ঢাকা ৮ আষাঢ় ১৪৩৩, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

সর্বশেষ
স্মার্টফোনের নতুন সেনসেশন ‘হেলিও ৪৬’ ইরান-যুক্তরাষ্ট্র একসঙ্গে কাজ করবে: জেডি ভ্যান্স দুপুরের মধ্যে ঝড়ের শঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্কতা মালেশিয়ায় শ্রমবাজার খোলার আশা আছে জটিলতাও নায়ক হতে প্রস্তুত এমবাপ্পে সাতসকালে ঢাকার বায়ুমান নিয়ে দুঃসংবাদ রোনালদোকে পাস দেওয়ার জন্য খেলোয়াড়দেররা কি বাধ্য? আজও মেসি জাদুর অপেক্ষায় বিশ্বকাপের মঞ্চে এমবাপ্পের ‘সেঞ্চুরি’, অনন্য এক ইতিহাসের সামনে ফরাসি তারকা নির্বিচারে হত্যাযজ্ঞ চালান জিয়াউল পালানোর সময় ছাদ থেকে পড়ে আ. লীগ নেতা নিহত ৯২ শতাংশ ইসরায়েলি মনে করে ইরানই বিজয়ী ঐতিহ্যের স্থাপনা ‘গৌরীপুর লজ’ এখন ব্যাংকারদের গেস্ট হাউস নিউজিল্যান্ডের হয়ে প্রথম গোল করা কে এই ফিন সারম্যান? ২২ জুন: তুলা, বৃশ্চিক, ধনু, মকর, কুম্ভ ও মীনের আজকের রাশিফল ২২ জুন: মেষ, বৃষ, মিথুন, কর্কট, সিংহ ও কন্যার আজকের রাশিফল রূপবতী সাদা মথ গাছফড়িং ইসলামী ব্যাংক থেকে চাকরিচ্যুতদের নতুন চাকরি মিলছে না আর্জেন্টিনার সামনে এবার ইউরোপীয় পরীক্ষা, অঘটনের স্বপ্ন অস্ট্রিয়ার জয়ের খোঁজে জর্ডান-আলজেরিয়া ফিলাডেলফিয়ায় ফ্রান্স ও ইরাকের অসম লড়াই ২২ জুন  ২০২৬ তারিখের নামাজের সময়সূচি আরেকটি ঐতিহাসিক রাতের অপেক্ষায় কুরাসাও আর্জেন্টিনা-অস্ট্রিয়া ম্যাচে কার জয়ের সম্ভাবনা কত, জানাল সুপারকম্পিউটার ৩৩ ম্যাচেই ১০০ গোল! হাইড্রেশন ব্রেক নিয়ে বিয়েলসার ক্ষোভ ইরানের রক্ষণদুর্গে আটকে গেল বেলজিয়াম গোল বাতিল ইরানের, গোলশূন্য প্রথমার্ধ বিশ্বকাপে আত্মঘাতী গোলের রেকর্ড পেলের কীর্তিতে ভাগ বসালেন ইয়ামাল

টাঙ্গাইল মেডিকেলে হঠাৎ পরিদর্শন, অসন্তোষ প্রকাশ প্রতিমন্ত্রী টুকুর

প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ০৮:০০ পিএম
টাঙ্গাইল মেডিকেলে হঠাৎ পরিদর্শন, অসন্তোষ প্রকাশ প্রতিমন্ত্রী টুকুর
টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আকস্মিক পরিদর্শনে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। ছবি: খবরের কাগজ

টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আকস্মিক পরিদর্শন করে অব্যবস্থাপনা, অনিয়ম ও সেবার মান নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ও টাঙ্গাইল সদর আসনের সংসদ সদস্য সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

বুধবার (১৭ জুন) বিকালের দিকে ঢাকা থেকে সরাসরি হাসপাতালে পৌঁছে তিনি বিভিন্ন ওয়ার্ড, জরুরি বিভাগ, বহির্বিভাগ ও শৌচাগার পরিদর্শন করেন। এ সময় রোগী ও তাদের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে হাসপাতালের সার্বিক সেবা, পরিচ্ছন্নতা, ওষুধ সরবরাহ ও ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে খোঁজ নেন।

