ঢাকা ৯ আষাঢ় ১৪৩৩, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
নতুন ও প্রথম আয়কর রিটার্ন  দাখিলকারীর প্রতি পরামর্শ সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় জিএম কাদেরের নিন্দা ও উদ্বেগ অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ডব্লিউইএফ প্রেসিডেন্টের সাক্ষাৎ ওয়ান ব্যাংক থেকে নগদে তাৎক্ষণিক টাকা পাঠানোর সেবা চালু Wisdom of King Soloman বিষয়ক Story Writing নিয়ে আলোচনা, ২য় পর্ব, এইচএসসির ইংরেজি ১ম পত্র শুধু সাফল্য নয়, অনিয়মও তুলে ধরুন—সাংবাদিকদের প্রাণীসম্পদ মন্ত্রী উন্নত স্বাস্থ্যসেবা ও বিশেষ সুবিধা নিশ্চিতে মাস্টারকার্ড ও অ্যাসেন্ট হেলথ লিমিটেডের অংশীদারিত্ব ক্যালিফোর্নিয়ার আকাশে বাংলাদেশের রং নায়িকা ববি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে বললেন বাশার তার স্বামী নন ইউল্যাবে জেন্ডার সমতা, সামাজিক ন্যায়বিচার বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত পানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে এশিয়ার দেশগুলোর সম্মিলিত উদ্যোগের তাগিদ স্পিকারের সাহিত্যের খেলা প্রবন্ধর ৪০টি জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, এইচএসসির বাংলা ১ম পত্র প্রাইভেট ব্যাংকে চাকরির সুযোগ সিয়াটলে যাওয়ার অনুমতি পেল না মিশর ডিবি পরিচয়ে ব্যবসায়ীর বাড়িতে তাণ্ডব, আসবাবপত্র ভাঙচুরের পর লুটপাট জর্ডান ম্যাচে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত স্কালোনির লক্ষ্মীপুরে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে যুবদলের বিক্ষোভ পোড়া ক্ষত সারাতে তেলাপিয়া মাছের চামড়া, চিকিৎসাবিজ্ঞানে নতুন সম্ভাবনা দাউদকান্দি পৌরসভার ৪৩ কোটি টাকার উন্মুক্ত বাজেট ঘোষণা ব্র্যাকের প্রশিক্ষণ শেষে নারীরা পেলেন পেশাদার চালকের সনদ সিএনজি সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য: জিম্মি যাত্রীরা বিপৎসীমার ওপরে তিস্তার পানি, নিম্নাঞ্চলে বন্যার আশঙ্কা সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী অসামান্য গদ্যশৈলীর রূপকার টেকনাফে যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে আহত ১০ মুক্তমঞ্চে খেলা দেখা নিয়ে শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ রোবোটিক্স প্রতিযোগিতায় চ‍্যাম্পিয়ন লিডিং ইউনিভার্সিটি দল আখাউড়ায় ‘পার্টনার কংগ্রেস’ গোল্ডেন বুট নিয়ে ভাবছেন না কিলিয়ান এমবাপ্পে সাবেক ভূমিমন্ত্রীসহ ৩৬ আসামির মামলায় আরও ৭ সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ অস্তিত্ব সংকটে মমতার তৃণমূল

যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ানকে অস্ত্র দেওয়ার প্রতিক্রিয়ায় বিশাল সামরিক মহড়া শুরু করল চীন

প্রকাশ: ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৭:৩৩ পিএম
আপডেট: ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৭:৩৪ পিএম
যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ানকে অস্ত্র দেওয়ার প্রতিক্রিয়ায় বিশাল সামরিক মহড়া শুরু করল চীন

যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তাইওয়ানকে বিশাল অংকের অস্ত্র দেওয়ার প্রতিক্রিয়ায় তাইওয়ানকে ঘিরে সরাসরি গোলাবর্ষণসহ ব্যাপক সামরিক মহড়া শুরু করেছে চীন। বিমানবাহিনী, নৌবাহিনী ও রকেট বাহিনী মোতায়েন করে এই যুদ্ধাভ্যাস চালানো হচ্ছে। চীনের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, এসব মহড়ার লক্ষ্য যুদ্ধ প্রস্তুতি যাচাই করা এবং ‘বিচ্ছিন্নতাবাদী’ ও ‘বহিরাগত হস্তক্ষেপকারী শক্তির’ বিরুদ্ধে একটি “কঠোর সতর্কবার্তা” দেওয়া।

সোমবার তাইওয়ানের কর্মকর্তারা এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, অন্তত ১৪টি চীনা নৌযান, ১৪টি কোস্টগার্ড জাহাজ এবং ৮৯টি যুদ্ধবিমান শনাক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে ৬৭টি বিমান তাইওয়ানের প্রতিক্রিয়া অঞ্চলে প্রবেশ করে।

এই মহড়ার জেরে সম্ভাব্য হামলা প্রতিহত করার অনুশীলনে সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম প্রস্তুত করে তাইওয়ান। একই সঙ্গে বাণিজ্যিক বিমান চলাচলের পথ পরিবর্তন করতে বাধ্য হয় কর্তৃপক্ষ।

তাইওয়ানের পরিবহন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক নির্ধারিত ফ্লাইটের এক লাখের বেশি যাত্রী এবং প্রায় ৬ হাজার অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটযাত্রী এসব রুট পরিবর্তনের কারণে প্রভাবিত হতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, তাইওয়ানের বন্দরে যাতায়াতকারী বাণিজ্যিক জাহাজে বড় ধরনের প্রভাব পড়ার আশঙ্কা নেই। তবে চীনের নির্ধারিত মহড়া এলাকা এড়িয়ে চলতে জাহাজগুলোকে সতর্ক করা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তাইওয়ানের কাছে ১১ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রির সিদ্ধান্ত এবং জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির বক্তব্য ঘিরে ক্ষোভের মধ্যেই বেইজিং এই মহড়া শুরু করে। সানায়ে তাকাইচি বলেছিলেন, চীন তাইওয়ানে হামলা চালালে জাপানের সামরিক বাহিনী জড়াতে পারে

চীন তাইওয়ানকে নিজের ভূখণ্ডের অংশ বলে দাবি করে এবং প্রয়োজনে শক্তি প্রয়োগ করে দ্বীপটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার অঙ্গীকার করেছে।

সোমবার নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লিন জিয়ান বলেন, “চীনের পুনরায় একত্রীকরণে বাধা দেওয়ার যেকোনো ষড়যন্ত্র ব্যর্থ হতে বাধ্য।”

তিনি আরও বলেন, “তাইওয়ানকে ব্যবহার করে চীনকে দমনে বাইরের শক্তিগুলোর চেষ্টা এবং তাইওয়ানকে অস্ত্র সরবরাহ শুধু স্বাধীনতাপন্থীদের ঔদ্ধত্য বাড়াবে এবং তাইওয়ান প্রণালিকে আসন্ন যুদ্ধের এক বিপজ্জনক অবস্থার দিকে ঠেলে দেবে।”

লিন অভিযোগ করেন, তাইওয়ানের স্বাধীনতাপন্থীরা দ্বীপটিকে একটি “বারুদের স্তূপে” পরিণত করতে প্রস্তুত, যা তাদের “হিংস্র স্বভাব” প্রকাশ করে।

এর আগে চীনা সেনাবাহিনীর ইস্টার্ন থিয়েটার কমান্ড জানায়, তারা তাইওয়ান প্রণালির উত্তর ও দক্ষিণ-পশ্চিম অংশে সেনা সমাবেশ করেছে এবং স্থল ও সমুদ্র লক্ষ্যবস্তুতে সরাসরি গোলাবর্ষণ ও অনুকরণমূলক হামলা চালিয়েছে।

