ঢাকা ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
বেটিং সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান সরকার আ.লীগের কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধই রাখতে চায়: তথ্য উপদেষ্টা দুইজনের মৃত্যুর পর ডেঙ্গুর টিকা স্থগিত সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় নিয়ে হাইকোর্টের রায় স্থগিত যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় নাগরিকত্ব বাতিল অভিযান ট্রাম্প প্রশাসনের লাল বাহাদুর দুধ দিয়ে গোসল করে আর্জেন্টিনা ছেড়ে ব্রাজিল শিবিরে ওজন কমানোর অনুমোদনহীন ওষুধের নতুন ক্রেজ এক লাখ কর্মী পাঠানোর পরিকল্পনায় সম্মতি রাশিয়ার পাঠকের গল্প : বিষ খেতে গিয়ে প্রতারণার শিকার চায়নিজ জামাই চাকরি দেবে রেড ক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে চলছে একনেক সভা বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের জন্য ফ্রি গুগল এআই প্রো নিয়ে এল টেকনো ব্রাজিলিয়ানদের সুখবর দিলেন নেইমার রংপুরে ওয়ার্ডভিত্তিক অপরাধচক্র শনাক্তের নির্দেশ আরপিএমপির ফটিকছড়িতে আওয়ামী লীগের লিফলেট তৈরির সময় আটক ২ দেশের ১৬ জেলায় বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস পড়ে পাওয়া গল্প থেকে ৭টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বাংলা হরমুজ প্রণালীর কাছে মার্কিন সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত ইরান-ইসরায়েলের হামলা বন্ধ হলেও হুমকি চলছে দিনাজপুরে বেড়ার হোটেলে নিম্নমানের খাবারসহ একাধিক অভিযোগ ইরানে হামলা চালালে একাই লড়তে হবে: নেতানিয়াহুকে হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের ময়মনসিংহে হাম উপসর্গে আরও ১ শিশুর মৃত্যু বিশ্বকাপ নিয়ে অনারের ক্যাম্পেইন, ফোন-ট্যাবলেটসহ পুরস্কার জেতার সুযোগ বিশ্বকাপের আগে জয়ের ধারায় ফিরল স্পেন ইরান ও হিজবুল্লাহ আগের চেয়েও দুর্বল: নেতানিয়াহু বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস আজ প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষায় জোর: বাতিল হতে পারে ৬ বিষয়ে অনার্স কোর্স টিভিতে আজকের খেলা
Nagad desktop

এরিয়া ৫১: ভিনগ্রহবাসীর গোপন কারাগার নাকি কল্পকাহিনি?

প্রকাশ: ১৯ অক্টোবর ২০২৫, ০৯:১৪ পিএম
এরিয়া ৫১: ভিনগ্রহবাসীর গোপন কারাগার নাকি কল্পকাহিনি?
ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের নেভাদা মরুভূমির বুকে লুকিয়ে আছে এক রহস্যময় ঘাঁটি ‘এরিয়া ৫১’। আকাশপথ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ, চারপাশে কড়া পাহারা আর দশকের পর দশক আমেরিকান সরকারের নীরবতা। এ কারণে সাধারণ মানুষের মনে জন্ম নিয়েছে অগণিত প্রশ্ন, এখানে কি সত্যিই ভিনগ্রহের প্রাণী বন্দি আছে? আমেরিকা কি গোপনে অ্যালিয়েন প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছে? নাকি সবই নিছক কল্পকাহিনি, যার জায়গা হওয়া উচিত কেবল বিজ্ঞানকল্পের পাতায়?

১৯৫৫ সালে এরিয়া ৫১ প্রতিষ্ঠিত হয়। শীতল যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্র এমন এক জায়গার প্রয়োজন বোধ করে, যেখানে গোপনে তাদের গুপ্তচর বিমান পরীক্ষিত হতে পারে। সেই প্রয়োজন থেকেই গ্রুম লেকের শুকনো প্লাবনভূমিতে শুরু হয় ‘U-2’ স্পাই প্লেনের পরীক্ষা। পরে একে একে ‘A-12 OXCART’, ‘SR-71 Blackbird’ আর প্রথম স্টেলথ যুদ্ধবিমান ‘F-117 Nighthawk’-এর মতো যুগান্তকারী প্রকল্প চালু হয় সেখানে। এসব বিমান এত উঁচু দিয়ে ও এমন গতিতে উড়ত যে সাধারণ মানুষ চোখে দেখে ভাবতেন, এটি নিশ্চয় কোনো ভিনগ্রহী যান। ফলে ১৯৫০ ও ৬০-এর দশকে যে অগণিত ‘উড়ন্ত চাকতি’ দেখা গিয়েছিল, তার বেশির ভাগই আসলে ছিল এরিয়া ৫১ থেকে উড়ানো পরীক্ষামূলক বিমান।

