গাজাকে ভিত্তি থেকে পুনর্নির্মাণ করা প্রায় অকল্পনীয় একটি কাজ, কিন্তু ফিলিস্তিনিরা যারা তাদের জীবনে ফিরে যেতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ, তাদের জন্য সময় নষ্ট করার কোনো সুযোগ নেই। তারা বুলডোজার দিয়ে ইতোমধ্যেই ধ্বংসস্তূপ পরিষ্কার করছে, যাতে ফিরে আসা মানুষদের তাদের অবশিষ্ট ঘরবাড়িতে পৌঁছানোর পথ তৈরি করা যায়।
বুলডোজার অপারেটর আলী আল-আত্তার বলেন, গাজায় তিনি যে পরিমাণ ধ্বংসযজ্ঞ দেখছেন তা ‘সত্যিই বোধগম্যতার বাইরে’।
তিনি বলেন, ‘কেবল রাস্তা খুলে দিলেই কমপক্ষে এক মাস সময় লাগবে, যাতে মানুষ এলাকায় যেতে পারে। বুলডোজারগুলোর অবস্থা খারাপ। আমি যেটা ব্যবহার করছি তাতে তেল লিক হচ্ছে এবং বড় ধরনের মেরামতের প্রয়োজন। সত্যি বলতে, আমাদের কাছে যে বুলডোজার আছে তার ২০ গুণ বেশি প্রয়োজন।’
গাজা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জাতিসংঘের সবশেষ আকাশচিত্রে দেখা গেছে - শুধুমাত্র গাজা শহরেই প্রায় ৪১ হাজার আবাসন ধ্বংস হয়ে গেছে। এর ফলে ৮০ লাখ ঘনমিটারেরও বেশি ধ্বংসস্তূপ তৈরি হয়েছে।
উত্তর গাজার ধ্বংসাবশেষে ফিরে এসেছে মানুষ
হাজার হাজার ফিলিস্তিনি উত্তর গাজায় তাদের বাড়িতে ফিরে যাচ্ছেন, কিন্তু ইসরায়েলের তীব্র বোমাবর্ষণের ফলে বেশিরভাগই কেবল ধ্বংসস্তূপ এবং ধ্বংসপ্রাপ্ত এলাকা খুঁজে পেয়েছেন।
গাজার ফিলিস্তিনি সিভিল ডিফেন্স জানিয়েছে যে গত ১০ অক্টোবর সকাল থেকে ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতি বহাল থাকায় পুরো অঞ্চল জুড়ে কমপক্ষে ১৫০টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
যুদ্ধবিরতি চুক্তির অংশ হিসেবে মুক্তির আগে ইসরায়েল ফিলিস্তিনি বন্দীদের দুটি কারাগারে স্থানান্তর শুরু করেছে, যার ফলে গাজায় আটক ইসরায়েলি বন্দীদেরও মুক্তি দেওয়া হবে। - আল জাজিরা
অমিয়/