পরিদর্শনের সময় ৩৩৫ জন চিকিৎসক, নার্স ও স্টাফের মধ্যে অর্ধশতাধিকের বেশি কর্মীকে অনুপস্থিত দেখতে পান প্রতিমন্ত্রী। দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. মো. কামরুল কিবরিয়াকে তাৎক্ষণিকভাবে শোকজের নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে আগামী ১৫ থেকে ২০ দিনের জন্য সব ধরনের ছুটি বাতিলের নির্দেশনা দেন। এ সময় তিনি বলেন, 'কারও যদি এখানে চাকরি করতে ইচ্ছে না হয়, তাহলে অন্য জায়গায় চলে যাবে।'

প্রতিমন্ত্রীর আগমনের খবর ছড়িয়ে পড়লে চিকিৎসাসেবা নিতে আসা রোগী ও তাদের স্বজনরা তাকে ঘিরে ধরেন। তারা হাসপাতালের নানা অনিয়ম, ভোগান্তি, দালালচক্রের দৌরাত্ম্য এবং কাঙ্ক্ষিত সেবা না পাওয়ার অভিযোগ তুলে ধরেন। এসব অভিযোগ শোনার পর প্রতিমন্ত্রী হাসপাতালের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, অবস্থা এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে এটি প্রায় পরিত্যক্ত ঘোষণার মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে।

পরিদর্শনের সময় হাসপাতালের শৌচাগারের নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। পরে হাসপাতালের পরিচালক ডা. মোহাম্মদ আব্দুল কুদ্দুসের কাছে বিভিন্ন বিষয়ে ব্যাখ্যা চান এবং হাসপাতালকে দ্রুত সময়ের মধ্যে ঢেলে সাজানোর নির্দেশ দেন।

এ সময় দায়িত্বপ্রাপ্ত আনসার সদস্যদের সঙ্গেও কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। হাসপাতালে কীভাবে মাদকসেবী ও বহিরাগতদের অবাধ প্রবেশ ঘটছে, সে বিষয়ে কঠোর অবস্থান নেওয়ার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি হাসপাতালের শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনার নির্দেশনা দেন।

পরিচালককে উদ্দেশ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, 'হঠাৎ করে পরিদর্শনে আসার উদ্দেশ্যই ছিল প্রকৃত অবস্থা দেখা। আমরা এটাকে উন্নত করব, জায়গা আছে। কিন্তু ব্যবস্থাপনা ঠিক রাখতে হবে। হাসপাতালে যদি নেশা বা মাদক গ্রহণের পরিবেশ থাকে, তাহলে সেটা আর হাসপাতাল থাকে না। এতে কেউ নিরাপদ নয়, রোগীরাও অনিরাপদ। এটা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।'

পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, 'টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে ঘিরে অনেক অনিয়মের অভিযোগ ছিল। আকস্মিক পরিদর্শনে এসে সেগুলোর সত্যতা পেয়েছি। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও অনিয়ম দূর করে মানুষের জন্য উন্নত সেবা নিশ্চিত করা হবে। যারা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. মোহাম্মদ আব্দুল কুদ্দুস, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহবুব হাসান, প্রতিমন্ত্রীর একান্ত সচিব মোঃ আবুবকর সরকার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) এইচ এম মাহবুব রেজওয়ান সিদ্দিকী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহীন মিয়া, গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী শম্ভু রাম পাল ও টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রুহুল আমিন।

জুয়েল রানা/এসএন

দুপুরের মধ্যে ঝড়ের শঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্কতা

প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬, ০৯:১৭ এএম
দুপুরের মধ্যে ঝড়ের শঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্কতা
ছবি: খবরের কাগজ

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের ৯টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে দুপুরের মধ্যে তীব্র দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। একই সঙ্গে এসব এলাকায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। 

সোমবার (২২ জুন) দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দুপুর ১টা পর্যন্ত আবহাওয়া অধিদপ্তরের দেওয়া বিশেষ পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।  

পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, দুপুর ১টার মধ্যে ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। 

এ সময় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির শঙ্কা রয়েছে। তাই ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেয়া সতর্কবার্তায় এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

