ঢাকা ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, রোববার, ১৪ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার পাঠ থেকে ৪টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও উত্তর, ২য় পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বাংলা সিরাজগঞ্জ আদালতে আত্মসমর্পণ করলেন এমপি আমির হামজা জনগণের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে বড় পরিবর্তন আসছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে ‘কালো মানিক’ উপহার দেওয়া সেই সোহাগ মৃধা গ্রেপ্তার বৃদ্ধাশ্রম নয়, পরিবারই হোক নিশ্চিত আশ্রয় ইসলামী ব্যাংককে ২৫০০ কোটি টাকা ধার দিল বাংলাদেশ ব্যাংক আল্লাহর ভালোবাসা পাওয়ার চার শর্ত সাবেক আইজিপি বেনজীর গ্রেপ্তার ঝিনাইদহে দুর্নীতি বিরোধী চিত্রাংকন ও রচনা প্রতিযোগিতা মিরপুরে মাদরাসার সাইনবোর্ড লাগানোর সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে শিক্ষার্থীসহ দগ্ধ ৩ ইংল্যান্ড দলের চুরি যাওয়া সরঞ্জাম উদ্ধার প্রাথমিক শিক্ষক বদলিতে বড় সংস্কার জাপানিজ সমর্থকরা কেন স্টেডিয়াম পরিষ্কার করেন? জামালপুরে মানববন্ধনে শিশুশ্রমকে লাল কার্ড প্রদর্শন ইন্টারনেট সেবাদাতাদের কার্যালয়ে হামলা-দখলের নিন্দা, শাস্তির দাবি আইএসপিএবির টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মাদকের আখড়া মুন্সীগঞ্জে স্কুলছাত্রী ও তার মাকে হত্যার চেষ্টা, গ্রেপ্তার ১ এনএসইউ ট্রাস্টি বেনজীর আহমেদ ফের সাউথ এশিয়া রিজিওনাল কাউন্সিলের কোষাধ্যক্ষ ফরিদপুরে ট্রাক-মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে যুবক নিহত সিলেটে হাম উপসর্গে আরও ১ শিশুর মৃত্যু খুলনায় মসজিদে ঢুকে ২ মুসল্লিকে গুলি কু‌ড়িগ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ব্যবসায়ীর মৃত্যু ঈশ্বরদীতে ব্রাজিল-মরক্কো খেলা দিয়ে বিশ্বকাপ ফুটবল উত্তেজনা শুরু ময়মনসিংহ মেডিকেলে হাম উপসর্গে প্রাণ গেল আরও ১ শিশুর ইনজুরি নিয়ে শঙ্কিত নয় মরক্কো বেনাপোল বন্দরে ন্যায্য মজুরির দাবিতে শ্রমিকদের কর্মবিরতি স্থগিত এনড্রিককে নিয়ে প্রশ্ন এড়িয়ে গেলেন আনচেলত্তি আরাগচির বিরুদ্ধে তেহরানে বিক্ষোভ ব্যাপন, অভিস্রবণ ও প্রস্বেদন অধ্যায়ের ৯টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান হাতিয়ায় কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে ওসি প্রত্যাহার
Nagad desktop

মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও কারাবন্দি সাংবাদিকদের মুক্তির দাবিতে ৯৩ সাংবাদিকের বিবৃতি

প্রকাশ: ০১ জুন ২০২৬, ০৬:০৫ পিএম
মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও কারাবন্দি সাংবাদিকদের মুক্তির দাবিতে ৯৩ সাংবাদিকের বিবৃতি
প্রতীকী ছবি

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে করা মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহার এবং কারাবন্দি সাংবাদিকদের মুক্তির দাবিতে যৌথ বিবৃতি দিয়েছেন ৯৩ জন সাংবাদিক।

সোমবার (১ জুন) বেঙ্গল নিউজ টোয়েন্টিফোর এর সম্পাদক তৈমুর ফারুক তুষার স্বাক্ষরিত ওই বিবৃতিতে বলা হয়, গণমাধ্যম ও সাংবাদিকদের প্রতি দমন-পীড়নের যে সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে, তার ধারাবাহিকতা এখনও অব্যাহত রয়েছে। সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তার ও বিভিন্ন ধরনের হয়রানির ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে তারা বলেন, কারাবন্দি সাংবাদিকদের মুক্তি এবং মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা হচ্ছে না।

বিবৃতিদাতারা মনে করেন, সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনের কারণে তাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা, গ্রেপ্তার ও হয়রানি মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতার জন্য গুরুতর হুমকি। 

