ঢাকা ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
পুলিশি অভিযানে পণ্ড আ.লীগ নেতা-কর্মীদের খিচুড়ি পার্টি, আটক ২ স্বপ্ন, উন্মাদনা আর বিশ্বজয়ের লড়াই, বিশ্বকাপের পর্দা উঠছে আজ মেহেরপুরে ফুটবল খেলার সময় বজ্রপাতে স্কুলছাত্রের মৃত্যু দেশের পোশাক খাতের নগদ প্রণোদনার ওপর উৎসে কর ৫ শতাংশ বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় ওয়ানডে আজ সেরা করদাতাদের সম্মাননা দেওয়া হবে ইশতেহার বাস্তবায়নে সরকারের ৫ বছরের মেগা কর্মপরিকল্পনা রাজত্ব কার, লাতিন না ইউরোপের? নড়াইলে যুবদল নেতাকে  কুপিয়ে গুরুতর যখম ক্রিকেট খেলে প্রস্তুতি ইংলিশ ফুটবলারদের ফ্রিল্যান্সিং খাতে কর অব্যাহতি শুধু অর্থনৈতিক নয়, রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকেও ইসলামী ব্যাংকের বিষয়টি দেখা হচ্ছে: গভর্নর দূর হয়েছে শঙ্কা, বইছে খুশির হাওয়া উচ্চ সিসির মোটরসাইকেলে টিআইএন বাধ্যতামূলক হচ্ছে বাজেটে অঞ্চলভিত্তিক উন্নয়নসহ ১০ বিষয়েগুরুত্ব দেওয়া হবে টেলিযোগাযোগ খাতে উৎসে কর ১০ শতাংশ করমুক্ত আয়সীমা ২৫ হাজার টাকা বাড়ছে ওচোয়ার ছয় বিশ্বকাপের মহাকাব্য বড় চ্যালেঞ্জ দ্রুত কর্মসংস্থান সৃষ্টি: বাণিজ্যমন্ত্রী চট্টগ্রামে অ্যাম্বুলেন্স মালিকদের স্বেচ্ছাচারিতা তিন আকাশে জ্বলবে এক আলোর মশাল ভাঙন ঝুঁকিতে যমুনার ৪০ কিমি তীর ভালো কোম্পানি টানতে বড় ছাড়ের তাগিদ কুরমা অভয়াশ্রমের হলদে-চোখ ছাতারে ১১ জুন: তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীনের আজকের রাশিফল ১১ জুন: মেষ, বৃষ, মিথুন, কর্কট, সিংহ ও কন্যার আজকের রাশিফল বাজেট ২০২৬-২৭ উত্থাপন আজ: আকাঙ্ক্ষা বনাম বাস্তবতার টানাপোড়েন ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর কল্যাণে পৃথক অধিদপ্তরের আশ্বাস স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর কংগ্রেসে যোগ দিচ্ছেন মমতা! হরিণাকুন্ডুতে বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যু
Nagad desktop

আজ ঘটনাবহুল ৭ নভেম্বর

প্রকাশ: ০৭ নভেম্বর ২০২৫, ১১:৩৫ এএম
আজ ঘটনাবহুল ৭ নভেম্বর
শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। ছবি: সংগৃহীত

আজ ঘটনাবহুল ৭ নভেম্বর। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সংগঠন পৃথক নামে দিনটি পালন করে। বিএনপিসহ সমমনা দলগুলো দিনটিকে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে পালন করে। পঁচাত্তর সালের এই দিনে আধিপত্যবাদী শক্তির ষড়যন্ত্র প্রতিহত করে সিপাহি-জনতা দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা করেছিল। বন্দিদশা থেকে মুক্ত করেছিল জিয়াউর রহমানকে।

