ঢাকা ৯ আষাঢ় ১৪৩৩, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
ডিবি পরিচয়ে ব্যবসায়ীর বাড়িতে তাণ্ডব, আসবাবপত্র ভাঙচুরের পর লুটপাট জর্ডান ম্যাচে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত স্কালোনির লক্ষ্মীপুরে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে যুবদলের বিক্ষোভ পোড়া ক্ষত সারাতে তেলাপিয়া মাছের চামড়া, চিকিৎসাবিজ্ঞানে নতুন সম্ভাবনা দাউদকান্দি পৌরসভার ৪৩ কোটি টাকার উন্মুক্ত বাজেট ঘোষণা ব্র্যাকের প্রশিক্ষণ শেষে নারীরা পেলেন পেশাদার চালকের সনদ সিএনজি সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য: জিম্মি যাত্রীরা বিপৎসীমার ওপরে তিস্তার পানি, নিম্নাঞ্চলে বন্যার আশঙ্কা সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী অসামান্য গদ্যশৈলীর রূপকার টেকনাফে যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে আহত ১০ মুক্তমঞ্চে খেলা দেখা নিয়ে শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ রোবোটিক্স প্রতিযোগিতায় চ‍্যাম্পিয়ন লিডিং ইউনিভার্সিটি দল আখাউড়ায় ‘পার্টনার কংগ্রেস’ গোল্ডেন বুট নিয়ে ভাবছেন না কিলিয়ান এমবাপ্পে সাবেক ভূমিমন্ত্রীসহ ৩৬ আসামির মামলায় আরও ৭ সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ অস্তিত্ব সংকটে মমতার তৃণমূল সরাসরি মোবাইলেই মিলবে স্যাটেলাইট ইন্টারনেট পদত্যাগ করলেন ১৮ ডেপুটি ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো ও নেইমারের কাউকে কিছু প্রমাণ করার নেই: জোয়াও কানসেলো স্ত্রীকে নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে ব্যবসায়ী সোহেল খুনের অভিযোগ সালমান শাহের দেহাবশেষ কবর থেকে উত্তোলনের আদেশ বাতিল চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হলো ব্যতিক্রমধর্মী ‘ওয়ার্ল্ড কাপ ডিবেট ২০২৬’ উদ্ভিদের বংশ বৃদ্ধি অধ্যায়ের ৬টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন ও উত্তর, ৩য় পর্ব, অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান গোপালগঞ্জে আ.লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে নিরাপত্তা জোরদার, গ্রেপ্তার ৬ অনুশীলনে নেইমার, বিশ্রামে অ্যালিসন চাঁদপুরে ৩ লাখ ৬৬ হাজার শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ খাওয়ানো হবে ফিলিস্তিনি শিশুদের লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছে ইসরায়েল: জাতিসংঘ তদন্ত কমিটি ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে যুবদলের মোটরসাইকেল শোডাউন নারী কেলঙ্কারির ঘটনায় বিআইডব্লিউটিএর পরিচালক আরিফ উদ্দিন বরখাস্ত বরগুনায় বালুবাহী জাহাজের নিচ থেকে কিশোরের মরদেহ উদ্ধার

সেনা কর্মকর্তাদের বিচারিক ক্ষমতা, কী কী করতে পারবেন

প্রকাশ: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ১২:০১ পিএম
আপডেট: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ০১:২০ পিএম
সেনা কর্মকর্তাদের বিচারিক ক্ষমতা, কী কী করতে পারবেন
ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কমিশনপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেসির ক্ষমতা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে গতকাল মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর)।

রাষ্ট্রপতির আদেশে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, প্রজ্ঞাপন জারির পর থেকে পরবর্তী ৬০ দিন পর্যন্ত তারা সারাদেশে এ ক্ষমতা কাজে লাগাতে পারবেন।

প্রজ্ঞাপনে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬টি ধারায় সেনাবাহিনীকে ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। তবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা সংশ্লিষ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা জেলা প্রশাসকের তত্ত্বাবধানে দায়িত্ব পালন করবেন। আইনের এসব ধারা অনুযায়ী একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের যেসব ক্ষমতা রয়েছে-