তারা অবিলম্বে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার, কারাবন্দি সাংবাদিকদের মুক্তি এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার দাবি জানান।

সাংবাদিকরা বলেন, বাংলাদেশে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে বানোয়াট ও হয়রানিমূলক মামলা, গ্রেপ্তার, পেশাগত নিপীড়ন এবং ভীতিকর পরিবেশ সৃষ্টির প্রবণতায় কোনো দৃশ্যমান পরিবর্তন ঘটেনি। প্রায় প্রতিদিনই সাংবাদিকরা সরকার ও তাদের সমর্থকদের প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষ চাপ ও নিপীড়নের শিকার হচ্ছেন। অনেক সাংবাদিক বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন, কেউ চাকরি হারিয়েছেন, আবার কেউ গ্রেপ্তার এড়াতে আত্মগোপনে থাকতে বাধ্য হয়েছেন। এসব ক্ষেত্রে আইন ও বিচারব্যবস্থার অপব্যবহারের অভিযোগও ক্রমেই বাড়ছে।

বিবৃতিতে বলা হয়,  কারাবন্দি সাংবাদিক মোজাক্কেল বাবু ও ফারজানা রূপার বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে (আইসিটি) অভিযোগ আনা হয়েছে, যা দেশ-বিদেশে ব্যাপক উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। 

গত ২১ মে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এক বিবৃতিতে এ বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে। 

সংস্থাটির দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের পরিচালক স্মৃতি সিং বলেন, “বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের উচিত সাংবাদিকদের পেশাগত কাজের কারণে তাদের বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ প্রত্যাহার করা। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার বাধ্যবাধকতা অনুযায়ী গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং মতপ্রকাশের অধিকার রক্ষা ও নিশ্চিত করতে হবে।”

বিবৃতিতে জানানো হয়, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা হত্যা মামলাসহ বিভিন্ন ধরনের নিপীড়নমূলক মামলা, হয়রানি ও গ্রেপ্তারের ঘটনায় ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক ও জাতীয় পর্যায়ের বিভিন্ন সংগঠন উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। কমিটি টু প্রোটেক্ট জার্নালিস্টস (সিপিজে), রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডারস (আরএসএফ) এবং ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশসহ বিভিন্ন সংগঠন ও প্রতিষ্ঠান এ বিষয়ে বক্তব্য দিয়েছে।

দেশ-বিদেশে কর্মরত শতাধিক সাংবাদিকের পক্ষ থেকেও একাধিকবার বিবৃতি প্রদান করা হয়েছে। গত ১৭ মে সম্পাদক পরিষদ প্রধান উপদেষ্টার কাছে বিভিন্ন মামলায় অভিযুক্ত ২৮২ জন সাংবাদিকের তালিকা জমা দেয়। 

সম্পাদক পরিষদের তথ্য অনুযায়ী, ৯৪ জন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন হত্যা মামলার অভিযোগ আনা হয়েছে। কিন্তু এসব মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানানো হলেও পরিস্থিতির কোনো দৃশ্যমান উন্নতি পরিলক্ষিত হচ্ছে না বলেও উল্লেথ্য করা হয়। 

এমন পরিস্থিতিতে আমরা মনে করি, সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনের কারণে তাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা, গ্রেপ্তার ও হয়রানি মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার জন্য গুরুতর হুমকি। একটি গণতান্ত্রিক সমাজে স্বাধীন সাংবাদিকতা অপরিহার্য উল্লেখ্য করে বিবৃতিদ্বাতারা ৬ টি দাবি তোলেন।

এর মধ্যে রয়েছে, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে করা সব মিথ্যা, হয়রানিমূলক ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে। কারাবন্দি সাংবাদিকদের দ্রুত ও নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে।  সাংবাদিকদের পেশাগত কর্মকাণ্ডকে অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করার প্রবণতা বন্ধ করতে হবে। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, মতপ্রকাশের অধিকার এবং সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার মানদণ্ড এবং বাংলাদেশের সাংবিধানিক অঙ্গীকার অনুযায়ী সাংবাদিকদের অধিকার ও স্বাধীনতা সুরক্ষিত করতে হবে। সাংবাদিকদের অধিকার ও দাবি-দাওয়া আদায়ে গুরুত্বপূর্ণ সংগঠন ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) কার্যক্রম পরিচালনার পূর্ণ সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে।