এদিকে আষাঢ়ের বৃষ্টিপাতের মধ্যেই আগামী ৫ দিনও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। সেই সঙ্গে এই ৫ দিনে দেশের কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে।

অন্তরা/

মালেশিয়ায় শ্রমবাজার খোলার আশা আছে জটিলতাও

প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬, ০৯:১১ এএম
আপডেট: ২২ জুন ২০২৬, ০৯:১৩ এএম
মালেশিয়ায় শ্রমবাজার খোলার আশা আছে জটিলতাও
ছবি: সংগৃহীত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দুই দিনের সফরে গতকাল রবিবার মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে পৌঁছেছেন। সেখানে আজ তিনি মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে প্রথমে একান্ত এবং পরে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন। বৈঠকে উভয় দেশের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক ও দুটি ‘নোট অব এক্সচেঞ্জ’ সই হওয়ার কথা থাকলেও মূল টার্গেট থাকবে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য বন্ধ শ্রমবাজার খুলে দেওয়ার ঘোষণা। যদিও প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে তার সম্ভাবনা কম। 

এই সফরে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য ফের মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খোলার প্রত্যাশা অনেক। কিন্তু এ রকম ঘোষণা আসার ক্ষেত্রে দুই দেশেই রয়েছে অনেক জটিল ও গভীর সমস্যা। কাজেই এই সমস্যাগুলোর স্থায়ী সমাধানও করতে হবে যৌথভাবে। কারণ মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগে বাংলাদেশের সরকারের ভেতরে ও বাইরের সিন্ডিকেট যেমন দায়ী, তেমনি মালয়েশিয়ার সরকারের ভেতরের ও বাইরের সিন্ডিকেটও সমানভাবে দায়ী।

এ ক্ষেত্রে একটি মজার বিষয় হচ্ছে, এই সিন্ডিকেট নির্মূলে দুই দেশের সরকারি পর্যায়ে জোরালো কোনো উদ্যোগও নিতে দেখা যায়নি। সিন্ডিকেট নির্মূল ও দুর্নীতি রোধে দুই দেশের যৌথ পদক্ষেপ নেওয়া দরকার, কিন্তু সে উদ্যোগটি অনুপস্থিত। ফলে সিন্ডিকেটের সদস্যরা বাংলাদেশে মামলা খেয়ে মালয়েশিয়া বা অন্য দেশে অবস্থান করলেও যৌথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

আবার সিন্ডিকেটের সঙ্গে মালয়েশিয়ার নাগরিক যারা জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এতে এই শ্রমবাজারের ভবিষ্যৎ কতটা স্থায়ী হবে তা নিয়ে সংশয় থেকেই যাচ্ছে। তবুও আশা, এই সফরে ইতিবাচক কিছু একটা হবে। 

অভিবাসন বিশেষজ্ঞ আসিফ মুনীর খবরের কাগজকে জানান, মালয়েশিয়ার এই শ্রমবাজারে সিন্ডিকেট প্রথা উভয় দেশের সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে শুধু বহুরূপী প্রেক্ষাপট পরিবর্তন হয়। এর বিরুদ্ধে সরকারি পর্যায়ে শক্ত অবস্থান নিতে দেখা যায়নি। না দেশে, না মালয়েশিয়ায়। সিন্ডিকেটের দুর্নীতিবাজরা নানা ভিসায় গিয়ে সে দেশে অবস্থান করলেও উভয় সরকার যৌথ পদক্ষেপ নেয়নি।