‘জাস্ট মিশন ২০২৫’ নামের এই মহড়া আগামীকাল মঙ্গলবারও চলবে এবং এর মধ্যে থাকবে তাইওয়ানের প্রধান বন্দরগুলো অবরোধ ও দ্বীপটিকে চারদিক থেকে ঘিরে ফেলার অনুশীলন।

ইস্টার্ন থিয়েটার কমান্ডের মুখপাত্র শি ই চীনের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ওয়েইবোতে লেখেন, এই মহড়া তাইওয়ানের ‘স্বাধীনতাপন্থী বিচ্ছিন্নতাবাদী শক্তি’ ও বাইরের হস্তক্ষেপকারীদের জন্য একটি গুরুতর সতর্কবার্তা।

তাইওয়ারকে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানের সাম্প্রতিক পদক্ষেপগুলোকে চীন ‘উসকানি’ হিসেবে দেখছে।

চীনা কর্মকর্তারা বহুবার সতর্ক করেছেন যে, তাইওয়ান পুনর্দখলের চেষ্টায় যেকোনো হস্তক্ষেপ চীনের ‘লাল রেখা’ অতিক্রম করবে।

ষষ্ঠ বড় দফার মহড়া

তাইওয়ানের সরকার ও সাধারণ মানুষ এই মহড়ার নিন্দা জানিয়েছে।

প্রেসিডেন্ট কার্যালয়ের এক মুখপাত্র চীনকে পরিস্থিতি ভুলভাবে না বোঝার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এ ধরনের দায়িত্বজ্ঞানহীন উসকানি আঞ্চলিক শান্তি নষ্ট করতে পারে। তিনি বেইজিংকে অবিলম্বে এসব কর্মকাণ্ড বন্ধ করার আহ্বান জানান।

পরিবহনমন্ত্রী চেন শিহ-কাই সাংবাদিকদের বলেন, “আমরা তাদের উদ্ধত ও অযৌক্তিক কর্মকাণ্ডের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাই, যা অনিবার্যভাবে আমাদের আকাশ ও সমুদ্র পরিবহনের নিরাপত্তাকে প্রভাবিত করবে।”

তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় দুইটি চীনা সামরিক বিমান ও ১১টি জাহাজ দ্বীপটির আশপাশে তৎপর ছিল। তাইওয়ানের সেনাবাহিনী সর্বোচ্চ সতর্কতায় রয়েছে এবং ‘দ্রুত প্রতিক্রিয়া মহড়া’ চালাতে প্রস্তুত।

এই মহড়ার উদ্দেশ্য হলো চীন যদি হঠাৎ নিয়মিত মহড়ার আড়ালে বাস্তব হামলা চালায়, সে ক্ষেত্রে দ্রুত সেনা মোতায়েন নিশ্চিত করা।

তাইওয়ানের মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, “আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর সব সদস্য সর্বোচ্চ সতর্ক ও প্রস্তুত থাকবে এবং গণতন্ত্র ও স্বাধীনতার মূল্যবোধ রক্ষায় দৃঢ় পদক্ষেপ নেবে।”

দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ফেসবুকে একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে, যেখানে যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি হাইমার্স (HIMARS) রকেট সিস্টেমসহ বিভিন্ন অস্ত্র প্রদর্শন করা হয়। প্রায় ৩০০ কিলোমিটার পাল্লার এই মোবাইল আর্টিলারি ব্যবস্থার মাধ্যমে সংঘাতের সময় চীনের ফুজিয়ান প্রদেশের উপকূলীয় লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা সম্ভব।

তাইওয়ানের কোস্টগার্ড জানায়, চীনা কোস্টগার্ডের তৎপরতার জবাবে তারা বড় জাহাজ মোতায়েন করেছে এবং সামরিক বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে নৌপথ ও মৎস্য এলাকায় প্রভাব কমানোর চেষ্টা করছে।

