ঢাকা ৮ আষাঢ় ১৪৩৩, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
গুম ও গণহত্যার বিচারের দাবিতে মঙ্গলবার ১১ দলের সমাবেশ সুস্ময়ের আন্তর্জাতিক অলিম্পিয়াডে মেডেল জয় গাছের গায়ে যে কারণে সাদা রং দেওয়া হয় সাময়িক বন্ধের পর চালু মস্কোর ৪ বিমানবন্দর বেসরকারি সংস্থায় চাকরির সুযোগ দুর্নীতির মামলায় বিচারের মুখোমুখি স্পেনের প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী এমবাপ্পেকে থামাতে ইরাকের ৩ গোলরক্ষক খেলানোর ইচ্ছায় সাড়া দেয়নি ফিফা কওমি তরুণদের বাজেট ভাবনা শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠক ফরিদপুরে বাসচাপায় নিহত ১ চলন্ত বাইকে ইটের আঘাতে আহত সেই যুবকের মৃত্যু অস্ট্রিয়াকে নিয়ে সতর্ক স্কালোনি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায় ‘উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি’ হয়েছে : ইরান এক রাতেই ইউক্রেনের ৩০১টি ড্রোন ভূপাতিত করার দাবি রাশিয়ার নাইজেরিয়ায় অপহরণকারীদের মোকাবিলায় ১০০০ বনরক্ষী নিয়োগ ইউরোপের কয়েকটি দেশে তীব্র দাবদাহের সতর্কতা জারি বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত মৌলভীবাজারে ভারতীয় পণ্যসহ ট্রাক ও বাস জব্দ, গ্রেপ্তার ৮ ১০ মার্কিন প্রতিষ্ঠানের ওপর চীনের রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ ২২ জুন: কমেছে পাউন্ড ইউরোর দাম, বেড়েছে রিয়াল দেরহামের জীব ও পরিবেশের পারস্পরিক নির্ভরশীলতা অধ্যায়ের থেকে ৪টি অনুশীলনীর প্রশ্ন ও  উত্তর, ১ম পর্ব, পঞ্চম শ্রেণির বিজ্ঞান বার্ষিক পরীক্ষার পরপরই নতুন বই পাবে ৪ কোটি শিক্ষার্থী : এনসিটিবি চেয়ারম্যান কুড়িগ্রামে তিস্তার পানি কমছে, বাড়ছে ধরলা ব্রহ্মপুত্র ও দুধকুমারের সিরাজগঞ্জে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার সংকট নিরসনে দ্রুত ব্যবস্থা নিন কলম্বিয়ার নতুন প্রেসিডেন্ট আবেল্যার্দো দে লা এসপ্রিয়েলা রোগী সেজে ইয়াবা পাচার, স্বামী-স্ত্রী আটক ফিলিপাইনে স্কুলে বন্দুকধারীর হামলায় নিহত ৩, আহত ৫ দুই দফা কমে ৪৪৩২ টাকা বাড়ল স্বর্ণের দাম প্রধানমন্ত্রীকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানালেন আনোয়ার ইব্রাহিম আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে রাজধানীতে থাকবে ১৮০০০ পুলিশ

মধ্যপ্রাচ্যে ৭০ লাখ বাংলাদেশি চরম আতঙ্কে, দুশ্চিন্তায় স্বজনরা

মধ্যপ্রাচ্যে ৭০ লাখ বাংলাদেশি চরম আতঙ্কে, দুশ্চিন্তায় স্বজনরা
ছবি: সংগৃহীত

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক আগ্রাসনের উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে মধ্যপ্রাচ্যের বড় বড় দেশগুলোতে, যেখানে প্রায় ৭০ লাখ প্রবাসী বাংলাদেশি বিভিন্ন কাজে নিয়োজিত। যুদ্ধের পরিধি ও তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এসব প্রবাসী বাংলাদেশিরা চরম অনিশ্চয়তা ও আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। এসব প্রবাসী বাংলাদেশির পরিবার ও স্বজনদেরও দিন কাটছে দুশ্চিন্তায়। ইতোমধ্যে ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে সংযুক্ত আরব আমিরাতে ও বাহরাইনে দুই বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে এবং আরও ৫ বাংলাদেশি আহত হয়েছেন। এ অবস্থায় প্রবাসীদের নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ।

