ঢাকা ৯ আষাঢ় ১৪৩৩, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
এক অর্থবছরে প্রবাসী আয় ৩০.৩২ বিলিয়ন ডলার: প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী ফ্যান্টাসী কিংডম-খবরের কাগজ প্রতিদিনের অনলাইন কুইজ বিজয়ী ডিজিটাল নকল প্রতিরোধে কঠোর নজরদারির আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে সাত দশকের অগ্রগতির দাবি প্রশ্নবিদ্ধ: সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী মন্ত্রীদের অনুপস্থিতি ও সংসদ কক্ষের শৃঙ্খলা নিয়ে উদ্বেগ বিরোধীদলীয় নেতার পোশাক ছাড়া গোসল করলে ওজু থাকবে কি? গুজব ও বিচারাধীন ইস্যুতে সংসদের সময় নষ্ট না করার আহ্বান স্পিকারের চালের বাজারে কারসাজি ঠেকাতে কঠোর নজরদারি চলছে: খাদ্য প্রতিমন্ত্রী নতুন ও প্রথম আয়কর রিটার্ন  দাখিলকারীর প্রতি পরামর্শ সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় জিএম কাদেরের নিন্দা ও উদ্বেগ অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ডব্লিউইএফ প্রেসিডেন্টের সাক্ষাৎ ওয়ান ব্যাংক থেকে নগদে তাৎক্ষণিক টাকা পাঠানোর সেবা চালু Wisdom of King Soloman বিষয়ক Story Writing নিয়ে আলোচনা, ২য় পর্ব, এইচএসসির ইংরেজি ১ম পত্র শুধু সাফল্য নয়, অনিয়মও তুলে ধরুন—সাংবাদিকদের প্রাণীসম্পদ মন্ত্রী উন্নত স্বাস্থ্যসেবা ও বিশেষ সুবিধা নিশ্চিতে মাস্টারকার্ড ও অ্যাসেন্ট হেলথ লিমিটেডের অংশীদারিত্ব ক্যালিফোর্নিয়ার আকাশে বাংলাদেশের রং নায়িকা ববি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে বললেন বাশার তার স্বামী নন ইউল্যাবে জেন্ডার সমতা, সামাজিক ন্যায়বিচার বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত পানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে এশিয়ার দেশগুলোর সম্মিলিত উদ্যোগের তাগিদ স্পিকারের সাহিত্যের খেলা প্রবন্ধর ৪০টি জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, এইচএসসির বাংলা ১ম পত্র প্রাইভেট ব্যাংকে চাকরির সুযোগ সিয়াটলে যাওয়ার অনুমতি পেল না মিশর ডিবি পরিচয়ে ব্যবসায়ীর বাড়িতে তাণ্ডব, আসবাবপত্র ভাঙচুরের পর লুটপাট জর্ডান ম্যাচে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত স্কালোনির লক্ষ্মীপুরে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে যুবদলের বিক্ষোভ পোড়া ক্ষত সারাতে তেলাপিয়া মাছের চামড়া, চিকিৎসাবিজ্ঞানে নতুন সম্ভাবনা দাউদকান্দি পৌরসভার ৪৩ কোটি টাকার উন্মুক্ত বাজেট ঘোষণা ব্র্যাকের প্রশিক্ষণ শেষে নারীরা পেলেন পেশাদার চালকের সনদ সিএনজি সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য: জিম্মি যাত্রীরা বিপৎসীমার ওপরে তিস্তার পানি, নিম্নাঞ্চলে বন্যার আশঙ্কা

প্রশাসন ক্যাডারের বিরুদ্ধে অন্য ২৫ ক্যাডারের কর্মকর্তাদের মানববন্ধন

প্রকাশ: ২৬ ডিসেম্বর ২০২৪, ০৫:৫১ পিএম
আপডেট: ২৬ ডিসেম্বর ২০২৪, ০৬:০৪ পিএম
প্রশাসন ক্যাডারের বিরুদ্ধে অন্য ২৫ ক্যাডারের কর্মকর্তাদের মানববন্ধন
প্রশাসন ক্যাডারের বিরুদ্ধে চট্টগ্রামে কর্মরত অন্য ২৫ ক্যাডারের কর্মকর্তাদের মানববন্ধন। ছবি: খবরের কাগজ