চীনের সামরিক তৎপরতার জবাবে তাইওয়ানও তাদের বিমান মোতায়েন করে। ছবি: সংগৃহীত

দেশটির বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানায়, মঙ্গলবার ১০ ঘণ্টার জন্য সরাসরি গোলাবর্ষণের মহড়ার কারণে চীন তাইপের আকাশসীমায় একটি ‘অস্থায়ী বিপজ্জনক অঞ্চল’ ঘোষণা করেছে এবং বিকল্প বিমান রুট নির্ধারণে কাজ চলছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানের প্রতি কঠোর বার্তা

২০২২ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসির তাইওয়ান সফরের পর থেকে এটি চীনের ষষ্ঠ বড় সামরিক মহড়া। চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তা সংস্থা সিনহুয়া একে চীনের সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় ঐক্য রক্ষার জন্য এ মহড়াকে ‘‘বৈধ ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ’’ বলে বর্ণনা করেছে।

চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মি (পিএলএ) জানিয়েছে, তারা যুদ্ধবিমান, বোমারু বিমান, ড্রোন এবং দূরপাল্লার রকেট মোতায়েন করেছে এবং চলমান স্থল লক্ষ্যবস্তুতে হামলার অনুশীলন করছে।

চীনের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন জানায়, মহড়ার মূল লক্ষ্য তাইওয়ানের উত্তরের গভীর সমুদ্রবন্দর কিলুং এবং দক্ষিণের সবচেয়ে বড় বন্দর শহর কাওশিয়ুং কার্যত অবরুদ্ধ করা।

বিশ্লেষকদের মতে, আগের মহড়াগুলোতে বন্দর অবরোধের অনুশীলন থাকলেও এবার প্রথমবার প্রকাশ্যে বলা হলো—এই মহড়ার উদ্দেশ্য বিদেশি সামরিক হস্তক্ষেপ ঠেকানো।

ক্রাইসিস গ্রুপের উত্তর-পূর্ব এশিয়া বিষয়ক জ্যেষ্ঠ বিশ্লেষক উইলিয়াম ইয়াং বলেন, ভাষা এখন খুব স্পষ্টভাবে ‘অ্যান্টি-অ্যাকসেস’ ও ‘এরিয়া ডিনায়াল’ সক্ষমতা বাড়ানোর ইঙ্গিত দিচ্ছে।

তিনি বলেন, এটি যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানের মতো তাইওয়ানের অনানুষ্ঠানিক মিত্রদের জন্য একটি খুব শক্ত বার্তা যে সংঘাত হলে তাদের সহায়তা আটকে দেওয়া হবে।

এই মহড়া এসেছে এমন এক সময়ে, যখন যুক্তরাষ্ট্র চলতি মাসের শুরুতে তাইওয়ানের জন্য ইতিহাসের সবচেয়ে বড় (১১ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলারের) অস্ত্র বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে।

এতে চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় প্রতিবাদ জানায় এবং কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেয়। গত সপ্তাহে বেইজিং এই সিদ্ধান্তের জেরে ২০টি মার্কিন প্রতিরক্ষা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও ১০ জন নির্বাহীর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।

জাপানের প্রধানমন্ত্রী তাকাইচির মন্তব্যের পরও চীনের পক্ষ থেকে সার্বভৌমত্ব সংক্রান্ত বার্তা আরও জোরালো হয়েছে। চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং গত নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে বলেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর তাইওয়ানের ‘চীনে প্রত্যাবর্তন’ বেইজিংয়ের বৈশ্বিক দৃষ্টিভঙ্গির একটি কেন্দ্রীয় বিষয়।

তাইওয়ান চীনের সার্বভৌমত্ব দাবি প্রত্যাখ্যান করে এবং বলে দ্বীপটির ভবিষ্যৎ নির্ধারণের অধিকার কেবল তার জনগণের।