৭ নভেম্বরকে জাসদ ‘সিপাহি-জনতার অভ্যুত্থান দিবস’ হিসেবে পালন করে আসছে। অন্যদিকে, আওয়ামী লীগসহ বেশ কয়েকটি দল ও সংগঠন ৭ নভেম্বরকে ‘মুক্তিযোদ্ধা সৈনিক হত্যা দিবস’ হিসেবে পালন করে।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার মধ্য দিয়ে দেশে ক্ষমতার পটপরিবর্তন ঘটে। এরপর ওই বছরের ৩ নভেম্বর কারাগারে জাতীয় চার নেতাকে হত্যা করা হয়। ওই দিনই সেনাবাহিনীর উপপ্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল খালেদ মোশাররফ তার অনুসারী সেনাসদস্যদের নিয়ে এক অভ্যুত্থান ঘটান। সে সময় সেনাবাহিনীতে পাল্টাপাল্টি অভ্যুত্থানের ঘটনা ঘটে। এ সময় তৎকালীন সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানকে বন্দি করা হয়। ৬ নভেম্বর খালেদ মোশাররফ বঙ্গভবনে গিয়ে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি খন্দকার মোশতাক আহমদকে গ্রেপ্তার করেন। একপর্যায়ে ৬ নভেম্বর গভীর রাতে সেনাবাহিনীর সাধারণ সিপাহিরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। সেই অভ্যুত্থানে স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থন দিয়ে সর্বস্তরের জনতা রাজপথে নেমে আসেন। ৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতার এক অভ্যুত্থানে জিয়াউর রহমান মুক্ত হন। প্রাণ হারান খালেদ মোশাররফ ও তার কিছু অনুসারী। তারপর থেকেই ৭ নভেম্বর পালিত হচ্ছে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে। 

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর এ বছর ব্যাপক আয়োজনের মধ্য দিয়ে দিনটিকে পালন করার প্রস্তুতি নিয়েছে বিএনপি। ৯ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে দলটি। আজ ৭ নভেম্বর শুক্রবার বেলা ১১টায় শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ অন্য নেতারা। এর আগে সকাল ৬টায় সারা দেশে দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করার নির্দেশনা আছে। এ ছাড়া পোস্টার ও ক্রোড়পত্র প্রকাশ করা হয়েছে। শুক্রবার বেলা ৩টায় নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে শুরু হবে বর্ণাঢ্য র‍্যালি। এদিন জেলা ও বিভাগীয় শহরে র‌্যালি অনুষ্ঠিত হবে। ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বিএনপির উদ্যোগে আগামী ১২ নভেম্বর বুধবার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্ৰে আলোচনা সভা হবে। এ ছাড়া ৬ নভেম্বর থেকে ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত ডকুমেন্টারি (ভিডিও, স্থিরচিত্র) ইলেকট্রনিক, প্রিন্ট মিডিয়াসহ ফেসবুক, ইউটিউব, অনলাইনে প্রকাশ করা হবে। 

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে বাণী দিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের ইতিহাসে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের সিপাহি-জনতার বিপ্লব শুধু মোড় পরিবর্তনকারী ঘটনা নয়, এ দেশে আধিপত্যবাদবিরোধী জাতীয়তাবাদী রাজনীতির অভ্যুদয়ের সূচনা করেছিল। সে জন্য জাতীয় স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা এই মুহূর্তে অত্যন্ত জরুরি।

অভিযোগ করে তিনি বলেন, ‘স্বাধীনোত্তর ক্ষমতাসীন গোষ্ঠী নিজ স্বার্থে দেশকে আধিপত্যবাদের থাবার মধ্যে ঠেলে দিয়ে ক্ষমতা চিরদিনের জন্য ধরে রাখার উদ্দেশ্যে একদলীয় বাকশাল গঠন করে গণতন্ত্রকে হত্যা করে। বাকশালি সরকার ফ্যাসিবাদী পন্থায় মানুষের অধিকার হরণ করে। এই চরম সংকটকালে ৭৫-এর ৩ নভেম্বর কুচক্রীরা স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমানকে সপরিবারে ক্যান্টনমেন্টে বন্দি করে। কিন্তু ৭ নভেম্বর স্বজাতির স্বাধীনতা রক্ষায় অকুতোভয় সৈনিক এবং জনতার ঢলে রাজপথে এক অনন্য সংহতির স্ফুরণ ঘটে এবং স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান মুক্ত হন।’

জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা হয় জানিয়ে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, ‘এই পটপরিবর্তনে রাষ্ট্রপতি জিয়ার নেতৃত্বে দেশে প্রাণচাঞ্চল্য তৈরি হয় এবং গণতন্ত্র অর্গলমুক্ত হয়ে বাক-ব্যক্তি ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সুপ্রতিষ্ঠিত হয়। তবে আধিপত্যবাদী শক্তির এদেশীয় এজেন্টরা উদ্দেশ্য সাধনের পথে কাঁটা মনে করে ১৯৮১ সালে রাষ্ট্রপতি জিয়াকে পৈশাচিকভাবে হত্যা করে।

পৃথক বাণীতে দেশবাসীসহ সবাইকে আহ্বান জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘এখনো দেশে নির্বাচিত গণতান্ত্রিক সরকার গঠিত হয়নি। আর সে জন্য অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের কোনো বিকল্প নেই। ৫ আগস্টের পরে দেশবাসী কিছুটা স্বস্তির নিশ্বাস ফেললেও এখনো অনেক কাজ বাকি রয়েছে। ন্যায়বিচার, জবাবদিহিতা ও সুশাসনের অঙ্গীকার বাস্তবায়িত হয়নি। ৭ নভেম্বরের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে অর্থনৈতিক মুক্তি, শান্তি-শৃঙ্খলা, সাম্য, ন্যায় ও মানবিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করা এবং দুর্নীতি ও দুঃশাসনকে চিরতরে বিদায় করতে আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।’

সংসদে প্রধানমন্ত্রী ইশতেহার বাস্তবায়নে সরকারের ৫ বছরের মেগা কর্মপরিকল্পনা

প্রকাশ: ১১ জুন ২০২৬, ০৯:০৯ এএম
ইশতেহার বাস্তবায়নে সরকারের ৫ বছরের মেগা কর্মপরিকল্পনা
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গতকাল জাতীয় সংসদেবাজেট অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে সদস্যদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন। ছবি: খবরের কাগজ

নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নে ১৮০ দিনের অগ্রাধিকার কর্মসূচি, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের কর্মপরিকল্পনা এবং আগামী পাঁচ বছরের একটি সমন্বিত মেগা কর্মপরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে সরকার। একই সঙ্গে ব্যবসা ও কর্মসংস্থানে গতি আনা, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধি, প্রশাসনিক দক্ষতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং দেশের সব অঞ্চলে সমান উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। 

গতকাল বুধবার জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে নতুন উদ্যোগ হিসেবে বিদেশ থেকে বিনিয়োগ আনতে পারলে ১ দশমিক ৫ শতাংশ ইনসেনটিভ দেওয়া হবে।

পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য মো. শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনি ইশতেহারে ঘোষিত কর্মসূচিগুলো বাস্তবায়নে সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগ ১৮০ দিন, আগামী অর্থবছর এবং পরবর্তী পাঁচ বছরের জন্য সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে। ইতোমধ্যে এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল একক’–এই দর্শনের আলোকে পরিবারের প্রধান নারী সদস্যকে ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে মাসিক আড়াই হাজার টাকা সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। এখন পর্যন্ত ৬০ হাজারের বেশি পরিবার এ সুবিধার আওতায় এসেছে। কৃষকদের জন্য কৃষক কার্ড চালু করা হয়েছে এবং প্রায় ১৩ লাখ কৃষকের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফে ১ হাজার ৫৬৭ কোটি টাকার বেশি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

স্বাস্থ্য খাতে পাঁচ জেলায় পরীক্ষামূলকভাবে ‘ই-হেলথ কার্ড’ চালুর উদ্যোগের কথাও জানান প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি ধর্মীয় উপাসনালয়ের ইমাম, পুরোহিত, ভিক্ষু ও পাদ্রিদের সম্মানী ভাতা সম্প্রসারণের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন তিনি।

মো. মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়ার প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের প্রথম বাজেট ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্য নিয়েই প্রণয়ন করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘ব্যবসায়ীরা যাতে নির্বিঘ্নে ব্যবসা করতে পারেন এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারেন, সেদিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং বিনিয়োগ-প্রক্রিয়া সহজ করতে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে।’ 

