ঢাকা ১০ আষাঢ় ১৪৩৩, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
২৪ জুন  ২০২৬ তারিখের নামাজের সময়সূচি মেক্সিকোর চোখ গ্রুপসেরায়, দ.কোরিয়ার সামনে নকআউট নিশ্চিতের সুযোগ অপেক্ষা ফুরাচ্ছে ওচোয়ার! ইংল্যান্ডকে জিততে দিল না ঘানা মায়ের মৃত্যুতে দেশে ফিরে গেলেন ফ্রান্সের কোচ অতঃপর দেম্বেলে… প্রথমার্ধে ইংল্যান্ডকে রুখে দিল ঘানা বিশ্বকাপে ইরানের সফর নীতি নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রের ফুটবলের ক্যানভাসে চিরযৌবন নেইমারে ভয় নেই স্কটল্যান্ডের মাঠে হেঁটেই সফল মেসি রোনালদোর রেকর্ডের রাতে পর্তুগালের গোল উৎসব ৪১ বছরেও থামেননি রোনালদো, ভাঙলেন মেসির রেকর্ড পর্তুগিজ কিংবদন্তিতে ছাড়িয়ে শীর্ষে রোনালদো রোনালদোর বিশ্বরেকর্ড, প্রথমার্ধে উজবেকিস্তানের জালে ৩ গোল পর্তুগালের গোল করেই ইতিহাস গড়লেন রোনালদো ফ্রান্স ম্যাচ নিয়ে ভাবছেন না হালান্ড তৃণমূল থেকে ফিরহাদ-অরূপসহ ৮ নেতা বহিষ্কার উপদেষ্টা জাহেদের ফেরা ছিল তার নিজের সিদ্ধান্ত: জয়সওয়াল কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় সিএফমোটো বাংলাদেশের নতুন শোরুম উদ্বোধন পর্তুগালের একাদশে ২ পরিবর্তন ব্লিং লেদার প্রোডাক্টস লিমিটেড ঘুরে দেখলেন রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি বিস্ফোরক সংকটে বন্ধ মধ্যপাড়া পাথরখনির উত্তোলন কার্যক্রম জলবায়ু অঙ্গীকার বাস্তবায়নে বিশ্বনেতাদের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর হরমুজ প্রণালিতে রেকর্ড তেল রপ্তানির তথ্য দিলেন ট্রাম্প কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে শিশু নির্যাতন ও ধর্ষণবিরোধী মানববন্ধন আলোচিত কৃষক কবির হোসেন আর নেই ‘জুয়া প্রতিরোধ বিল, ২০২৬’ সংসদে উত্থাপন আদব মানুষকে সম্মানিত করে, আদবহীনতা মর্যাদা নষ্ট করে: ছারছীনার পীর ছাহেব কারা পাবেন হেদায়েতের এই পরম নিয়ামত?

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ৪ বছর: বদলে যাওয়া জীবনের গল্প

প্রকাশ: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৫:৩৬ পিএম
আপডেট: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৫:৩৭ পিএম
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ৪ বছর: বদলে যাওয়া জীবনের গল্প
যুদ্ধের ময়দানে সহযোদ্ধার মরদেহ নিয়ে যাচ্ছেন ইউক্রেনীয় সেনারা। ছবি: সংগৃহীত

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ চার পেরিয়ে পাঁচ বছরে গড়িয়েছে। নিহত হয়েছেন হাজার হাজার সাধারণ মানুষ। প্রাণ হারিয়েছেন কয়েক লাখ সেনাও। যুদ্ধের আগ্রাসনে ইউক্রেনের লাখো মানুষ ঘর ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছেন। অন্যদিকে রাশিয়ায় যুদ্ধের বিরোধিতা করা অনেকে গ্রেপ্তারও হয়েছেন। অনেকে আবার দেশ ছেড়েছেন নিপীড়ন এড়াতে।

আজ ২৪ ফেব্রুয়ারি। ইউক্রেনে রাশিয়ার যুদ্ধের চার বছর পূর্তিতে চারজন মানুষের জীবনে যুদ্ধের গভীর প্রভাব তুলে ধরেছে বার্তা সংস্থা এএফপি।

