতে হওয়া হামলায়। সেখানে ইসরায়েলি হামলায় ভবনও ধসে পড়েছে এবং ধ্বংসস্তূপের নিচে ৩০ জন আটকা পড়েছেন। রসদস্বল্পতায় তাদের উদ্ধারে হিমশিম খেতে হয় উদ্ধারকারীদের।
ইসরায়েলি হামলায় গাজা উপত্যকায় ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে ৫১ হাজার ৪৩৯ জন মারা গেছেন। আহত হয়েছেন ১ লাখ ১৭ হাজার ৪১৬ জন।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী শুধু গাজায় নয়, পশ্চিম তীরেও অভিযান চালাচ্ছে। অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমের আনাতা শহরের কাছে অভিযান চালিয়েছে তারা। সেখান থেকে এক ফিলিস্তিনি ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। প্যালেস্টিনিয়ান ইনফরমেশন সেন্টারের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে তথ্যটি।
এ ছাড়াও নাবলুসের বালাতা শরণার্থী শিবিরে অভিযান পরিচালনা করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। সেখান থেকেও এক ফিলিস্তিনিকে গ্রেপ্তার করেছে তারা।
হামাসের একজন কর্মকর্তা শনিবার জানিয়েছেন, হামাস গাজা যুদ্ধের অবসানের জন্য একটি চুক্তির চেষ্টা করছে। চুক্তিটিতে বাকি সকল জিম্মিদের একসঙ্গে মুক্তি ও পাঁচ বছরের যুদ্ধবিরতি অন্তর্ভূক্ত রয়েছে।
হুতিদের হামলা
ইয়েমেন থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকিয়ে দিয়েছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। শনিবার প্রথমভাগে হুতিরা ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে। ওই সময় ইসরায়েলে বেজে উঠে সতর্কতা সংকেত।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী সতর্ক সংকেত বেজে উঠার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। হুতিরা সাম্প্রতিক সময়ে হামলা বৃদ্ধির হুমকি দিয়েছে। ইসরায়েলেও মাঝে মধ্যেই হামলা চালাচ্ছে তারা। গাজার যুদ্ধে গাজাবাসীর প্রতি সংহতি জানিয়েছে গোষ্ঠীটি।
মার্চের মাঝামাঝি সময়ে গোষ্ঠীটিকে লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্র ব্যাপক হামলা চালিয়েছে। সে সময় ওয়াশিংটন জানায়, লোহিত সাগরে জাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রে ঝুঁকি তৈরি করছে হুতিরা। সেটিরই জবাবে হামলা চালিয়েছে তারা।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর গাজার যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে লোহিত সাগরে চলাচলরত জাহাজ লক্ষ্য করে হুতিরা ১০০ বারেরও বেশি হামলা চালিয়েছে।সূত্র: আল-জাজিরা,রয়টার্স