ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ফজলুল হক মুসলিম হলে গণপিটুনিতে নিহত তোফাজ্জল হোসেন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে শামীম মোল্লা ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন বিনোদপুর বাজারে আবদুল্লাহ আল মাসুদকে মব কিলিং বা পিটিয়ে হত্যাসহ সারা দেশে গণপিটুনিতে ৪৪ জনকে হত্যার ঘটনায় বিচার বিভাগীয় তদন্ত চেয়ে রিটের শুনানি হয়নি।
গত মঙ্গলবার ধার্য দিনে হাইকোর্টের বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি মুহাম্মদ মাহবুব-উল ইসলামের বেঞ্চ ‘নট টুডে’ ঘোষণা করেন।
শুনানিতে রিটের পক্ষে বক্তব্য উপস্থাপন করেন অ্যাডভোকেট সৈয়দা নাসরিন ও অ্যাডভোকেট মো. শাহীনুজ্জামান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ আরশাদুর রউফ ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মহাদ্দেস-উল ইসলাম।
‘মব কিলিং’ বা ‘মব জাস্টিস’ বা ‘মব লিঞ্চিং’ তথা উচ্ছৃঙ্খল জনতার তাৎক্ষণিক হত্যা বা বিচার বা নির্যাতন রোধে পদক্ষেপের নির্দেশনা চেয়ে গত ২৩ সেপ্টেম্বর এ রিট দায়ের করেন সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী জেড আই খান পান্না। রিটে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব, সেনাবাহিনীর প্রধান, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি), র্যাবের মহাপরিচালক (ডিজি), জাতীয় মানবাধিকার কমিশন, বিজিবির মহাপরিচালক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিসহ ৬৬ জনকে বিবাদী করা হয়েছে। এতে গণপিটুনি বা মব কিলিং বা মব জাস্টিস রোধে বিবাদীদের নিষ্ক্রিয়তা কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না এবং মব কিলিং বা মব জাস্টিস বা গণপিটুনি রোধে বিবাদীদের প্রতি যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না, মর্মে রুল জারির আবেদন জানানো হয়েছে।