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার পর প্রবাসী বাংলাদেশিদের নিরাপত্তা ও তাদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। গতকাল সোমবার মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি নিয়ে আন্তমন্ত্রণালয় বৈঠকে এ কথা বলেন তিনি। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন-পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, শ্রম ও প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী ও প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। 

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতে দুজন বাংলাদেশি নিহত ও পাঁচজন আহত হয়েছেন। আমাদের রাষ্ট্রদূতরা সেখানে ছুটে গেছেন। কুয়েত, বাহরাইন ও কাতারের মন্ত্রীদের সঙ্গেও কথা হয়েছে। তারা আমাদের নাগরিকদের পূর্ণ নিরাপত্তা দেওয়ার বিষয়ে আশ্বাস দিয়েছেন। দেশে এসে আটকে পড়া প্রবাসীদের বিষয়ে তিনি বলেন, অনেকেই দেশে আটকে পড়েছেন। তাদের সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে। বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও বেসামরিক বিমানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা হয়েছে। বিদেশগামী যারা আটকে পড়েছেন, তাদের যাওয়ার বিষয়ে আমরা ব্যবস্থা নেব। এ সময় নিহত বাংলাদেশিদের লাশ বিমান চলাচল স্বাভাবিক হলে দেশে আনা হবে বলেও আশ্বস্ত করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

বৈঠক শেষে প্রবাসী কল্যাণ ও শ্রমবিষয়ক মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, মধ্যপ্রাচ্য থেকে বাংলাদেশি শ্রমিকদের সরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে ও  চলমান সংকট নিয়ে যৌথভাবে পররাষ্ট্র, বেসামরিক বিমান চলাচল ও প্রবাসী মন্ত্রণালয়ের মধ্যে বৈঠক হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্য থেকে লোক সরিয়ে আনার বিষয়টি পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করছে।

পরে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত ইস্যুতে নাগরিকদের সুবিধা-অসুবিধা ও তাদের নিরাপত্তা ইস্যু নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন। এগুলোকে টপ প্রায়োরিটি দিয়ে কাজ চলছে। যাদের ভিসার মেয়াদ শেষ হয়েছে ও টিকিট নিয়েছেন, তারা যেন বিপদে না পড়েন সে জন্য বৈঠক হয়েছে। বাংলাদেশি নাগরিকরা যেন সুরক্ষিত থাকে সে বিষয়েও কথা হয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থার কারণে বিভিন্ন দেশে বিমান চলাচল স্থগিত বা সীমিত হওয়ায় প্রবাসী কর্মী ও উমরাহ পালনে ইচ্ছুক যাত্রীরা মারাত্মক ভোগান্তিতে পড়েছেন। অনেকেই জরুরি প্রয়োজনে দেশে ফিরতে পারছেন না। অ্যাভিয়েশন খাতও বিপাকে। মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন রুটের ফ্লাইট স্থগিত হওয়ায় শিডিউল বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে ২৮ ফেব্রুয়ারি বিকেল থেকে ইরান, ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার ও জর্ডান তাদের আকাশসীমা সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করে। আর এ ঘোষণার সরাসরি প্রভাব পড়ে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে। ফ্লাইট বাতিলের পর হাজার হাজার যাত্রী বিমানবন্দরে  অপেক্ষার প্রহর গুনছেন। ফ্লাইট পরিচালনার ব্যাপারে তারা সঠিক কোনো তথ্য পাচ্ছেন না। অনেকের আবার ভিসার মেয়াদ শেষের পথে। 