বিবৃতিটি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কর্মরত ৯৩ জন বাংলাদেশি সাংবাদিকের স্বাক্ষরে প্রকাশিত হয়েছে। তারা হলেন- শামীম চৌধুরী, সিনিয়র সাংবাদিক, বিবিসি বাংলার সাবেক প্রধান;  সৈয়দ বদরুল আহসান, সাংবাদিক, রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও লেখক; মঞ্জরুল ইসলাম, সিনিয়র সাংবাদিক; ফরিদা ইয়াসমিন, সাবেক সভাপতি, জাতীয় প্রেসক্লাব; আবু মুসা হাসান, সাবেক প্রেস মিনিস্টার, যুক্তরাজ্য; আশেকুন নবী চৌধুরী, সম্পাদক প্রটেক্ট বাংলাদেশ ও সাবেক প্রেস মিনিস্টার, যুক্তরাজ্য; শাবান মাহমুদ, সাবেক মহাসচিব, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন; মাসুদা ভাট্টি, সিনিয়র সাংবাদিক, লন্ডন; ফজলুল বারী, সিনিয়র সাংবাদিক, সিডনি অস্ট্রেলিয়া; মহিউদ্দিন সরকার, সম্পাদক দৈনিক জাগো বাংলা (যুক্তরাজ্য প্রবাসী); তৌফিক মারুফ, নেদারল্যান্ড প্রবাসী সিনিয়র সাংবাদিক; সাইফুল্লাহ মাহমুদ দুলাল, কানাডা প্রবাসী সিনিয়র সাংবাদিক।

দস্তগীর জাহাঙ্গীর, যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী সিনিয়র সাংবাদিক; লাভলু আনসারী, যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী সিনিয়র সাংবাদিক; খন্দকার ইসমাইল, কানাডা প্রবাসী সাংবাদিক; সাজ্জাদ হোসেন সবুজ, সাবেক প্রেস মিনিস্টার, ওয়াশিংটন ডিসি; শামীমা আক্তার দোলা, যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী সিনিয়র সাংবাদিক; ইবতেসাম নাসিম মৌ, সিনিয়র সাংবাদিক; তৈমুর ফারুক তুষার, সম্পাদক, বেঙ্গল নিউজ২৪ ডটকম; ফারজানা শোভা, যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী সিনিয়র সাংবাদিক; জুনায়েদ শাহরিয়ার, যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী সিনিয়র সাংবাদিক; অহিদুল ইসলাম, যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী সিনিয়র সাংবাদিক; মাইনুল ইসলাম, যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী সিনিয়র সাংবাদিক; আপেল মাহমুদ, সিনিয়র সাংবাদিক, টিবিএন২৪; মোহাম্মদ শামীম, যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী সাংবাদিক; রুহুল আমিন তুহিন, সিনিয়র সাংবাদিক; মুশফিকুর রহমান, যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী সিনিয়র সাংবাদিক; এসকে রেজা পারভেজ, সাবেক চিফ রিপোর্টার, রাইজিংবিডি.কম (যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী); শহিদুল হক জীবন, সাধারণ সম্পাদক, টেলিভিশন ক্যামেরা জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন; হাকিকুল ইসলাম খোকন, সভাপতি, আমেরিকান প্রেস ক্লাব অব বাংলাদেশ অরিজিন; শহিদুল হাসান খোকন, ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক।

ড. প্রদীপ রায়, সম্পাদক, ওটিএন বাংলা, মেলবোর্ন অস্ট্রেলিয়া; শতদল তালুকদার, রিপোর্টার, ওটিএন বাংলা, সিডনি অস্ট্রেলিয়া; সুরঞ্জিত বিশ্বাস সুমন, রিপোর্টার, ওটিএন বাংলা, ডারউইন অস্ট্রেলিয়া; নাজমুল হাসান রাজ, সিনিয়র সাংবাদিক, ভয়েস অব সিডনি; ঊর্মি মাজহার, সিনিয়র সাংবাদিক, লন্ডন; সৈয়দ আনাস পাশা, সম্পাদক, সত্যবাণী; হামিদ মোহাম্মদ, সিনিয়র সাংবাদিক এ কবি, লন্ডন; সুজাত মনসুর, সাংবাদিক কলামিস্ট গবেষক; দিলু নাসের, সাংবাদিক এবং কবি, লন্ডন; সামির মাহামুদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সিলেট জেলা প্রেসক্লাব; সাঈম চৌধুরী, সম্পাদক, বিলেত; আহাদ চৌধুরী বাবু, সিনিয়র সাংবাদিক, লন্ডন; সুবাস দাশ, সিনিয়র সাংবাদিক, লন্ডন; সুশান্ত দাশ গুপ্ত, সম্পাদক এবং প্রকাশক, দৈনিক আমার হবিগঞ্জ। 