প্রধানমন্ত্রী জানান, প্রকৃত ও ক্ষতিগ্রস্ত শিল্প উদ্যোক্তাদের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক ৯ শতাংশ সুদে ৬ হাজার কোটি টাকার একটি তহবিল গঠন করেছে। 
সংসদে সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি কিংবা বিদেশি নাগরিক যদি দেশে বিনিয়োগ নিয়ে আসতে পারেন, তাহলে আনা বিনিয়োগের ওপর ১ দশমিক ৫ শতাংশ ইনসেনটিভ বা কমিশন দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, ‘আমরা শুধু বিদেশি বিনিয়োগ নয়, দেশীয় বিনিয়োগও উৎসাহিত করতে চাই। ডিরেগুলেশন বা নিয়ন্ত্রণমুক্তকরণ পদ্ধতির মাধ্যমে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি করা হবে।’ বিদেশি বিনিয়োগকারীদের মুনাফা নিজ দেশে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতাও আইনি সংস্কারের মাধ্যমে দূর করা হবে বলে জানান সরকারপ্রধান।

বিরোধী দলের এলাকাতেও সমান উন্নয়ন
সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্যদের উন্নয়ন কার্যক্রম তদারকি নিয়ে বিরোধীদলীয় সদস্য ব্যারিস্টার মীর আহমদ বিন কাসেমের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নারী সংসদ সদস্যদের সংবিধান বা আইনে নির্দিষ্ট কোনো ভৌগোলিক আসন না থাকলেও রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক কাঠামোর ভিত্তিতে তাদের কাজের ক্ষেত্র নির্ধারণ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, সরাসরি নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের মতো নারী সংসদ সদস্যদেরও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে কাজ করার অধিকার রয়েছে। পরে অন্য এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার দেশের সুষম উন্নয়নে বিশ্বাস করে। সরকারি দলের সংসদ সদস্যদের মতো বিরোধী দলের সদস্যদের এলাকাতেও সমানভাবে উন্নয়ন সহযোগিতা দেওয়া হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা গণতন্ত্রে বিশ্বাসী ও জনগণের কাছে জবাবদিহিমূলক সরকার। গঠনমূলক সমালোচনা থাকলে অবশ্যই তা গ্রহণ করা হবে।’ 
তিনি জানান, দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দরনগরী চট্টগ্রামকে আধুনিক ও পূর্ণাঙ্গ বাণিজ্যিক নগরীতে পরিণত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। একই সঙ্গে প্রশাসনের সব স্তরে দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

এদিকে কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্যে পাঁচ লাখ সরকারি কর্মচারী নিয়োগের সিদ্ধান্ত, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফ্রি ওয়াই-ফাই, ‘ওয়ান টিচার ওয়ান ট্যাব’ কর্মসূচি, পেপ্যাল চালুর উদ্যোগ, ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি এবং ২০৩০ সালের মধ্যে নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে ২০ শতাংশ বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যের কথাও সংসদকে অবহিত করেন প্রধানমন্ত্রী।

ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর কল্যাণে পৃথক অধিদপ্তরের আশ্বাস স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ১১:৫৬ পিএম
আপডেট: ১১ জুন ২০২৬, ০৭:৫১ এএম
ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর কল্যাণে পৃথক অধিদপ্তরের আশ্বাস স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গুলশানে বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী দলের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন। ছবি: সংগৃহীত