একটি পরিবার ধ্বংস

কিরার বয়স তখন মাত্র তিন মাস। ২৮ বছরের মা ভ্যালেরিয়া আর ৫৪ বছরের দাদি লিউদমিলা। ২০২২ সালের ২৩ এপ্রিল। ইউক্রেনের ওডেসা শহরে তাদের অ্যাপার্টমেন্টে আঘাত হানে রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র। কয়েক সেকেন্ডেই শেষ হয়ে যায় তিন প্রজন্মের জীবন।

কিরার বাবা ইউরি তখন বাজারে ছিলেন। হামলার পরের ভিডিওতে দেখা যায়, স্ত্রীর ও শিশুকন্যার জিনিসপত্র খুঁজতে তিনি ধ্বংসস্তূপে ঘাঁটাঘাঁটি করছেন। পুরোপুরি দিশেহারা হয়ে পড়েছিলেন তিনি।

আইনজীবী ইউরি পরে পেশা বদলে কৃষ্ণসাগর উপকূলের শহরের একটি জনপ্রিয় ক্যাফেতে বেকার (রুটি কারিগর) হিসেবে কাজ শুরু করেন। এক বছর পর তিনি ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনীতে যোগ দেন।

২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর। পূর্বাঞ্চলীয় শহর বাখমুতের কাছে যুদ্ধে প্রাণ হারান হন তিনিও। এটি ছিল দীর্ঘ ফ্রন্টলাইনের সবচেয়ে রক্তক্ষয়ী এলাকাগুলোর একটি।

এ পরিবারটির গল্প এখন ইউক্রেনীয় বেসামরিক মানুষের ভয়াবহ মূল্য চুকানোর প্রতীক হয়ে উঠেছে।

ভ্যালেরিয়ার ঘনিষ্ঠ বন্ধু আল্লা কোরোলিওভা ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে এএফপিকে বলেন, ‘এমন শত শত গল্প আছে পুরো দেশে।’

তিনি বলেন, ‘আমার বন্ধু ছিল সূর্যের আলোর মত। ওডেসা, ইউক্রেনীয় সংস্কৃতি, অপেরা-সব ভালোবাসত। তার হাসি ছিল অসাধারণ। তাকে খুব মনে পড়ে।’

মোবাইলে কিরার একটি ছবিও দেখান তিনি। আক্ষেপ নিয়ে বলেন, ‘শিশুটির সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সময়ই পেলাম না।’

আবার লড়াইয়ে ফিরতে প্রস্তুত

ভলোদিমিরের ৩২তম জন্মদিনেই রাশিয়া ইউক্রেনে পূর্ণমাত্রার আগ্রাসন শুরু করে। চার বছর পরও তিনি সেনাবাহিনীতে ফিরতে অস্থির। যদিও ড্রোন হামলায় হারিয়েছেন এক হাত ও এক পা।

তার ডাকনাম ‘আর্খিপ’। ২০২৪ সালে রাশিয়ার এফপিভি ড্রোন তার ইউনিটের অবস্থানের ওপর আঘাত করে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।

এর কয়েক মাস আগে উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় খারকিভ অঞ্চলে তার সঙ্গে প্রথম কথা হয় এএফপি প্রতিনিধির। তখন তিনি জানান, ভালো পাইলট হলে ড্রোন ৯০ শতাংশ ক্ষেত্রেই লক্ষ্যবস্তুতে পৌঁছায়।

এ বছরের জানুয়ারিতে আবারও তিনি এএফপি সাংবাদিকের মুখোমুখি হন। তখন তিনি চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের অভিজ্ঞতাসহ বিভিন্ন ঘটনার কথা বলেন। আবার যুদ্ধে যুক্ত হওয়ার আকাঙ্ক্ষার কথাও জানান।

যুদ্ধে এক পা হারানো আর্খিপ। ছবি: সংগৃহীত

আর্খিপ বলেন, ‘আমি শুয়ে ছিলাম। মাথা তুলে যখন পায়ের দিকে তাকালাম, দেখি লোকটা... আমার পা কেটে ফেলছে।’

