ঢাকা ৯ আষাঢ় ১৪৩৩, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
চালের বাজারে কারসাজি ঠেকাতে কঠোর নজরদারি চলছে: খাদ্য প্রতিমন্ত্রী নতুন ও প্রথম আয়কর রিটার্ন  দাখিলকারীর প্রতি পরামর্শ সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় জিএম কাদেরের নিন্দা ও উদ্বেগ অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ডব্লিউইএফ প্রেসিডেন্টের সাক্ষাৎ ওয়ান ব্যাংক থেকে নগদে তাৎক্ষণিক টাকা পাঠানোর সেবা চালু Wisdom of King Soloman বিষয়ক Story Writing নিয়ে আলোচনা, ২য় পর্ব, এইচএসসির ইংরেজি ১ম পত্র শুধু সাফল্য নয়, অনিয়মও তুলে ধরুন—সাংবাদিকদের প্রাণীসম্পদ মন্ত্রী উন্নত স্বাস্থ্যসেবা ও বিশেষ সুবিধা নিশ্চিতে মাস্টারকার্ড ও অ্যাসেন্ট হেলথ লিমিটেডের অংশীদারিত্ব ক্যালিফোর্নিয়ার আকাশে বাংলাদেশের রং নায়িকা ববি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে বললেন বাশার তার স্বামী নন ইউল্যাবে জেন্ডার সমতা, সামাজিক ন্যায়বিচার বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত পানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে এশিয়ার দেশগুলোর সম্মিলিত উদ্যোগের তাগিদ স্পিকারের সাহিত্যের খেলা প্রবন্ধর ৪০টি জ্ঞানমূলক প্রশ্ন ও উত্তর, ১ম পর্ব, এইচএসসির বাংলা ১ম পত্র প্রাইভেট ব্যাংকে চাকরির সুযোগ সিয়াটলে যাওয়ার অনুমতি পেল না মিশর ডিবি পরিচয়ে ব্যবসায়ীর বাড়িতে তাণ্ডব, আসবাবপত্র ভাঙচুরের পর লুটপাট জর্ডান ম্যাচে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত স্কালোনির লক্ষ্মীপুরে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে যুবদলের বিক্ষোভ পোড়া ক্ষত সারাতে তেলাপিয়া মাছের চামড়া, চিকিৎসাবিজ্ঞানে নতুন সম্ভাবনা দাউদকান্দি পৌরসভার ৪৩ কোটি টাকার উন্মুক্ত বাজেট ঘোষণা ব্র্যাকের প্রশিক্ষণ শেষে নারীরা পেলেন পেশাদার চালকের সনদ সিএনজি সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য: জিম্মি যাত্রীরা বিপৎসীমার ওপরে তিস্তার পানি, নিম্নাঞ্চলে বন্যার আশঙ্কা সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী অসামান্য গদ্যশৈলীর রূপকার টেকনাফে যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে আহত ১০ মুক্তমঞ্চে খেলা দেখা নিয়ে শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ রোবোটিক্স প্রতিযোগিতায় চ‍্যাম্পিয়ন লিডিং ইউনিভার্সিটি দল আখাউড়ায় ‘পার্টনার কংগ্রেস’ গোল্ডেন বুট নিয়ে ভাবছেন না কিলিয়ান এমবাপ্পে সাবেক ভূমিমন্ত্রীসহ ৩৬ আসামির মামলায় আরও ৭ সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ

করিডর নিয়ে কারো সঙ্গে আলোচনা হয়নি ভবিষ্যতেও হবে না: নিরাপত্তা উপদেষ্টা

প্রকাশ: ২১ মে ২০২৫, ০৭:০৪ পিএম
করিডর নিয়ে কারো সঙ্গে আলোচনা হয়নি ভবিষ্যতেও হবে না: নিরাপত্তা উপদেষ্টা
জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান।ন ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান জানিয়েছেন, বাংলাদেশ সরকার মিয়ানমারকে কোনো ধরনের ‘করিডর’ দেওয়া নিয়ে কারো সঙ্গে আলোচনা করেনি এবং ভবিষ্যতেও এ নিয়ে কোনো আলোচনা করবে না।

তিনি বলেন ‘আমরা যা বলেছি, তা হলো রাখাইন রাজ্যে মানবিক সংকটের কারণে জাতিসংঘের সঙ্গে খাদ্য ও ওষুধ পাঠানোর বিষয়ে আলোচনা চলছে। এর বাইরে কিছু নয়’।