এই ঘাঁটির নিরাপত্তা এতটাই কঠোর ছিল যে, দশকের পর দশক আমেরিকান সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে এর অস্তিত্ব স্বীকার করেনি। কর্মীরা সেখানে যাতায়াত করতেন বিশেষ বিমানে, যাকে স্থানীয়রা ডাকত ‘জ্যানেট ফ্লাইটস’। এমনকি মানচিত্রেও এরিয়া ৫১-এর কোনো উল্লেখ ছিল না। ফলে রহস্য আরও ঘনীভূত হতে থাকে এবং মানুষের মনে প্রশ্ন জাগে, যদি কেবল বিমান পরীক্ষা হতো, তবে এত গোপনীয়তার প্রয়োজন কেন?

তবুও এরিয়া ৫১ নিয়ে গুজব থেমে থাকেনি। ১৯৪৭ সালের রসওয়েল ঘটনাই এর ভিত্তি তৈরি করে দেয়। নিউ মেক্সিকোর মরুভূমিতে অদ্ভুত কিছু ধ্বংসাবশেষ উদ্ধার হয়েছিল সে বছর। সেনাবাহিনী প্রথমে ঘোষণা দেয়, তারা একটি ‘উড়ন্ত ডিস্ক’ উদ্ধার করেছে। পরে কথা বদলে বলা হয়, সেটি ছিল আবহাওয়া বেলুন। এ দ্বিধা মানুষের মনে গভীর সন্দেহ তৈরি করে। পরবর্তী সময়ে সরকারি প্রতিবেদনে জানানো হয়, আসলে সেটি ছিল ‘প্রজেক্ট মোগুল’ নামের এক গোপন পরীক্ষামূলক বেলুন, যা সোভিয়েত পারমাণবিক পরীক্ষা শনাক্তের জন্য ব্যবহার করা হচ্ছিল। তথাকথিত ‘অ্যালিয়েন দেহ’ও ছিল পরীক্ষামূলক ডামি বা সামরিক দুর্ঘটনার ফল। তবু ষড়যন্ত্র তত্ত্ব তখন থেকে জনমানসে রোপিত হয়।

১৯৮৯ সালে রহস্য আরও ঘনীভূত হয় যখন বব লাজার নামের এক ব্যক্তি দাবি করেন, তিনি এরিয়া ৫১-এর কাছে একটি স্থানে এলিয়েন প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করেছেন। তিনি জানান, সেখানে ভিনগ্রহী উড়োজাহাজের ইঞ্জিন উল্টোপথে বিশ্লেষণ করা হচ্ছিল। যদিও তার দাবি প্রমাণিত হয়নি এবং তার জীবনীসংক্রান্ত নথিতে অসংখ্য অসংগতি ছিল। তবু লাজারের বর্ণনা জনসাধারণকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে। সংবাদমাধ্যমে তার সাক্ষাৎকার প্রচারিত হওয়ার পর থেকে এরিয়া ৫১-কে ঘিরে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের ঢেউ আরও উঁচুতে ওঠে। অনেক গবেষক তাকে ভুয়া প্রমাণ করলেও, তার গল্প পপ সংস্কৃতিতে এতটাই ছড়িয়ে পড়েছিল যে বহু মানুষ আজও এর সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে।