এক মাসে তার শরীরে মোট ২১টি অস্ত্রোপচার হয়। তিনি বলেন, ‘প্রায় প্রতিদিন অস্ত্রোপচার হতো। শুধু শনিবার ছাড়া। কারণ অনেক চিকিৎসকের সেদিন ছুটি থাকে।’

তার পরনে সামরিক পোশাক নেই এখন। কালো ট্র্যাকস্যুট পরা; কৃত্রিম অঙ্গ লাগানো। পাভলোগ্রাদ শহরের একটি ফুটবল টুর্নামেন্ট চলাকালে এসব কথা বলেন তিনি। আহত হওয়ার আগে তিনি সেখানে খেলতেন।

পুনরায় সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়ার লক্ষ্য স্থির করেছেন আর্খিপ। গত ১৮ মাস ধরে নিচ্ছেন চিকিৎসা ও পুনর্বাসন।

তিনি বলেন, ‘শুরু থেকেই পরিকল্পনা ছিল, সহযোদ্ধাদের কাছে ফিরব।’

তবে এবার পেছনের সারির দায়িত্বে থাকতে চান। তিনি বলেন, ‘কয়েক বছর আগে আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করতাম, ১৯৯১ সালের সীমান্তে ফিরতে পারব।’ সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে যাওয়ার পর যখন ক্রিমিয়া ও পূর্বাঞ্চলীয় দোনবাস পুরোপুরি কিয়েভের নিয়ন্ত্রণে ছিল, সে সময়ের কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

‘কিন্তু এখন সেনাবাহিনীতে থেকে সবকিছু সরাসরি দেখে মনে হয়, ১৯৯১ সালের সীমান্তের মূল্য খুব বেশি হবে।’

যুদ্ধপন্থী কৌতুকশিল্পীর রুপান্তর

রাশিয়ার ৫৯ বছর বয়সি কৌতুকশিল্পী আন্দ্রেই বোচারভ। নব্বইয়ের দশকের একটি টেলিভিশন অনুষ্ঠানে অদ্ভুত চরিত্রে অভিনয় করে পরিচিতি পান। ‘মায়ের আদরের ছেলে’ ধরনের সরল টাইপ চরিত্র ছিল তার।

দীর্ঘদিন আড়ালে ছিলেন। ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের পর নিজেকে রূপান্তর করেন যুদ্ধপন্থী কণ্ঠে। পশ্চিমাদের ‘অধঃপতন’ নিয়ে সমালোচনা শুরু করে নিজের স্থবির ক্যারিয়ারে নতুন গতি নিয়ে আসেন।

‘বোচারিক’ নামে পরিচিত সাইবেরিয়ার এই শিল্পী রুশ সংস্কৃতির এক সংক্ষিপ্ত সোনালি সময়ের প্রতিনিধি ছিলেন। ‘৩৩ স্কয়ার মিটার’ নামের জনপ্রিয় ধারাবাহিকে অভিনয় করেছিলেন তিনি। সোভিয়েত ইউনিয়ন পতনের পরবর্তী সময়ে একটি ঘিঞ্জি অ্যাপার্টমেন্টের ছোট ঘরে পারিবারিক জীবন কেমন ছিল, তা-ই হাস্যকরভাবে ফুটিয়ে তোলা হতো সেই ধারাবাহিকটিতে।

তার নিষ্পাপ হাসি ও সহজ অভিব্যক্তি লাখো দর্শককে আকৃষ্ট করত।

কিন্তু ২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারির পর তিনি কট্টর পশ্চিমবিরোধী হয়ে ওঠেন। পরিচিতি পান ক্রেমলিনপন্থী হিসেবে।

পডকাস্ট ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি সবসময় ‘মাতৃভূমি ও শেকড়’-এর প্রতি অনুগত থাকার কথা বলেন। তিনি যেমন রুশ অভিযানের বিরোধিতাকারীদের নিন্দা জানাচ্ছেন, তেমনি যারা প্রতিবাদ হিসেবে কিংবা যুদ্ধে যাওয়ার ভয়ে দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন, সেসব রাশিয়ানদেরও তীব্র ভাষায় বিদ্রুপ করছেন।