ধারা ৬৪:
নির্বাহী বা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে কোনো অপরাধ সংঘটিত হলে তিনি গ্রেপ্তার ও জামিন দিতে পারবেন। অর্থাৎ, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের দায়িত্ব পাওয়ায় এখন দায়িত্ব পালনের সময় সেনা কর্মকর্তাদের সামনে কোনো অপরাধ সংঘটিত হলে অপরাধীদের সরাসরি গ্রেপ্তার করতে পারবেন।

ধারা ৬৫:
অধিক্ষেত্র এলাকায় কাউকে গ্রেপ্তার বা গ্রেপ্তার করার নির্দেশ দিতে পারবেন বা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করতে পারবেন। অর্থাৎ, সেনা কর্মকর্তাদের সামনে অপরাধ সংঘটিত না হলেও, সন্দেহভাজন অপরাধীদের গ্রেপ্তার করতে পারবেন।

ধারা ৮৩:
অধিক্ষেত্রের বাইরে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকর করতে পারবেন। অর্থাৎ, বাংলাদেশের যেকোনো স্থানে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকর করতে পারবেন সেনা কর্মকর্তারা। 

ধারা ৮৪:
৮৪ ধারা অনুযায়ী, অধিক্ষেত্রের বাইরে পরোয়ানা কার্যকর করতে পুলিশকে নির্দেশও দিতে পারবেন। 

ধারা ৮৬:
ওয়ারেন্ট অনুমোদন করার ক্ষমতা বা ওয়ারেন্টের অধীনে গ্রেপ্তারকৃত অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অপসারণের আদেশ দেওয়ার ক্ষমতা।

ধারা ৯৫:
৯৫ ধারা অনুযায়ী, পরোয়ানা বা ডকুমেন্টস বা চিঠিপত্র আদান-প্রদানের ক্ষেত্রে পোস্টাল বা টেলিগ্রাফ কর্তৃপক্ষকে ব্যবহার করতে পারবেন।

ধারা ১০০:
বেআইনিভাবে আটক ব্যক্তিকে উদ্ধারের জন্য সেনাবাহিনীর কর্মকর্তারা যেকোনো স্থানে তল্লাশি করতে পারবেন। অর্থাৎ, কাউকে অপহরণ বা জোর করে কোথাও আটকে রাখার খবর পেলে সেনা কর্মকর্তারা সেখানে তল্লাশি করতে পারবেন।

ধারা ১০৫:
সরাসরি তল্লাশি করার ক্ষমতা, তার (ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি) উপস্থিতিতে যেকোনো স্থানে অনুসন্ধানের জন্য তিনি সার্চ ওয়ারেন্ট জারি করতে পারেন।

ধারা ১০৭:
শান্তি বজায় রাখার জন্য নিরাপত্তার প্রয়োজনীয় ক্ষমতা।

ধারা ১০৯:
ভবঘুরে এবং সন্দেহভাজন ব্যক্তির ভালো আচরণের জন্য নিরাপত্তার প্রয়োজনীয় ক্ষমতা।

ধারা ১১০:
অভ্যাসগত অপরাধীর কাছ থেকে সদাচরণের জন্য মুচলেকা গ্রহণ করতে পারবেন সেনাবাহিনীর কর্মকর্তারা। 

ধারা ১২৬:
সদাচরণের নিশ্চয়তা প্রদান করা ব্যক্তির মুচলেকা বাতিল করে সমন বা গ্রেপ্তারি ওয়ারেন্ট জারি করতে পারবেন।

ধারা ১২৭:
সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার নির্দেশ দিতে পারবেন সেনাবাহিনীর কর্মকর্তারা। ফৌজদারি কার্যবিধির এই ধারা অনুযায়ী একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পাঁচ বা তার অধিক ব্যক্তির বেআইনি সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি। এই ধারা অনুযায়ী সেনা কর্মকর্তারাও যেকোনো ধরনের বেআইনি সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে পারবেন।

ধারা ১২৮:
সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে বেসামরিক বাহিনীকে ব্যবহার করতে পারবেন। অর্থাৎ, চাইলে তারা পুলিশ বা অন্যান্য বেসামরিক বাহিনীর সহায়তা নিতে বা নির্দেশ দিতে পারবেন। 