জনপ্রিয় সংস্কৃতিও এই রহস্যকে আরও জোরদার করেছে। ‘দ্য এক্স ফাইলস’ টিভি সিরিজ বা ‘ইন্ডিপেনডেন্স ডে’ সিনেমার মতো কাজগুলোতে এরিয়া ৫১-কে সরাসরি এলিয়েনদের ঘাঁটি হিসেবে দেখানো হয়েছে। এসব কল্পচিত্র কোটি মানুষের মনে প্রভাব ফেলেছে। ২০১৯ সালে তো একেবারে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায় ‘স্টর্ম এরিয়া ৫১’ ইভেন্ট। যেখানে প্রায় ২০ লাখ মানুষ ঘোষণা দেন, তারা একসঙ্গে এরিয়া ৫১-তে ঢুকে অ্যালিয়েনদের মুক্ত করবেন। যদিও শেষ পর্যন্ত এটি পরিণত হয় উৎসবে, নেভাদার ছোট্ট শহর র‌্যাচেলে জমে ওঠে এলিয়েন থিমযুক্ত কনসার্ট ও পার্টি। স্থানীয় শেরিফ দপ্তরের হিসাবে প্রায় ৫-৬ হাজার মানুষ সেখানে জমায়েত হয়েছিল।

অন্যদিকে আমেরিকান সরকারও ধীরে ধীরে কিছু তথ্য প্রকাশ করতে বাধ্য হয়েছে। ২০১৩ সালে সিআইএ প্রথমবার স্বীকার করে, এরিয়া ৫১ আসলেই আছে। সেখানে গোপন বিমান পরীক্ষার কাজ হয়েছে। এরপর নৌবাহিনীর কিছু রহস্যময় ভিডিও প্রকাশ্যে আসার পর কংগ্রেসে জমা দেওয়া প্রতিবেদনে বলা হয়, বহু অজ্ঞাত উড়ন্ত ঘটনার ব্যাখ্যা না পাওয়া গেলেও কোনো প্রমাণ নেই যে সেগুলো ভিনগ্রহ থেকে এসেছে। প্রতিরক্ষা দপ্তর বিশেষ ইউনিট ‘AARO (All-domain Anomaly Resolution Office)’ গঠন করে এসব নিয়ে গবেষণা করছে। নাসার স্বাধীন প্যানেলও জানিয়েছে, এ পর্যন্ত কোনো ঘটনারই ভিনগ্রহী উৎসের প্রমাণ মেলেনি। এমনকি মার্কিন কর্মকর্তারা সরাসরি ঘোষণা করেছেন- তাদের কাছে ভিনগ্রহী জীব বা প্রযুক্তি থাকার কোনো তথ্য নেই।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, ‘অজানা মানেই ভিনগ্রহী নয়।’ অধিকাংশ ‘UFO (Unidentified Flying Object)’ ঘটনারই ব্যাখ্যা পাওয়া গেছে কখনও শুক্র গ্রহের আলো, কখনো উল্কাপাত, আবার কখনো স্টারলিংক স্যাটেলাইটের প্রতিফলন। এর পাশাপাশি আছে পরীক্ষামূলক ড্রোন বা সামরিক বিমান। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, ১৯৬০-এর দশকে ইউ-২ বিমান যখন ৬০ হাজার ফুট উচ্চতায় উড়ত, তখন যাত্রীবাহী বিমানের পাইলটরা নিচ থেকে সেটিকে আগুনের গোলার মতো অজানা বস্তু মনে করতেন। আবার সাম্প্রতিক কালে আকাশে সারি সারি আলো দেখে বহু মানুষ ‘এলিয়েন বহর’ ভেবে ভয় পেয়েছেন। অথচ পরে দেখা গেছে, সেগুলো আসলে স্টারলিংক স্যাটেলাইট। বিখ্যাত জ্যোতির্বিজ্ঞানী কার্ল সাগানের ভাষায়, ‘অসাধারণ দাবির জন্য প্রয়োজন অসাধারণ প্রমাণ’ যা এখন পর্যন্ত ইউএফওর ঘটনার ক্ষেত্রে পাওয়া যায়নি।

তবু এরিয়া ৫১ ঘিরে মানুষের আগ্রহ কমেনি। নেভাদার হাইওয়ে–৩৭৫-এর ডাকনাম এখন ‘এক্সট্রাটেরেস্ট্রিয়াল হাইওয়ে’। সেখানে এলিয়েন থিমযুক্ত রেস্তোরাঁ ও দোকান পর্যটকদের আকর্ষণ করে। প্রতি বছর হাজারো কৌতূহলী ভ্রমণকারী সেখানে যান শুধু রহস্যময় সেই ঘাঁটির গেটের সামনে দাঁড়িয়ে ছবি তুলতে। স্থানীয় ব্যবসায়ীরাও এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে তৈরি করেছে অ্যালিয়েন স্মারক সামগ্রী, হোটেল ও ক্যাফে। ফলে বোঝা যায়, এরিয়া ৫১ হয়ে উঠেছে শুধু সামরিক ইতিহাসের অংশ নয়, বরং কল্পনারও কেন্দ্রবিন্দু।