উপসচিব পদে কোটার অবসানসহ চার দফা দাবিতে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন ২৫ ক্যাডারের কর্মকর্তারা। বৃহস্পতিবার (২৬ ডিসেম্বর) দুপুরে এ কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছে চট্টগ্রামে কর্মরত ২৫ টি ক্যাডারের কর্মকর্তারা। এতে তারা সরকারী আমলাতন্ত্র বাদ দিয়ে স্ব স্ব দপ্তরের নিজস্ব ক্যাডার দিয়ে পরিচালনের দাবি জানান। 

শিক্ষা ও স্বাস্থ্য ক্যাডার বিলুপ্তিচেষ্টার প্রতিবাদ, উপসচিব পদে পদোন্নতিতে কোটা বাতিলসহ আন্তঃক্যাডার বৈষম্য নিরসনের দাবিতে ‘আন্তঃক্যাডার বৈষম্য নিরসন পরিষদ, চট্টগ্রাম ইউনিট’–এর উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এতে শিক্ষা, কৃষি, স্বাস্থ্য, মৎস্যসহ ২৫টি ক্যাডারের দুই শতাধিক কর্মকর্তা অংশ নেন।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, আমলাতন্ত্রের জটিলতায় অন্য ক্যাডারদের পদোন্নতি হয় না। সরকারের সব সুযোগ-সুবিধা ভোগ করেন প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তারা। কিন্তু অন্য ক্যাডারের কর্মকর্তারা সবসময় বঞ্চিত থাকেন। উপসচিব পদে পদোন্নতিতে ৫০ শতাংশ প্রশাসন ক্যাডার থেকে এবং বাকি ৫০ শতাংশ অন্যান্য ক্যাডার থেকে নেওয়ার কথা জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন প্রস্তাব করেছে। এই প্রস্তাব তারা প্রত্যাখ্যান করছেন। তাদের দাবি, নিজ নিজ পেশাভিত্তিক মন্ত্রণালয় থেকে পদোন্নতি দিতে হবে, উপসচিব পদে নিয়োগ হবে উন্মুক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে, আন্তঃক্যাডার বৈষম্য নিরসন করতে হবে, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা ক্যাডারে আলাদা নিয়োগ পরীক্ষার প্রস্তাব বাতিল করতে হবে।

বক্তারা আরও বলেন, নতুন বাংলাদেশ হতে হবে বৈষম্যমুক্ত। বৈষম্য থেকে মুক্তির দাবিতে তাদের সন্তানেরা, ভাইয়েরা প্রাণ দিয়েছেন। কিন্তু প্রশাসন ক্যাডার আজ সবার মাথার ওপর ছড়ি ঘোরাচ্ছে। সব ক্যাডারদের নিয়ন্ত্রণ তাদের হাতে। এটা হতে পারে না। এটা আমরা মেনে নিতে পারি না, তাই আজ রাস্তায় দাঁড়িয়েছি। 

জনবান্ধব সিভিল সার্ভিস প্রতিষ্ঠায় উপসচিব পদে সকল কোটার অবসান চেয়ে বক্তারা বলেন, প্রশাসন ক্যাডারদের আধিপত্যের কারণে অন্যান্য ক্যাডাররা তাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। স্ব-স্ব দপ্তরগুলোতে স্ব-স্ব ক্যাডার নিয়োগপ্রাপ্ত হলে সার্বিক ক্ষেত্রে উন্নয়ন ঘটবে যা দেশের জন্যই মঙ্গল। বক্তারা আমলাতান্ত্রিক সিন্ডিকেট ভাঙতে বৈষম্য নিরসন করে সকল ক্যাডারে সমতাসহ উপসচিব পদে কোটা বাতিল করে মেধার ভিত্তিতে ক্যাডার নিয়োগ ও কৃত্যপেশাভিত্তি মন্ত্রণালয়ের দাবি জনান। দেশব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে পালিত এই কর্মসূচিতে ২৫টি ক্যাডারের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