গতকাল রবিবার সম্প্রচারিত এক সাক্ষাৎকারে তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট উইলিয়াম লাই চিং-তে বলেন, নিজস্ব প্রতিরক্ষা সক্ষমতা জোরদার করতে হবে। শক্তির মাধ্যমেই শান্তি নিশ্চিত করা সম্ভব বলে তিনি মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, “চীন যদি ২০২৭ সালকে তাইওয়ান আক্রমণের প্রস্তুতির বছর হিসেবে ধরে নেয়, তাহলে আমাদের একটাই পথ-আক্রমণকে এত কঠিন করে তোলা, যেন চীন কখনো সেই মানদণ্ডে পৌঁছাতে না পারে। তাতেই তাইওয়ান স্বাভাবিকভাবেই নিরাপদ থাকবে।” সূত্র: আল জাজিরা

মাহফুজ/

ফিলিস্তিনি শিশুদের লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে ইসরায়েল: জাতিসংঘ তদন্ত কমিটি

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ০৩:৫৭ পিএম
আপডেট: ২৩ জুন ২০২৬, ০৪:১৩ পিএম
ফিলিস্তিনি শিশুদের লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে ইসরায়েল: জাতিসংঘ তদন্ত কমিটি
ছবি: সংগৃহীত

গাজা উপত্যকায় ফিলিস্তিনি শিশুদের সুপরিকল্পিতভাবে লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে ইসরায়েলি নিরাপত্তা বাহিনী। ফলে সেখানে গণহত্যা, মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ ও যুদ্ধাপরাধ সংঘটিত হয়েছে। একই সঙ্গে অধিকৃত পশ্চিম তীরেও চালানো হয়েছে ব্যাপক যুদ্ধাপরাধ। 

মঙ্গলবার (২৩ জুন) জাতিসংঘের একটি স্বাধীন তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়। 

অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড এবং ইসরায়েল বিষয়ক জাতিসংঘের স্বাধীন আন্তর্জাতিক তদন্ত কমিশন এ প্রতিবেদনটি প্রকাশ করে।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ফিলিস্তিনি শিশুদের ওপর চালানো মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাগুলো বিশদভাবে খতিয়ে দেখেছে এই কমিশন। প্রতিবেদনে বলা হয়, গাজা যুদ্ধে নিহতদের প্রায় ৩০ শতাংশই শিশু।

কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, যুদ্ধ ছাড়াও ২০১৫ সালের অক্টোবরে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরও ফিলিস্তিনি শিশুদের নিশানা করে হত্যা করা হয়েছে।

তদন্ত কমিশনের চেয়ারম্যান শ্রীনিবাসন মুরলীধরন এক বিবৃতিতে বলেন, 'ইসরায়েলি নিরাপত্তাবাহিনী ফিলিস্তিনি শিশুদের সুপরিকল্পিতভাবে নিশানা করেছে ও হত্যা করেছে।'

শিশুদের টার্গেট করার মাধ্যমে ইসরায়েল মূলত ফিলিস্তিনি জনগণের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখা এবং তাদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের ক্ষমতাকে ধ্বংস করে দিচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

থিওটোনিয়াস/

ন্যাটোর সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যেই আর্কটিকে রাশিয়ার পারমাণবিক বোমারু বিমানের টহল

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ১২:৪৮ পিএম
আপডেট: ২৩ জুন ২০২৬, ০১:১৪ পিএম
ন্যাটোর সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যেই আর্কটিকে রাশিয়ার পারমাণবিক বোমারু বিমানের টহল
রাশিয়ার তুপোলেভ তু-১৬০ (Tu-160) বোমারু বিমান। ছবি: সংগৃহীত

ইউক্রেন সংঘাত নিয়ে পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোর সঙ্গে চরম উত্তেজনার মধ্যেই আর্কটিক অঞ্চলে বিশেষ টহল দিয়েছে রাশিয়ার পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম যুদ্ধবিমান।

