ঢাকা ৬ আষাঢ় ১৪৩৩, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
জার্মানির সামনে আফ্রিকান চ্যালেঞ্জ, ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া ইকুয়েডর বিশ্বকাপে দ্রুততম গোলের রেকর্ড গড়ে মরক্কোর জয় বিদায়ের আগে আবেগঘন এক বন্ধনের গল্প বস্টনের মন জয় করেছে টার্টান আর্মি দ্রুততম গোলে এগিয়ে বিরতিতে মরক্কো সুইডিশ সমর্থকদের ‘ইয়েলো মার্চ’ রদ্রিকে নিয়ে সমালোচনা ‘অপমানজনক’ ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যয়ে স্পেন ৭২ সেকেন্ডে গোল করে বিশ্বকাপে রেকর্ড মরক্কোর জয়ের খোঁজে নেদারল্যান্ডস ফুরফুরে মেজাজে ইংলিশরা অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ২-০ গোলে জয় পেল যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে বিধিনিষেধ ফিফার কাছে অভিযোগ করবে ইরান ২-০ গোলে এগিয়ে যুক্তরাষ্ট্র শুরুতেই আত্মঘাতী গোলে এগিয়ে গেল যুক্তরাষ্ট্র ব্রাজিল-হাইতি ম্যাচে অভিষেক হবে স্প্যানিশ হার্নান্দেজের সিরিজ হারের পর বাংলাদেশ শিবিরে দুসংবাদ হোর্হে মেসির গুজব ছড়ানোয় বরখাস্ত তিস্তা মহাপরিকল্পনা শিগগিরই একনেকে পাস হবে: পানিসম্পদমন্ত্রী চাঁদপুরের সানজিদার বিশ্বজয়, যুক্তরাষ্ট্রে ৬ কোটি টাকার পূর্ণাঙ্গ বৃত্তি জাবিতে শিক্ষামন্ত্রীর আগমনে ছাত্র ইউনিয়নের প্রতিবাদ ধর্ষণের অভিযোগে বিচারের মুখোমুখি মরক্কোর অধিনায়ক হাকিমি গণপিটুনির শিকার চার ডিবি সদস্য গ্রেপ্তার, অপহরণ চেষ্টার মামলা শিশুস্বাস্থ্যে বড় উদ্যোগ, ৬ মাসে চালু ৫ বিশেষায়িত হাসপাতাল জামালপুরে প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ বিশ্বকাপে মরক্কোর নতুন বিস্ময় আয়ুব বুয়াদ্দি সংবাদ প্রকাশের জেরে বগুড়ার সাংবাদিক কারাগারে চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রদলের ২৬১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা ব্রাজিল ম্যাচে থাকছে বিরল ৫০০ বছরের পুরোনো ফুটবল লেখক শিবিরের ১৭তম জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত ইসরাইল-হিজবুল্লাহ সংঘাতে যুদ্ধবিরতি কার্যকর, স্বস্তির আশা ছারছীনা দরবার শরীফের মরহুম পীর ছাহেব স্মরণে মিশরে আন্তর্জাতিক সেমিনার

বিশ্বে অপুষ্টি ও দুর্ভিক্ষের ঝুঁকি বাড়ছে

প্রকাশ: ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০১:২৬ পিএম
বিশ্বে অপুষ্টি ও দুর্ভিক্ষের ঝুঁকি বাড়ছে
ছবি: খবরের কাগজ

বিশ্বের দুটি স্থানে ২০২৫ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে দুর্ভিক্ষ নিশ্চিত হয়েছে। ওই দুটি স্থানের মধ্যে রয়েছে গাজা উপত্যকার কিছু এলাকা ও সুদান। ২০২৬ সালের গ্লোবাল রিপোর্ট অন ফুড ক্রাইসিসেস (জিআরএফসি) অনুযায়ী, দুর্ভিক্ষসংক্রান্ত আনুষ্ঠানিক প্রতিবেদন চালুর পর এবারই প্রথম দুটি স্থানে এমন পরিস্থিতি নিশ্চিত হলো।