অতএব, এরিয়া ৫১ একই সঙ্গে বাস্তব ও কল্পনার প্রতীক। একদিকে এখানে জন্ম নিয়েছে যুগান্তকারী বিমান প্রযুক্তি। অন্যদিকে এটি মানুষকে মনে করিয়ে দেয়, অজানার প্রতি আমাদের কৌতূহল রহস্যকে টিকিয়ে রাখে। যত দিন না অকাট্য প্রমাণ আসে, এরিয়া ৫১ হয়তো বিজ্ঞান ও কল্পনার এই মিশ্র প্রতীক হিসেবে থেকে যাবে, আর পাঠকের মনে জাগিয়ে তুলবে একই সঙ্গে বিস্ময় ও রোমাঞ্চ। উৎস: ব্রিটানিকা বিশ্বকোষ, নাসা

উড়োজাহাজ প্রযুক্তিতে চীনের নতুন মাইলফলক

প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০২:১২ পিএম
আপডেট: ০৮ জুন ২০২৬, ০২:২৩ পিএম
উড়োজাহাজ প্রযুক্তিতে চীনের নতুন মাইলফলক
ছবি সিএমজি


চীনের নিম্ন-আকাশ অর্থনীতি খাতে বড় অগ্রগতি হিসেবে দেশটির প্রথম নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি ইলেকট্রিক ভার্টিক্যাল টেকঅফ অ্যান্ড ল্যান্ডিং ইভিটিওএল উড়োজাহাজের ইঞ্জিন উৎপাদন লাইনে এসেছে। শুক্রবার পূর্ব চীনের চিয়াংসু প্রদেশের উসি শহরে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ইঞ্জিন সরবরাহ করা হয়।
চীনের রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান অ্যারো ইঞ্জিন করপোরেশন অব চায়না এর অ্যারোইঞ্জিন কন্ট্রোল সিস্টেম ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত এইই২৫ নামের এই বৈদ্যুতিক বিমান ইঞ্জিনটি টর্ক ঘনত্বের ক্ষেত্রে দেশের নতুন রেকর্ড গড়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বেশি টর্ক ঘনত্বের ফলে ইঞ্জিনের ওজন কম হয় এবং উড়োজাহাজে বেশি যাত্রী বা পণ্য বহন করা সম্ভব হয়। 
এইই২৫ ইঞ্জিনটি বিমানের ব্যাটারিতে সঞ্চিত বৈদ্যুতিক শক্তিকে রোটর সিস্টেমের জন্য প্রয়োজনীয় উত্তোলন শক্তি  ও থ্রাস্টে রূপান্তর করে।  
ইঞ্জিনটিতে ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান—মূল মোটর ও এর কন্ট্রোলার, কুলিং সিস্টেমের মোটর ও কন্ট্রোলার, এবং ভ্যারিয়েবল-পিচ অ্যাকচুয়েটর ও কন্ট্রোলার—একীভূত করা হয়েছে। এর ফলে বিমান নির্মাতারা সহজে ইঞ্জিনটি স্থাপন করে সরাসরি ব্যবহার করতে পারবেন।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই সাফল্য চীনের বৈদ্যুতিক বিমান ও নগর আকাশ পরিবহন প্রযুক্তির উন্নয়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হয়ে থাকবে এবং ভবিষ্যতের বিমান চলাচল ব্যবস্থায় নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে।

সূত্র: সিএমজি

মহাকাশে যাচ্ছেন প্রথম শারীরিক প্রতিবন্ধী নভোচারী

প্রকাশ: ০৬ জুন ২০২৬, ০৪:৩৬ পিএম
মহাকাশে যাচ্ছেন প্রথম শারীরিক প্রতিবন্ধী নভোচারী
ইউরোপীয় স্পেস এজেন্সির নভোচারী প্যানেলের সদস্য জন ম্যাকফল। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাজ্যের একজন প্যারালিম্পিয়ান ও সার্জন বিশ্বের প্রথম শারীরিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তি হিসেবে মহাকাশে গিয়ে ইতিহাস গড়তে যাচ্ছেন। মার্কিন প্রতিষ্ঠানের তৈরি ছোট বাণিজ্যিক মহাকাশ স্টেশনে থাকার বিষয়ে সম্প্রতি যুক্তরাজ্য সরকার একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।