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তাদের ‘তুপোলেভ তু-১৬০’ (Tu-160) স্ট্র্যাটেজিক বোমারু বিমানগুলো বেরেন্টস এবং নরওয়েজিয়ান সাগরের আন্তর্জাতিক জলসীমার ওপর দিয়ে এই উড্ডয়ন সম্পন্ন করে।

মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৬ ঘণ্টার এই দীর্ঘ মিশনে বোমারু বিমানগুলোর সুরক্ষায় সঙ্গে ছিল ‘মিগ-৩১’ ফাইটার জেট। নরওয়ে, আইসল্যান্ড এবং গ্রিনল্যান্ডের মধ্যবর্তী আর্কটিক অঞ্চলে নিয়মিত টহলের অংশ হিসেবে এই অভিযান চালানো হয়। মাঝ-আকাশেই জ্বালানি ভরার বিশেষ মহড়াও  সম্পন্ন করেছে বিমানগুলো। তবে দীর্ঘ এই যাত্রাপথের কিছু অংশে বিদেশি যুদ্ধবিমান রুশ বহরটিকে অনুসরণ বা ছায়ার মতো তাড়া করেছিল বলে রাশিয়ার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

টেলিগ্রামে দেওয়া এক বিবৃতিতে রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জোর দিয়ে বলেছে, 'রাশিয়ান অ্যারোস্পেস ফোর্সের সমস্ত ফ্লাইট আন্তর্জাতিক আকাশসীমা ব্যবহারের নিয়ম কঠোরভাবে মেনে পরিচালনা করা হয়েছে।'

বিশ্বজুড়ে চলমান উত্তেজনা এবং নতুন ঝুঁকির কথা মাথায় রেখে গত মাসেই রাশিয়া ও বেলারুশ তাদের প্রথম যৌথ পারমাণবিক মহড়া সম্পন্ন করে।

রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন জানিয়েছেন, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার স্বার্থেই এই পারমাণবিক প্রতিরোধ ব্যবস্থা সচল রাখা হয়েছে। তবে চলতি মাসে সেন্ট পিটার্সবার্গ আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ফোরামে তিনি স্পষ্ট করেন যে, রাশিয়ার ওপর আগে হামলা না হলে তারা ন্যাটোর কোনো সদস্য দেশে আক্রমণ করবেন না।

এদিকে রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ একটি নিবন্ধে সতর্ক করে লিখেছেন, ইউক্রেনকে ন্যাটোর সামরিক সহায়তা প্রদান এবং ইউরোপের ক্রমাগত সামরিকীকরণ পরিস্থিতিকে আরও বড় যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিতে পারে। ন্যাটোর সঙ্গে রাশিয়ার সরাসরি সংঘাত শুরু হলে তা দ্রুত পারমাণবিক যুদ্ধের রূপ নিতে পারে, যার ফলাফল হবে পুরো পৃথিবীর জন্য মারাত্মক বিপর্যয়কর। সূত্র: আরটি

আজহার/

ভারতের লখনউয়ে অগ্নিকাণ্ডে ১৫ শিক্ষার্থীর মৃত্যু

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ১১:৩৪ এএম
আপডেট: ২৩ জুন ২০২৬, ১১:৪৪ এএম
ভারতের লখনউয়ে অগ্নিকাণ্ডে ১৫ শিক্ষার্থীর মৃত্যু
ছবি: সংগৃহীত

ভারতের উত্তর প্রদেশের রাজধানী লখনউয়ের আলিগঞ্জ এলাকায় তিনতলা একটি বাণিজ্যিক ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ১৫ শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছেে। এতে আহত হয়েছেন অন্তত পাঁচজন। 