ধারা ১৩০:
সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে প্রয়োজনীয় সেনা কমান্ডিং অফিসারদের দায়িত্ব দিতে পারবেন।

ধারা ১৩৩:
স্থানীয় উপদ্রব নিয়ন্ত্রণে ক্ষেত্রবিশেষে ব্যবস্থা হিসেবে আদেশ জারি করতে পারবেন।

ধারা ১৪২:
এই ধারার আওতায় জনসাধারণের উপদ্রবের ক্ষেত্রে অবিলম্বে ব্যবস্থা হিসেবে আদেশ জারি করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে সেনা কর্মকর্তাদের।

উল্লিখিত ক্ষমতা ছাড়াও যেকোনো নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে মোবাইল কোর্ট আইন, ২০০৯-এর অধীনে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করার জন্য সরকার এবং সেই সঙ্গে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট দ্বারা সংশ্লিষ্ট এখতিয়ারের মধ্যে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।

এই আইনের অধীনে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তার উপস্থিতিতে সংঘটিত অপরাধ বা ঘটনাস্থলে তার বা তার সামনে উন্মোচিত হওয়া অপরাধগুলো বিবেচনায় নিতে পারেন। অভিযুক্তের স্বীকারোক্তির পর ম্যাজিস্ট্রেট সংশ্লিষ্ট আইন অনুযায়ী অপরাধীকে সাজা দিতে পারেন। তবে কারাদণ্ডের ক্ষেত্রে তা দুই বছরের বেশি হবে না।

অমিয়/

৩০ হাজার মামলার জটে স্থবির শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম: শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ০৩:১০ পিএম
আপডেট: ২৩ জুন ২০২৬, ০৩:১০ পিএম
৩০ হাজার মামলার জটে স্থবির শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম: শিক্ষামন্ত্রী
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।ন ছবি: সংগৃহীত

সারাদেশে শত শত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রায় ৩০ হাজার মামলা জটের কারণে শূন্য পদে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। 

মঙ্গলবার (২৩ জুন) সকালে চট্টগ্রাম কলেজ মিলনায়তনে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় শিক্ষামন্ত্রী এ কথা বলেন। এ সভায় অংশ নেন চট্টগ্রাম বোর্ড, মাদ্রাসা ও কাৃরিগরি শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তা এবং শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, ২০১৭ সালের এক আইনি জটিলতায় ৩২ হাজার ৫০০ জনকে প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ ও পদোন্নতির প্রক্রিয়া আটকে আছে। তবে আগামী ২ জুলাই আপিল বিভাগে এ মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য রয়েছে। তার প্রত্যাশা, ওই দিন কাঙ্ক্ষিত রায় পাওয়ার মধ্য দিয়ে এই শূন্য পদগুলো পূরণের জট খুলবে।

সভায় মন্ত্রী বলেন, ‘২০০৬ সালে আমরা নকলের কবর দিয়েছি। তবে এখন নকল ডিজিটাল রূপ নিয়েছে। তাই পরীক্ষাকেন্দ্রে অবশ্যই সিসি ক্যামেরা থাকতে হবে। যার মাধ্যমে নিশ্চিত করা হবে ডিজিটাল ভিজিল্যান্স।’

মন্ত্রী উল্লেখ করেন, এমপিওভুক্তির বিশাল ব্যাকলগ পূরণে আরও ৭৭ হাজার শিক্ষক প্রয়োজন।

শিক্ষাব্যবস্থায় অসহযোগিতার অভিযোগ তুলে মন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষাব্যবস্থার জায়গায় জায়গায় একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের গুপ্ত অনুসারীরা রয়েছে, যারা আমাদের শিক্ষার উন্নয়নে সহযোগী হতে চাইছে না।’

অন্তরা/

নাশকতার পরিকল্পনা ছিল কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের: ডিএমপি কমিশনার

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ০১:২৭ পিএম
আপডেট: ২৩ জুন ২০২৬, ০২:৫৪ পিএম
নাশকতার পরিকল্পনা ছিল কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের: ডিএমপি কমিশনার
ছবি: সংগৃহীত