রাশিয়ার সাংস্কৃতিক অঙ্গনের অনেকের মতই যুদ্ধের আগে ইউরোপ ও পশ্চিমে নিয়মিত যাতায়াত ছিল তার।

এখন তিনি পশ্চিমাদের ‘রাশিয়াবিরোধী’ এজেন্ডা ও অতিরিক্ত উদারনীতির সমালোচনা করেন। ক্রেমলিনের বক্তব্যের প্রতিধ্বনি শোনা যায় তার কথায়। টেলিগ্রাম ও রাশিয়ার সামাজিক মাধ্যম ভিকে-তে তার অনুসারী প্রায় ৪ লাখ।

রাষ্ট্রীয় বেতার স্পুটনিক-এ সাপ্তাহিক অনুষ্ঠানও সঞ্চালনা করেন তিনি।

যুদ্ধের ময়দানে পা হারিয়ে কৃত্তিম পায়ে ভর করছেন রুশ সেনারা। ছবি: সংগৃহীত

সাম্প্রতিক এক অনুষ্ঠানে বলেন, ‘আমরা এক নম্বর। কারণ আমাদের আত্মা আছে, শুধু টাকা নয়। সম্মুখ যুদ্ধে অংশ নেওয়া আমাদের ছেলেরা প্রতিদিন তা প্রমাণ করছে।’

তিনি প্রায়ই বলেন, ‘রাশিয়া সবসময় জেতে। আমরা রাশিয়ান। আর বোরশ্চ আমাদের সঙ্গে আছে!’ বোরশচ একধরনের উজ্জ্বল লাল বিটের স্যুপ- যা ইউক্রেন ও রাশিয়া উভয়েই নিজেদের জাতীয় খাবার বলে দাবি করে- সেটির প্রতিই ইঙ্গিত করেন তিনি।

নীরব বিরোধী

রাশিয়া ইউক্রেনে হামলা শুরুর দিনই মস্কোতে যুদ্ধবিরোধী বিক্ষোভে যান ভারভারা। পরে আগ্রাসনের বিরুদ্ধে এক আবেদনে স্বাক্ষর করায় চাকরি হারান।

তিনি এএফপিকে বলেন, ‘গ্রেপ্তার হতে পারি- এ কথা প্রিয়জনদের জানিয়েছিলাম। অতিরিক্ত চাবিও রেখে গিয়েছি। ভেবেছি, আমি না থাকলে আমার বিড়াল না খেয়ে মরবে।’

নিরাপত্তার কারণে নাম পরিবর্তন করে বলা হয়েছে তার গল্প। তিনি বড় আকারের বিক্ষোভ দমন অভিযানে ধরা পড়া থেকে রক্ষা পেয়েছেন। পরবর্তী দিনগুলোতে রাশিয়া কঠোর সামরিক সেন্সর আইন পাস করে। এতে তার অনেক বন্ধু দেশ ছেড়ে যান।

তিনি বলেন, ‘আমারও মনে হয়েছিল, হয়তো আমাকে চলে যেতে হবে। কিন্তু কীভাবে, কোথায়, কী দিয়ে বাঁচব- বুঝতে পারিনি।’

মুখোশধারী পুলিশ যেকোনো সময় দরজায় কড়া নাড়তে পারে- সারাক্ষণ এমন একটি আতঙ্কে থাকতেন। তবে শেষ পর্যন্ত তেমন কিছুই ঘটেনি; বরং একটি অলাভজনক সংস্থায় নতুন চাকরি পেয়েছেন তিনি।

তিনি বলেন, নিজের দেশের চালিয়ে যাওয়া এই যুদ্ধ নিয়ে অপরাধবোধে ভুগতেন তিনি। এসবকিছু ঝেড়ে ফেলে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে এবং একটু সুখের দেখা পেতে তার দীর্ঘ দুই বছর সময় লেগেছে।

আগের স্ত্রীর একটি সন্তান রয়েছে-এমন এক পুরুষকে বিয়ে করেছেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘আমি সন্তানের দায়িত্ব নিতে চাই। কিন্তু নিজের এ ধরনের ঝুঁকি নেওয়ার সামর্থ্য আর নেই।’

