বাংলাদেশে বছরে ১ মিলিয়ন বা ১০ লাখ মেট্রিক টন তরল প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহ করবে যুক্তরাষ্ট্র ও কাতার। এ লক্ষ্যে গতকাল সোমবার (২৯ জানুয়ারি) কাতার এনার্জি ও যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক এক্সিলারেট এনার্জির মধ্যে একটি চুক্তি সই হয়েছে। ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাস থেকে এই এলএনজি সরবরাহ শুরু হবে।
কাতার এনার্জির প্রধান নির্বাহী সাদ আল-কাবি বলেছেন, ‘নতুন এই চুক্তির মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক আরও জোরদার হবে। এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের জ্বালানির চাহিদা মিটবে। অর্থনৈতিক উন্নয়নের পথে দেশ আরও খানিকটা এগিয়ে যাবে।’
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়, কাতার এনার্জি সম্প্রতি ইউরোপীয় ও এশীয় দেশগুলোর কাছে এলএনজি সরবরাহে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে। দেশটি নর্থ ফিল্ড এক্সপ্যানশন বা সম্প্রসারণ প্রকল্প হাতে নিয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, এর মধ্য দিয়ে ২০২৭ সালের মধ্যে কাতারের এলএনজি উৎপাদন ১২৬ মিলিয়ন মেট্রিক টনে উন্নীত হবে, বর্তমানে যা ৭৭ মিলিয়ন মেট্রিক টন।
কাতার এখন বিশ্বের অন্যতম বড় এলএনজি সরবরাহকারী দেশ। বাংলাদেশে তারা সবচেয়ে বেশি এলএনজি সরবরাহ করে। এলএনজি শিল্পে প্রাকৃতিক গ্যাসকে অন্তর্বর্তীকালীন পণ্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়, ভবিষ্যতেও যার চাহিদা থাকবে।
কাতার এনার্জি বলেছে, এক্সিলারেট এনার্জি ২০২৬ ও ২০২৭ সালে ৮ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন এলএনজি এবং ২০২৮ থেকে ২০৪০ সালের মধ্যে ১০ লাখ মেট্রিক টন এলএনজি কিনবে। এরপর বাংলাদেশের ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে এই তরল গ্যাস সরবরাহ করা হবে।
এক্সিলারেট এনার্জির নির্বাহী ভাইস প্রেসিডেন্ট ও প্রধান বাণিজ্যিক কর্মকর্তা ড্যানিয়েল বুসটস গত সেপ্টেম্বর মাসে বলেছিলেন, বাংলাদেশে দীর্ঘ মেয়াদে এলএনজি সরবরাহবিষয়ক আলোচনার চূড়ান্ত পর্যায়ে আছেন তারা।