দুই দেশের মন্ত্রী পর্যায়ে এবং যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের মিটিংয়ে সংকট নিয়ে ভাসা ভাসা আলোচনা হলেও কার্যকর পদক্ষেপ আজও দেখা যায়নি। কাজেই দুর্নীতিবাজদের নির্মূল না করতে পারলে যেনতেনভাবে এই শ্রমবাজারটি খুললেও ফের বন্ধ হয়ে যাবে। এই শ্রমবাজারের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে শক্ত পদক্ষেপ না নিলে এই সংকট ফের তৈরি হবে এবং বাজারটি বন্ধ হয়ে যাবে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ‘মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার আমাদের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ। নানা কারণে এই শ্রমবাজার প্রায় দুই বছর ধরে বন্ধ হয়ে আছে। শ্রমিক নিয়োগে সিন্ডিকেট, অতিরিক্ত ব্যয়, ভিসা জটিলতা এবং নিয়োগ প্রক্রিয়ার অনিয়ম নিয়ে সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে যে মামলা আছে, সেগুলো প্রত্যাহারসহ বহু বিতর্ক রয়েছে এখানে। এই শ্রমবাজারে বাংলাদেশি কর্মীদের প্রতারণার হাজারও ঘটনা নিয়ে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন শ্রম সংস্থাগুলোর চাপে আছে মালয়েশিয়া সরকার।’

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এসব চাপ উত্তরণে উপযুক্ত পদক্ষেপ না নিলে শ্রমবাজারটি খোলার ক্ষেত্রে আরও দেরি হতে পারে। তবে আজ দুই প্রধানমন্ত্রীর একান্ত বৈঠক থেকে শ্রমবাজার পুনরায় চালুর বিষয়ে বড় সুযোগ তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানায়, শ্রমিক নিয়োগে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তির মেয়াদ এখনো শেষ হয়নি, তাই নতুন করে এ বিষয়ে কোনো চুক্তি হবে না। কিন্তু সফরে শ্রমবাজার পুনরায় পুরোপুরি সচল করা, নতুন কর্মী নিয়োগ বৃদ্ধি এবং অনিয়মিত বাংলাদেশি কর্মীদের বৈধতা দেওয়ার বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে।

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশের প্রায় আট লাখ কর্মী রয়েছেন। এর মধ্যে তিন লাখ রয়েছেন অনিয়মিত। এদের বৈধকরণের বিষয়টিও বাংলাদেশের পক্ষ থেকে তোলা হবে। যদিও এর আগে বিভিন্ন সময় বিদেশি কর্মীদের বৈধকরণ করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে একটি বড় সমস্যা হচ্ছে দেশটি বিদেশি কর্মীদের যতবারই বৈধকরণ করেছে, ততবারই নতুন করে ট্যুরিস্ট ভিসায় বা নদীপথে অবৈধ উপায়ে বিদেশি কর্মীরা ঢুকে পড়ে অধিক সংখ্যায় অবৈধ হয়েছেন। এ কারণে ফের আনুষ্ঠানিক বৈধকরণের ঘোষণা দেবে কি না, সেটি সময় বলে দেবে।

এদিকে জনশক্তি রপ্তানিকারকদের সংগঠন বায়রার নেতারা মালয়েশিয়া সফরের আগে সিন্ডিকেট বন্ধে প্রধানমন্ত্রীকে একটি স্মারকলিপি দিয়েছেন। সংগঠনের সাবেক যুগ্ম মহাসচিব ফকরুল ইসলাম জানান, অতীতের সিন্ডিকেট ব্যবস্থার কারণে মালয়েশিয়ায় কর্মীদের অভিবাসন ব্যয় অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

শত শত বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সি ব্যবসা থেকে বঞ্চিত হয়েছে। দুর্নীতি, অনিয়ম ও মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য বেড়েছে। সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে, মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বারবার সংকট ও বন্ধের মুখে পড়েছে। তিনি শ্রমবাজারটি সিন্ডিকেটমুক্ত করতে সব বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সির জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। তিনি আরও বলেন, নেপালসহ ১৪টি দেশ সিন্ডিকেটমুক্ত উপায়ে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠায়। নেপালেও সিন্ডিকেট করার চেষ্টা হয়েছিল, কিন্তু সে দেশের সরকার সেটি হতে দেয়নি। তাই শুধু বাংলাদেশি কর্মী পাঠাতেই কেন সিন্ডিকেট থাকবে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, এই সফরের প্রকৃত সাফল্য নির্ভর করবে সফর-পরবর্তী বাস্তবায়নের ওপর। অতীতে বিভিন্ন উচ্চপর্যায়ের সফরে অনেক চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই হলেও তার বাস্তব অগ্রগতি প্রত্যাশিত ছিল না। তাই এবার শুধু চুক্তি নয়, বরং এফটিএ চূড়ান্তকরণ, বাণিজ্য প্রতিবন্ধকতা দূর করা, বিনিয়োগ সহজীকরণ, ব্যবসায়িক যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং শ্রমবাজার ব্যবস্থাপনায় বাস্তব পদক্ষেপ নেওয়াই হবে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