বুধবার (২১ মে) রাজধানীর বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা জানান।

নিরাপত্তা উপদেষ্টা বলেন, ‘করিডর বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত বা বিবেচনা সব অংশীজনদের সঙ্গে পরামর্শ করেই নেওয়া হবে।’

এক প্রশ্নের জবাবে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা বলেন, কোনো দেশ এমনকি যুক্তরাষ্ট্রের তরফ থেকেও তাদের ওপর কোনো চাপ নেই।

‘আমরা কাউকে ফ্রি পাস দিতে পারি না,’ বলেন খলিলুর। এ সময় তিনি বাংলাদেশের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার ওপর জোর দেন।

তিনি জানান, ‘বাংলাদেশ এরইমধ্যে ১২ লাখের বেশি রোহিঙ্গার বোঝা বহন করছে এবং দেশটি আর কোনো রোহিঙ্গা শরণার্থী গ্রহণ করতে পারবে না।’

ড. খলিল বলেন, ‘বাংলাদেশের মূল লক্ষ্য হলো রোহিঙ্গাদের টেকসই প্রত্যাবাসন।’ তাদের অবশ্যই ফিরতে হবে, এবং সেখানে (মিয়ানমারে) থেকেই তাদের জীবন গড়তে হবে।

তিনি আরও বলেন, ‘এ ইস্যুতে কোনো সমন্বয়হীনতা নেই এবং তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছেন।’

খলিলুর রহমান বলেন, ‘করিডর’ ইস্যুটি প্রথমে একটি প্রতিবেশী দেশের পক্ষ থেকেই আলোচনায় আসে।’

তিনি জানান, ‘গত সাত বছরে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে কার্যকর কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি, তবে বর্তমান অন্তবর্তী সরকার এটি আবারো আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোচনায় নিয়ে এসেছে।’

সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এবং উপ-প্রেস সচিব অপূর্ব জাহাঙ্গীর উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে, রোহিঙ্গা শরণার্থীদের চাহিদার বিষয়টি তুলে ধরে বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত ও প্রতিনিধি দলের প্রধান মাইকেল মিলার বলেন, সীমান্ত-পারাপারের মাধ্যমে সহায়তা কেবল তখনই কার্যকর হয়, যখন উভয় পাশের মানুষ নিরাপদে থাকে এবং সরকারগুলোর সম্মতি থাকে।

‘বিশ্বের অন্যান্য অংশে আমরা সীমান্ত পারাপারের মাধ্যমে সহায়তা দিয়েছি, এবং এটি কার্যকর হয়েছে। তবে এটি কেবল তখনই সম্ভব, যখন উভয় পক্ষ নিরাপদ এবং সরকার একমত থাকে,’ বলেন তিনি।

‘করিডোর’ বনাম ‘প্যাসেজ’ নিয়ে ব্যাখ্যা চাওয়া হলে রাষ্ট্রদূত মিলার বলেন, তিনি এ বিষয়ে ভিতরের কোনো তথ্য দিতে পারবেন না। তবে একজন মানবিক অংশীদার হিসেবে তারা চাহিদা পূরণে বাস্তবমুখী অবস্থান নিয়েছেন।

‘যদি রোহিঙ্গারা এখানে (বাংলাদেশে) থাকে, আমরা এখানেই তাদের চাহিদা পূরণে কাজ করব। যদি তারা সীমান্তের ওপারে থাকে এবং পরিস্থিতির উন্নতি ঘটে, সেক্ষেত্রে আমরাও তাদের সেখানে সহায়তা দেওয়ার উপায় খুঁজব,’ বলেন তিনি।

বাংলাদেশের অবদানকে স্বীকৃতি দিয়ে রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘সীমান্ত পেরিয়ে সহিংসতা থেকে পালিয়ে আসা এত বিপুল সংখ্যক শরণার্থীকে আশ্রয় দেওয়ায় বাংলাদেশ এক বিশাল দায়িত্ব পালন করছে।’ সূত্র: ইউএনবি

এমএ/

চালের বাজারে কারসাজি ঠেকাতে কঠোর নজরদারি চলছে: খাদ্য প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ০৬:৪৯ পিএম
চালের বাজারে কারসাজি ঠেকাতে কঠোর নজরদারি চলছে: খাদ্য প্রতিমন্ত্রী
খাদ্য প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী। ছবি: সংগৃহীত