১৮টি মানবিক ও উন্নয়ন সংস্থার সমন্বয়ে তৈরি এই বার্ষিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালে তীব্র খাদ্যসংকট বিশ্বজুড়ে ব্যাপকভাবে বিদ্যমান ছিল। খাদ্যসংকটে থাকা ৪৭টি দেশ ও অঞ্চলে মোট জনসংখ্যার ২২ দশমিক ৯ শতাংশ, প্রায় ২৬ কোটি ৬০ লাখ মানুষ, গত বছর তীব্র খাদ্যসংকটে ভুগেছে। ২০২৪ সালে এই হার ছিল ২২ দশমিক ৭ শতাংশ। আর ২০১৬ সালে ছিল মাত্র ১১ দশমিক ৩ শতাংশ।

২০২০ সাল থেকে বিশ্লেষণ করা জনসংখ্যার মধ্যে তীব্র ক্ষুধার হার প্রতিবছরই ২০ শতাংশের ওপর রয়েছে। মোট সংখ্যার দিক থেকে ২০১৬ সালে যেখানে এই সংখ্যা ছিল ১০ কোটি ৮০ লাখ, সেখানে ২০২৫ সালে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৬ কোটি ৫৭ লাখে। ২০২৩ সালে এটি সর্বোচ্চ ২৮ কোটি ১৬ লাখে পৌঁছেছিল।

প্রতিবেদনটি সতর্ক করে বলেছে, ২০২৪ সালের তুলনায় সামান্য কম সংখ্যা দেখা গেলেও এর মূল কারণ হলো বিশ্লেষণ করা দেশের সংখ্যা কমে যাওয়া, ৫৩ থেকে ৪৭-এ নেমে এসেছে। বাস্তবে পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি।

দুর্ভিক্ষ, বিপর্যয় ও জরুরি অবস্থা

আইপিসি (ইন্টিগ্রেটেড ফুড সিকিউরিটি ফেজ ক্লাসিফিকেশন) পদ্ধতির সর্বোচ্চ স্তর ‘দুর্ভিক্ষ’ ২০২৫ সালে গাজার কিছু অংশ ও সুদানে নিশ্চিত করা হয়েছে। এ ছাড়া গাজা, সুদান ও দক্ষিণ সুদানের আরও কিছু এলাকায় দুর্ভিক্ষের ঝুঁকি রয়ে গেছে, যা ২০২৬ সালেও অব্যাহত থাকতে পারে।

আইপিসি অনুযায়ী, দুর্ভিক্ষ ঘোষণার জন্য তিনটি শর্ত পূরণ হতে হয়। সেগুলো হলো অন্তত ২০ শতাংশ পরিবারকে চরম খাদ্যসংকটে থাকতে হবে, জনসংখ্যার ৩০ শতাংশের বেশি তীব্র অপুষ্টিতে ভুগতে হবে, প্রতিদিন প্রতি ১০ হাজার মানুষের মধ্যে অন্তত ২ জনের মৃত্যু হতে হবে। 

অনাহার বা সংশ্লিষ্ট কারণে ছয়টি দেশ ও অঞ্চলে ‘বিপর্যয়কর’ বা ফেজ-৫ পরিস্থিতিতে মানুষ রয়েছে, যা আইপিসির সর্বোচ্চ স্তর। এ সংখ্যা ১৪ লাখে পৌঁছেছে, যা ২০১৬ সালের তুলনায় ৯ গুণের বেশি। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত গাজা উপত্যকা, যেখানে ৬ লাখ ৪০ হাজার ৭০০ মানুষ,  মোট জনসংখ্যার ৩২ শতাংশ দুর্ভিক্ষ পরিস্থিতিতে রয়েছে। এর পরেই রয়েছে সুদান, যেখানে ৬ লাখ ৩৭ হাজার ২০০ মানুষ, মোট জনসংখ্যার ১ শতাংশ এ অবস্থায় রয়েছে।

এ ছাড়া আরও চারটি দেশে নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীর মধ্যে গুরুতর খাদ্যসংকট দেখা গেছে। দক্ষিণ সুদানে ৮৩ হাজার ৫০০ (জনসংখ্যার ১ শতাংশ), ইয়েমেনে ৪১ হাজার ২০০ (০.১ শতাংশ), হাইতিতে ৮ হাজার ৪০০ (০.১ শতাংশ), মালিতে ২ হাজার ৬০০ (০.০১ শতাংশ)।
এ ছাড়া ৩২টি দেশে ৩ কোটি ৯০ লাখের বেশি মানুষ ফেজ-৪ বা ‘জরুরি’ অবস্থায় রয়েছে, যা মোট বিশ্লেষিত জনসংখ্যার তুলনায় ৩ দশমিক ৮ শতাংশ বেশি।