তবে প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া সফর বাংলাদেশের জন্য নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি করতে পারে। বিশেষ করে রপ্তানি বাজার, নতুন বিনিয়োগ, নতুন কর্মসংস্থান এবং নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিতে পারে। বিশ্ব অর্থনীতির অনিশ্চয়তার এই সময়ে এই সফরকে কেবল একটি রাষ্ট্রীয় সফর নয়, বরং বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক কৌশল ও আঞ্চলিক বাণিজ্য সম্প্রসারণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। 

বর্তমানে মালয়েশিয়া বাংলাদেশের অন্যতম বড় বিদেশি বিনিয়োগকারী দেশ। দেশটির বিনিয়োগ রয়েছে জ্বালানি, অবকাঠামো, পরিবহন, লজিস্টিকস এবং শিল্প খাতে। প্রধানমন্ত্রীর সফরে নবায়নযোগ্য জ্বালানি, সেমি-কন্ডাক্টর, তথ্যপ্রযুক্তি, স্বাস্থ্যসেবা, লজিস্টিকস, বন্দর উন্নয়ন, বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং উৎপাদনশীল শিল্পে নতুন বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি আসতে পারে। বাংলাদেশের ২০ কোটির বিশাল বাজার, তরুণ কর্মশক্তি, ভৌগোলিক অবস্থান এবং ক্রমবর্ধমান মধ্যবিত্ত শ্রেণি মালয়েশিয়ার বিনিয়োগকারীদের কাছে আকর্ষণীয় হয়ে উঠতে পারে।

এ ছাড়া এই সফর আঞ্চলিক ভূ-রাজনীতিতে বাংলাদেশের জন্য নতুন সুযোগ এনে দিতে পারে। কারণ মালয়েশিয়া আঞ্চলিক সংস্থা আসিয়ানের অন্যতম সদস্যরাষ্ট্র। বাংলাদেশও আসিয়ানের সদস্য হতে চায়, এ জন্য দেশটির সমর্থন গুরুত্বপূর্ণ। মালয়েশিয়াতেও রয়েছে দুই লক্ষাধিক রোহিঙ্গা। বাংলাদেশে আছে ১৩ লাখ। এসব রোহিঙ্গা মায়ানমারে প্রত্যাবাসনের লক্ষ্যে মালয়েশিয়ার মাধ্যমে আসিয়ানকে সম্পৃক্ত করার সুযোগ আছে। এ নিয়ে দুই প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে আলোচনাও হবে বলে কূটনীতিক সূত্র নিশ্চিত করেছে। 

সাতসকালে ঢাকার বায়ুমান নিয়ে দুঃসংবাদ

প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬, ০৮:৫৭ এএম
সাতসকালে ঢাকার বায়ুমান নিয়ে দুঃসংবাদ
ছবি: সংগৃহীত

মেগাসিটি ঢাকার বাতাসে দিন দিন বাড়ছে দূষণ। মাঝে মাঝে বৃষ্টি হলে শহরটির বায়ুমানে কিছুটা উন্নতি হয়। তবে বৃষ্টিপাত হওয়ার পরেও ঢাকার বাতাসে দেখা দিয়েছে স্বাস্থ্যঝুঁকি।

সোমবার (২২ জুন) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে আন্তর্জাতিক বায়ুমান প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ারের তথ্যানুযায়ী, ২৫৩ স্কোর নিয়ে প্রথম অবস্থানে উঠে এসেছে ভারতের রাজধানী দিল্লি, যা সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত।

একই সময়ে বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় ১৬৭ স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে রাজধানী ঢাকা। এ ছাড়া ১৬৭ স্কোর নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ইন্দেনেশিয়ার জার্কাতা, ১২৭ স্কোর নিয়ে চর্তুথ অবস্থানে রয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই শহর এবং এবং পঞ্চম অবস্থানে থাকা ইসরাইলের তেল আবিবের স্কোর ১০৯।