চালের বাজারে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি এবং কৃত্রিম সংকট তৈরির অপচেষ্টা ঠেকাতে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে বলে জানিয়েছেন খাদ্য প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী। তিনি বলেন, বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নিয়মিত মনিটরিংয়ের পাশাপাশি অবৈধ মজুতদার ও বাজার কারসাজির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) জাতীয় সংসদে নওগাঁ-৩ আসনের সরকারি দলের সংসদ সদস্য মো. ফজলে হুদার টেবিলে উত্থাপিত এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এ তথ্য জানান।

খাদ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, “বর্তমান সরকার বাজারে চালের দাম স্থিতিশীল রাখতে বদ্ধপরিকর। এ লক্ষ্যে সার্বক্ষণিক বাজার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।”
তিনি জানান, নিম্নআয়ের ও হতদরিদ্র মানুষের জন্য বরাদ্দকৃত খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল যথাসময়ে ও সঠিকভাবে বিতরণ নিশ্চিত করতে সরকার ডিজিটাল ব্যবস্থাপনায় যাওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে। এ জন্য খাদ্যবান্ধব ডাটাবেজের মাধ্যমে চাল বিতরণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ডিজিটাল পদ্ধতির মাধ্যমে উপকারভোগীদের তথ্য সংরক্ষণ ও যাচাই সহজ হবে। এতে প্রকৃত সুবিধাভোগীরা নির্ধারিত সময়ে খাদ্য সহায়তা পাবেন এবং বিতরণ ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বাড়বে।

সংসদে দেওয়া তথ্যে তিনি বলেন, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় খাদ্য সহায়তা কার্যক্রম আরও জোরদার করছে। বিশেষ করে মূল্যস্ফীতির প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত নিম্নআয়ের মানুষের চাপ কমাতে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচিকে কার্যকর রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

খাদ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বাজারে চালের সরবরাহ ও মূল্য পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রশাসনের বিভিন্ন সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করছে। একই সঙ্গে বাজার ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে নিয়মিত তদারকি ও অভিযানও পরিচালনা করা হচ্ছে।

এলিস/এসএন

অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ডব্লিউইএফ প্রেসিডেন্টের সাক্ষাৎ

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ০৬:৩১ পিএম
অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ডব্লিউইএফ প্রেসিডেন্টের সাক্ষাৎ
ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্ট ও সিইও এবং প্রধানমন্ত্রী | ছবি: সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) প্রেসিডেন্ট ও সিইও আলোইস জভিংগি।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) স্থানীয় সময় বিকেল ৫টায় চীনের দালিয়ান আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষাৎকালে আলোইস জভিংগি সরকারপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানান।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের বিভিন্ন উদ্যোগের প্রশংসা করেন। তিনি জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা বাংলাদেশের মতো অন্যান্য ডেল্টা রাষ্ট্র এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর সহযোগিতায় ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামকে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ আগামী পাঁচ বছরে ২৫০ মিলিয়ন বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ নিয়েছে। পাশাপাশি প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার নদী ও খাল পুনঃখননের মাধ্যমে পানির প্রবাহ পুনরুদ্ধার, বন্যার ঝুঁকি হ্রাস এবং পরিবেশ সুরক্ষায় বাংলাদেশের উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন।

তিনি আরও জানান, নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদনে উৎসাহ প্রদানের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে কর-সুবিধা প্রদান করেছে এবং ২০৩০ সালের মধ্যে মোট বিদ্যুৎ চাহিদার ২০ শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে উৎপাদনের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।

আলোইস জভিংগি জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অভিজ্ঞতা ও উদ্যোগকে বৈশ্বিক পরিসরে কাজে লাগানোর বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন।

আলোইস জভিংগি বলেন, বাংলাদেশের জলবায়ু সহনশীলতা ও টেকসই উন্নয়ন উদ্যোগ আন্তর্জাতিক অর্থায়নকারী প্রতিষ্ঠান ও বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ তৈরি করবে।

তিনি বাংলাদেশের পক্ষ থেকে উত্থাপিত বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আশ্বাস দিয়ে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দেন।

আলোইস জভিংগি প্রধানমন্ত্রীকে সুইজারল্যান্ডের দাভোসে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের বার্ষিক সম্মেলনে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ জানান।

এ সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী এবং প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন উপস্থিত ছিলেন।

এসএন/

শুধু সাফল্য নয়, অনিয়মও তুলে ধরুন—সাংবাদিকদের প্রাণীসম্পদ মন্ত্রী

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ০৬:১২ পিএম
শুধু সাফল্য নয়, অনিয়মও তুলে ধরুন—সাংবাদিকদের প্রাণীসম্পদ মন্ত্রী
কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী আমিন উর রশিদ ইয়াসিন। ছবি: সংগৃহীত