সংঘাত ও সহিংসতা ১৯টি দেশে তীব্র খাদ্যসংকটের প্রধান কারণ, যেখানে ১৪ কোটি ৭৪ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যা বৈশ্বিক ক্ষুধার্ত মানুষের অর্ধেকেরও বেশি। আবহাওয়ার চরম পরিস্থিতি ১৬টি দেশে ৮ কোটি ৭৫ লাখ মানুষের খাদ্যসংকটের মূল কারণ, আর অর্থনৈতিক ধাক্কা ১২টি দেশে ২ কোটি ৯৮ লাখ মানুষকে প্রভাবিত করেছে।

এমন পরিস্থিতির মধ্যেই ২০২৫ সালে খাদ্যসংকট মোকাবিলায় মানবিক ও উন্নয়ন সহায়তার অর্থায়ন কমে গেছে, যা ২০১৬-১৭ সালের পর্যায়ে নেমে এসেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ২০২৬ সালের জন্য আংশিক তথ্যের ভিত্তিতে বলা হয়েছে, অনেক জায়গায় পরিস্থিতি এখনো গুরুতর। মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত বৃদ্ধির কারণে বৈশ্বিক কৃষি ও খাদ্যবাজারে সরাসরি ও পরোক্ষ ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।

২০২৫ সালে ২৩টি দেশে পুষ্টিসংকটে থাকা প্রায় ৩ কোটি ৫৫ লাখ শিশু তীব্র অপুষ্টিতে ভুগেছে। এর মধ্যে প্রায় ১ কোটি শিশু মারাত্মক অপুষ্টিতে আক্রান্ত, যা সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থা। এ ছাড়া ২ কোটি ৫৭ লাখ শিশু মাঝারি মাত্রার অপুষ্টিতে ভুগেছে। ২১টি দেশে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী প্রায় ৯২ লাখ গর্ভবতী ও স্তন্যদানকারী নারীও তীব্র অপুষ্টিতে ভুগছেন।

খাদ্যসংকটপূর্ণ দেশগুলোতেই বাস্তুচ্যুতি বেশি

২০২৫ সালে ৪৬টি দেশে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা সামান্য কমে দাঁড়িয়েছে ৮ কোটি ৫১ লাখে। এর মধ্যে ৩৪টি দেশে ৬ কোটি ২৬ লাখ মানুষ নিজ দেশের ভেতরেই বাস্তুচ্যুত, আর ৪৪টি দেশে ২ কোটি ২৫ লাখ মানুষ শরণার্থী বা আশ্রয়প্রার্থী হিসেবে রয়েছে।

প্রতিবেদনটির উপসংহারে বলা হয়েছে, ক্ষুধার মূল কাঠামোগত কারণগুলো সমাধানে দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ না নিলে বিশ্বের সবচেয়ে দুর্বল দেশগুলো ২০২৬ সালেও বৈশ্বিক ক্ষুধার ভার বহন করতে থাকবে। সূত্র: আল-জাজিরা

ইসরাইল-হিজবুল্লাহ সংঘাতে যুদ্ধবিরতি কার্যকর, স্বস্তির আশা

প্রকাশ: ১৯ জুন ২০২৬, ০৯:৪০ পিএম
ইসরাইল-হিজবুল্লাহ সংঘাতে যুদ্ধবিরতি কার্যকর, স্বস্তির আশা
ছবি: সংগৃহীত

লেবাননে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে ইসরাইল। দুই পক্ষের মধ্যকার এ যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে।

 শুক্রবার (১৯ জুন) মার্কিন এক কর্মকর্তার বরাতে বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার রাতভর লেবাননে হামলা চালিয়েছে ইসরাইল। এ হামলার জেরে শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে পূর্বনির্ধারিত যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা বাতিল করা হয়েছে।

সর্বশেষ হামলায় অন্তত ১৮ জন নিহত এবং ৩৩ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

একই সময়ে হিজবুল্লাহর সঙ্গে সংঘর্ষে চার ইসরায়েলি সেনা নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) দাবি করেছে, হিজবুল্লাহর অবকাঠামো ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের লক্ষ্য করে এসব হামলা চালানো হয়েছে। তবে লেবানন কর্তৃপক্ষ এটিকে চলমান সংঘাতের অন্যতম ভয়াবহ হামলা হিসেবে বর্ণনা করেছে।