দেশের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মানুষের শিক্ষা, কর্মসংস্থান, রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব এবং সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে পৃথক একটি অধিদপ্তর গঠনের আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বুধবার (১০ জুন)  রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী দলের নেতাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ আশাবাদের কথা জানান। সভায় ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর বিভিন্ন সমস্যা, সম্ভাবনা, উন্নয়ন পরিকল্পনা এবং রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা এবং রাজনৈতিক পরিবর্তনের বিভিন্ন পর্যায়ে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর জনগণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। শুধু ভোট প্রদানের মধ্যেই তাদের অবদান সীমাবদ্ধ ছিল না; নির্বাচনী প্রচারণা ও সাংগঠনিক কার্যক্রমেও তারা বিএনপির পক্ষে সক্রিয়ভাবে কাজ করেছে। এজন্য তিনি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মানুষের অধিকার ও স্বার্থরক্ষায় সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করতে চায়। ইতোমধ্যে সংরক্ষিত নারী আসনের মাধ্যমে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে সংসদের উচ্চ কক্ষেও তাদের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের চেষ্টা থাকবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের ধারায় ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীকে সম্পৃক্ত না করলে টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন সম্ভব নয়। এজন্য দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মাধ্যমে তাদের সন্তানদের শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণ, দক্ষতা উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং স্বল্প সুদে ঋণপ্রাপ্তির ব্যবস্থা জোরদার করা হবে।

তিনি বলেন, “ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য সংরক্ষণে সরকার ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কাজ করছে। তাদের সার্বিক কল্যাণ নিশ্চিত করতে পৃথক একটি অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠার বিষয়টি সরকার গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে।”

সভায় বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য বিজন কান্তি সরকার বলেন, ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নে সরকারের আন্তরিকতার কোনো ঘাটতি নেই। শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের পাশাপাশি স্বাস্থ্য খাতেও তাদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

বিশেষ করে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর নারীদের নার্সিংসহ স্বাস্থ্যসেবা খাতে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে বিজন কান্তি সরকার বলেন, এ খাতে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির মাধ্যমে একদিকে যেমন কর্মসংস্থান বাড়বে, অন্যদিকে সমাজেও তাদের অবস্থান আরও শক্তিশালী হবে।

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা তাদের বিভিন্ন দাবি, প্রত্যাশা ও সমস্যার কথা তুলে ধরেন। তারা শিক্ষা বৃত্তি বৃদ্ধি, সরকারি চাকরিতে অংশগ্রহণের সুযোগ সম্প্রসারণ, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ, ভূমি-সংক্রান্ত জটিলতার সমাধান এবং স্থানীয় পর্যায়ে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে অধিক সম্পৃক্ততার দাবি জানান।

সভায় বক্তারা বলেন, দেশের বহুত্ববাদী সংস্কৃতি ও সামাজিক সম্প্রীতি রক্ষায় ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর অবদান গুরুত্বপূর্ণ। তাই তাদের অধিকার, মর্যাদা ও উন্নয়ন নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে আরও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা প্রয়োজন।

অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারীরা আশা প্রকাশ করেন, সরকারের ঘোষিত উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মানুষের জীবনমান উন্নয়ন এবং মূলধারার উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে তাদের অংশগ্রহণ আরও বৃদ্ধি পাবে।

এসএন/

ব্যক্তিগতভাবে আমি মৃত্যুদণ্ড বিরোধী: আইনমন্ত্রী

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ১০:২৭ পিএম
ব্যক্তিগতভাবে আমি মৃত্যুদণ্ড বিরোধী: আইনমন্ত্রী
ছবি: খবরের কাগজ

ব্যক্তিগতভাবে নিজেকে মৃত্যুদণ্ড বিরোধী হিসেবে উল্লেখ করেছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। সামাজিক বাস্তবতায় মৃত্যুদণ্ড রদ করতে চাইলে সেটা আমাদের জন্য একটা সোশ্যাল ব্যাকফায়ার করতে পারে, বলে শঙ্কা আইনমন্ত্রীর।

বুধবার (১০ জুন) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে আয়োজিত ‘লিগ্যাল রিপ্রেজেন্টেশন ইন ডেথ পেনাল্টি কেসেস ইন বাংলাদেশ: অ্যান এমপিরিক্যাল অ্যান্ড কনসেপচুয়াল অ্যানালাইসিস’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব উঠে আসে।

