ইয়েমেনে বিমান হামলা চালিয়েছে সৌদি আরব। হামলার লক্ষ্যবস্তু ছিল দেশটির দক্ষিণাঞ্চলের বিচ্ছিন্নতাবাদীরা। হামলার দায় এরই মধ্যে সৌদি আরবের ওপর চাপিয়েছে তারা।
হামলার এক দিন আগে ইয়েমেনের বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সাম্প্রতিক সময়ে দখল করা এলাকা ছেড়ে যেতে বলে সৌদি আরব। তারা সে আহ্বানে সাড়া দেয়নি। পরে সৌদি আরবের বিমান দিয়ে সেসব এলাকায় হামলা চালানো হয়। বর্তমানে ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের প্রধান সমর্থক দেশ সৌদি আরব।
এই হামলার কারণে ইয়েমেনে নতুন করে উত্তেজনা দেখা দেওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। হামলার পর তাৎক্ষণিক হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। ইয়েমেন এর আগে দীর্ঘ সময় অশান্ত ছিল। সেখানে এক দশকেরও বেশি সময় ধরে চলা সংঘাতে ইরান, সৌদি আরবসহ আঞ্চলিক বিভিন্ন শক্তি জড়িত ছিল।
ইয়েমেনের সরকার বিভিন্ন গোষ্ঠীর সমন্বয়ে গঠিত। বিচ্ছিন্নতাবাদীরাও সে সরকারের একটি অংশ।
বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সংবাদমাধ্যম অ্যাডেন ইনডিপেনডেন্ট জানিয়েছে, হাদরামাউতের ওয়াদি নাহবে হাদরামি এলিট ফোর্সেসের অবস্থানে সৌদি বিমান হামলা চালায়। এ ছাড়া আমিরাত-সমর্থিত সাউদার্ন ট্রানজিশনাল কাউন্সিল (এসটিসি) জানিয়েছে, ওই এলাকায় দুটি বিমান হামলা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, চলতি মাসের শুরুর দিকে হাদরামাউত ও মাহরা প্রদেশ দখল করে নেয় বিচ্ছিন্নতাবাদীরা। এরপর থেকেই সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত ওই এলাকায় শান্তি ও নিরাপত্তা জোরদারের চেষ্টা চালিয়ে আসছে।
এসটিসির অগ্রযাত্রা আঞ্চলিক উত্তেজনা এবং বিভাজনের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে বলে সতর্ক করেছেন জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস। যুদ্ধ আবার শুরু হলে তা আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তার ওপর গুরুতর প্রভাব ফেলতে পারে বলেও উল্লেখ করেছেন তিনি। সূত্র: এএফপি।