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ সাংবাদিকদের প্রতি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের ইতিবাচক অর্জনের পাশাপাশি অনিয়ম, সীমাবদ্ধতা ও নেতিবাচক দিকগুলোও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে তুলে ধরার আহ্বান জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) সচিবালয়ে নিজ দফতরে ফিশারিজ অ্যান্ড লাইভস্টক জার্নালিস্টস ফোরামের (এফএলজেএফ) নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ আহ্বান জানান।

সাক্ষাৎকালে এফএলজেএফের সভাপতি তরিকুল ইসলাম সুমন এবং সাধারণ সম্পাদক জাহিদুর রহমান সংগঠনের পক্ষ থেকে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের টেকসই উন্নয়ন ও গণমাধ্যমের কার্যকর ভূমিকা বিষয়ে বিভিন্ন প্রস্তাবনা তুলে ধরেন।

এ সময় মন্ত্রী সাংবাদিকদের মতামত মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং খাতটির বিদ্যমান নানা চ্যালেঞ্জ ও সীমাবদ্ধতার বিষয়েও আলোচনা করেন। তিনি বলেন, মন্ত্রণালয় ও এর আওতাধীন দপ্তরগুলোর সাফল্যের খবর যেমন গণমাধ্যমে প্রকাশ হওয়া প্রয়োজন, তেমনি সমস্যা ও দুর্বলতাগুলোও তুলে ধরা উচিত। এতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে উৎসাহিত হবে এবং সেবার মান আরও উন্নত হবে।

সৌজন্য সাক্ষাৎকালে মন্ত্রীর একান্ত সচিব পঙ্কজ বড়ুয়া, সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা মো. মামুন হাসান এবং সহকারী একান্ত সচিব মো. আমিনুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া এফএলজেএফের সহ-সভাপতি মোহাম্মদ নঈমুদ্দীন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বায়েজীদ মুন্সী, অর্থ সম্পাদক শাহজাহান মোল্লা, সাংগঠনিক সম্পাদক শওকত আলী, দপ্তর সম্পাদক মো. বেলাল হোসেন, কার্যনির্বাহী সদস্য কাওসার আজম, নাসির উদ্দিন, শাহাদাৎ হোসেন বিপ্লব এবং সদস্য গোলাম সামদানি ভূঁইয়া ও আরিফুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

তপন/এসএন

পানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে এশিয়ার দেশগুলোর সম্মিলিত উদ্যোগের তাগিদ স্পিকারের

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ০৫:৫৯ পিএম
আপডেট: ২৩ জুন ২০২৬, ০৬:০১ পিএম
পানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে এশিয়ার দেশগুলোর সম্মিলিত উদ্যোগের তাগিদ স্পিকারের
হা সাং জে এর নেতৃত্বে দক্ষিণ কোরিয়ার একটি উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম। ছবি : সংগৃহীত

বর্তমান বিশ্বের অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দেওয়া পানি সংকট মোকাবিলায় এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সমন্বিত উদ্যোগ ও সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম। তিনি বলেছেন, পানি সংকট এখন শুধু পরিবেশগত বা উন্নয়নগত সমস্যা নয়, অনেক দেশের জন্য এটি জীবন-মরণ ইস্যুতে পরিণত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) জাতীয় সংসদ ভবনে স্পিকারের কার্যালয়ে এশিয়া ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি ওয়াটার কনসালটেটিভ বোর্ড (এএডব্লিউসি)-এর জেনারেল সেক্রেটারি মি. হা সাং জে’র নেতৃত্বে দক্ষিণ কোরিয়ার একটি উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদল সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এলে স্পিকার এসব কথা বলেন।

স্পিকার বলেন, “পানি সমস্যা এতটাই তীব্র আকার ধারণ করেছে যে বাংলাদেশসহ অনেক দেশের জন্য এটি জীবন-মরণের প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো—বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানে এ সংকট আরও গভীর। পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর থেকেই প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতের সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত রেখেছে।”
তিনি আরও বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন, জনসংখ্যা বৃদ্ধি, নদী ব্যবস্থাপনার জটিলতা এবং সীমান্তবর্তী নদীর পানিবণ্টন সংকট ভবিষ্যতে পরিস্থিতিকে আরও কঠিন করে তুলতে পারে। এ কারণে পানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আঞ্চলিক সহযোগিতার বিকল্প নেই।