সোমবার (২২ জুন) দুপুরে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের অধিকাংশই একটি গ্রাফিক্স অ্যানিমেশন সেন্টারের শিক্ষার্থী ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তিনতলা ওই ভবনটিতে একটি গ্রাফিক্স অ্যানিমেশন সেন্টার, পোষা প্রাণীর দোকান এবং একটি লাইব্রেরি ছিল। আগুন লাগার সময় ভবনটির দ্বিতীয় তলায় অ্যানিমেশন সেন্টারের ক্লাস চলছিল। হঠাৎ আগুন লেগে চারদিক ধোঁয়ায় অন্ধকার হয়ে গেলে শ্বাসরুদ্ধ হয়ে অনেক শিক্ষার্থী ভেতরেই আটকে পড়েন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আগুন থেকে বাঁচতে অন্তত আটজন শিক্ষার্থী ভবন থেকে নিচে লাফিয়ে পড়েন। এছাড়া নিচতলায় থাকা পোষা প্রাণীর দোকানে আগুনে পুড়ে চারটি প্রাণীর মৃত্যু হয়েছে।

রাজ্যের নগর উন্নয়ন ও জ্বালানিমন্ত্রী এ কে শর্মা জানিয়েছেন, প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে- ভবনের এসি ডাক্ট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। পর্যাপ্ত জরুরি নির্গমন পথ না থাকায় ধোঁয়ায় শ্বাসরুদ্ধ হয়ে হতাহতের ঘটনা ঘটে। ভবনের নিরাপত্তা মান লঙ্ঘনের বিষয়টি তদন্ত করা হবে বলেও তিনি জানান।

ঘটনার পরপরই দমকল বাহিনীর ১২টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রায় তিন ঘণ্টার চেষ্টায় তারা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। স্থানীয় বাসিন্দারাও দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠাতে সহায়তা করেন।

এই মর্মান্তিক ঘটনার পর প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। অবহেলার অভিযোগে ভবনের তিন মালিক- রাম কৃষ্ণ উপাধ্যায়, বিরেন্দ্র প্রসাদ শুক্লা এবং তুষার কৃষ্ণ জয়সওয়ালকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

দায়িত্ব অবহেলার দায়ে চার সরকারি কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। ঘটনার আসল কারণ উদঘাটনে রাজ্য সরকার দুই সদস্যের একটি বিশেষ তদন্ত দল গঠন করেছে, যাদের আগামী সাত দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার খবর পেয়ে উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ আলিগড়ে নির্ধারিত সফর সংক্ষিপ্ত করে লখনউয়ে ফিরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি বলেন, ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করা হবে এবং দায়ীদের আইনের আওতায় আনা হবে।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সামাজিক মাধ্যম এক্সে শোক প্রকাশ করে নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।

তিনি ঘোষণা দেন, প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় ত্রাণ তহবিল থেকে মৃতদের প্রতিটি পরিবারকে দুই লাখ রুপি এবং আহতদের ৫০ হাজার রুপি করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে।

উত্তর প্রদেশের উপমুখ্যমন্ত্রী ব্রজেশ পাঠক জানান, উচ্চপর্যায়ের তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং সরকার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে রয়েছে। তিনি আরও বলেন, ১৩টি শিশুকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। সূত্র: দ্য হিন্দু

খাদিজা রুমি/অমিয়/

কাতারে কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ: নিহত ১৩, আহত ৬৬

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ১১:১৮ এএম
আপডেট: ২৩ জুন ২০২৬, ১১:২৬ এএম
কাতারে কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ: নিহত ১৩, আহত ৬৬
প্ল্যানেট ল্যাবস পিবিসি-এর এই কৃত্রিম উপগ্রহের ছবিতে ২০২৬ সালের ৬ মার্চের কাতারের রাস লাফান শিল্প এলাকা দেখা যাচ্ছে

কাতারের রাস লাফান শিল্পনগরীর একটি গ্যাস কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণে ১৩ জন নিহত  এবং ৬৬ জন কর্মী আহত হয়েছেন।