রাশিয়ায় এখনও থাকা অধিকাংশ যুদ্ধবিরোধী মানুষের কাছে নীরব থাকাই কারাগার এড়ানোর একমাত্র পথ।

তবুও যুদ্ধ তার জীবনের সবখানে প্রভাব ফেলেছে। এমনকি বাবা-মেয়ের সম্পর্কেও। তার বাবা রুশ নিরাপত্তা বাহিনীতে কাজ করেন। ইউক্রেনে যুদ্ধ করেছেন। নিয়মিত আর্থিক সহায়তাও দিতে চান।

তিনি বলেন, ‘তিনি আমার বাবা। আমি তাকে ভালোবাসি। কিন্তু এই টাকা নেওয়া আমার পক্ষে অসম্ভব।’

রাশিয়ার ভবিষ্যৎ নিয়ে হতাশ হয়ে তিনি বলেন, ‘বর্তমান পরিস্থিতিতে শাসনব্যবস্থা বদলানো সম্ভব বলে মনে করি না। নিচ থেকে যেকোনো প্রতিরোধ দমন করা হবে। আমি শুধু আশা করি, আমরা অন্তত শারীরিকভাবে বেঁচে থাকতে পারব।’

 

তৃণমূল থেকে ফিরহাদ-অরূপসহ ৮ নেতা বহিষ্কার

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ১১:০৬ পিএম
আপডেট: ২৩ জুন ২০২৬, ১১:০৬ পিএম
তৃণমূল থেকে ফিরহাদ-অরূপসহ ৮ নেতা বহিষ্কার
ছবি: সংগৃহীত

এবার সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের আট শীর্ষ নেতাকে বহিষ্কার করেছেন দলীয় প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বহিষ্কৃত নেতাদের মধ্যে রয়েছেন ফিরহাদ হাকিম, অরূপ রায়, জাভেদ আহমেদ খান, রথীন ঘোষ, বিপ্লব মিত্র, সাবিনা ইয়াসমিন, অরূপ বিশ্বাস এবং স্নেহাশিস চক্রবর্তী। দলবিরোধী কাজে যুক্ত থাকার অভিযোগে গতকাল মঙ্গলবার সকালে নিখিল ভারত তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে প্রথমে তাদের কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। তবে সেই শোকজের উত্তর পাওয়ার আগেই কালবিলম্ব না করে দুপুরে তাদের দল থেকে চূড়ান্তভাবে বহিষ্কার করা হয়। দলের বিরুদ্ধে গোপন বৈঠক ও বিদ্রোহীদের সঙ্গে হাত মেলানোর অভিযোগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছেন।

তবে এই চরম সিদ্ধান্তের নেপথ্যে রয়েছে তৃণমূলের অভ্যন্তরে তৈরি হওয়া এক গভীর সাংগঠনিক ফাটল। গত সোমবার কলকাতার নিউ টাউনের একটি হোটেলে বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে এক বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। দলীয় সূত্র জানায়, গঠনতন্ত্র অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ে সর্বভারতীয় কার্যনির্বাহী কমিটি পুনর্গঠন না হওয়ায় জরুরি ভিত্তিতে এই বৈঠক ডাকা হয়েছিল। ২০২২ সালে সর্বশেষ কমিটি গঠনের পর নতুন কমিটি না হওয়াকে কেন্দ্র করেই এই সাংগঠনিক পুনর্গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এই বৈঠকে দলের প্রায় ৬০ জন বিধায়ক এবং কলকাতা পুরসভার অন্তত ৭০ জন কাউন্সিলর উপস্থিত ছিলেন। সেখানে প্রতিনিধিদের সর্বসম্মত ভোটে ৩০ সদস্যের একটি নতুন জাতীয় কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়। 