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে সুযোগ পেলে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নাশকতা করার পরিকল্পনা ছিল বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) পবিত্র আশুরা উদযাপন ও তাজিয়া শোক মিছিল উপলক্ষে হোসাইনী দালান ইমামবাড়া পরিদর্শনে গিয়ে এ কথা জানান তিনি।

ডিএমপি কমিশনার জানান, নিষিদ্ধ দলটির নেতারা বা কর্মীরা যেন কোনো নাশকতা করতে না পারে তাই তিন দিনের বিশেষ নিরাপত্তা নিয়েছিল ডিএমপি। বিভিন্ন মেস ও হোটেলে তল্লাশি করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটিয়ে সরকারকে বিপদে ফেলতে চায় তারা।

তিনি জানান, এরই মধ্যে সারা দেশে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের বেশ কিছু নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে ধানমণ্ডি ৩২, গুলিস্তানসহ সারা ঢাকায়।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, আওয়ামী লীগের নাশকতার পরিকল্পনা ছিল। ককটেল ফুটিয়েছে তারা। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উদ্যোগে সেই পরিকল্পনা নস্যাৎ করা হয়েছে।

এ সময় পবিত্র আশুরা ও তাজিয়া মিছিল ঘিরে চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে বলে জানান তিনি। 

একই সঙ্গে তাজিয়া মিছিলে ধারালো বস্তু না আনা এবং মিছিলের দিন কিছু রোড ডাইভারশনের কারণে এড়িয়ে চলার অনুরোধ জানান মোসলেহ উদ্দিন আহমদ।

এ সময় ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) এস এন মো. নজরুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিবি) মো. শফিকুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

অমিয়/

‘আওয়ামী লীগ দল হিসেবে নিষিদ্ধ হবে কি না, সিদ্ধান্ত নেবে আদালত’

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ০১:১০ পিএম
আপডেট: ২৩ জুন ২০২৬, ০১:৫০ পিএম
‘আওয়ামী লীগ দল হিসেবে নিষিদ্ধ হবে কি না, সিদ্ধান্ত নেবে আদালত’
প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। ছবি: সংগৃহীত

কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগ দল হিসেবে নিষিদ্ধ হবে কিনা সেটি আদালতে নির্ধারিত হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সাপ্তাহিক প্রেস ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে মাঠে রাজনৈতিকদলগুলোর অবস্থান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি তারা সিম্বোলিক কারণে আছেন। আওয়ামী লীগ একটা নিষিদ্ধ ঘোষিত দল। নিষিদ্ধ ঘোষিত কথাটা আসলে ঠিক না। আমরা যদি টেকনিক্যালি বলি আওয়ামী লীগ দলটা নিষিদ্ধ হবে কি হবে না- এটা পরিষ্কার করা দরকার যে, সেটা নির্ধারিত হবে আদালতে, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে। তারা মানবতাবিরোধী অপরাধে যুক্ত ছিল কি ছিল না, সেটা বিচারের পর নির্ধারিত হবে।’ 

যেটা হয়েছে, ওই পর্যন্ত তারা বিচারাধীন থাকবে, তাদের কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকবে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের অধীনে। এই দল যদি মাঠে কোনও কর্মসূচি নিয়ে নামতে চায়, সেটা আইন ভঙ্গকারী কার্যক্রম হবে। সরকার সেটার ব্যবস্থা নেবে। রাজনৈতিক দলগুলোর আসলে ওখানে করার কিছু নেই। তারা প্রতীকী কারণে হয়তো মাঠে আছেন, বলছেন অনেক কিছু করে ফেলবেন।

ডা. জাহেদ বলেন, ‘আমি মনে করি না আওয়ামী লীগের কিছু করার নৈতিক সাহস আছে। একটা কিছু করতে গেলে নৈতিক সাহস লাগে। আমরা বলি না ‘চোরের মায়ের বড় গলা’, সবার ডিমেনশিয়া হবে, মানে সবাই সবকিছু ভুলে যাবে আর কি! তারপর আওয়ামী লীগ বড় গলায় কথা বলতে পারবে, এর আগে আমার মনে হয় না। তাদের সেই নৈতিক সাহস নেই। নৈতিক সাহস যদি না থাকে কিছু লুটপাটকারী, মাফিয়া, চোর বাটপারের আসলে খুব বেশি নৈতিক সাহস থাকে না।’