মিল্টন রহমান, সিনিয়র সাংবাদিকও কবি; তানভীর  আহমেদ, প্রধান সম্পাদক, পলিটিকা নিউজ, লন্ডন; জুয়েল রাজ, সম্পাদক ও প্রকাশক, ব্রিকলেন নিউজ, লন্ডন; কামরুল আই রাসেল, রিপোর্টার, চ্যানেল এস, লন্ডন; আফজাল হোসেন, সম্পাদক, আই নিউজ, লন্ডন; ঈশা খান রাশেদ, হেড অব মাল্টিমিডিয়া, আই নিউজ, লন্ডন; আমিনুল হক ওয়েস, সিইও, ফোকাস টিভি, ম্যানচেস্টার; আজিজুল আম্বিয়া, সভাপতি, যুক্তরাজ্য অনলাইন প্রেসক্লাব; অপু রায়, গ্রাফিক্স ও ওয়েব পরিচালক, ব্রিকলেন নিউজ, লন্ডন; শাহ মোস্তাফিজুর রহমান বেলাল, সম্পাদক, ব্রিজবাংলা নিউজ, ইউকে; সুয়েজ মিয়া, সম্পাদক, ভয়েজ অব টাওয়ার হ্যামলেটস, লন্ডন; অর্জুন মান্না, সম্পাদক, এনইনিউজ, ইউকে; সুমন দেবনাথ, সাংবাদিক কলামিস্ট হল হাম্বার; প্রশান্ত দাশ সুশান্ত, সাংবাদিক ও কলামিস্ট, লন্ডন; মোহাম্মদ কলন্দর  তালুকদার, সাংবাদিক, ব্রেডফোর্ড; ড. আনিসুর রহমান আনিস, সাংবাদিক ও কলামিস্ট; আব্দুল কাদের চৌধুরী মুরাদ, সিনিয়র সাংবাদিক, লন্ডন; মকিস মনসুর, চেয়ারম্যান, ইউকে বিডি টিভি, ওয়েলস; আশরাফুল ওয়াহিদ দুলাল, সাংবাদিক, বার্মিংহাম; নাহিদ আহমেদ জায়গীদার, ফটোজার্নালিস্ট, লন্ডন; শাহ শামীম আহমদ, সিনিয়র সাংবাদিক ও কবি, ইউকে; আবুল আজাদ, সাংবাদিক, লিভারপুল; শেখ আছাবুর রহমান ছুরত, সিনিয়র সাংবাদিক, লিভারপুল; জিয়া উদ্দিন তালুকদার, সাংবাদিক, বার্মিংহাম; সৈয়দ সাদেক আহমেদ, সম্পাদক ৭১ নিউজ, ওল্ডহ্যাম; মিজানুর রহমাম মিরু, টিভি প্রেজন্টার, ইউকে; মুকিত চৌধুরী সেতু, চেয়ারম্যান, টিভি ২১, ইউকে; নুরুন্নবী আলী, সম্পাদক, এনএল ২৪, ইউকে; সৈয়দ হিলাল সাঈফ, সাংবাদিক ও ছড়াকার, ইউকে; আলী বেবুল, বিশেষ প্রতিনিধি, ম‍্যাপ টিভি, ইউকে; অভিষেক জিকু, সাংবাদিক, লন্ডন। 

রুমি হক, সাংবাদিক, স্বদেশ বিদেশ, লন্ডন; পলিন রহমান, সাংবাদিক এ কলামিস্ট, ইউকে; ড. জয়নুল আবেদিন রোজ, দৈনিক বাংলাদেশ সমাচার; সোহেল সরকার, দৈনিক সোনালী সময়; সারোয়ার কবির, সাংবাদিক, লন্ডন; আবু সুফিয়ান, সাংবাদিক, লন্ডন; জুবায়ের আহমেদ, সাবেক ডিবিসি প্রতিনিধি, লন্ডন; আবু সাঈদ চৌধুরী সাদী, সাংবাদিক, লিভারপুল; অধ্যাপক অপু আলম, সম্পাদক ও প্রকাশক,  প্রবাসে বাংলা (ফ্রান্স); দেবেশ বড়ুয়া, সভাপতি, ফ্রান্স বাংলা প্রেসক্লাব; খালেদ গোলাম কিবরিয়া, উপদেষ্টা সম্পাদক, দেশপ্রিয় নিউজ (ফ্রান্স); চৌধুরী মারূফ অমিত, প্রকাশক ও সম্পাদক, মতামত ডটকম; মো. শামসুল আরিফ, ফ্রান্স প্রতিনিধি, প্রাণের ৭১ নিউজ ডটকম; কমরেড খোন্দকার, সাবেক সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব, ইতালি; ছালাহ উদ্দিন, সম্পাদক, স্পেন বাংলা নিউজ টোয়েন্টিফোর; সোহেল মজুমদার শিপন, সম্পাদক ও প্রকাশক, দেশপ্রিয় নিউজ (ইতালি); সৈয়দ নুর-ই আলম, সিনিয়র সাংবাদিক, নিউ লাইভ ইন আজারবাইজান।