বিদ্রোহী এই গোষ্ঠীটি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বাদ দিয়ে প্রবীণ নেতা ও হাওড়ার বিধায়ক অরূপ রায়কে তাদের নতুন কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত করেছে। নতুন এই কমিটিতে সহ-সভাপতি বা ভাইস চেয়ারম্যান পদের দায়িত্ব পেয়েছেন ফিরহাদ হাকিম, অরূপ বিশ্বাস, রথীন ঘোষ এবং সাবিনা ইয়াসমিন। সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, জাভেদ খান ও সন্দীপন সাহাকে। এ ছাড়া কোষাধ্যক্ষ হিসেবে আখরুজ্জামান আনসারিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। 

ওই বৈঠক ও কমিটি গঠন করায় ক্ষুব্ধ হন মমতা। তিনি বিদ্রোহীদের সঙ্গে হাত মেলানোর কারণে তার ঘনিষ্ঠ ৮ নেতাকে গতকাল বহিষ্কার করেন। বহিষ্কৃত এই আটজন সিনিয়র নেতা ও বিধায়ক ইতোমধ্যেই বিদ্রোহী নেতা ঋতব্রতের ‘আসল’ তৃণমূল শিবিরে যোগ দিয়েছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছায়াসঙ্গী ও দলের গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের নিজের দিকে টেনে নিয়ে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, আগামী দিনে এই তালিকায় আরও নতুন নাম যুক্ত হতে পারে। তিনি জেলা সভাপতি ও জেলা কমিটি গঠনেরও ঘোষণা দেন।

সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকা নিয়েও তারা অবস্থান পরিষ্কার করেছেন। তারা চান ‘দিদি’ মেন্টর বা অভিভাবকের ভূমিকা পালন করুন এবং তাদের পথ দেখান। 

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া, এনডিটিভি

হরমুজ প্রণালিতে রেকর্ড তেল রপ্তানির তথ্য দিলেন ট্রাম্প

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ০৯:৫৭ পিএম
হরমুজ প্রণালিতে রেকর্ড তেল রপ্তানির তথ্য দিলেন ট্রাম্প
ছবি: সংগৃহীত

কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে রেকর্ড ১ কোটি ৯০ লাখ ব্যারেল তেল রপ্তানির দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল–এ দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ তথ্য জানান। এ তথ্য প্রকাশ করেছে মিডল ইস্ট আই।

এই অর্জনকে ‘সর্বকালীন রেকর্ড’ হিসেবে অভিহিত করে ট্রাম্প লিখেন, ‘তেলের দাম হু হু করে কমছে এবং বিশ্ব এখন অনেক বেশি নিরাপদ স্থানে পরিণত হয়েছে!’ ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান শান্তি আলোচনার প্রেক্ষাপটে হরমুজ প্রণালি পুনরায় সচল হওয়াকে নিজের বড় সাফল্য হিসেবে তুলে ধরছেন ট্রাম্প।


তবে ট্রাম্পের দেয়া এই পরিসংখ্যান এখন পর্যন্ত স্বতন্ত্র কোনো সূত্র থেকে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। সাধারণত হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিশ্বের মোট খনিজ তেলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবাহিত হয়। গত কয়েক মাসের যুদ্ধের কারণে এই রুটে জাহাজ চলাচল মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হয়েছিল।

রেকর্ড তাপপ্রবাহে ফ্রান্সে ট্র্যাজেডি, পানিতে ডুবে ৪০ জনের মৃত্যু

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ০৮:৫৭ পিএম
আপডেট: ২৩ জুন ২০২৬, ০৯:৩৩ পিএম
রেকর্ড তাপপ্রবাহে ফ্রান্সে ট্র্যাজেডি, পানিতে ডুবে ৪০ জনের মৃত্যু
ছবি: সংগৃহীত

তীব্র তাপপ্রবাহে পুড়ছে ইউরোপ। ফ্রান্সসহ বেশির ভাগ দেশে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি বা তারও বেশি। সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি ফ্রান্সে। প্রচণ্ড গরম থেকে বাঁচতে গিয়ে গত কয়েক দিনে দেশটিতে পানিতে ডুবে অন্তত ৪০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