ইউরোপীয় স্পেস এজেন্সির (ইসা) নভোচারী প্যানেলের সদস্য জন ম্যাকফল গত বছর মহাকাশে যাওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেন। ২০২৭ সালে উৎক্ষেপণের জন্য প্রস্তাবিত ‘হেভেন-১’ মহাকাশ স্টেশনে তিনি একটি অভিযানে অংশ নিতে পারেন। ক্যালিফোর্নিয়ার নতুন প্রতিষ্ঠান ‘ভাস্ট’ এই হেভেন-১ স্টেশনটি তৈরি করছে। একটি একতলা বাসের চেয়ে কিছুটা ছোট এই স্টেশনে চারজন নভোচারী থাকতে পারবেন। এর ভেতরে রয়েছে ম্যাপল কাঠের আস্তরণ, পৃথিবী দেখার জন্য একটি বড় জানালা এবং একটি গবেষণাগার।

ম্যাকফল বলেন, এটি একটি অত্যন্ত রোমাঞ্চকর সুযোগ। দুই সপ্তাহের এই অভিযানে মহাকাশের পরিবেশ তার শরীরে কেমন প্রভাব ফেলে তা পর্যবেক্ষণ করা হবে। এছাড়া আধুনিক কৃত্রিম অঙ্গ বা প্রস্থেটিক লিম্বসের ওপর মহাকাশের প্রভাব নিয়ে গবেষণা করা হবে। এই আধুনিক কৃত্রিম অঙ্গগুলো সাধারণত সেন্সর এবং মাইক্রোপ্রসেসরের সাহায্যে কাজ করে।

ম্যাকফলের এই গবেষণাটি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য বড় সুবিধা নিয়ে আসতে পারে। এটি হালকা এবং সহজে মানিয়ে নেওয়া যায় এমন কৃত্রিম অঙ্গ তৈরির নকশায় সাহায্য করবে। এছাড়া হাড়ের ক্ষয় ও পেশি কমে যাওয়ার মতো শারীরিক সমস্যাগুলো বুঝতে এটি অবদান রাখবে। অঙ্গ হারানোদের পুনর্বাসন প্রক্রিয়া আরও উন্নত করতে এই গবেষণা পথ দেখাবে।

বিজ্ঞানের লক্ষ্য ছাড়াও ম্যাকফল মনে করেন এই অভিযান প্রতিবন্ধী মানুষের কাজের পরিধি সম্পর্কে প্রচলিত ধারণা বদলে দেবে। তিনি বলেন, আমরা দেখাতে চাই যে, শারীরিক প্রতিবন্ধীরাও নভোচারী হতে পারেন। আমরা প্রমাণ করেছি যে, এটি সম্ভব এবং সুযোগ দিলে তারাও সমান পারদর্শী।

ইউকে স্পেস এজেন্সি এই অভিযানের জন্য তহবিল সংগ্রহে ভাস্টকে সহায়তা করবে। ম্যাকফল ও অন্য নভোচারীরা স্পেসএক্সের ক্রু ড্রাগন ক্যাপসুলে করে ফ্যালকন ৯ রকেটের মাধ্যমে হেভেন-১ স্টেশনে যাবেন। এছাড়া আগামী বছর আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে (আইএসএস) ভাস্টের একটি ব্যক্তিগত অভিযানে অংশ নেওয়ার বিকল্প সুযোগও তার রয়েছে।

৪৫ বছর বয়সী ম্যাকফল ১৯ বছর বয়সে একটি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় তার ডান পা হারান। হাসপাতাল ছাড়ার পর তিনি খেলাধুলায় মনোযোগ দেন এবং ২০০৮ সালের বেইজিং প্যারালিম্পিকে ১০০ মিটার দৌড়ে ব্রোঞ্জ জেতেন। পরে তিনি একজন অর্থোপেডিক সার্জন হিসেবে যোগ্যতা অর্জন করেন। ২০২২ সালে তিনি ইসার ‘ফ্লাই’ প্রকল্পের জন্য নির্বাচিত হন।