অমিয়/

ফেনীর প্রবীণ সাংবাদিক ওছমান হারুন মাহমুদ দুলাল আর নেই

প্রকাশ: ০৯ জুন ২০২৬, ১০:৩৭ এএম
আপডেট: ০৯ জুন ২০২৬, ১০:৫৯ এএম
ফেনীর প্রবীণ সাংবাদিক ওছমান হারুন মাহমুদ দুলাল আর নেই
ওছমান হারুন মাহমুদ দুলাল

ফেনীর প্রবীণ সাংবাদিক, এনটিভি ও দৈনিক জনকণ্ঠের সাবেক জেলা প্রতিনিধি ওছমান হারুন মাহমুদ দুলাল আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।  

মঙ্গলবার (৯ জুন) ভোরে ফেনী ডায়াবেটিক হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৭ বছর। তিনি স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়েসহ আত্মীয়-স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষী রেখে গেছেন।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে তিনি দুরারোগ্য ক্যানসার আক্রান্ত ছিলেন। মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ফেনী ডায়াবেটিক হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

আজ বাদ জোহর ফেনীর ঐতিহাসিক মিজান ময়দানে তার জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। 

ওছমান হারুন মাহমুদ দুলাল দীর্ঘ তিন দশকের বেশি সময় ধরে ফেনীর জনপদে সাংবাদিকতা করেছেন। তার মৃত্যুতে জেলার সাংবাদিক, রাজনৈতিক অঙ্গনসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ শোক জানিয়েছেন। 

তোফায়েল আহাম্মদ/খাদিজা রুমি/

বাংলাদেশ অ্যাগ্রো-ইন্ডাস্ট্রি মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড পেলেন ৭ সাংবাদিক

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ১০:৫৪ এএম
আপডেট: ০৭ জুন ২০২৬, ১১:০৩ এএম
বাংলাদেশ অ্যাগ্রো-ইন্ডাস্ট্রি মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড পেলেন ৭ সাংবাদিক
পুরস্কারপ্রাপ্ত সাত সাংবাদিক। ছবি: বিজ্ঞপ্তি
দেশের কৃষি ও কৃষি প্রক্রিয়াজাত শিল্পখাতের ওপর বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশের স্বীকৃতি হিসেবে বাংলাদেশ অ্যাগ্রো-ইন্ডাস্ট্রি মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড-২০২৫ পেয়েছেন বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাত সাংবাদিক।
 
শনিবার (৬ জুন) রাজধানীর গুলশানে এমসিসিআই কনফারেন্সরুমে এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে তাদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।
 
প্রিন্ট বিভাগে পুরস্কার পেয়েছেন দ্য ডেইলি স্টারের সুকান্ত হালদার, দ্য ডেইলি সানের রফিকুল ইসলাম ও এম মুনির হোসেন। 
 
টেলিভিশন বিভাগে পুরস্কার পেয়েছেন চ্যানেল ২৪-এর দেলাওয়ার হোসেন দোলন ও একাত্তর টিভির রাকিব হোসেন।
 
অনলাইন বিভাগে পুরস্কার পেয়েছেন জাগো নিউজ ২৪-এর নাজমুল হোসেন ও একুশে পত্রিকা ডটকমের শরিফুল রুকন।
 
বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।
 
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজ।
 
প্রাণ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইলিয়াছ মৃধা, প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের বিপণন পরিচালক কামরুজ্জামান কামাল এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
 
দেশের কৃষি ও কৃষি প্রক্রিয়াজাত খাতে অবদান রাখা সাংবাদিকদের সম্মাননা জানাতে প্রথমবারের মতো ‘বাংলাদেশ অ্যাগ্রো-ইন্ডাস্ট্রি মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড’ প্রবর্তন করেছে দেশের কৃষি প্রক্রিয়াজাত শিল্পে নেতৃত্বদানকারী প্রতিষ্ঠান প্রাণ গ্রুপ।
 
