থাইল্যান্ডের সাংবিধানিক আদালত শুক্রবার (২৯ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্ন সিনাওয়াত্রাকে ক্ষমতা থেকে অপসারণের বিষয়ে রায় দিতে যাচ্ছে। এর আগে একটি ফোনালাপ ফাঁসের ঘটনাকে কেন্দ্র করে তিনি সাময়িক বরখাস্ত হন।
আদালত তার বিরুদ্ধে রায় দিলে এটি সিনাওয়াত্রা পরিবার তথা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এই দেশটির জন্য একটি বড় ধাক্কা হবে। এতে করে নতুন করে রাজনৈতিক সংকটে পড়বে দেশটি। রয়টার্সের খবর।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, সিনাওয়াত্রার বিরুদ্ধে অভিযোগ তিনি কম্বোডিয়ার সাবেক নেতা হুন সেনের সঙ্গে একটি ফোনালাপে একজন জ্যেষ্ঠ থাই সামরিক কমান্ডারের সমালোচনা করে নৈতিক অসদাচরণ করেছেন।
এই ফোনালাপ ফাঁস হওয়ার পরই তার অপসারণ চেয়ে আদালতে একটি পিটিশন দাখিল করা হয়। যদি আদালত সিনাওয়াত্রাকে ক্ষমতাচ্যুত করেন, তাহলে ২০০৮ সাল থেকে তিনি হবেন থাইল্যান্ডের পঞ্চম প্রধানমন্ত্রী যাকে বিচার বিভাগের রায়ে ক্ষমতা হারাতে হয়েছে।
সমালোচকরা বলে থাকেন, থাইল্যান্ডের বিচার বিভাগ মূলত রাজতন্ত্র ও সামরিক বাহিনীর স্বার্থ রক্ষা করে।
পেতংতার্ন সিনাওয়াত্রার অপসারণের বিষয়টি তার পিতা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রার ভাগ্যকেও প্রভাবিত করতে পারে। থাকসিন সম্প্রতি রাজতন্ত্রের অবমাননার অভিযোগ থেকে মুক্তি পেলেও, তার বিরুদ্ধে আরও একটি মামলা চলমান আছে। এই মামলায় তাকে আবার কারাগারে যেতে হতে পারে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, পেতংতার্ন সিনাওয়াত্রার এই ঘটনা এবং তার নেতৃত্বাধীন ফু থাই পার্টির অর্থনৈতিক প্রতিশ্রুতি পূরণে ব্যর্থতা পরিবারটির রাজনৈতিক গ্রহণযোগ্যতাকে ঝুঁকিতে ফেলেছে।
সুলতানা দিনা/