চট্টগ্রাম জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. নজরুল ইসলাম, মৎস্য কর্মকর্তা শ্রীবাস চন্দ্র চন্দ, চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের উপপরিচালক ড. মোহাম্মদ শাহ আলম ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন সরকারি কলেজের শিক্ষকরা মানববন্ধনে অংশ নেন ও বক্তব্য দেন।
মাহফুজ

আবদুস সাত্তার/মাহফুজ

এক অর্থবছরে প্রবাসী আয় ৩০.৩২ বিলিয়ন ডলার: প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ০৭:৪৫ পিএম
এক অর্থবছরে প্রবাসী আয় ৩০.৩২ বিলিয়ন ডলার: প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত

২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ রেকর্ড ৩০.৩২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স অর্জন করেছে। প্রবাসী বাংলাদেশিদের পাঠানো এই বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা দেশের অর্থনীতিকে সচল রাখা এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) জাতীয় সংসদের ত্রয়োদশ সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের চতুর্দশ বৈঠকে সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য সেলিনা সুলতানার এক প্রশ্নের জবাবে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এ তথ্য জানান। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে প্রশ্নোত্তর পর্বের তথ্য টেবিলে উপস্থাপন করা হয়।

সংসদে দেওয়া তথ্যমতে, একক দেশ হিসেবে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স এসেছে যুক্তরাষ্ট্র থেকে। দেশটিতে বসবাসরত বাংলাদেশিরা বিদায়ি অর্থবছরে ৪.৭৩ বিলিয়ন ডলার দেশে পাঠিয়েছেন, যা মোট রেমিট্যান্সের প্রায় ১৫.৬ শতাংশ। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা সৌদি আরব থেকে এসেছে ৪.২৬ বিলিয়ন ডলার এবং তৃতীয় অবস্থানে থাকা সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে এসেছে ৪.১৭ বিলিয়ন ডলার। এই তিন দেশ থেকেই এসেছে ১৩.১৬ বিলিয়ন ডলারের বেশি, যা মোট প্রবাসী আয়ের প্রায় ৪৩.৪ শতাংশ।

রেমিট্যান্স প্রাপ্তির তালিকায় চতুর্থ স্থানে রয়েছে যুক্তরাজ্য (৩.১৭ বিলিয়ন ডলার) এবং পঞ্চম স্থানে মালয়েশিয়া (২.৮০ বিলিয়ন ডলার)। উপসাগরীয় অঞ্চলের সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান, কুয়েত, কাতার ও বাহরাইন থেকে সম্মিলিতভাবে এসেছে প্রায় ১৩.৬৬ বিলিয়ন ডলার, যা মোট রেমিট্যান্সের প্রায় ৪৫ শতাংশ।

ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে ইতালি থেকে এসেছে ১.৬৫ বিলিয়ন ডলার। এ ছাড়া ফ্রান্স, গ্রিস, জার্মানি ও পর্তুগাল থেকেও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ রেমিট্যান্স এসেছে। প্রচলিত শ্রমবাজারের বাইরে দক্ষিণ কোরিয়া, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, জর্ডান, দক্ষিণ আফ্রিকা, মালদ্বীপ, মরিশাস, জাপান ও ব্রুনাই থেকেও প্রবাসীরা উল্লেখযোগ্য অঙ্কের বৈদেশিক মুদ্রা দেশে পাঠিয়েছেন।

এলিস/নাঈম

ডিজিটাল নকল প্রতিরোধে কঠোর নজরদারির আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ০৭:২২ পিএম
ডিজিটাল নকল প্রতিরোধে কঠোর নজরদারির আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর
ছবি: খবরের কাগজ

পরীক্ষায় নকলের কৌশল সময়ের সঙ্গে পরিবর্তিত হয়েছে উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন বলেছেন, বর্তমানে ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে নকলের চেষ্টা করা হচ্ছে। এ ধরনের অনিয়ম প্রতিরোধে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আরও সতর্ক ও কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) চট্টগ্রাম কলেজ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সভায় চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের কেন্দ্র সচিব, শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তা এবং মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রশাসনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, চলতি বছরের মাধ্যমিক ও সমমানের পরীক্ষার ফল আগামী ২০ জুলাই প্রকাশ করা হবে। ফল প্রকাশের পর দ্রুত কলেজে ভর্তি কার্যক্রম শুরু করার পরিকল্পনার কথাও তিনি তুলে ধরেন। তাঁর মতে, দীর্ঘ সময় ফাঁকা রাখলে শিক্ষার্থীরা কোচিংনির্ভর হয়ে পড়তে পারে, তাই ভর্তি প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করা প্রয়োজন।

