যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় আজ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনায় যুক্তরাষ্ট্র নির্দিষ্ট কিছু প্রতিরক্ষামূলক অভিযানের জন্য ব্রিটিশ ঘাঁটিগুলো ব্যবহার করা শুরু করেছে, যার লক্ষ্য হলো মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ প্রতিহত করা। ইরানের এই কর্মকাণ্ড ব্রিটিশ নাগরিকদের জীবনকে ঝুঁকির মুখে ফেলছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, ব্রিটিশ স্বার্থ এবং মিত্রদের সুরক্ষায় রয়্যাল এয়ার ফোর্সের টাইফুন এবং এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানগুলো জর্ডান, কাতার, সাইপ্রাস এবং সমগ্র অঞ্চলজুড়ে তাদের বিমান অভিযান অব্যাহত রেখেছে। একটি মার্লিন হেলিকপ্টার এই অঞ্চলের অভিমুখে রয়েছে, যা অতিরিক্ত আকাশপথে নজরদারি প্রদান করবে এবং এ বছরের শুরুর দিকে মোতায়েন করা যুক্তরাজ্যের রক্ষণাত্মক সক্ষমতাকে আরও শক্তিশালী করবে।
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলার পর ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার বলেছিলেন, ইরানের বিরুদ্ধে কোনো প্রকার হামলা ও যুদ্ধে জড়াবে না যুক্তরাজ্য। কিন্তু এক সপ্তাহের মাথায় সেই অবস্থান থেকে সরে এসেছে দেশটি।
আজ বিবিসির খবরে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের বি-১ বোমারু বিমানগুলো ইরানে হামলা করে সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে না গিয়ে যুক্তরাজ্যের ফেয়ারফোর্ডে রয়েল এয়ারফোর্সের বিমানঘাঁটি ব্যবহার করছে। গতকাল শুক্রবার রাতে ইরানে হামলা চালিয়ে আজ শনিবার ভোরে অন্তত তিনটি বি-১ বোমারু বিমান ফেয়ারফোর্ডে অবতরণ করেছে।
আজ আরেকটি খবরে বলা হয়, যুক্তরাজ্যের বিমানবাহী রণতরী ‘এইচএমএস প্রিন্স অব ওয়েলস’-কে উচ্চ সতর্কাবস্থায় রেখেছে, যার ফলে এটি এখন মাত্র পাঁচ দিনের নোটিশে মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন করা সম্ভব হবে।
যুদ্ধের ৮ম দিনের সর্বশেষ জানুন ইরান ও ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধের ৮ম দিনের সর্বশেষ লিংকে