ফরাসি প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়ান লেকর্নু মঙ্গলবার এক জরুরি বৈঠকের পর জানান, গত বৃহস্পতিবার থেকে তাপপ্রবাহসম্পর্কিত ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে বহু মানুষের, যাদের মধ্যে বেশির ভাগই তরুণ।

তিনি বলেন, ‘এরা এই সংকটের প্রথম শিকার।’ প্রায় ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার মধ্যে দেশজুড়ে জনজীবনে চরম চাপ সৃষ্টি হয়েছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

ফরাসি আবহাওয়া সংস্থা মেটিও-ফ্রান্স জানিয়েছে, সোমবার থেকে মঙ্গলবার পর্যন্ত রাতটি ছিল ১৯৪৭ সাল থেকে শুরু হওয়া রেকর্ডের ইতিহাসে সবচেয়ে উষ্ণ রাত। গড় তাপমাত্রা ছিল ২১.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা ২০১৯ সালের আগের রেকর্ডকেও ছাড়িয়ে গেছে।

তীব্র গরমে ফ্রান্সের বহু শহরে তাপমাত্রা রেকর্ড ভেঙেছে। বোর্দো ও পোয়াতিয়েরসহ একাধিক শহরে অতিরিক্ত তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ৫৪টি অঞ্চলে রেড হিট অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে।

স্থানীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অনেকেই অনুমোদনহীন নদী ও জলাশয়ে সাঁতার কাটতে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন। এ ছাড়া গাড়ির ভেতরে অচেতন অবস্থায় পাওয়া দুই শিশু এবং বয়স্ক কয়েকজনের মৃত্যুর ঘটনাও তদন্ত করা হচ্ছে, যা তাপপ্রবাহ-সম্পর্কিত বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ইউরোপজুড়ে চলমান এই তাপপ্রবাহ যুক্তরাজ্য ও স্পেনকেও প্রভাবিত করেছে। যুক্তরাজ্যে ৩৯ ডিগ্রির কাছাকাছি তাপমাত্রা পৌঁছাতে পারে বলে সতর্ক করেছে দেশটির আবহাওয়া দপ্তর। স্পেনের কিছু এলাকায়ও ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।

আল-জাজিরা/এসএন

ফিলিস্তিনি শিশুদের লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে ইসরায়েল: জাতিসংঘ তদন্ত কমিটি

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ০৩:৫৭ পিএম
আপডেট: ২৩ জুন ২০২৬, ০৪:১৩ পিএম
ফিলিস্তিনি শিশুদের লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে ইসরায়েল: জাতিসংঘ তদন্ত কমিটি
ছবি: সংগৃহীত

গাজা উপত্যকায় ফিলিস্তিনি শিশুদের সুপরিকল্পিতভাবে লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে ইসরায়েলি নিরাপত্তা বাহিনী। ফলে সেখানে গণহত্যা, মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ ও যুদ্ধাপরাধ সংঘটিত হয়েছে। একই সঙ্গে অধিকৃত পশ্চিম তীরেও চালানো হয়েছে ব্যাপক যুদ্ধাপরাধ। 

মঙ্গলবার (২৩ জুন) জাতিসংঘের একটি স্বাধীন তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়। 

অধিকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড এবং ইসরায়েল বিষয়ক জাতিসংঘের স্বাধীন আন্তর্জাতিক তদন্ত কমিশন এ প্রতিবেদনটি প্রকাশ করে।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ফিলিস্তিনি শিশুদের ওপর চালানো মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাগুলো বিশদভাবে খতিয়ে দেখেছে এই কমিশন। প্রতিবেদনে বলা হয়, গাজা যুদ্ধে নিহতদের প্রায় ৩০ শতাংশই শিশু।

কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, যুদ্ধ ছাড়াও ২০১৫ সালের অক্টোবরে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরও ফিলিস্তিনি শিশুদের নিশানা করে হত্যা করা হয়েছে।

তদন্ত কমিশনের চেয়ারম্যান শ্রীনিবাসন মুরলীধরন এক বিবৃতিতে বলেন, 'ইসরায়েলি নিরাপত্তাবাহিনী ফিলিস্তিনি শিশুদের সুপরিকল্পিতভাবে নিশানা করেছে ও হত্যা করেছে।'