বৈশ্বিক মানদণ্ড অনুযায়ী, বায়ুমান সূচক ৫০-এর নিচে থাকলে বিশুদ্ধ বাতাস ধরা হয়। ৫১ থেকে ১০০ হলে তা সহনীয়। ১০১ থেকে ১৫০-এর মধ্যে হলে সতর্কতামূলক বা সংবেদনশীল মানুষের (শিশু ও বয়স্ক ব্যক্তি) জন্য অস্বাস্থ্যকর। ১৫১ থেকে ২০০ হলে সবার জন্য অস্বাস্থ্যকর এবং সূচক ২০১ থেকে ৩০০ হলে বাতাসকে খুব অস্বাস্থ্যকর বলা হয়। আর সূচক ৩০০ ছাড়ালে সেই বাতাস দুর্যোগপূর্ণ।

বায়ুদূষণ সব বয়সের মানুষের জন্য ক্ষতিকর। তবে শিশু, অসুস্থ ব্যক্তি, প্রবীণ ও অন্তঃসত্ত্বাদের জন্য এটি বেশি বিপজ্জনক।

অন্তরা/

বাড়ছে নদ-নদীর পানি, বন্যার শঙ্কা

প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬, ১২:০৬ এএম
বাড়ছে নদ-নদীর পানি, বন্যার শঙ্কা
পাহাড়ি ঢলে তলিয়ে গেছে সড়ক, ছবিটি সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার বাগলী বাজার থেকে তোলা। ছবি: খবরের কাগজ

টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে দেশের বিভিন্ন জেলায় নদ-নদীর পানি বেড়ে যাচ্ছে। এর ফলে উত্তরাঞ্চলে বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এরই মধ্যে কোথাও সড়ক তলিয়ে যোগাযোগব্যবস্থা ব্যাহত হচ্ছে, কোথাও দেখা দিয়েছে নদীভাঙন। একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে ঘরবাড়ি, কৃষিজমি ও স্থানীয় অবকাঠামো। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে সিলেটের সাদাপাথর পর্যটন কেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। ব্যুরো ও প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর-

লালমনিরহাট: উজানের পাহাড়ি ঢল ও থেমে থেমে বৃষ্টিতে জেলার তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। রবিবার দুপুর ১২টা ও বেলা ৩টায় তিস্তা ব্যারাজের ডালিয়া পয়েন্টের পানি বিপৎসীমার মাত্র ১৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়। ফলে তিস্তার নিম্নাঞ্চলে বন্যা হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

কুড়িগ্রাম: তিস্তা নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে কাউনিয়া পয়েন্টে বিপৎসীমার ২৮ সেন্টিমিটার নিচ প্রবাহিত হচ্ছে। জেলার অন্যান্য নদ-নদীর পানিও বাড়ছে। রবিবার সকালে কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, আগামী পাঁচ দিন পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকতে পারে। এতে তিস্তা, ধরলা, ব্রহ্মপুত্র ও দুধকুমার নদের অববাহিকার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এতে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন নদী তীরবর্তী এলাকার বাসিন্দারা।

রংপুর: উজানের পাহাড়ি ঢলের তীব্র স্রোতে জেলার গঙ্গাচড়ায় মহীপুর দ্বিতীয় তিস্তা সেতুর রক্ষা বাঁধে ভাঙন দেখা দিয়েছে। প্রায় ৮৫০ মিটার দীর্ঘ বাঁধের মধ্যে অন্তত ৬০ মিটার অংশ নদীগর্ভে চলে গেছে। এতে দ্বিতীয় তিস্তা সেতু ও রংপুর-লালমনিরহাট আঞ্চলিক সড়ক হুমকির মুখে পড়েছে।

শনিবার তিস্তার পানি বিপৎসীমার ৫ সেন্টিমিটার নিচে প্রবাহিত হওয়ায় ব্যারাজ কর্তৃপক্ষ ৪৪টি কপাট খুলে দেয়। এতে কয়েকটি গ্রামের প্রায় ১ হাজার ৪০০ পরিবার ভাঙন আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে।