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সূত্র জানায়, গতকাল ২ মার্চ মধ্যপ্রাচ্যগামী ৩৯টি ফ্লাইট বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এ নিয়ে গত ৩ দিনে বিভিন্ন এয়ারলাইনসের মোট ১০২টি ফ্লাইট বাতিল হলো। এর মধ্যে ২৮ ফেব্রুয়ারি ২৩টি ফ্লাইট ও ১ মার্চ ৪০টি ফ্লাইট বাতিল হয়। বর্তমানে কুয়েত, বাহরাইন, কাতার, আবুধাবি, শারজাহ, দুবাই ছাড়া অন্যান্য রুটে ফ্লাইট পুনরায় চলাচল শুরু হয়েছে।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ইরান, কাতারসহ সম্ভাব্য হামলার ঝুঁকিতে থাকা এলাকায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে বাংলাদেশ দূতাবাসগুলো। পরিস্থিতি বিবেচনায় নগদ টাকা, আইডি, হেলথ কার্ড, প্রয়োজনীয় ওষুধ, মোবাইল চার্জার ও শুকনো খাবারসহ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সবসময় নিজের সঙ্গে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। 

প্রবাসীরা জানান, বিভিন্ন দেশ তাদের নাগরিকদের ঘরের বাইরে অবস্থান করার ব্যাপারে সতর্কতা জারি করেছে। এ ছাড়া সাইরেন শুনলে নিরাপদ জায়গায় অবস্থান করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। 

এদিকে প্রবাসীদের পরিবার ও স্বজনরা টেলিভিশনের পর্দায় সব সময় চোখ রাখছেন। সুযোগ পেলেই নিজ নিজ পরিবারের সদস্যদের খবর নিচ্ছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশে ইরানের হামলার ঘটনায় উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা বাড়ছে প্রবাসী বাংলাদেশিদের পরিবারগুলোতে। প্রতি মুহূর্ত আতঙ্কে কাটছে তাদের। সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইনে ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে দুজন বাংলাদেশি নিহতের ঘটনায় উদ্বেগ আরও বাড়ছে। প্রবাসে থাকা প্রিয়জনের সুস্থতার জন্য সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করছেন পরিবারের সদস্যরা।

মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরব, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে বসবাস করা বেশ কয়েকজন প্রবাসী বাংলাদেশির পরিবারের সঙ্গে কথা হয়েছে এ প্রতিবেদকের। প্রতিটি পরিবারই প্রবাসে থাকা প্রিয়জনকে নিয়ে দুশ্চিন্তায় সময় পার করছেন। এক ধরনের হাহাকার অবস্থা বিরাজ করছে পরিবারগুলোতে।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই শহরে বসবাসরত ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার আজিজুল হক শিব্বিরের জন্যও উৎকণ্ঠায় আছেন তার স্বজনরা। শিব্বিরের মা নিলুফা বেগম জানান, যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই ছেলের জন্য দুশ্চিন্তা হচ্ছে তার। প্রতিদিনই ফোন করে খোঁজ নিচ্ছেন, ভিডিও কলে ছেলেকে দেখছেন। 

ফেনী প্রতিনিধি
সৌদি প্রবাসী আরাফাত হোসেন রিয়াদ মোল্লা জানান, খুব জরুরি প্রয়োজন ছাড়া রাস্তায় বের হতে নিষেধ করা হয়েছে। তিনি বলেন, সৌদি আরবের বিভিন্ন স্থানে হামলার খবর পাওয়া যাচ্ছে। এতে আমাদের ভয় ও আতঙ্ক বাড়ছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত বাসায় থাকতে পরিবার থেকেও বলা হচ্ছে। সব মিলিয়ে উত্তেজনাপূর্ণ অবস্থায় আছি।

সৌদি আরবের দাম্মামে অবস্থিত সৌদি আরামকোর গ্যাস প্ল্যান্টে কর্মরত ফুলগাজী উপজেলার আমজাদ হাট ইউনিয়নের প্রবাসী শরিফুল ইসলাম সাগর জানান, সকাল থেকে ইরানের ড্রোন হামলার খবর পাচ্ছি। আমরা আতঙ্কে আছি। যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। দেশ থেকে বাবা-মা বারবার ফোন দিয়ে খবর নিচ্ছেন।