এ সময় এএডব্লিউসি’র জেনারেল সেক্রেটারি মি. হা সাং জে বৈশ্বিক পানি সংকট সমাধানে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সদস্যদের আরও সক্রিয় অংশগ্রহণ কামনা করেন। তিনি বাংলাদেশের সংসদ সদস্যদের এএডব্লিউসি’র কার্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার আহ্বান জানান এবং আগামী ২০২৬ সালে লাওসে অনুষ্ঠিতব্য সংস্থাটির বার্ষিক সম্মেলনে অংশ নেওয়ার জন্য স্পিকারকে আমন্ত্রণ জানান।

স্পিকার এএডব্লিউসি’র কার্যক্রমের প্রশংসা করে বলেন, ২০১৯ সাল থেকে একটি আইনি ও নীতিগত কাঠামোর মাধ্যমে পানি সংকট সমাধানে সংগঠনটির প্রচেষ্টা প্রশংসনীয়। পানি নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন, পানি ব্যবস্থাপনা ও টেকসই উন্নয়ন ইস্যুতে এশিয়ার সংসদ সদস্যদের সম্পৃক্ত করে যে লেজিসলেটিভ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তাতে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ সদস্যদের সম্পৃক্ত হওয়ার বিষয়ে তিনি সুপারিশ করবেন বলেও প্রতিনিধিদলকে আশ্বস্ত করেন।

স্পিকার আরও জানান, লাওসে অনুষ্ঠিতব্য এএডব্লিউসি’র পরবর্তী বার্ষিক সম্মেলনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ থাকবে বলে তিনি আশা করছেন।

প্রসঙ্গত, এএডব্লিউসি এশিয়ার বিভিন্ন দেশের সংসদ সদস্যদের একটি আন্তঃসংসদীয় প্ল্যাটফর্ম, যা পানি নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন, পানি ব্যবস্থাপনা এবং টেকসই উন্নয়ন বিষয়ে নীতিগত ও আইনগত সহযোগিতা জোরদারে কাজ করছে।

সাক্ষাৎকালে দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত মি. কিম জি-জুন এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভূঁইয়াসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এলিস/এসএন

৩০ হাজার মামলার জটে স্থবির শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম: শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশ: ২৩ জুন ২০২৬, ০৩:১০ পিএম
আপডেট: ২৩ জুন ২০২৬, ০৩:১০ পিএম
৩০ হাজার মামলার জটে স্থবির শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম: শিক্ষামন্ত্রী
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।ন ছবি: সংগৃহীত

সারাদেশে শত শত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রায় ৩০ হাজার মামলা জটের কারণে শূন্য পদে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। 

মঙ্গলবার (২৩ জুন) সকালে চট্টগ্রাম কলেজ মিলনায়তনে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় শিক্ষামন্ত্রী এ কথা বলেন। এ সভায় অংশ নেন চট্টগ্রাম বোর্ড, মাদ্রাসা ও কাৃরিগরি শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তা এবং শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, ২০১৭ সালের এক আইনি জটিলতায় ৩২ হাজার ৫০০ জনকে প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ ও পদোন্নতির প্রক্রিয়া আটকে আছে। তবে আগামী ২ জুলাই আপিল বিভাগে এ মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য রয়েছে। তার প্রত্যাশা, ওই দিন কাঙ্ক্ষিত রায় পাওয়ার মধ্য দিয়ে এই শূন্য পদগুলো পূরণের জট খুলবে।

সভায় মন্ত্রী বলেন, ‘২০০৬ সালে আমরা নকলের কবর দিয়েছি। তবে এখন নকল ডিজিটাল রূপ নিয়েছে। তাই পরীক্ষাকেন্দ্রে অবশ্যই সিসি ক্যামেরা থাকতে হবে। যার মাধ্যমে নিশ্চিত করা হবে ডিজিটাল ভিজিল্যান্স।’

মন্ত্রী উল্লেখ করেন, এমপিওভুক্তির বিশাল ব্যাকলগ পূরণে আরও ৭৭ হাজার শিক্ষক প্রয়োজন।

শিক্ষাব্যবস্থায় অসহযোগিতার অভিযোগ তুলে মন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষাব্যবস্থার জায়গায় জায়গায় একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের গুপ্ত অনুসারীরা রয়েছে, যারা আমাদের শিক্ষার উন্নয়নে সহযোগী হতে চাইছে না।’

অন্তরা/