ম্যাকফল বলেন, একজন ভালো নভোচারী হওয়া এবং নিজের কাজ সঠিকভাবে করা আমার মূল অগ্রাধিকার। আমি এটিকে কোনো প্রচারণার অংশ বানাতে চাই না। আমি একজন পথপ্রদর্শক হিসেবে নতুন কিছু করতে পেরে আনন্দিত। তবে সবার আগে আমি এমন কাজ করতে চাই যা মহাকাশ বিজ্ঞান এবং পৃথিবীর সমাজ উভয়ের জন্য মূল্যবান হয়।

এই অভিযান সফল হলে ২০১৬ সালের পর ম্যাকফল হবেন মহাকাশে যাওয়া প্রথম ব্রিটিশ নাগরিক। তার এই যাত্রাকে অন্তর্ভুক্তিমূলক মানব মহাকাশ অভিযানের জন্য একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত হিসেবে দেখা হচ্ছে। সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

/আবরার জাহিন

থিয়েনচিনের বুদ্ধিমান শিল্প প্রদর্শনীতে নতুন যা দেখা গেল

প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ০৫:৩০ পিএম
আপডেট: ০৬ জুন ২০২৬, ০৪:৪৫ পিএম
থিয়েনচিনের বুদ্ধিমান শিল্প প্রদর্শনীতে নতুন যা দেখা গেল
থিয়েনচিনে হয়ে গেল ২০২৬ বিশ্ব বুদ্ধিমান শিল্প এক্সপো

চীনের উত্তরাঞ্চলীয় থিয়েনচিনে হয়ে গেল ২০২৬ বিশ্ব বুদ্ধিমান শিল্প এক্সপো। চার দিনের এই আয়োজন যৌথভাবে আয়োজন করেছে থিয়েনচিন ও ছোংছিং প্রশাসন। স্মার্ট ইন্ডাস্ট্রি খাতে ক্ষেত্রে জ্ঞান বিনিময়, প্রযুক্তিগত সহযোগিতা এবং বাণিজ্যিক অংশীদারত্ব গড়ে তোলার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করছে এই প্রদর্শনী।

 

 

এবারের বুদ্ধিমান শিল্প প্রদর্শনীতে ছিল ছয়টি থিমভিত্তিক অঞ্চল—যার মধ্যে ছিল কোর এআই প্রযুক্তি, এমবডিড ইন্টেলিজেন্স ও স্মার্ট লিভিং। পাশাপাশি ছিল একটি নিমজ্জিত অভিজ্ঞতা অর্জনের অঞ্চল, যেখানে স্মার্ট প্রযুক্তির সবচেয়ে সর্বাধুনিক উদ্ভাবন ও পণ্য প্রদর্শিত হয়েছে।

থিয়েনচিন মিউনিসিপ্যাল ব্যুরোর শিল্প ও তথ্য প্রযুক্তি গবেষণা অফিসের পরিচালক শেন মামাও জানালেন, ‘এই বছরের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো এটি একই সঙ্গে পেশাদার ও সর্বজনীন। একজন পেশাদার ক্রেতা কিংবা একজন বিজ্ঞানী—উভয়েই এখানে তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী প্রযুক্তি খুঁজে পাবেন।’

এক্সপোয় অংশ নিয়েছিল ফরচুন গ্লোবাল-৫০০ কোম্পানির ২৮টি প্রতিষ্ঠান, ৩৭টি চীনের শীর্ষ ৫০০ প্রতিষ্ঠান এবং ৪০০টিরও বেশি স্মার্ট ইন্ডাস্ট্রি কোম্পানি।

এবারের আয়োজনে আরও ছিল এআই থিম ডে, এন্টারপ্রাইজ ইকোলজি কনফারেন্স, বাজারভিত্তিক ফোরাম, ব্র্যান্ড প্রতিযোগিতা, বিনিয়োগ প্রচার এবং চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান। এক্সপো চলাকালে থিয়েনচিনে ৮৫টি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

কাঠামোনির্ভর বুদ্ধিমত্তা বা এমবডিড এআই, মূল এআই প্রযুক্তি, বুদ্ধিমান সংযুক্ত যানবাহন, নিম্ন-উচ্চতার অর্থনীতি ও বাণিজ্যিক মহাকাশ অনুসন্ধান, ইন্টেলিজেন্ট ম্যানুফ্যাকচারিং এবং স্মার্ট লিভিং-এর জন্য ছয়টি বিশেষ জোন ছিল প্রদর্শনীতে।

 

 