একই ইউনিয়নের প্রবাসী হাসান মির্জা বলেন, গতকাল তার বাংলাদেশে যাওয়ার ফ্লাইট ছিল, কিন্তু যেতে পারিনি। ফ্লাইট বন্ধ রয়েছে। দাম্মাম বিমানবন্দরে হামলার কারণে সব ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। আমাকে নিয়ে পরিবার দুশ্চিন্তায় আছে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজায় অবস্থানরত রিয়াদ হোসেন শুভ জানান, তারা ফেনী, নোয়াখালী ও কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের কয়েকজন একসঙ্গে থাকছেন। কোম্পানি থেকে নিরাপদে থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তাই তারা নিরাপদ অবস্থানে আছেন।

কুমিল্লা প্রতিনিধি
মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ায় বাংলাদেশিদের পরিবারের সদস্যরা উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠায় দিন কাটাচ্ছেন। সংঘাত শুরুর পর থেকেই সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই, সৌদি আরবের রিয়াদ, কাতারের দোহা, বাহরাইন কিংবা কুয়েতে থাকা বাংলাদেশিরা যেমন নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন, তেমনি উৎকণ্ঠায় আছেন বাংলাদেশে থাকা তাদের পরিবারের সদস্য ও স্বজনরা।

মধ্যপ্রাচ্যের দেশ বাহরাইনের হুরা এলাকায় একটি কোম্পানিতে কাজ করা কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার মোশারফ হোসেন বলেন, ‘হামলা শুরুর পর থেকেই আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাতে হচ্ছে। কখন কী হয়, বুঝতে পারছি না। প্রথম যখন হামলা হলো আমরা ভয়ে ছোটাছুটি শুরু করলাম। পরে টেলিভিশন এবং সামাজিক মাধ্যমে এসব তথ্য ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে দেশ থেকে পরিবারের সদস্যরা আতঙ্ক নিয়ে একের পর ফোন করতে থাকে। এখন পর্যন্ত কোনো সমস্যা হয়নি, তবে শেষ পর্যন্ত কী হয় জানি না।’

চলন্ত বাইকে ইটের আঘাতে আহত সেই যুবকের মৃত্যু

প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬, ১২:৫৩ পিএম
চলন্ত বাইকে ইটের আঘাতে আহত সেই যুবকের মৃত্যু
সাজিদ চৌধুরী রাফি। ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর কাফরুলে চলন্ত মোটরসাইকেলে ইট মেরে আহত করা সাজিদ চৌধুরী রাফি (২১) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।

সোমবার (২২ জুন) সকাল ৭টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন রাফির চাচা মো. নুর হোসেন চৌধুরী।

তিনি জানান, ঘটনার দিন রাফিকে প্রথমে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরদিন ১০ জুন তাকে ঢাকা মেডিকেলের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। প্রায় ১৩দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর সে মারা গেছে।

এর আগে,গত ৯ জুন রাত সাড়ে ১২টার দিকে কাফরুল থানার পূর্ব শেওড়াপাড়ার আশরাফ আলী গলিতে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়।

ভাইরাল হওয়া সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, একটি মোটরসাইকেলে করে যাওয়ার সময় এক তরুণ রাফিকে লক্ষ্য করে ইট ছুড়ে মারে। ইটের আঘাতে তিনি মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তায় পড়ে অচেতন হয়ে যান। এ সময় মোটরসাইকেলটি তার শরীরের ওপর পড়ে থাকে। পরে ঘাতকরাই রিকশায় করে তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়।

কাফরুল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাজ্জাদ হোসেন জানান, এই ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পূর্ব শত্রুতার জেরে এই হামলার ঘটনা ঘটেছিল বলে জানা গেছে।

অন্তরা/

বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত

প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬, ১২:২০ পিএম
আপডেট: ২২ জুন ২০২৬, ১২:২৮ পিএম
বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম। ছবি: সংগৃহীত

দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

সোমবার (২২ জুন) মালয়েশিয়ায় স্থানীয় সময় সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে দেশটির প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় পেরদানা পুত্রা ভবনে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। 

দুই দেশের শীর্ষ নেতাদের এ বৈঠকে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

এছাড়া তাদের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি পর্যায়ের বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে তারা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সামগ্রিক বিষয় পর্যালোচনার পাশাপাশি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিষয়ে মতবিনিময় করেন।

আলোচনায় বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগের জন্য শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্তকরণ, বিভিন্ন কারণে অবৈধ হয়ে যাওয়া বাংলাদেশি নাগরিকদের নিয়মিতকরণ ও ওয়ার্ক পারমিট নবায়ন, বাংলাদেশের আম, ফলমূল ও শাকসবজির জন্য মালেশিয়ার বাজারে প্রবেশাধিকার বৃদ্ধি, আসিয়ানের সেক্টরাল ডায়ালগ পার্টনার হওয়ার জন্য বাংলাদেশের আবেদন, রিজওনাল কম্প্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তি, রোহিঙ্গা ইস্যু এবং জাতিসংঘ ও অন্যান্য বহুপাক্ষিক ফোরামে সহযোগিতার বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়।

বৈঠকের পর উভয় প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে সংস্কৃতি বিষয়ক একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।

এ ছাড়া সন্ত্রাসবাদ দমন বিষয়ে গবেষণা ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহযোগিতা সংক্রান্ত একটি দলিল এবং বিনিয়োগ সংক্রান্ত একটি দ্বিপাক্ষিক দলিল বিনিময় করা হয়। দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী দলিল দুটি বিনিময় করেন।

এরপর দুদেশের প্রধানমন্ত্রী একটি যৌথ সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেন। সূত্র: বাসস

অন্তরা/

বার্ষিক পরীক্ষার পরপরই নতুন বই পাবে ৪ কোটি শিক্ষার্থী : এনসিটিবি চেয়ারম্যান

প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬, ১১:৪১ এএম
বার্ষিক পরীক্ষার পরপরই নতুন বই পাবে ৪ কোটি শিক্ষার্থী : এনসিটিবি চেয়ারম্যান
এনসিটিবির নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান প্রফেসর মোহাম্মদ ফখরুল মাওলা

আগামী ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে আংশিক বই দিয়ে ‘বই উৎসব’ করার চেনা সংস্কৃতি থেকে সম্পূর্ণ বেরিয়ে আসছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)।

আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে দেশের প্রতিটি উপজেলায় সব শ্রেণির শতভাগ পরিমার্জিত বই পৌঁছে দেওয়ার রোডম্যাপ নিয়ে কাজ করছে সংস্থাটি। যাতে ডিসেম্বরের মাঝামাঝি বার্ষিক পরীক্ষা শেষ হওয়ার পরপরই চার কোটি শিক্ষার্থী নতুন বই হাতে নিয়ে বাড়ি ফিরতে পারে।

রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসসকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে এনসিটিবির নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান প্রফেসর মোহাম্মদ ফখরুল মাওলা এসব তথ্য জানান।

বছরের শুরুতে আংশিক বই বিতরণের প্রচলিত ধারা থেকে বেরিয়ে আসা প্রসঙ্গে এনসিটিবি চেয়ারম্যান বলেন, ‘আগে মোট বইয়ের ৫০ বা ৬০ শতাংশ সরবরাহের একটি প্রথা ছিল। ফলে বড় বড় মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানগুলো ঢাকা বা বড় শহরগুলোতে বই সরবরাহ করে মোটের ওপর ৫০ শতাংশের কোটা পূরণ করত।