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘ব্যক্তিগতভাবে আমি মৃত্যুদণ্ড বিরোধী। এটা আমার মানবাধিকারের প্রতি একটি অঙ্গীকার। এই ক্যাম্পেইনের আমি একজন অংশীদার। তারপরেও কিছু কথা থেকে যায়। প্রতিটি সাধারণ নিয়মেরই ব্যতিক্রম থাকে। যখন দেখি ৮ বছরের একটি শিশুকে ধর্ষণ করার পরে হত্যা করা হয়েছে, আলামত নষ্ট করার চেষ্টা করা হয়েছে, তখন এই সমাজের একজন অংশ হিসেবে, মানুষ হিসেবে আমারও মনে হয় এদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার হওয়া প্রয়োজন।’ 

তিনি আরও বলেন, ‘৮ বছরের শিশুকে যেভাবে হত্যা করা হয়, এই সামাজিক বাস্তবতায় আমরা যদি মৃত্যুদণ্ড রদ করতে চাই, সেটা আমাদের জন্য একটা সোশ্যাল ব্যাকফায়ার করতে পারে।’

আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান বলেন, ‘প্রত্যেক আসামিরই আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার আছে। সেই লক্ষ্যে ইতোমধ্যেই আমরা গত মাসে আইনগত সহায়তা দপ্তর প্রতিষ্ঠা করেছি। প্রতিটি জেলায় লিগ্যাল এইড কমিটি গঠন করেছি। সেখানে জেলা জজের তত্ত্বাবধানে লিগ্যাল এইড কমিটি কার্যক্রম শুরু করবে। মানুষের দোরগোড়ায় লিগ্যাল এইড পৌঁছে দেওয়া আমাদের অঙ্গীকার। আমরা চাই লিগ্যাল এইড অফিস উভয়পক্ষের মধ্যে সমঝোতা প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখুক। তাহলে মামলার জট এবং হয়রানি কমবে। আমরা একটি বাধ্যতামূলক লিগ্যাল এইড দেওয়ার জন্য বিধান করতে চাচ্ছি।’

এসময় সেন্টার ফর এডভান্সড লিগ্যাল স্টাডিজের পরিচালক অধ্যাপক ড. শাহনাজ হুদার সভাপতিত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম, ডেথ পেনাল্টি প্রজেক্ট (ডিপিপি)’র উপ-নির্বাহী পরিচালক সল লরফ্রেন্ড বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্টের (ব্লাস্ট) নির্বাহী পরিচালক ব্যারিস্টার সারা হোসেনসহ আরও অনেকে বক্তব্য রাখেন। এছাড়া ওই সেমিনারে ডেথ পেনাল্টি প্রজেক্টের প্রজেক্ট ম্যানেজার কনি পার্কার ধীনাকরণ গবেষণার পরিচিতি তুলে ধরেন।

আরিফ জাওয়াদ/এসএন

বাংলাদেশের হজ ব্যবস্থাপনায় প্রশংসা সৌদি হজমন্ত্রীর

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ০৯:৫৭ পিএম
বাংলাদেশের হজ ব্যবস্থাপনায় প্রশংসা সৌদি হজমন্ত্রীর
ছবি: সংগৃহীত

ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ) এর সাথে সৌদি হজ ও উমরাহ মন্ত্রী ড. তৌফিক বিন ফাউজান আল রাবিয়াহ দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

বুধবার (১০ জুন) সকালে সৌদি আরবের রিয়াদে দ্য পিলগ্রিমস এক্সপেরিয়েন্স প্রোগ্রাম সেন্টারে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে বাংলাদেশের এ বছরের হজ ব্যবস্থাপনার উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেন সৌদি হজ ও উমরাহ মন্ত্রী। তিনি ২০২৬ সালের হজের সার্বিক ব্যবস্হাপনায় সাফল্যে বাংলাদেশ সরকারের ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমের প্রশংসা করেন এবং ধর্মমন্ত্রীকে আন্তরিক নেতৃত্বের মাধ্যমে সেবা প্রদানের  জন্য অভিনন্দন জানান। তিনি ধর্মমন্ত্রীর মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকেও আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

