ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে রবিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) থেকে নির্বাচন কমিশন (ইসি) নির্বাচনি সংলাপ শুরু করেছে। প্রথম দিন কমিশন সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের বর্তমান ও সাবেক শিক্ষকদের সঙ্গে আলাদা দুটি সংলাপে বসেছে।
আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে বেলা ১১টার দিকে প্রথম দিনের নির্বাচনি সংলাপের প্রথম অধিবেশন শুরু হয়। এর পর বিকেল সাড়ে ৪টা থেকে দ্বিতীয় দফায় সংলাপ হবে। সব মিলিয়ে আজকের সংলাপে ৬০ জনের বেশি অতিথিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এস. এম. এ. ফায়েজ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমেদ খান, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কামরুল আহসান, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. রেজাউল করিমসহ ৩০ জনের বেশি শিক্ষককে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
সংলাপের উদ্বোধনী বক্তব্যে সিইসি এ. এম. এম. নাসির উদ্দিন বলেন, “কোনো এজেন্ডা ছাড়া এ সংলাপের আয়োজন করা হয়েছে। সংলাপে অংশ নেওয়া সবার মতামত আমরা শুনব। আজকের সংলাপ কেবল আনুষ্ঠানিকতা নয়। সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনে এই সংলাপ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। আমরা দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে বিশাল কর্মযজ্ঞে হাত দিয়েছি। আমাদের নারী ভোটারের সংখ্যা অনেক কম ছিল। তবে আমরা ভোটার তালিকা হালনাগাদ করেছি। আরপিও সংশোধনসহ বিভিন্ন কাজ করেছি। আমরা কিছু নতুন উদ্যোগ হাতে নিয়েছি। পোস্টাল ব্যালট আইনে থাকলেও এর কার্যকর প্রয়োগ হয়নি, এটি নিয়ে কাজ করেছি। দেশে যারা নির্বাচনে জড়িত, তারা ভোট দিতে পারেন না। এবার আমরা সবার ভোটের ব্যবস্থা করব। এটি একটি মাইলফলক।”
ইসি সূত্র জানায়, আজকের সংলাপে সুশীল সমাজের প্রতিনিধি হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)-এর নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান, সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)-এর বিশেষ ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য, সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ড. হোসেন জিল্লুর রহমান, রাশেদা কে চৌধূরী প্রমুখ।
দূর্গাপূজার ছুটি শেষে আগামী মাসে (অক্টোবর) ইসি নারীনেত্রী, মুক্তিযোদ্ধা, গণমাধ্যমকর্মী ও রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ধাপে ধাপে সংলাপ চালাবে।
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার ঘোষণায়, ইসি আগামী বছরের ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন করতে চায়।
এলিস/মেহেদী/