কিন্তু প্রান্তিক পর্যায়ের অনেক উপজেলা সময়মতো পাঠ্যবই পেত না। এবার আমরা প্রেস মালিকদের স্পষ্টভাবে বলে দিয়েছি সব শ্রেণির ৫০ শতাংশ বই প্রত্যেক উপজেলায় আগে পৌঁছাতে হবে। এরপর বাকি ৫০ শতাংশ নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সরবরাহ কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে। আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে শতভাগ বই উপজেলা পর্যায়ে পৌঁছানোর জন্য মুদ্রণকারীদের সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের প্রথম টার্গেট হল যেহেতু ডিসেম্বরের প্রথম বা দ্বিতীয় সপ্তাহে শিক্ষার্থীদের বার্ষিক পরীক্ষা শেষ হয়ে যায়, তাই ১৬ থেকে ৩১ ডিসেম্বরের ছুটিকালীন সময়েই যেন তারা হাতে নতুন বই নিয়ে যেতে পারে। এটি সফল না হলে দ্বিতীয় পরিকল্পনা অনুযায়ী আগমী বছর ১ জানুয়ারির মধ্যে সব বই বিতরণ সম্পন্ন করা হবে। নতুন ক্লাসে ওঠা এবং নতুন বই পাওয়াটাই শিক্ষার্থীদের জন্য সবচেয়ে বড় উৎসব বলে আমরা মনে করি।’

প্রফেসর মোহাম্মদ ফখরুল মাওলা জানান, ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক, ইবতেদায়ী, মাধ্যমিক, দাখিল, ভোকেশনাল ও কারিগরি স্তরের জন্য মোট ৩০ কোটি ৭১ লাখ ৯৮ হাজার ১০১ কপি পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণ করা হবে। দরপত্র প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। 

মুদ্রণকারীদের গাফিলতি ও কাগজের কৃত্রিম সংকট মোকাবিলা প্রসঙ্গে এনসিটিবি চেয়ারম্যান বলেন, ‘বই ছাপার কাজ শুরু হলে বাজারে হঠাৎ কাগজের দাম বাড়িয়ে কৃত্রিম সংকট তৈরির একটা অপচেষ্টা অতীতে দেখা গেছে। এবার আমরা আগে থেকেই পর্যাপ্ত সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিচ্ছি।

শিক্ষাকে আনন্দময় করতে নতুন শিক্ষাবর্ষ থেকে কিছু বৈচিত্র্যময় বই যুক্ত হচ্ছে জানিয়ে এনসিটিবি চেয়ারম্যান বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা যেন তাত্ত্বিক পড়াশোনার বাইরে গিয়ে আনন্দ পায় এবং মোবাইল বা ফেসবুক আসক্তি থেকে দূরে থাকে, সেই লক্ষ্যেই এই পরিকল্পনা।

২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণিতে তিনটি নতুন বই যুক্ত করা হচ্ছে। এর মধ্যে ৪র্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য সাতটি খেলা (ফুটবল, ক্রিকেট, দাবা, ব্যাডমিন্টন, সাঁতার, অ্যাথলেটিক্স ও কারাতে) অন্তর্ভুক্ত করে নতুন পাঠ্যপুস্তক প্রণয়নের কাজ চলমান রয়েছে।

তিনি আরও জানান, এছাড়া ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ বা আনন্দময় শিখন ও সংস্কৃতির বই এবং টেকনিক্যাল ও ভোকেশনাল শিক্ষা (টিভিইটি) বিষয়ক উদ্দীপনামূলক ১টি পাঠ্যপুস্তক প্রণয়নের কাজ চলছে। এগুলো যাতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বাধ্যতামূলকভাবে প্রয়োগ করা হয়, সেজন্য মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)সহ শিক্ষা প্রশাসনের সর্বোচ্চ কর্মকর্তাদের সঙ্গে আমরা আলোচনা করছি, যাতে শিক্ষকদের জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনার মাধ্যমে বাস্তব রূপায়ন নিশ্চিত করা যায়।’

তিনি বলেন, ‘শিক্ষামন্ত্রী দেশে কারিগরি শিক্ষার বিষয়ে অত্যন্ত সচেতন। দেশের বেকারত্বের হার কমাতে শিক্ষিত যুবসমাজকে কর্মমুখী করাই এই সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকেই ষষ্ঠ শ্রেণিতে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার ওপর বিশেষ কনটেন্ট ও মোটিভেশনাল সাকসেস স্টোরি যুক্ত হচ্ছে, যা আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকেই শিক্ষার্থীরা বইয়ে পাবে।

