দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া সফরের অংশ হিসেবে সস্ত্রীক ভিয়েতনামে গেছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। সেখানেই ঘটেছে এই ঘটনা, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
ভিডিওতে দেখাতে গেছে, বিমানের দরজা খুলে গেল। হাসিমুখে দরজার সামনে এসে দাঁড়ালেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। নামার আগে পাশের দিকে হাত বাড়িয়ে দিলেন। কিন্তু আচমকাই বিমানের দরজার আড়াল থেকে লাল পোশাক পরিহিত হাত ধেয়ে এল তার মুখ লক্ষ্য করে। আকস্মিক এই কাণ্ডে ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে যান ম্যাক্রোঁ! পর মুহূর্তে স্ত্রীর সঙ্গে নেমে আসেন বিমান থেকে।
উল্লেখ্য, প্রেসিডেন্ট-পত্নীর পরণে তখন ছিল লাল পোশাক। কয়েক সেকেন্ডের এই ভিডিও ঝড় তুলেছে নেট দুনিয়ায়। তা চলছে হাসিঠাট্টাও। প্রশ্ন উঠেছে, তবে কি স্ত্রীর হাতে থাপ্পড় খেলেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট?
রবিবার (২৫ মে) থেকেই দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া সফর শুরু করেছেন ম্যাক্রোঁ। সঙ্গে রয়েছেন তার স্ত্রী ব্রিজিতও। সন্ধ্যায় তার বিমান ভিয়েতনামের হ্যানয়ে অবতরণ করার পরের মুহূর্ত ক্যামেরাবন্দি হতেই শোরগোল পড়ে যায়। ফরাসি প্রেসিডেন্ট দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া সফর নিয়ে যত না আলোচনা, তার থেকেও বেশি ‘স্পটলাইট’ কাড়ল ম্যাক্রোঁর এই ভিডিও। এই ভিডিও রয়টার্স, টেলিগ্রাফসহ পশ্চিমা সকল সংবাদ মাধ্যমে প্রচার করা হয়েছে।
ভিডিওর শেষে দেখা যায়, ম্যাক্রোঁ হতভম্ব ভাব কাটিয়ে নেমে আসেন বিমান থেকে। সঙ্গে ছিলেন স্ত্রীও। তার দিকে হাত বাড়িয়ে দেন প্রেসিডেন্ট। কিন্তু সেই হাত ধরতে চাননি ব্রিজিত। তবে কি দম্পতির মধ্যে ‘ঝগড়া’ চলছে?
ম্যাক্রোঁর এক ঘনিষ্ঠ ফরাসি সংবাদমাধ্যম ‘বিএফএমটিভি’কে জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্টের দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া শুরুর আগে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ‘ঝগড়া’ হয়েছিল। তবে তা ছিল নিতান্তই ‘দাম্পত্য কলহ’। তার জেরেই হ্যানয় বিমানবন্দরে ওই কাণ্ড ঘটেছে বলে দাবি তার।
ভিডিও দেখতে এই লিংকে ক্লিক করুন https://www.facebook.com/share/r/1FjKgtjL4T/
উল্লেখ্য, ফ্রান্সের প্রেডিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর চেয়ে তার স্ত্রী ২৫ বছরের বয়সে বড়। বর্তমানে তার স্ত্রীর বয়স ৭২ যেখানে ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁর বয়স ৪৭। তার স্ত্রী তার স্কুলের শিক্ষক ছিলেন। তারা দু’জন প্রথমে ভালোবাসার সম্পর্কে জড়ান তারপর বিয়ে করেন। সূত্র: দ্য টেলিগ্রাফ