রিফাত/

বিশেষ ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা পেল ৬ জেলার সেনা কর্মকর্তারা

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ১১:২৯ এএম
আপডেট: ২৩ জুন ২০২৬, ১১:২৯ এএম
বিশেষ ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা পেল ৬ জেলার সেনা কর্মকর্তারা
ছবি: সংগৃহীত

ছয় জেলায় সশস্ত্র বাহিনীতে কর্মরত সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন ও তদূর্ধ্ব পদমর্যাদার কমিশনড কর্মকর্তাদের বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা দিয়েছে সরকার।

সোমবার (২২ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। 

এতে বলা হয়, কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ছয় জেলায় সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকা, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন এলাকা, গাজীপুর মেট্রোপলিটন এলাকা, নারায়ণগঞ্জ জেলা, গোপালগঞ্জ জেলা এবং ফরিদপুর জেলায় ২২ জুন থেকে ৩০ জুন তারিখ পর্যন্ত এই আদেশ কার্যকর থাকবে।

মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ১২(১) ও ১৭ ধারা অনুযায়ী এসব এলাকা ও এ সময়ের জন্য এই কর্মকর্তাদের বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা অর্পণ করা হলো। কোস্টগার্ড ও বিজিবিতে প্রেষণে নিয়োজিত সমপদমর্যাদার কর্মকর্তারাও এই ক্ষমতার আওতাভুক্ত হবেন।

ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ৬৪, ৬৫, ৮৩, ৮৪, ৮৬, ৯৫(২), ১০০, ১০৫, ১০৭, ১০৯, ১১০, ১২৬, ১২৭, ১২৮, ১৩০, ১৩৩ এবং ১৪২ অনুযায়ী অপরাধগুলোর ক্ষেত্রে তারা এই ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন।

অন্তরা/

আশুরা উপলক্ষে ডিএমপির নির্দেশনা

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ১১:০৯ এএম
আপডেট: ২৩ জুন ২০২৬, ১১:১৩ এএম
আশুরা উপলক্ষে ডিএমপির নির্দেশনা
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ

পবিত্র আশুরা উপলক্ষে আগামী শুক্রবার (২৬ জুন) রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে তাজিয়া মিছিল বের হবে। এ মিছিলে নিরাপত্তা নিশ্চিত ও চলাচল নির্বিঘ্ন করতে কিছু নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামী ১০ মহররম ১৪৪৮ হিজরী (২৬ জুন ২০২৬ খ্রি.) পবিত্র আশুরা উদ্যাপন উপলক্ষে ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকার বিভিন্ন স্থানে তাজিয়া মিছিল অনুষ্ঠিত হবে। উক্ত তাজিয়া মিছিলে কিছু ব্যক্তিবর্গ দা, ছোরা, কাঁচি, বর্শা, বল্লম, তরবারি, লাঠি ইত্যাদি নিয়ে অংশগ্রহণ করে ক্ষেত্রবিশেষে অনাকাঙ্খিত পরিস্থিতি সৃষ্টি করে, যা ধর্মপ্রাণ ও সম্মানিত নগরবাসীর মনে আতংক ও ভীতিসৃষ্টিসহ জননিরাপত্তার প্রতি হুমকি স্বরূপ।

আরও বলা হয়, তাছাড়া মহররম মাসে পবিত্র আশুরা উপলক্ষে আতশবাজি ও পটকা ফোটানো হয়, যা ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়, সেহেতু ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ অর্ডিন্যান্স এর ২৮ ও ২৯ ধারায় অর্পিত ক্ষমতাবলে তাজিয়া মিছিলে দা, ছোরা, কাঁচি, বর্শা, বল্লম, তরবারি, লাঠি ইত্যাদি বহন এবং আতশবাজি ও পটকা ফোটানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হলো।

আরও উল্লেখ করা হয়, এই আদেশ তাজিয়া মিছিল শুরু হতে শেষ সময় পর্যন্ত বহাল থাকবে।

অন্তরা/