এ উদ্যোগের মাধ্যমে ২০২৫ সালে কৃষি ও কৃষি প্রক্রিয়াজাত শিল্পখাতের ওপর প্রিন্ট, টেলিভিশন এবং অনলাইন বিভাগে প্রকাশিত বিশেষ প্রতিবেদনের ভিত্তিতে তিন সদস্যের জুরিবোর্ডের মূল্যায়নের মাধ্যমে সেরা সাত সাংবাদিককে নির্বাচিত করা হয়।
 
জুরিবোর্ডের সদস্য ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌস, বম্বে সুইটস এন্ড কোম্পানি লিমিটেডের জেনারেল ম্যানেজার খুরশিদ আহমেদ ফরহাদ এবং ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের আউটরিচ ও কমিউনিকেশন পরিচালক মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম।
 
অনুষ্ঠানে তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, “কৃষিভিত্তিক বাংলাদেশের অর্থনীতিতে কৃষি ও কৃষি-শিল্পের উন্নয়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রাণ গ্রুপকে ধন্যবাদ এ উদ্যোগের জন্য। এ ধরনের আয়োজন শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয়; বরং এর পেছনে রয়েছে সুপরিকল্পিত ও সুদূরপ্রসারী চিন্তা। দেশের জিডিপি, কর্মসংস্থান এবং সামগ্রিক অর্থনীতিতে কৃষির অবদান উল্লেখযোগ্য”।
 
পুরস্কারপ্রাপ্ত সাংবাদিকদের অভিনন্দন জানিয়ে তিনি অন্যান্য সাংবাদিকদেরও কৃষি অর্থনীতি ও কৃষি-শিল্পের সম্ভাবনা নিয়ে আরও অনুসন্ধানী প্রতিবেদন করার আহ্বান জানান। তিনি তথ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এসব প্রতিবেদন সংকলন করে সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারকদের কাছে সুপারিশ পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানান। তিনি বলেন, এ ধরনের উদ্যোগ শুধু সাংবাদিকদের নয়, দেশের অর্থনীতির জন্যও প্রণোদনা হিসেবে কাজ করে।
 
অনুষ্ঠানে ইলিয়াছ মৃধা বলেন, “কৃষি প্রক্রিয়াজাত খাত অত্যন্ত সম্ভাবনাময় একটি খাত। কৃষি নির্ভরশীল দেশে এ খাত সঠিক দিক নির্দেশনা পেলে দেশের অথনৈতিক উন্নয়নে আরও বড় ভূমিকা রাখতে পারে ও পোশাক শিল্পের পর রপ্তানিতে বড় খাত হয়ে উঠতে পারে।
 
বাংলাদেশ অ্যাগ্রো-ইন্ডাস্ট্রি মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড প্রদানের লক্ষ্য সাংবাদিকদের বাংলাদেশের কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাত শিল্পের সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জগুলো অন্বেষণে অনুপ্রাণিত করা। আমাদের আসিয়ানভুক্ত দেশ থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়ার মতো কৃষি প্রক্রিয়াজাত পণ্য রপ্তানি নিয়ে কাজের দারুণ সুযোগ রয়েছে।”
 
তিনি আরও বলেন, “কৃষি ও কৃষি প্রক্রিয়াজাত খাতের সাংবাদিকদের সম্মানিত করতে পেরে আমরা আজ অত্যন্ত আনন্দিত। সাংবাদিকরা আমাদের গুরুত্বপূর্ণ স্টেকহোল্ডার। তাদের লেখনি সবসময় আমাদের এগিয়ে যেতে সহায়তা করেছে। কৃষি ও কৃষি প্রক্রিয়াজাত খাতের উপর প্রতিবেদনে যেমন কৃষক উপকৃত হন, তেমনি দেশের কৃষি প্রক্রিয়াজাত খাতের ব্যবসায়ীরাও উপকৃত হন, পাশাপাশি দেশের অর্থনীতি এগিয়ে যেতে ব্যাপক ভূমিকা রাখে। বাজারজাতকরণে ও রপ্তানির ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জগুলো নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদন করা হলে এ খাত উপকৃত হবে।” ভবিষ্যতেও ধারাবাহিকভাবে ‘বাংলাদেশ অ্যাগ্রো-ইন্ডাস্ট্রি মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান করা হবে বলে জানান তিনি।
 