নজর কেড়েছে এমন কিছু রোবট, যেগুলো কফি তৈরি, সকালের নাস্তা বানানো, রান্না করা ও ক্লাসিক্যাল চীনা বোর্ড গেম ‘গো’ খেলতে পারে। এমনকি বক্সিং করতে সক্ষম রোবটও ছিল এতে। আরেকটি বিশেষ আকর্ষণ ছিল সিঁড়ি বেয়ে উঠতে সক্ষম একটি হুইলচেয়ার।

স্মার্ট ম্যানুফ্যাকচারিং, নিম্ন-উচ্চতার অর্থনীতি এবং ইন্টেলিজেন্ট টার্মিনালের মতো ক্ষেত্রগুলোর উদ্ভাবনী সাফল্যও তুলে ধরা হয়। প্রদর্শনী এলাকায় ছিল বেশ কয়েকটি ব্রেইন-কম্পিউটার-ইন্টারফেস (বিসিআই) পণ্য। এগুলোয় ছিল স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ, চোখ পরীক্ষা, খেলাধুলায় সহায়তা এবং পুনর্বাসন প্রশিক্ষণের সুবিধা।

 

 

হাইহ্য ব্রেইন-কম্পিউটার ইন্টারঅ্যাকশন গবেষণাগার ও মানব-যন্ত্র সমন্বিতকরণ বিভাগের উপ-পরিচালক লিউ সিয়ুইয়ুন জানালেন, ‘মস্তিষ্ক-কম্পিউটার ইন্টারফেস একটি বহুশাস্ত্রীয় গবেষণার ক্ষেত্র। আমাদের বিভিন্ন শাখার বিজ্ঞানীদের একত্রিত হয়ে মতামত বিনিময় করে নতুন ধারণা তৈরি করতে হবে এবং এই ক্ষেত্রে অত্যাধুনিক প্রযুক্তিকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।’

মস্তিষ্কের প্রযুক্তি শিল্পের ভবিষ্যৎ কোন দিকে যাচ্ছে, তা জানতে শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের বিশেষজ্ঞদের এক ছাদের নিচে এনেছে এই এক্সপো। সূত্র: সিএমজি

মহাকাশভিত্তিক সৌরবিদ্যুতে নজর চীনের

প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ০৫:২১ পিএম
আপডেট: ০৬ জুন ২০২৬, ০৪:৪৬ পিএম
মহাকাশভিত্তিক সৌরবিদ্যুতে নজর চীনের
দীর্ঘমেয়াদে এই প্রযুক্তির মাধ্যমে মহাকাশ থেকে তারবিহীন পদ্ধতিতে সরাসরি পৃথিবীতে বিদ্যুৎ পাঠানো সম্ভব হবে।

বিশ্ব সৌরশক্তি খাতে নিজেদের নেতৃত্ব আরও শক্তিশালী করতে চীনের শীর্ষস্থানীয় ফোটোভোল্টাইক কোম্পানিগুলো এখন মহাকাশভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন প্রযুক্তিতে নজর দিচ্ছে। মঙ্গলবার শাংহাইয়ে অনুষ্ঠিত ১৯তম আন্তর্জাতিক ফোটোভোল্টাইক বিদ্যুৎ উৎপাদন ও স্মার্ট এনার্জি সম্মেলন ও প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ১৩টি শীর্ষ সৌর ও প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে স্পেস এনার্জি ডেভেলপমেন্ট অ্যালায়েন্স গঠন করা হয়।

জোটটির লক্ষ্য সৌরবিদ্যুৎ, শক্তি সঞ্চয়, হাইড্রোজেন শক্তি, কম্পিউটিং এবং চার্জিং প্রযুক্তিকে একত্রিত করে মহাকাশ শিল্প ও সবুজ জ্বালানি খাতের মধ্যে সমন্বয় গড়ে তোলা।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল ও দিন-রাতের সীমাবদ্ধতা ছাড়াই মহাকাশে সৌরশক্তি সংগ্রহ করা সম্ভব। একই সঙ্গে পুনঃব্যবহারযোগ্য রকেট প্রযুক্তির উন্নতির কারণে উৎক্ষেপণ ব্যয়ও কমছে, যা মহাকাশভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পকে অর্থনৈতিকভাবে বাস্তবসম্মত করে তুলছে।

বিকিরণ-প্রতিরোধী প্রযুক্তির পরীক্ষাগুলো সফল হলে আগামী ৫ থেকে ১০ বছরের মধ্যে মহাকাশে সৌরবিদ্যুতের বাস্তব প্রয়োগ শুরু হতে পারে বলে জানান তারা।