এদিকে লেবাননের পরিস্থিতির কারণে সুইজারল্যান্ডে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকা যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক স্থগিত করা হয়েছে। সুইজারল্যান্ডের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বৈঠকটি আপাতত স্থগিত হলেও আলোচনার প্রস্তুতি অব্যাহত রয়েছে।

এসএন/

রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান

প্রকাশ: ১৯ জুন ২০২৬, ০৭:৫৬ পিএম
আপডেট: ১৯ জুন ২০২৬, ০৭:৫৬ পিএম
রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। ছবি: সংগৃহীত

বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন সমুন্নত রাখা এবং মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসনে আরও জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।

বৃহস্পতিবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদরদপ্তরে অনুষ্ঠিত ২০২৬ সালের ইকোসক হিউম্যানিটারিয়ান অ্যাফেয়ার্স সেগমেন্টে উচ্চপর্যায়ের প্যানেল আলোচনায় বক্তব্যকালে তিনি এ আহ্বান জানান।

শুক্রবার (১৯ জুন) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। 

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আন্তর্জাতিক মানবিক আইন লঙ্ঘনের জন্য জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ, সংঘাত প্রতিরোধে অধিক বিনিয়োগ এবং মানবিক, শান্তি ও উন্নয়ন কার্যক্রমের মধ্যে সমন্বয় জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি নারী ও কিশোরীদের বিরুদ্ধে ক্রমবর্ধমান প্রযুক্তিনির্ভর হয়রানি ও অপব্যবহারের বিষয়টিও তুলে ধরেন।  এ ধরনের হুমকি মোকাবিলায় একটি বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্ম প্রতিষ্ঠার আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করেন শামা ওবায়েদ।

প্রতিমন্ত্রী রোহিঙ্গা নারী ও কিশোরীদের সহায়তায় চলমান অর্থায়ন সংকটের নেতিবাচক প্রভাব নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করে দ্রুত মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনের আহ্বান জানান।

দীর্ঘায়িত রোহিঙ্গা সংকটের বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বলেন, জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিকদের নিজ মাতৃভূমিতে নিরাপদ, স্বেচ্ছায় এবং মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনই এই সমস্যার একমাত্র টেকসই সমাধান।

অনুষ্ঠানের ফাঁকে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ভিয়েতনামের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. নগুয়েন মিন ভুর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। বৈঠকে উভয় পক্ষ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে আলোচনা করেন।

এসএন/

লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় নিহত ১৬

প্রকাশ: ১৯ জুন ২০২৬, ১২:২৭ পিএম
আপডেট: ১৯ জুন ২০২৬, ০২:৪২ পিএম
লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় নিহত ১৬
ছবি: সংগৃহীত

লেবাননের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা জানিয়েছে যে, ইসরায়েলি বিমান হামলায় অন্তত ১৬ জন নিহত হয়েছেন এবং ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে এই হামলা এখনও অব্যাহত রয়েছে।

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী শুক্রবার জানায় যে, তাদের বাহিনী গত রাতে দক্ষিণ লেবানন জুড়ে বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হেনেছে। অন্যদিকে হিজবুল্লাহ ওই এলাকায় তীব্র লড়াইয়ের কথা জানিয়েছে, যা মূলত ইরান ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে হওয়া নতুন চুক্তিটিকে হুমকির মুখে ফেলছে।

লেবাননে এই চলমান লড়াই নতুন স্বাক্ষরিত চুক্তিটিকে ভেস্তে দিতে পারে। কারণ এই চুক্তিতে লেবাননসহ "সব ফ্রন্টে" সামরিক অভিযান অবিলম্বে বন্ধ করার আহ্বান জানানো হয়েছে, যেখানে ইসরায়েল ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহ গোষ্ঠীর সঙ্গে লড়াই করছে। একই সঙ্গে চুক্তিতে লেবাননের "আঞ্চলিক অখণ্ডতা এবং সার্বভৌমত্ব" নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে।

চলতি বছরের শেষের দিকে নির্বাচনের মুখোমুখি হতে যাওয়া ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সেনা প্রত্যাহার করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, হিজবুল্লাহর হুমকি পুরোপুরি নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত ইসরায়েলি বাহিনী লেবাননেই অবস্থান করবে।

ইরান যুদ্ধ স্থায়ীভাবে বন্ধের প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে সুইজারল্যান্ডে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নির্ধারিত আলোচনা স্থগিত হওয়ার পরপরই এই হামলার ঘটনা ঘটে।

মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বৃহস্পতিবার তার সুইজারল্যান্ড সফর স্থগিত করেন, যেখানে আলোচনার নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য তার যাওয়ার কথা ছিল। হোয়াইট হাউস এর পেছনে লজিস্টিক বা অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনার সমস্যার কথা উল্লেখ করলেও, এই ঘোষণাটি মূলত আল-মায়াদিন (হিজবুল্লাহর রাজনৈতিক মিত্র একটি প্যান-আরব স্যাটেলাইট চ্যানেল)-এর একটি রিপোর্টের পর আসে। ওই রিপোর্টে বলা হয়েছিল, লেবাননে ইসরায়েলের চলমান সামরিক অভিযানের কারণে ইরান সুইজারল্যান্ডে তাদের প্রতিনিধি দল পাঠাতে বিলম্ব করছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বুধবার ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাখোঁর সঙ্গে প্যালেস অব ভার্সাই-এ নৈশভোজের সময় ইরানের সঙ্গে এই প্রাথমিক চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন, যা তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হয়।

চুক্তি স্বাক্ষরের পর ভ্যান্স ইসরায়েলকে একটি স্পষ্ট ও কড়া সতর্কবার্তা দিয়ে বলেন যে, ট্রাম্পই হচ্ছেন ‘এই মুহূর্তে সমগ্র বিশ্বের একমাত্র রাষ্ট্রপ্রধান যিনি ইসরায়েল রাষ্ট্রের প্রতি সহানুভূতিশীল।’ সূত্র: এনডিটিভি

তামান্না রুপা/

শুক্রবারের নির্ধারিত মার্কিন-ইরান আলোচনা বাতিল : সুইজারল্যান্ড

প্রকাশ: ১৯ জুন ২০২৬, ১২:১৩ পিএম
আপডেট: ১৯ জুন ২০২৬, ১২:৪৯ পিএম
শুক্রবারের নির্ধারিত মার্কিন-ইরান আলোচনা বাতিল : সুইজারল্যান্ড
ছবি: রয়টার্স

সুইজারল্যান্ডের বুর্গেনস্টক মাউন্টেন রিসোর্টে শুক্রবার (১৯জুন) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে যে আলোচনার পরিকল্পনা করা হয়েছিল, তা আর হচ্ছে না। সুইজারল্যান্ডের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

হোয়াইট হাউসের একজন মুখপাত্র গত রাতে জানান যে, মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে ইরানি প্রতিনিধিদের সাথে বৈঠক করার পূর্বপরিকল্পিত সফর থেকে নিজের নাম প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। মূলত এর পরপরই সুইজারল্যান্ডের পক্ষ থেকে এই ঘোষণা আসে। যুদ্ধ বন্ধে তেহরান এবং ওয়াশিংটনের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি চুক্তি বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই এই আলোচনা শুরু হওয়ার কথা ছিল। সূত্র: রয়টার্স

তামান্না রুপা/

মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট ভ্যান্সের সুইজারল্যান্ড সফর স্থগিত

প্রকাশ: ১৯ জুন ২০২৬, ১১:৫৪ এএম
আপডেট: ১৯ জুন ২০২৬, ১২:১২ পিএম
মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট ভ্যান্সের সুইজারল্যান্ড সফর স্থগিত
ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ বন্ধের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার চুক্তি–পরবর্তী পদক্ষেপগুলো নিয়ে আলোচনার জন্য সুইজারল্যান্ড সফর করার কথা থাকলেও তা স্থগিত করেছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স।

শুক্রবার (১৯জুন) এ আলোচনা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। হোয়াইট হাউসের বরাতে এ তথ্য জানা গেছে।

হোয়াইট হাউস জানিয়েছে যে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স সুইজারল্যান্ডে একটি পূর্বপরিকল্পিত সফর পিছিয়ে দিয়েছেন। যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হওয়ার পর, ইরানের সাথে একটি নতুন দফা আলোচনায় নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য তিনি এই সিদ্ধান্ত নেন।

এর আগে, মার্কিন ও ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের সমালোচনার মুখেও ভ্যান্স এই চুক্তির পক্ষে যুক্তি দেখান। একই সাথে তিনি ঘোষণা করেন যে, ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে একটি ৬০ দিনের আলোচনার সময়কাল শুরু হয়েছে।