মুক্তিযোদ্ধাদের সাংবিধানিক স্বীকৃতি প্রদান, বিচার বিভাগ ও সামরিক বাহিনীর সমন্বয়ে মুক্তিযোদ্ধা কমিশনের নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধা নির্ধারণসহ ৯ দফা দাবি উত্থাপন করেছেন একাত্তরের মুক্তিযোদ্ধা সংসদের (এমুস) সদস্যরা।
রবিবার (২০ অক্টোবর) মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা বীরপ্রতীক ফারুক-ই-আজমের সঙ্গে সচিবালয়ে এক বৈঠকে তারা দাবিদাওয়া উত্থাপন করেন।
বৈঠকে সংগঠনের পক্ষে আরও উপস্থিত ছিলেন মহাসচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা হাশেম আলী, ভাইস চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা জুলকারনাইন ডালিম, ভাইস চেয়ারম্যান লেখক গবেষক বীর মুক্তিযোদ্ধা আশরাফ খলিফা, অর্থসচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা লিয়াকত আলী, নির্বাহী সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল হান্নান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা রমিজউদ্দিন আহমদ।
বৈঠকে নয় দফা দাবির একটা স্মারকলিপি পড়ে শোনান এমুস চেয়ারম্যান আবীর আহাদ। এই নয় দফা দাবির মধ্যে রয়েছে, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সাংবিধানিক স্বীকৃতি প্রদান, বঙ্গবন্ধু সরকারের মুক্তিযোদ্ধা সংজ্ঞার আলোকে বিচার বিভাগ ও সামরিক বাহিনীর সমন্বয়ে মুক্তিযোদ্ধা কমিশনের নেতত্বে মুক্তিযোদ্ধা নির্ধারণ, মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা থেকে অমুক্তিযোদ্ধাদের উচ্ছেদ, জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা) বাতিল, মুক্তিযোদ্ধা কোটা যৌক্তিক পর্যায়ে পুনর্বহাল, মাসিক ভাতা বৃদ্ধি ও মাসিক চিকিৎসা ভাতার প্রচলন, ২৫ লাখ টাকার গৃহঋণ প্রদান; শহিদ ও মৃত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের পরিবারকেও বিজয় ও নববর্ষ দিবস ভাতা প্রদান ও মুক্তিযোদ্ধা সুরক্ষা আইন প্রণয়ন।
এ সময় এমুস নেতারা কোন কোন তালিকায় ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা রয়েছে সেটি উল্লেখ করে তাদের কোন প্রক্রিয়ায় উচ্ছেদ ও শাস্তির আওতায় আনা যায়, সেসব বিষয়ে সুনির্দিষ্ট সুপারিশ পেশ করেন।
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক উপদেষ্টা ফারুক-ই-আজম বীর মুক্তিযোদ্ধাদের এসব দাবিদাওয়া মন দিয়ে শোনেন। পরে তিনি জানান, এসব দাবি তিনি সংবিধান সংস্কার কমিশনের কাছে সুপারিশ আকারে দেবেন। তিনি বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মর্যাদা পুনরুদ্ধার ও ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের উচ্ছেদের লক্ষ্যে এমুসের পরামর্শগুলোর জন্য বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ধন্যবাদ জানান।