দীর্ঘমেয়াদে এই প্রযুক্তির মাধ্যমে মহাকাশ থেকে তারবিহীন পদ্ধতিতে সরাসরি পৃথিবীতে বিদ্যুৎ পাঠানো সম্ভব হবে। এতে দীর্ঘ বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন বা গ্রিডের প্রয়োজন কমে যাবে এবং দুর্গম এলাকায় দ্রুত বিদ্যুৎ সরবরাহ করা যাবে। সূত্র: সিএমজি

ভুট্টায় প্রোটিন বাড়ানোর জিন আবিষ্কার

প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ০৩:৩০ পিএম
আপডেট: ০৬ জুন ২০২৬, ০৪:৪৭ পিএম
ভুট্টায় প্রোটিন বাড়ানোর জিন আবিষ্কার
ছবি চায়না ডেইলি

চীনের বিজ্ঞানীরা ভুট্টায় প্রোটিন উৎপাদন বাড়াতে সহায়ক একটি গুরুত্বপূর্ণ জিন শনাক্ত করেছেন। গবেষকদের মতে, এই আবিষ্কার ভুট্টার পুষ্টিমান উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াবে এবং পশুখাদ্যের জন্য আমদানিকৃত সয়াবিনের ওপর চীনের নির্ভরতাও কমাবে।

চীনের বিজ্ঞান একাডেমির সেন্টার ফর এক্সেলেন্স ইন মলিকুলার প্ল্যান্ট সায়েন্সেস, শাংহাইয়ের নরমাল বিশ্ববিদ্যালয় এবং সিছুয়ান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ গবেষণা দলের ১৫ বছরের গবেষণার ফলাফল বুধবার বিজ্ঞান সাময়িকী নেচারে প্রকাশিত হয়েছে।

গবেষণায় দেখা গেছে, নতুন আবিষ্কৃত টিএইচপি৩-টি নামের জিনটি ২০২২ সালে আবিষ্কৃত টিএইচি৯-টি নামের আরেকটি জিনের সঙ্গে একত্রে ব্যবহার করলে সাধারণ ভুট্টার প্রোটিনের পরিমাণ ১০ শতাংশ থেকে ১৫ শতাংশে উন্নীত করা সম্ভব। একই সঙ্গে চীনে ব্যাপকভাবে চাষ হওয়া বাণিজ্যিক হাইব্রিড ভুট্টার প্রোটিনের পরিমাণ ৮ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে ১২–১৩ শতাংশে উন্নীত হতে পারে।

গবেষক উ ইয়োংরুই জানান, টিএইচপি৩-টি জিনটি নাইট্রোজেন বিপাক প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি উদ্ভিদকে আরও দক্ষতার সঙ্গে নাইট্রোজেন গ্রহণ ও ব্যবহার করতে সাহায্য করে, ফলে বেশি অ্যামিনো অ্যাসিড ও প্রোটিন উৎপাদন সম্ভব হয়।

গবেষণায় আরও বলা হয়েছে, এই দুই জিন একসঙ্গে কাজ করলে ভুট্টা কম নাইট্রোজেনযুক্ত মাটিতেও উচ্চ প্রোটিন উৎপাদন করতে পারে। এতে রাসায়নিক সার ব্যবহারের প্রয়োজনও কমবে। বর্তমানে চীনে পশুখাদ্যে ব্যবহৃত প্রোটিনের প্রধান উৎস সয়াবিন, যার প্রায় ৮০ শতাংশই চীন আমদানি করে। 

বিশেষজ্ঞদের হিসাব অনুযায়ী, যদি সারা দেশে পশুখাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত ভুট্টার প্রোটিনের পরিমাণ গড়ে ৪ শতাংশ বাড়ানো যায়, তাহলে বছরে প্রায় ৩ কোটি টন সয়াবিন আমদানির প্রয়োজন কমে যেতে পারে।

গবেষকদের মতে, উচ্চ প্রোটিন ভুট্টা পশুখাদ্যে ব্যবহৃত সয়াবিন মিলের ৫০ থেকে ১০০ শতাংশ পর্যন্ত প্রতিস্থাপন করতে পারবে। হাঁস-মুরগির খামারেও সয়াবিনের ব্যবহার উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব হবে। সূত্র: চায়না ডেইলি