সৌদি হজ ও উমরাহ মন্ত্রী বাংলাদেশের এ বছরের হজ ব্যবস্থাপনায় দক্ষতা ও সুশৃঙ্খলতার ভূয়সী প্রশংসা করে আগামীতে সার্বিক হজ ব্যবস্থাপনার উন্নয়নে বাংলাদেশের সহায়তা কামনা করেন। এছাড়া, আগামি ২০২৭ সালের হজ ব্যবস্থাপনার উন্নয়নে সৌদি সরকারের গৃহীত নানা পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন তিনি।

এদিকে ধর্মমন্ত্রী কায়কোবাদ সামগ্রিক হজ ব্যবস্থাপনার অভূতপূর্ব উন্নয়নের জন্য সৌদি সরকারকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি এবারের হজ ব্যবস্থাপনায় হজযাত্রীদের নিরাপত্তা, যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ, ভীড় ব্যবস্থাপনা, তথ্য-প্রযুক্তির ব্যবহার, মাশায়েরে হাজী সেবা প্রভৃতির মাধ্যমে হজ পালনের সহায়ক পরিবেশ তৈরির জন্য সৌদি বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদ, ক্রাউন প্রিন্স ও প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন সালমান এবং সৌদি হজ ও উমরাহ মন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান। আল্লাহর মেহমানদের সেবায় হজ ব্যবস্থাপনার উন্নয়নে বাংলাদেশ সৌদি সরকারের পাশে থাকবে বলে আশ্বাস দেন ধর্মমন্ত্রী।

এ বৈঠকে সৌদিতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ দেলওয়ার হোসেন ও কাউন্সিলর (হজ) মোঃ কামরুল ইসলামসহ উভয় মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকতারা উপস্থিত ছিলেন। 

এসএন/প্রেস বিজ্ঞপ্তি

পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি ও কার্য উপদেষ্টা কমিটি গঠন

প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ০৯:৩৪ পিএম
পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি ও কার্য উপদেষ্টা কমিটি গঠন
ছবি: সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন এবং কার্য উপদেষ্টা কমিটি পুনর্গঠন করা হয়েছে।

বুধবার (১০ জুন) জাতীয় সংসদ অধিবেশনে এ-সংক্রান্ত প্রস্তাব সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়।

স্পিকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে প্রস্তাব উত্থাপন করেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মণি। সংবিধানের ৭৬ অনুচ্ছেদ ও কার্যপ্রণালী বিধির সংশ্লিষ্ট ধারার আলোকে কণ্ঠভোটে প্রস্তাবগুলো পাস হয়।

নরসিংদী-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. আব্দুল মঈন খানকে সভাপতি করে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন করা হয়েছে। 

কমিটির সদস্য হিসেবে রয়েছেন, মো. জুনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি, এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, কাজী রফিকুল ইসলাম, মইনুল ইসলাম খান, মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম, মোহাম্মদ শওকতুল ইসলাম, মোসাম্মদ ফরিদা ইয়াসমিন, মোহাম্মদ সাইফুল আলম এবং মোহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম রাশেদ।

এরপর সংসদের সম্পূরক কার্যসূচি অনুযায়ী কার্য উপদেষ্টা কমিটি পুনর্গঠন করা হয়। ভোলা-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমকে কমিটির সভাপতি মনোনীত করা হয়েছে।

কমিটির সদস্য হিসেবে রয়েছেন, সংসদ নেতা তারেক রহমান, মো. শফিকুর রহমান, ড. খন্দকার মোশারফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং সালাউদ্দিন আহমেদ।

এ ছাড়া ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মণি, মো. আসাদুজ্জামান, সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, এ টি এম আজহারুল ইসলাম, মো. নাহিদ ইসলাম এবং মো. নওশাদ জমিরকেও কার্য উপদেষ্টা কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

সংসদ সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, নবগঠিত স্থায়ী কমিটি পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম তদারকি ও পর্যালোচনায় ভূমিকা রাখবে। অন্যদিকে কার্য উপদেষ্টা কমিটি সংসদের কার্যসূচি, অধিবেশনের সময়সূচি ও আইন প্রণয়ন কার্যক্রম পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করবে।

এলিস/নাঈম