শিক্ষাব্যবস্থার গুণগত উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করে মন্ত্রী বলেন, দেশের শিক্ষা কাঠামোকে সময়োপযোগী করতে পাঠ্যক্রম ও সিলেবাস নিয়মিত হালনাগাদ করা জরুরি। শিক্ষার্থীদের তথ্যভিত্তিক, প্রযুক্তিনির্ভর, মূল্যবোধসম্পন্ন এবং বাস্তবজীবনমুখী শিক্ষা নিশ্চিত করার ওপর সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে।

তিনি বলেন, দেশে উচ্চশিক্ষার সম্প্রসারণের পাশাপাশি কারিগরি ও কর্মমুখী শিক্ষার প্রতিও সমান গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। শুধু ডিগ্রি অর্জন নয়, শিক্ষার্থীদের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলাই হওয়া উচিত মূল লক্ষ্য।

পরীক্ষার মূল্যায়ন ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সব শিক্ষা বোর্ডের উত্তরপত্র থেকে নমুনা ভিত্তিকভাবে খাতা পুনরায় যাচাই করা হবে বলেও জানান তিনি। এতে নম্বর প্রদানে কোনো ধরনের অসঙ্গতি থাকলে তা শনাক্ত করা সম্ভব হবে।

প্রশ্নফাঁস প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, অতীতে এটি দেশের শিক্ষাব্যবস্থার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। তবে বর্তমানে প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাগুলো সমন্বিতভাবে কাজ করছে। প্রশ্নপত্র মুদ্রণ ও বিতরণ প্রক্রিয়ায় সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে।

সভায় তিনি আরও বলেন, শিক্ষাব্যবস্থায় বৈষম্য কমিয়ে একটি সমন্বিত কাঠামো গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই মানদণ্ডে শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করার মাধ্যমে নতুন প্রজন্মকে দক্ষ, দায়িত্বশীল ও যুগোপযোগী নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য।

এসএন/

মন্ত্রীদের অনুপস্থিতি ও সংসদ কক্ষের শৃঙ্খলা নিয়ে উদ্বেগ বিরোধীদলীয় নেতার

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ০৭:০১ পিএম
মন্ত্রীদের অনুপস্থিতি ও সংসদ কক্ষের শৃঙ্খলা নিয়ে উদ্বেগ বিরোধীদলীয় নেতার
বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় সংসদে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার সময় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের অনুপস্থিতি এবং সংসদ কক্ষের শৃঙ্খলা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। এ বিষয়ে তিনি সংসদের কার্যকারিতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।

জবাবে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বলেন, সংসদ অধিবেশনের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কোনও রাষ্ট্রীয় কাজ নেই এবং সংসদীয় কার্যক্রমে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের উপস্থিত থাকা অত্যন্ত জরুরি।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ১৩তম দিন পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, সংসদকে কার্যকর ও প্রাণবন্ত রাখতে শুরু থেকেই স্পিকার সব দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়ে আসছেন। কিন্তু বাস্তবে অনেক সময় দেখা যায়, কোনও মন্ত্রণালয় নিয়ে আলোচনা হলেও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী বা দায়িত্বশীল প্রতিনিধি সংসদ কক্ষে উপস্থিত থাকেন না।

তিনি বলেন, সংসদ সদস্যরা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরেন। সেসব বক্তব্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের সরাসরি শোনা প্রয়োজন। বিশেষ করে মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা যদি নিয়মিত উপস্থিত না থাকেন, তাহলে সংসদীয় আলোচনার কার্যকারিতা কমে যায় এবং জবাবদিহিও দুর্বল হয়ে পড়ে।

সংসদ কক্ষের শৃঙ্খলার বিষয়েও প্রশ্ন তুলে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, অধিবেশন চলাকালে অনেক সময় কয়েকজন সদস্যকে ছোট ছোট দলে আলাদা আলোচনা করতে দেখা যায়। এতে সংসদের মর্যাদা ক্ষুণ্ন হওয়ার পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা অনুসরণ করতেও অন্য সদস্যদের অসুবিধা হয়। একদিকে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা চলছে, অন্যদিকে আলাদা বৈঠকের মতো পরিবেশ তৈরি হওয়া সংসদের শৃঙ্খলা ও ডিসেন্সির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