আমান/

হরিণাকুণ্ডুতে সাংবাদিককে হাতুড়ি দিয়ে হাত-পা ভেঙে গুরুতর জখম

প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ১০:০৫ এএম
আপডেট: ০৪ জুন ২০২৬, ১২:৫৯ পিএম
হরিণাকুণ্ডুতে সাংবাদিককে হাতুড়ি দিয়ে হাত-পা ভেঙে গুরুতর জখম
দৈনিক কালবেলা পত্রিকার উপজেলা প্রতিনিধি সবুজ শাহরিয়ার। ছবি: সংগৃহীত

ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডুতে দৈনিক কালবেলা পত্রিকার স্থানীয় উপজেলা প্রতিনিধি সবুজ শাহরিয়ারের ওপর নৃশংস সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় সন্ত্রাসীরা তাকে হাতুড়িপেটা করে তার একটি হাত ও একটি পা ভেঙে দিয়েছে এবং তার মাথায় গুরুতর আঘাতসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে নির্মমভাবে আঘাত করেছে।

বুধবার (৩ জুন) রাত ৯টার দিকে উপজেলার জোড়াদহ ইউনিয়নের বেলতলা গ্রামের সজিব ও ইসরাবের চায়ের দোকানের সামনে হামলার এ ঘটনা ঘটে।

আহত সাংবাদিকের ভাই সেলিম জানান, বুধবার রাতে তার ভাই সবুজ শাহরিয়ার বাড়ি ফিরছিলেন। এ সময় বেলতলা গ্রামের সজিব ও ইসরাবের চায়ের দোকানের সামনে পৌঁছালে বাবু চেয়ারম্যানের ক্যাডার রকি, সুজন, সার্জন ও সোহেলসহ ৭/৮ জন সাংবাদিক সবুজ শাহরিয়ার ওপর অতর্কিতভাবে হামলা চালায়। হামলাকারীরা লোহার হাতুড়ি দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি পেটাতে থাকে। এতে তার একটি হাত ও পা ভেঙে যায় এবং মাথায় গুরুতর জখম হয়। তার চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়।

পরে স্থানীয় লোকজন তাকে রক্তাক্ত ও গুরুতর আহত অবস্থায় তাৎক্ষণিকভাবে হরিণাকুণ্ডু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার মারাত্মক অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য রাত ১১টার দিকে তাকে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করেন। জোড়াদহ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান (ইউপি) জাহিদুল ইসলাম বাবুর নেতৃত্বে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

একজন সাংবাদিকের ওপর এমন নৃশংস হামলার ঘটনায় স্থানীয় সাংবাদিক সমাজ ও সুশীল সমাজের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে। সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

সহকর্মীরা অভিযোগ করেন, পেশাগত দায়িত্ব পালন বা কোনো সংবাদের জের ধরে এই পরিকল্পিত হামলা চালানো হয়ে থাকতে পারে। অবিলম্বে এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত নিশ্চিত করে হামলাকারী সন্ত্রাসীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।

আহত সাংবাদিক সবুজ শাহরিয়ারের ওপর হামলার ঘটনায় থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

পুলিশ জানিয়েছে, খবর পেয়ে রাতেই তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে অভিযান শুরু করেছেন।

মাহফুজুর রহমান/নাঈম

ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিলের আত্মপ্রকাশ

প্রকাশ: ০৩ জুন ২০২৬, ১০:১০ এএম
আপডেট: ০৩ জুন ২০২৬, ১০:৪৫ এএম
ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিলের আত্মপ্রকাশ
সম্পাদক শফিক রেহমান ও মাহমুদুর রহমান

সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষা, সাংবাদিকতার মানোন্নয়ন এবং সম্পাদকদের পেশাগত স্বার্থ সুরক্ষার লক্ষ্যে ন্যাশনাল এডিটরস কাউন্সিল বা এনইসি গঠন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২জুন) দৈনিক আমার দেশ কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বিভিন্ন দৈনিকের সম্পাদকরা এই কাউন্সিল গঠনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। বৈঠকে যায়যায়দিন সম্পাদক শফিক রেহমানকে আহ্বায়ক ও আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমানকে যুগ্ম আহ্বায়ক করে ১৩ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়।

এই কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন– নয়া দিগন্তের সম্পাদক সালাহ উদ্দিন মুহাম্মদ বাবর, কালের কণ্ঠ সম্পাদক হাসান হাফিজ, যুগান্তর সম্পাদক আবদুল হাই শিকদার, প্রতিদিনের বাংলাদেশ সম্পাদক মারুফ কামাল খান সোহেল, সংগ্রাম সম্পাদক আযম মীর শাহীদুল আহসান, নিউ নেশন সম্পাদক মোকাররম হোসেন, ওয়াদা সম্পাদক শফিকুল আলম, মানবকণ্ঠ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম, লোকসমাজ সম্পাদক শান্তনু ইসলাম সুমিত, ডেইলি পিপলস ভিউ সম্পাদক ওসমান গনি মনসুর ও জালালাবাদ সম্পাদক মুকতাবিস উন নূর।

