ভারতের হায়দরাবাদে চার বাংলাদেশি কিশোরীকে উদ্ধার করেছে স্থানীয় পুলিশ। যাদের অবৈধভাবে বাংলাদেশ সীমান্ত পাড়ি দিয়ে ভারতে এনে পতিতাবৃত্তিতে বাধ্য করা হয়।
সোমবার (১৮ আগস্ট) ভারতীয় গণমাধ্যম তেলেঙ্গানা টুডের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, একের পর এক নারী ও কিশোরী উদ্ধারের ঘটনায় সংঘবদ্ধ মানবপাচারকারী চক্রের খোঁজ পাচ্ছে স্থানীয় পুলিশ। এই চক্রের সদস্যরা ভারতের কয়েকটি এলাকার পতিতালয়ের সঙ্গে জড়িত। দরিদ্র পরিবারের অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে তারা নারী ও কিশোরীকে ভারতে পাচার করে থাকে।
তেলেঙ্গানা টুডে জানায়, হায়দ্রাবাদ পুলিশ বাংলাদেশ থেকে পাচার হয়ে পতিতাবৃত্তিতে বাধ্য হওয়া এক কিশোরীকে উদ্ধার করার পর, আবারও বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে পরিচালিত আন্তর্জাতিক মানব পাচারকারী সিন্ডিকেটগুলোর বিরুদ্ধে নড়েচড়ে বসেছে।
এটি এই শহরের চতুর্থ ঘটনা যেখানে খয়রাতাবাদ, চাদেরঘাট এবং বন্ধলাগুড়ায় পরিচালিত পতিতালয় থেকে বাংলাদেশি মহিলাদের উদ্ধার করা হয়েছে।
শহরের পতিতালয় থেকে বাংলাদেশি নারীদের উদ্ধার নতুন কিছু নয়। ২০০০ সালের গোড়ার দিক থেকে, পুলিশ সুসংগঠিত মাফিয়াদের পরিচালিত পতিতালয়ে আটকে পড়া নারীদের উদ্ধার করে আসছে। আয়োজকরা উজবেকিস্তান, রাশিয়া, ইউক্রেন, শ্রীলঙ্কা, নেপাল এবং বাংলাদেশ থেকে নারীদের নিয়ে আসছে।
একজন আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তা বলেন, ‘বাংলাদেশের ক্ষেত্রে, নারীরা স্থল বা সমুদ্রপথে সীমান্ত এজেন্টদের সহায়তায় অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করে। ভারত এবং বাংলাদেশে সংগঠকদের নেটওয়ার্ক খুবই শক্তিশালী, এবং তারা দালাল এবং অন্যান্যদের অর্থ প্রদানের ব্যবস্থা করে।’
নারীদের আনার আগে চাকরির প্রস্তাব এবং ভালো বেতনের প্রলোভন দেখানো হয়। জড়িতরা মূলত আত্তাপুর, বান্দলাগুড়া, চিন্তালমেট, হিমায়তসাগর রোড ও চাম্পাপেট এলাকা থেকে কার্যক্রম পরিচালনা করে।
সুলতানা দিনা/