জবাবে স্পিকার বলেন, বিরোধীদলীয় নেতার উত্থাপিত বিষয়গুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাজেট অধিবেশনে স্বাস্থ্য, আইন-শৃঙ্খলা, স্থানীয় সরকারসহ বিভিন্ন খাত নিয়ে আলোচনা হয়। এসব বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের উপস্থিত থেকে সংসদ সদস্যদের বক্তব্য শোনা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, “আমি আবারও তাগিদ দিচ্ছি— কোনও রাষ্ট্রীয় কাজ সংসদ অধিবেশনের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ নয়। সব রাষ্ট্রীয় কর্মকাণ্ডের মধ্যে সংসদ অধিবেশনই সর্বোচ্চ গুরুত্ব বহন করে।”

স্পিকার আরও বলেন, মন্ত্রীদের উচিত যথাসময়ে সংসদে উপস্থিত থাকা, নিজ নিজ মন্ত্রণালয়-সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সংসদ সদস্যদের বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শোনা এবং উত্থাপিত সমস্যাগুলোর সমাধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া।

সংসদ কক্ষের শৃঙ্খলা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মাঝেমধ্যে ছোট ছোট দলে আলোচনা, আসন ছেড়ে অন্যত্র গিয়ে কথাবার্তা বলা এবং এমনকি ‘ফ্লোর ক্রসিং’-এর ঘটনাও তার নজরে এসেছে। তিনি সংসদ সদস্যদের নিজ নিজ আসনে বসে কার্যক্রমে অংশ নেওয়া এবং সংসদের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।

প্রসঙ্গত, সোমবার জাতীয় সংসদে চিফ হুইপ জানিয়েছিলেন, বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ কাজে ব্যস্ত থাকায় কয়েকজন মন্ত্রী সংসদে উপস্থিত থাকতে পারেননি। পরে পয়েন্ট অব অর্ডার নিষ্পত্তির পর ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনা শুরু হয়।

এলিস/নাঈম

গুজব ও বিচারাধীন ইস্যুতে সংসদের সময় নষ্ট না করার আহ্বান স্পিকারের

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ০৬:৫২ পিএম
গুজব ও বিচারাধীন ইস্যুতে সংসদের সময় নষ্ট না করার আহ্বান স্পিকারের
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম। ছবি: সংগৃহীত

সাম্প্রতিক বিভিন্ন আলোচিত বক্তব্য ও গুজব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম মাসুদ। তবে এসব বিষয়কে পয়েন্ট অব অর্ডারের আওতাভুক্ত নয় উল্লেখ করে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বলেন, গুজব কিংবা বিচারাধীন বিষয় নিয়ে সংসদের মূল্যবান সময় ব্যয় করা যাবে না।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ১৩তম দিন  পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে বিষয়গুলো উত্থাপন করেন পটুয়াখালী-২ আসনের সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম মাসুদ।

তিনি বলেন, বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতা ও সংসদ সদস্য মির্জা আব্বাস দেশের একজন প্রবীণ রাজনীতিবিদ এবং সংসদের অভিজ্ঞ সদস্য। তার বর্তমান শারীরিক অবস্থা, শপথ গ্রহণসংক্রান্ত পরিস্থিতি এবং কবে সংসদে যোগ দিতে পারবেন— এ বিষয়ে সংসদকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করা প্রয়োজন।

এ সময় তিনি সরকারদলীয় দুই সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে আলোচিত ঋণখেলাপি ও মামলাসংক্রান্ত বিষয়গুলোর বর্তমান অবস্থাও জানতে চান। পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য এবং শরীফ ওসমান হাদিকে ঘিরে সাম্প্রতিক বিচারসংক্রান্ত আলোচনা ও গুজবের বিষয়েও সরকারের পক্ষ থেকে ব্যাখ্যা দেওয়া প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেন।

