সৌদি আরবে চিকিৎসক, প্রকৌশলী, নার্স এবং টেকনিশিয়ানসহ দক্ষ ও আধা-দক্ষ কর্মী পাঠানোর ব্যাপক সুযোগ রয়েছে। তাই দেশটিতে দক্ষ কর্মীর চাহিদা পূরণে আন্তরিকভাবে কাজ করছে সরকার বলে মন্তব্য করেছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল।
মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) রিয়াদে বাংলাদেশ দূতাবাসে সৌদির বিভিন্ন কোম্পানির মালিক ও শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।
এ সময় তিনি বাংলাদেশের শ্রমবাজারের গুণগত পরিবর্তনের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।
সৌদি আরবের ভিশন ২০৩০-এর বিভিন্ন মেগা প্রকল্প, যেমন নিওম, রেড সি, কিদ্দিয়া, গ্রিন রিয়াদ, আমালা, দিরিয়া এবং রোশন প্রকল্পগুলোর পাশাপাশি ২০২৭ সালে এএফসি এশিয়া কাপ, ২০২৯ সালে শীতকালীন এশিয়ান অলিম্পিক, ২০৩০ সালে ওয়ার্ল্ড এক্সপো এবং ২০৩৪ সালে ফিফা বিশ্বকাপের মতো বৈশ্বিক ইভেন্টে কর্মসংস্থানের বিপুল সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন তিনি।
এ সময়ে সৌদি রিক্রুটমেন্ট কোম্পানিগুলোর সহযোগিতা কামনা করে তথ্যের অভাব, মার্কেটিং, নেটওয়ার্কিং, ভিসা প্রসেসে দীর্ঘসূত্রতা, ভাষা প্রতিবন্ধকতা এবং বোর্ডিং-পূর্ব প্রশিক্ষণের ঘাটতির মতো চ্যালেঞ্জের কথা উল্লেখ করেন আসিফ নজরুল। পাশাপাশি এই সমস্যার সমাধানেরও আশ্বাস দেন তিনি।
নিয়মিত শ্রম মেলার আয়োজন করা, সেমিনার এবং কোম্পানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগের মাধ্যমে সম্পর্ক জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন আইন উপদেষ্টা। বাংলাদেশি কর্মীদের নিয়োগ ও সহায়তার জন্য সৌদি কোম্পানিগুলোর কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন আসিফ নজরুল।
অনুষ্ঠানে তিনি দূতাবাসের ই-ডিমান্ড এটেস্টেশন সিস্টেম উদ্বোধন করেন, যার মাধ্যমে সৌদি কোম্পানিগুলো অনলাইনে নিবন্ধন করে দূতাবাসে না গিয়েই কর্মী চাহিদাপত্র সত্যায়িত করতে পারবে ও কাজে স্বচ্ছতা ও গতিশীলতা আসবে।
জাতীয় নির্বাচনে প্রবাসীদের ভোটাধিকার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সরকার এ বিষয়ে বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর জন্য সম্ভাব্য বিকল্পগুলো যাচাই করছে।’ সূত্র: ইউএনবি
সুমন/