সিরাজগঞ্জ: উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও বৃষ্টিপাতে সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। শনিবার দুপুরে পানির তীব্র স্রোতে সদর উপজেলার রতনকান্দি ইউনিয়নের বাহুকা গ্রামে নদীর তীর রক্ষা বাঁধের ৩০ মিটার অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। এতে নদীপাড়ের মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। হুমকির মুখে রয়েছে ফসলি জমি ও বসতভিটা। ভাঙন রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ড জিও ব্যাগ ভর্তি বালুর বস্তা ফেলছে।

সুনামগঞ্জ: কয়েক দিনের টানা ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে জেলার সব নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার কাছাকাছি অবস্থান করছে। তাহিরপুর উপজেলার যাদুকাটা নদীর পানি উপচে আনোয়ারপুর সড়ক ডুবে যাওয়ায় যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে।

সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, আগামী তিন দিন ভারী বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢল অব্যাহত থাকলে যেকোনো সময় পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে। এতে বন্যা পরিস্থিতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

সিলেট: দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে পর্যটকদের নিরাপত্তার স্বার্থে সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সাদাপাথর পর্যটন কেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা করেছে প্রশাসন। রবিবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ রবিন মিয়া স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

তবে উজানে বৃষ্টি অব্যাহত থাকায় জেলার কয়েকটি নদীর পানি বাড়ছে। বিশেষ করে সুরমা নদীর কানাইঘাট পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি পৌঁছেছে। এ কারণে বন্যার শঙ্কা প্রকাশ করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)।

রবিাবর সকাল ৯টা পর্যন্ত পাউবোর বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, জেলার কোনো নদীর পানি এখনো বিপৎসীমা অতিক্রম করেনি। তবে সুরমা, কুশিয়ারা, গোয়াইন ও পিয়াইন নদীর কয়েকটি পয়েন্টে পানি বাড়ছে। সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে সুরমা নদীর কানাইঘাট পয়েন্ট। সেখানে বিপৎসীমা ১২ দশমিক ৭৫ মিটার হলেও সকাল ৯টায় পানির সমতল ছিল ১২ দশমিক ১৪ মিটার অর্থাৎ পানি বিপৎসীমার মাত্র ৬১ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

মালয়েশিয়ায় কারাবন্দি বাংলাদেশিদের মুক্তিতে উদ্যোগের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশ: ২১ জুন ২০২৬, ১০:৫৮ পিএম
আপডেট: ২১ জুন ২০২৬, ১১:০১ পিএম
মালয়েশিয়ায় কারাবন্দি বাংলাদেশিদের মুক্তিতে উদ্যোগের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর
ছবি: সংগৃহীত

প্রথম রাষ্ট্রীয় সফরে মালয়েশিয়ায় পৌঁছেই প্রবাসী বাংলাদেশিদের আয়োজিত মতবিনিময় সভায় যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

রবিবার (২১ জুন) মালয়েশিয়ার স্থানীয় সময় রাত পৌনে ১১টায় কুয়ালালামপুরের হোটেল সাংগ্রিলায় এই মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।

 এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান উপস্থিত ছিলেন।

এসময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, মালয়েশিয়ায় বহু বাংলাদেশি শ্রমিক কাজ করেন। অনেক প্রবাসী বিভিন্ন কারণে দেশটির কারাগারে আটকে আছেন, এ সংখ্যা প্রায় দুই হাজার। কীভাবে তাদের মুক্ত করা যায়, সেই চেষ্টা করা হবে।

তিনি বলেন, মালয়েশিয়ায় যেন অদক্ষ শ্রমিক না আসে সেজন্য টেকনিক্যাল প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরো কার্যকর করা হবে। মালয়েশিয়ায় প্রবাসী শ্রমবাজার খুলে দিতে দেশটির সরকারের সঙ্গেও আলোচনা করা হবে।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী সরকারের মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টারা এবং মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মনজুরুল করিম খান চৌধুরীসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

এর আগে রবিবার স্থানীয় সময় রাত ৮টা ৩৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রথম রাষ্ট্রীয় সফরে মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে পৌঁছান। সেখানে তাকে লালগালিচা সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

এসএন/