জবাবে স্পিকার বলেন, মির্জা আব্বাস ইতোমধ্যে সংসদ সচিবালয়কে চিঠি দিয়ে তার শারীরিক অবস্থার কথা জানিয়েছেন। তার শারীরিক অবস্থার ক্রমাগত উন্নতি হচ্ছে এবং তিনি সুস্থ হয়ে যথাসময়ে সংসদে যোগ দেবেন।

গুজব ও বিচারাধীন বিষয় প্রসঙ্গে স্পিকার আরও বলেন, “কে কী বলেছে বা কার সম্পর্কে কী বলা হয়েছে এসব নিয়ে জাতীয় সংসদের সময় নষ্ট করা যায় না। যেসব বিষয় আদালতে বিচারাধীন রয়েছে, সেসব বিষয়ে আদালতের সিদ্ধান্তের পর প্রয়োজনীয় তথ্য জানানো হবে। কারও সংসদ সদস্যপদ নিয়ে সাংবিধানিক বা আইনি কোনও সিদ্ধান্ত হলে সংসদকে যথাসময়ে তা অবহিত করা হবে।”

এ সময় চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বলেন, আদালতে বিচারাধীন বিষয় এবং গুজব নিয়ে সংসদে আলোচনা করার সুযোগ নেই। পয়েন্ট অব অর্ডারের নামে যাতে সংসদের মূল্যবান সময় অপ্রাসঙ্গিক বিষয়ে ব্যয় না হয়, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

পরে স্পিকার সংসদ সদস্যদের চলমান ও সংসদ-সংশ্লিষ্ট বিষয়ে পয়েন্ট অব অর্ডার উত্থাপনের আহ্বান জানান এবং অপ্রয়োজনীয়ভাবে সংসদের সময় ব্যয় না করার পরামর্শ দেন।

এলিস/নাঈম

চালের বাজারে কারসাজি ঠেকাতে কঠোর নজরদারি চলছে: খাদ্য প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ০৬:৪৯ পিএম
চালের বাজারে কারসাজি ঠেকাতে কঠোর নজরদারি চলছে: খাদ্য প্রতিমন্ত্রী
খাদ্য প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী। ছবি: সংগৃহীত

চালের বাজারে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি এবং কৃত্রিম সংকট তৈরির অপচেষ্টা ঠেকাতে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে বলে জানিয়েছেন খাদ্য প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী। তিনি বলেন, বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নিয়মিত মনিটরিংয়ের পাশাপাশি অবৈধ মজুতদার ও বাজার কারসাজির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) জাতীয় সংসদে নওগাঁ-৩ আসনের সরকারি দলের সংসদ সদস্য মো. ফজলে হুদার টেবিলে উত্থাপিত এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এ তথ্য জানান।

খাদ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, “বর্তমান সরকার বাজারে চালের দাম স্থিতিশীল রাখতে বদ্ধপরিকর। এ লক্ষ্যে সার্বক্ষণিক বাজার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।”
তিনি জানান, নিম্নআয়ের ও হতদরিদ্র মানুষের জন্য বরাদ্দকৃত খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল যথাসময়ে ও সঠিকভাবে বিতরণ নিশ্চিত করতে সরকার ডিজিটাল ব্যবস্থাপনায় যাওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে। এ জন্য খাদ্যবান্ধব ডাটাবেজের মাধ্যমে চাল বিতরণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ডিজিটাল পদ্ধতির মাধ্যমে উপকারভোগীদের তথ্য সংরক্ষণ ও যাচাই সহজ হবে। এতে প্রকৃত সুবিধাভোগীরা নির্ধারিত সময়ে খাদ্য সহায়তা পাবেন এবং বিতরণ ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বাড়বে।

সংসদে দেওয়া তথ্যে তিনি বলেন, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় খাদ্য সহায়তা কার্যক্রম আরও জোরদার করছে। বিশেষ করে মূল্যস্ফীতির প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত নিম্নআয়ের মানুষের চাপ কমাতে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচিকে কার্যকর রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

খাদ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বাজারে চালের সরবরাহ ও মূল্য পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রশাসনের বিভিন্ন সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করছে। একই সঙ্গে বাজার ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে নিয়মিত তদারকি ও অভিযানও পরিচালনা করা হচ্ছে।

এলিস/এসএন