নিহতদের মধ্যে ১২ জনই ভারতীয় নাগরিক এবং বাকি একজন পাকিস্তানি নাগরিক বলে নিশ্চিত করেছে কাতার কর্তৃপক্ষ ও দোহায় অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস।

রবিবার (২১ জুন) সন্ধ্যায় কাতার এনার্জির 'বারজান লোকাল গ্যাস সাপ্লাই' কারখানায় কাজ শুরু করার সময় একটি কারিগরি ত্রুটির কারণে এই বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

কাতারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ঘটনার পরপরই উদ্ধারকারী দল পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। কারখানা থেকে কোনো ক্ষতিকারক গ্যাস লিক হয়নি এবং পরিবেশ বা জনসাধারণের কোনো নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে এবং বর্তমানে তাদের অবস্থা স্থিতিশীল।

এদিকে ভারতীয় দূতাবাস এই ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছে। মরদেহ দ্রুত দেশে পাঠানো এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সব ধরনের জরুরি সহায়তা দিতে দূতাবাস কাতার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছে। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে কাতার প্রশাসন ইতোমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে। সুত্র: দা হিন্দু

তামান্না রুপা/

ইরানের তেল নিষেধাজ্ঞা আংশিক তুলে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ১১:১৭ এএম
আপডেট: ২৩ জুন ২০২৬, ১১:৩৩ এএম
ইরানের তেল নিষেধাজ্ঞা আংশিক তুলে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র
ছবি: সংগৃহীত

সংঘাত নিরসনে আলোচনার পর ইরানের তেল রপ্তানির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা আংশিকভাবে তুলে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

সোমবার (২২ জুন) ৬০ দিনের জন্য নিষেধাজ্ঞা মওকুফের একটি আদেশ জারি করেছে মার্কিন ট্রেজারি, যা যুক্তরাষ্ট্রে ইরানের তেল উৎপাদন, সরবরাহ এবং বিক্রির পথ প্রশস্ত করেছে। 

এ মওকুফটি ছিল ১৭ জুন তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে স্বাক্ষরিত ৬০ দিনের সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) একটি শর্ত।

মার্কিন ট্রেজারি সচিব স্কট বেসেন্ট বলেন, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে এবং এমওইউ-এর বেশ কয়েকটি শর্ত বাস্তবায়নের পথে এগোচ্ছে।

তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেন, ‌‌‘ইরান হরমুজ প্রণালীতে অবাধ ও উন্মুক্ত ট্রানজিট এবং আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) পরিদর্শকদের তাদের দেশে প্রবেশের অনুমতি দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েছে। এই কাঠামোর অংশ হিসেবে, ট্রেজারি একটি অস্থায়ী ৬০ দিনের সাধারণ লাইসেন্স জারি করেছে, যা ইরানি তেলের উৎপাদন, সরবরাহ এবং বিক্রয়ের অনুমোদন দেয়।’

এই লাইসেন্সটি ২১ আগস্ট পর্যন্ত কার্যকর থাকবে এবং এর আওতায় উৎপাদিত অপরিশোধিত তেল, পেট্রোকেমিক্যাল পণ্য বা পেট্রোলিয়াম পণ্য অন্তর্ভুক্ত। এটি যুক্তরাষ্ট্রে ইরানি তেল আমদানির অনুমতি দেয়, কিন্তু মার্কিন নিষেধাজ্ঞার অধীনে থাকা উত্তর কোরিয়া বা কিউবা, অথবা রাশিয়া-অধিকৃত ইউক্রেনের সঙ্গে লেনদেনের অনুমোদন দেয় না।

তবে এ ছাড়ের খবরের পর তেলের দামের সাম্প্রতিক পতন অব্যাহত রয়েছে। ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৩ দশমিক ৫ শতাংশের বেশি কমে ব্যারেল প্রতি ৭৭ দশমি ৭ ডলারে নেমে আসে।

থিওটোনিয়াস/অমিয়/