বৈঠকে সংগঠনের গঠনতন্ত্র প্রণয়ন, সাংবাদিকদের পেশাগত উৎকর্ষ অর্জনের লক্ষ্যে প্রশিক্ষণ কর্মসূচি এবং যত দ্রুত সম্ভব জাতীয় ও আঞ্চলিক দৈনিকের সম্পাদকদের নিয়ে জাতীয় কনভেনশন আয়োজনের সিদ্ধান্ত হয়।

সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষায় প্রধানমন্ত্রীকে ১০ দফা সুপারিশ সিপিজের

প্রকাশ: ০৩ জুন ২০২৬, ০৯:২৪ এএম
আপডেট: ০৩ জুন ২০২৬, ১০:৪৬ এএম
সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষায় প্রধানমন্ত্রীকে ১০ দফা সুপারিশ সিপিজের
ছবি: সংগৃহীত

সাংবাদিকদের ওপর দলীয় নিপীড়নের চক্র ভেঙে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষার নির্বাচনি ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টস (সিপিজে)। 

গতকাল মঙ্গলবার সংস্থাটির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই আহ্বান জানিয়ে ১০ দফা সুপারিশ তুলে ধরা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ক্ষমতা গ্রহণের ১০০ দিন পূর্ণ হওয়ার পর এ সুপারিশ জানালো সংগঠনটি। 

সিপিজে এশিয়া-প্যাসিফিক প্রোগ্রামের সমন্বয়কারী কুনাল মজুমদার বলেন, বাংলাদেশে সংবাদপত্রের স্বাধীনতাকে প্রায়শই প্রতিটি নতুন সরকারের জন্য পূর্ববর্তী প্রশাসনের অনুসারী হিসেবে অভিযুক্ত সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে আইনকে ব্যবহার করার একটি সুযোগ হিসেবে দেখা হয়েছে। 

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার ভিন্ন হওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, কিন্তু ১০০ দিন পরও অর্থপূর্ণ অগ্রগতি সীমিত। 

তিনি আরও বলেন, ‘কারাবন্দি সাংবাদিকদের মুক্তি এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা প্রত্যাহারের মাধ্যমে সরকার কাজ শুরু করতে পারে। 

সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বন্ধ করা, সাংবাদিকদের মব ভায়োলেন্স থেকে রক্ষা করা, কুৎসা রটানো বন্ধ করা এবং যে আইনগুলোর কারণে এসব সম্ভব হচ্ছে তা সংশোধন করা প্রয়োজন।’

সিপিজে বলেছে, প্রত্যেকবার ক্ষমতার পরিবর্তনের সময় সাংবাদিকদের আটক, বিচার, নজরদারি, আক্রমণ এবং হেয়প্রতিপন্ন করা হয়েছে, যার বড় কারণ ছিল সদ্য পতন হওয়া সরকারের প্রতি তাদের কথিত আনুগত্য। 

এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে সিপিজে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা পুনরুদ্ধারে ১০টি প্রধান পদক্ষেপের পরামর্শ দিয়েছে। 

এগুলোর মধ্যে রয়েছে- সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থার ব্যবহার বন্ধ করা, সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ব্যবহার বন্ধ করা, রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে অপরাধের জবাবদিহি নিশ্চিত করা, মব ভায়োলেন্স থেকে সাংবাদিক ও নিউজরুম রক্ষা করা, সাইবার সুরক্ষা আইন-২০২৬ পরিবর্তন এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সাইবার ক্রাইম মামলা খারিজ করা, সন্ত্রাসবিরোধী আইন-২০০৯ সংস্কার করে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে এর ব্যবহার বন্ধ করা, খসড়া গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ প্রত্যাহার এবং মিডিয়া সংস্কার কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়ন, সাংবাদিকদের নীরব করতে ব্যবহৃত পুরোনো আইন এবং নজরদারি কাঠামো বাতিল বা সংশোধন, অ্যাক্রিডিটেশন ব্যবস্থার সংস্কার এবং হয়রানিমূলক মামলার বিরুদ্ধে সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে কুৎসা রটানো এবং হেয়প্রতিপন্ন করা বন্ধ করা।

তামান্না রুপা/