আর ২০২৮ সালে যখন পূর্ণাঙ্গ নতুন কারিকুলাম আসবে, তখন কারিগরি শিক্ষাকে আরও বড়, আধুনিক এবং আন্তর্জাতিক মানদ-ে কার্যকরী পরিসরে পরিমার্জন করে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।’

আমান/

প্রধানমন্ত্রীকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানালেন আনোয়ার ইব্রাহিম

প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬, ১০:৫৩ এএম
প্রধানমন্ত্রীকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানালেন আনোয়ার ইব্রাহিম
ছবি: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ফেসবুক পেজ থেকে

কুয়ালালামপুরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানিয়েছেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম।

সোমবার (২২ জুন) স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৮টায় শাংগ্রি লা মোটর শোভাযাত্রা সহকারে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও জুবাইদা রহমান পুত্রজায়ায় প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় ‘পেরদানা পুত্রা’ ভবনে পৌঁছালে তাদের উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী ও তার সহধর্মিণী দাতুক সেরি ড. ওয়ান আজিজাহ ওয়ান ইসমাইল।

এরপর লালগালিচায় তারেক রহমান ও জুবাইদা রহমানকে মালয়েশিয়ার সশস্ত্র বাহিনীর একটি সুসজ্জিত দল গার্ড অব অনার প্রদান করে। এ সময় মালয়েশিয়া ও বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশিত হয়।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের পর সফরসঙ্গীদের সঙ্গে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে পরিচয় করিয়ে দেন তারেক রহমান। একইভাবে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী তার মন্ত্রিসভার সদস্যদের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে পরিচয় করিয়ে দেন।

পরিচয় পর্ব শেষে পরিদর্শন বইতে স্বাক্ষর করেন তারেক রহমান।

পরে উভয় প্রধানমন্ত্রী একান্ত বৈঠকে মিলিত হন।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে পুত্রজায়ায় প্রধানমন্ত্রীর ভবন অভিমুখের লম্বা সড়কের দুই পাশে টানানো হয় বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার জাতীয় পতাকা। সূত্র: বাসস

অমিয়/

জুন মাসে ডিএমপির বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ১৫৩৭

প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬, ১০:২৪ এএম
জুন মাসে ডিএমপির বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ১৫৩৭
খবরের কাগজ ইনফোগ্রাফ

রাজধানীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা ও অপরাধ দমনে চলতি জুন মাসের ১ থেকে ২০ তারিখ পর্যন্ত মহানগরের বিভিন্ন এলাকায় পরিচালিত বিশেষ অভিযানে মোট ১ হাজার ৫৩৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।

রবিবার (২১ জুন)  ডিএমপির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এই বিশেষ অভিযানে চাঁদাবাজি, ছিনতাই, ডাকাতি, সন্ত্রাস ও মাদকের মতো অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হয়েছে। গ্রেপ্তারদের মধ্যে ৫৪ জন চাঁদাবাজ রয়েছে, যাদের মধ্যে একজন পুলিশের তালিকাভুক্ত এবং বাকি ৫৩ জন তালিকাবহির্ভূত।

এছাড়া সন্ত্রাসী, দস্যু, ছিনতাইকারী ও ডাকাত চক্রের ৪৬৩ জন সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বজায় রেখে এই ২০ দিনে ১ হাজার ২০ জন মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে ডিএমপির বিভিন্ন থানা ও গোয়েন্দা বিভাগ।

শুধুমাত্র গ্রেপ্তার নয় তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

মহানগরের বাসিন্দাদের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং অপরাধমুক্ত ঢাকা গড়তে পুলিশের এই বিশেষ চিরুনি অভিযান আগামী দিনগুলোতেও অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে ডিএমপি।

আমান/