শিশুদের টার্গেট করার মাধ্যমে ইসরায়েল মূলত ফিলিস্তিনি জনগণের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখা এবং তাদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণের ক্ষমতাকে ধ্বংস করে দিচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

থিওটোনিয়াস/

ন্যাটোর সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যেই আর্কটিকে রাশিয়ার পারমাণবিক বোমারু বিমানের টহল

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ১২:৪৮ পিএম
আপডেট: ২৩ জুন ২০২৬, ০১:১৪ পিএম
ন্যাটোর সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যেই আর্কটিকে রাশিয়ার পারমাণবিক বোমারু বিমানের টহল
রাশিয়ার তুপোলেভ তু-১৬০ (Tu-160) বোমারু বিমান। ছবি: সংগৃহীত

ইউক্রেন সংঘাত নিয়ে পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোর সঙ্গে চরম উত্তেজনার মধ্যেই আর্কটিক অঞ্চলে বিশেষ টহল দিয়েছে রাশিয়ার পারমাণবিক অস্ত্র বহনে সক্ষম যুদ্ধবিমান।

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তাদের ‘তুপোলেভ তু-১৬০’ (Tu-160) স্ট্র্যাটেজিক বোমারু বিমানগুলো বেরেন্টস এবং নরওয়েজিয়ান সাগরের আন্তর্জাতিক জলসীমার ওপর দিয়ে এই উড্ডয়ন সম্পন্ন করে।

মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১৬ ঘণ্টার এই দীর্ঘ মিশনে বোমারু বিমানগুলোর সুরক্ষায় সঙ্গে ছিল ‘মিগ-৩১’ ফাইটার জেট। নরওয়ে, আইসল্যান্ড এবং গ্রিনল্যান্ডের মধ্যবর্তী আর্কটিক অঞ্চলে নিয়মিত টহলের অংশ হিসেবে এই অভিযান চালানো হয়। মাঝ-আকাশেই জ্বালানি ভরার বিশেষ মহড়াও  সম্পন্ন করেছে বিমানগুলো। তবে দীর্ঘ এই যাত্রাপথের কিছু অংশে বিদেশি যুদ্ধবিমান রুশ বহরটিকে অনুসরণ বা ছায়ার মতো তাড়া করেছিল বলে রাশিয়ার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

টেলিগ্রামে দেওয়া এক বিবৃতিতে রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জোর দিয়ে বলেছে, 'রাশিয়ান অ্যারোস্পেস ফোর্সের সমস্ত ফ্লাইট আন্তর্জাতিক আকাশসীমা ব্যবহারের নিয়ম কঠোরভাবে মেনে পরিচালনা করা হয়েছে।'

বিশ্বজুড়ে চলমান উত্তেজনা এবং নতুন ঝুঁকির কথা মাথায় রেখে গত মাসেই রাশিয়া ও বেলারুশ তাদের প্রথম যৌথ পারমাণবিক মহড়া সম্পন্ন করে।

রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন জানিয়েছেন, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার স্বার্থেই এই পারমাণবিক প্রতিরোধ ব্যবস্থা সচল রাখা হয়েছে। তবে চলতি মাসে সেন্ট পিটার্সবার্গ আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ফোরামে তিনি স্পষ্ট করেন যে, রাশিয়ার ওপর আগে হামলা না হলে তারা ন্যাটোর কোনো সদস্য দেশে আক্রমণ করবেন না।

এদিকে রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ একটি নিবন্ধে সতর্ক করে লিখেছেন, ইউক্রেনকে ন্যাটোর সামরিক সহায়তা প্রদান এবং ইউরোপের ক্রমাগত সামরিকীকরণ পরিস্থিতিকে আরও বড় যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিতে পারে। ন্যাটোর সঙ্গে রাশিয়ার সরাসরি সংঘাত শুরু হলে তা দ্রুত পারমাণবিক যুদ্ধের রূপ নিতে পারে, যার ফলাফল হবে পুরো পৃথিবীর জন্য মারাত্মক বিপর্যয়কর। সূত্র: আরটি

আজহার/